আর বাকি ৭ দিন দলগুলো পৌঁছতে শুরু করেছে রাশিয়ায়

আর বাকি ৭ দিন দলগুলো পৌঁছতে শুরু করেছে রাশিয়ায়

স্পোর্টস রিপোর্টার : আর মাত্র ৭ দিন বাকি। এরপর শুরু হয়ে যাবে বিশ্বকাপ ফুটবল। বিশ্ব মাতবে ফুটবলে। প্রস্তুত সম্পন্ন স্বাগতিক রাশিয়ার। প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে অংশগ্রহণকারী ৩২টি দলও। ইতিমধ্যে রাশিয়ায় পা রাখতে শুরু করেছে তারা। সবার আগে রাশিয়ায় পা রাখলো ইরান ফুটবল দল। মঙ্গলবার মস্কোর স্থানীয় সময় ৮টা ২৬ মিনিটে নুকোভো এয়ারপোর্টে পৌঁছায় তারা। বিমানবন্দরে দলটিকে বরণ করে নেয় বিশ্বকাপের স্থানীয় আয়োজক কমিটির কর্মকর্তারা।

এয়ারপোর্টে নেমে ইরানের পর্তুগিজ কোচ কার্লস কুইরোজ বলেন, ‘ইরানের স্বপ্ন সত্যি হয়ে আসছে। কঠোর পরিশ্রম এবং নিজেদের উৎসর্গ করার মাধ্যমে আমাদের সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হবে। পৃথিবীর সেরা দলগুলোর সঙ্গে খেলে এই বিশ্বকাপের অন্যতম অংশ হতেই এসেছে ইরান। আমরা এখানে এসেছি যতটা সম্ভব আমাদের স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় সে লক্ষ্যে। এই বিশ্বকাপকেই আমাদের সেরা বিশ্বকাপ করার জন্য চেষ্টার কোন ত্রুটি থাকবে না। খেলোয়াড়, সমর্থক এবং রাশিয়ার সব মানুষকে ধন্যবাদ জানাই বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য। শুভকামনা বিশ্বকাপের সকল দলের জন্য।’

ইরানের দলটি ক্যাম্প হিসেবে ব্যবহার করবে রাশিয়ার লুকোমটিভ মস্কোর ট্রেনিং সেন্টারটি। আগামী ১৫ই জুন মরক্কোর বিপক্ষে বিশ্বকাপে ইরান তাদের বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করবে। এশিয়ার প্রথম দল হিসেবে এবারের বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়া বি-গ্রুপে ইরানের সঙ্গে বাকি দুই দল স্পেন ও পর্তুগাল। এর আগে চার বার বিশ্বকাপ খেললেও গ্রুপ পর্ব উৎরাতে পারেনি ইরান।

ইসরায়েলের বিপক্ষে খেলবে না আর্জেন্টিনা
রাশিয়া বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার জন্য দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ বরাদ্দ ছিল। এরমধ্যে হাইতির বিপক্ষে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে ৪-০ ব্যবধানে জিতেছে আর্জেন্টিনা। মেসি ওই ম্যাচে করেছেন হ্যাটট্রিক। তবে জেরুজালেমে ইসরায়েলের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার প্রস্তুতি ম্যাচটি বাতিল করা হয়েছে। আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন ইসরায়েলে গিয়ে ওই ম্যাচ খেলবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আগামী ৯ জুন রাশিয়া যাওয়ার আগে ইসরায়েলে এসে মেসিদের একটি প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা ছিল। তার জন্য বার্সেলোনায় প্রস্তুতি নিচ্ছিল হোর্হে সাম্পাওলির দল। কিন্তু ওই ম্যাচ নিয়ে ফিলিস্তিনি তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়ে। মেসিদের ইসরায়েলে এসে ম্যাচ খেলা উচিত নয় বলে দাবি করে দেশটির সমর্থকরা। তাতেও যখন ম্যাচ বাতিলের কোন সম্ভাবনা তৈরি হয়নি তখন মেসিদের বিভিন্ন ধরণের হুমকি দিয়েছে ফিলিস্তিনি।