এসএসসির ফলাফল

এসএসসির ফলাফল

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার পাসের হার বেড়েছে। তবে কমেছে জিপিএ-৫ এর হার। এবার ১০ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। গতবারের পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। সে হিসাবে পাসের হার বেড়েছে ৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ১০ হাজার ৬২৯ জন। এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪। সেই হিসেবে কমেছে ৫ হাজার ৩৫ জন। গত সোমবার রাজধানীতে শিক্ষামন্ত্রী দীপুমনি এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এবার ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সারা দেশের ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ১৬৫ জন। পাসের হার ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। সব উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকের প্রতি আমাদের অভিনন্দন। যারা উত্তীর্ণ হতে পারেনি, তাদের ধৈর্য্য ধরে মনোযোগ সহকারে পুনরায় প্রস্তুতি নিতে হবে। ফল প্রকাশের পর সারা দেশের স্কুল আঙিনাগুলো পরিণত হয় উৎসবের মঞ্চে। শিক্ষার্থীদের সাফল্যের আনন্দ ছুঁয়ে যায় অভিভাবক, শিক্ষকদের। আনন্দের ফল্গুধারা বয়ে যায় লাখো শিক্ষার্থীর হৃদয়ে। তারা খুঁজে পেয়েছে স্কুলের, গন্ডি পেরিয়ে কলেজে ভর্তির ছাড়পত্র। প্রত্যাশিত ফল পেয়ে জুড়িয়ে গেছে কিশোর হৃদয়। অবশ্য সর্বোচ্চ ফল না পেয়ে কারও মুখের হাসি ম্লান হতেও দেখা গেছে। মাধ্যমিকে এবার সারা দেশে ফেল করেছে তিন লাখ ৭৮ হাজার ৬৫০ জন। বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ফেল করার মূল কারণ, গণিতের ফল খারাপ। মাধ্যমিকের চৌকাঠ পেরোতে না পারা এসব কিশোর-কিশোরীর মধ্যে প্রায় দুই লাখই মানবিকের। এ বছর মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য ছাত্র-ছাত্রীরা কড়াকড়ির কারণে বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। এ রকম ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা সাড়ে পাঁচ লাখ। পর্যবেক্ষকদের মতে, এরা কোনোভাবে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারলে অকৃতকার্যের হার আরও বাড়ত। শুধু পাসের হার বৃদ্ধি নয়, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতে মান সম্মত শিক্ষাদান নিশ্চিত হয় সে ব্যাপারে সরকারকে যতœবান হতে হবে।