আলাউদ্দীন আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক

আলাউদ্দীন আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক

বিনোদন প্রতিবেদক : বরেণ্য সংগীত পরিচালক আলাউদ্দীন আলীর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার রক্তচাপ কমে যাচ্ছে, জ্ঞানের মাত্রা কমে যাচ্ছে, ফুসফুসের অবস্থা একবারেই নাজুক। তিনি এখন আর তেমন সাড়া দিচ্ছেন না। পাশাপাশি রক্তে সংক্রমণও অনেক বেড়ে গেছে। এ পরিস্থিতিতে যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী গতকাল শনিবার বেলা তিনটায় এমনটাই জানালেন। আলাউদ্দীন আলী এখন এই হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটায় তাকে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়। গতকাল দুপুরে সাতজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড আলাউদ্দীন আলীর চিকিৎসা পর্যালোচনা করেছে।‘ফাগুন হাওয়ায় ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে মফস্বলের গল্প বলতে চেয়েছি’তৌকীর আহমেদ। অভিনেতা ও নির্মাতা। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে তার পরিচালিত ষষ্ঠ ছবি ‘ফাগুন হাওয়ায়। সম্প্রতি অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে ছবিটির ট্রেইলার। এ ছবি ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হয় তার সঙ্গে-
আপনার পরিচালিত আগের চলচ্চিত্রগুলো থেকে ‘ফাগুন হাওয়ায়’ কতটা ভিন্ন?
আমার নির্মিত ছবিগুলো খেয়াল করলে দেখবেন প্রতিটিই কিন্তু আলাদা বিষয় নিয়ে নির্মাণ করেছি। সেই ধারাবাহিকতায় এবারের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ‘এক মফস্বলের গল্প’ বলতে চেয়েছি। ছবিটির মধ্যে প্রেম যেমন আছে, ঠিক তেমনি বেদনাও আছে। সবমিলিয়ে বলতে পারি দর্শক ছবিটি দেখে বেশ ভালো অভিজ্ঞতা নিয়েই বাড়ি ফিরবেন।
ছবি নির্মাণে ভাষা আন্দোলনকে বেছে নেওয়ার কারণ কী?
আমাদের জাতীয় জীবনে এককুশ ফেব্রুয়ারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যার ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধের সূচনা এবং স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম। এই যে এত বড় ঘটনা- এটা কেন সিনেমায় উঠে আসবে না? অনেক আগে থেকেই ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট নিয়ে ছবি নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলাম। দীর্ঘ প্রস্তুতির পর অবশেষে ‘ফাগুন হাওয়া’ নির্মাণ করেছি। শুধু আমি নই, ছবির অভিনয়শিল্পী থেকে শুরু করে কলাকুশলী সবাই যার যার সেরা কাজটা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক ঘটনা ছবিতে তুলে আনা কতটুকু চ্যালেঞ্জিং ছিল?ভাষা আন্দোলনের পুরো ইতিহাস একটি ছবির ফ্রেমে বন্দি করা সম্ভব নয়। আর একটা নির্দিষ্ট সময়ের গল্প এই সময়ে বলাটা কিন্তু একটু কঠিনই। আমার এই ছবির সময়কাল ১৯৫২ সাল। ফলে ছবিতে বায়ান্নর সময়টা ফুটিয়ে তোলাটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। ছবিতে ব্যবহার করা পুলিশের গাড়ি, মোটরসাইকেল, টাইপরাইটার, রাস্তাঘাট, বাড়ি সবই সেই সময়ের মতো করে করার চেষ্টা করেছি। ‘ফাগুন হাওয়ায়’ ছবিতে আমরা একটি মফস্বলের গল্প বলেছি। যা সেই সময়ের ঢাকার সঙ্গে সম্পর্কিত। এবার একটু অন্য প্রসঙ্গে আসা যাক। সম্প্রতি কলকাতার একটি ওয়েব ফিল্ম পরিচালনা করেছেন। কাজের অভিজ্ঞতা ছিল কেমন?
সময়ের সঙ্গে নতুন নতুন কাজের সঙ্গে পরিচিত হতে হয়। এখন দুনিয়াজুড়েই ওয়েব ফিল্মের নাম শুনছি। ভাবতে ভালো লাগছে নতুন এই ধারার সঙ্গে নিজেও জড়িয়েছি। এখানে বাজেট ভালো। টেলিভিশনের চেয়ে সুযোগ-সুবিধাও বেশি থাকে। কাজেও অনেক স্বাধীনতা পেয়েছি। সব মিলিয়ে প্রথমবার এ ধরনের কাজের অভিজ্ঞতা বেশ ভালো ছিল। কলকাতার স্বনামধন্য প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মস চারটি প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে আমি নির্মাণ করেছি ৪৫ মিনিটের ‘বিরহ উত্তর’। আসছে ফেব্রুয়ারিতে ইউটিউব চ্যানেল ‘হইচই’য়ে এটি মুক্তি পাবে।