এবার মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে...

এবার মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে...

বিনোদন প্রতিবেদক :  গত ২১ জুন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক ওয়াকিল আহমেদ’র মা ইন্তেকাল করেছেন। যে কারণে বিগত বেশকিছুদিন যাবত তার মনটা ভীষণ খারাপ। যেন কোন কাজেই তিনি মন বসাতে পারছেন না। তারপরও জীবন যেহেতু থেমে থাকেনা, তিনিও থেমে নেই তার সৃষ্টিশীল কাজে। এরইমধ্যে তিনি হুমায়ূন হাসানের একটি উপন্যাস থেকে মুক্তিযুদ্ধের একটি গল্পের চিত্রনাট্য দাঁড় করাচ্ছেন। ওয়াকিল আহমেদ জানান এবারই তিনি প্রথমবারের মতো মুক্তিযুদ্ধের গল্প নিয়ে সিনেমা নির্মাণ করতে যাচ্ছেন। বর্তমানে গল্পের কাজ নিয়েই ব্যস্ত তিনি। যেহেতু নিজেই একজন কাহিনীকার, তাই তিনি নিজের মতো করেই সময় নিয়ে গল্পটা ভালোভাবে দাঁড় করানোর চেষ্টা করেন তিনি। কবে শুরু হতে পারে আপনার নতুন এই সিনেমার কাজ? এমন প্রশ্নের জবাবে ওয়াকিল আহমেদ বলেন,‘ আগামী বছরের শুরুতে আশা রাখছি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমার স্বপ্নের সিনেমার কাজ শুরু হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে সিনেমাটি শুধুমাত্র দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য নির্মাণ করতে চাই।

 আশাকরি সবকিছু ভালোয় ভালোয় করতে পারবো, বাকীটা মহান আল্লাহর ইচ্ছা।’ ওয়াকিল আহমেদ নির্মিত সর্বশেষ সিনেমা পরীমণি ও বাপ্পী অভিনীত ‘কতো স্বপ্ন কতো আশা’। তিনি দীর্ঘদিন হাফিজ উদ্দিন ও শিবলী সাদিকের সহকারী হিসেবে কাজ করেছিলেন। তার নির্মিত প্রথম সিনেমা ‘সৎ মানুষ’। এই সিনেমার ‘কে বলে আমি ভালো না , কে বলে আমি ভালো না’ গানটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো। সৈয়দ আব্দুল হাদীর কন্ঠে হুমায়ূন ফরীদির লিপে গানটি দর্শকের মুখে মুখে এখনো প্রায়শই শোনা যায়। এরপর তিনি ‘প্রেমের অধিকার’, ‘অধিকার চাই’, ‘ভুলোনা আমায়’, ‘ভালোবাসার দুশমন’, ‘কে আমি’, ‘সেরা নায়ক’, নির্মাণ করেন। চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত ‘মেঘের পরে মেঘ’, ‘শোভা’, ‘ভুল যদি হয়’ সিনেমার চিত্রনাট্য করেছেন তিনি। ১৯৯৮ সালে তিনি ‘অধিকার চাই’ সিনেমার ‘তীরে তীরে নাহি ভীড়ে’ গানটির জন্য শেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে পুরস্কৃত হন। আলম খানের সুর সঙ্গীতে গানটি গেয়েছিলেন সৈয়দ আব্দুল হাদী। গানটি আনোয়ার হোসেনের লিপে গিয়েছিলো। ওমরসানী-মৌসুমীর প্রযোজনা সংস্থা ‘সেঞ্চুরী’ থেকে ওয়াকিল আহমেদ ‘নারাজ’ নামের একটি সিনেমা নির্মাণ শুরু করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা শেষ হয়নি। এই সিনেমাতেই প্রথম তারিক আনাম খান খলনায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন।
ছবি ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার