এবার শুধু ত্বক নয়, মেদ ঝরাতেও অ্যালোভেরা কাজে লাগান

রুক্ষ, শুষ্ক ত্বকের পরিচর্যায় অ্যালোভেরার কার্যকারিতা সম্পর্কে আমরা অনেকেই কম-বেশি জানি। ত্বকের যত্নে অনেকেই নিয়মিত অ্যালোভেরার রস বা অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু  ওজন কমাতেও সাহায্য করে অ্যালোভেরা । অ্যালোভেরাতে আছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিকঅ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিনএ, বি৬,বি২ ইত্যাদি।

অ্যালোভেরার জেল রুপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যবহার হয়ে আসছে। অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যালোইন নামের প্রোটিন যা সরাসরি ফ্যাট না কমালেও শরীরে জমে থাকা টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। তবে একটা বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। অ্যালোভেরার রস বেশি পরিমাণে শরীরে গেলে পেটের সমস্যা, ডায়রিয়া হতে পারে। তাই অ্যালোভেরার রস খান সঠিক পরিমাণে। অ্যালোভেরার জুস বানিয়ে খেতে পারেন ।

অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। এক গ্লাস জলে ৫০ মিলিলিটার অ্যালোভেরা রস মিশিয়ে দিনের যে কোনও সময় খেতে পারেন।

ব্লাড সুগার, হজমের সমস্যা, পাকস্থলির সমস্যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে এই রস। হজমশক্তি বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা জুসের জুড়ি নেই। এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করে অন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া রোধ করে। যা হজমশক্তি বাড়িয়ে থাকে।তবে সাবধান! গর্ভবতী মহিলাদের জন্য অ্যালোভেরার রস মারাত্মক ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়াতে পারে। র্ভবতী মহিলা বা নতুন মায়েদের ক্ষেত্রে মারাত্মক ক্ষতিকর এই রস। কারণ অ্যালোভেরার রস জরায়ু বা ইউটেরাসের সংকোচন ঘটায়। এ ছাড়াও, অন্ত্রনালীতে নানা সমস্যার সৃষ্টি করে।