এক মাস পর হাসপাতাল ছাড়লেন ওবায়দুল কাদের

এক মাস পর হাসপাতাল ছাড়লেন ওবায়দুল কাদের

স্টাফ রিপোর্টার : দীর্ঘ এক মাস পর সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সিঙ্গাপুর সময় গতকাল শুক্রবার বিকাল সোয়া ৩টায় (বাংলাদেশ সময় দুপুর সোয়া ১টায়) মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল ছাড়েন তিনি। এ তথ্য নিশ্চিত করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা আবু নাসের টিপু জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ফলোআপ চিকিৎসার জন্য আরও কিছুদিন তিনি সেখানে একটি ভাড়া বাসায় অবস্থান করবেন। ওই বাসায় থেকেই আরও চিকিৎসা নেবেন তিনি। তিনি আরো জানান, ওবায়দুল কাদের বর্তমানে সুস্থ আছেন। তার রক্তচাপ স্বাভাবিক এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এর আগে হাসপাতাল লবিতে উপস্থিত পরিবারের সদস্য ও অন্যান্যদের এ তথ্য জানান মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসা সমন্বয়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক এবং নিউরোলজিস্ট অধ্যাপক আবু নাসার রিজভী।

 এ সময় তিনি বলেন, আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ফলোআপ চিকিৎসায় থাকবেন। এরপর চিকিৎসকের পরামর্শের ভিত্তিতে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। সামগ্রিক সুস্থতার জন্য ওবায়দুল কাদেরের পরিবারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা এবং দেশবাসীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। গেল ৫ মার্চ থেকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন কাদের। এর এক মাস পর গতকাল ৫ এপ্রিল সেখানকার সময় বিকাল তিনটায় তিনি হাসপাতাল থেকে রিলিজ পেলেন। এ সময় সেখানে তার সঙ্গে ছিলেন কাদেরের সহধর্মিনী অ্যাডভোকেট ইসরাতুন্নেসা কাদের, কাদেরের ছোটভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মীর্জাসহ পরিবারের সদস্যগণ ও সিঙ্গাপুরস্থ বাংলাদেশ কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, ৬৭ বছর বয়সী ওবায়দুল কাদের হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ছাড়াও শ্বাসতন্ত্রের জটিল রোগে ভুগছেন। গত ৩ মার্চ ভোররাতে শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কারা হয়। এনজিওগ্রামে তার হৃৎপিণ্ডের রক্তনালিতে একাধিক ব্লক ধরা পড়ে। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৫ মার্চ এয়ার এম্বুলেন্সে করে কাদেরকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে ২০ মার্চ তার বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়। শারীরিক অবস্থার ক্রমশ উন্নতি হলে ২৬ তারিখ আইসিইউ থেকে কেবিনে নেয়া হয়।