আমাদের লক্ষ্য উন্নত বাংলাদেশ গড়া এলজিআরডি মন্ত্রী

আমাদের লক্ষ্য উন্নত বাংলাদেশ গড়া  এলজিআরডি মন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম বলেছেন, আগামী পাঁচ বছর বাংলাদেশে তাক লাগানো উন্নয়ন হবে। উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নবগঠিত মন্ত্রিপরিষদ কাজ করবে। আমাদের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশ গড়া।মন্ত্রী গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওস্থ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের ব্রীফকালে এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে। তিনি অন্যায় ও অবিচার মুক্ত একটি গর্বিত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু তাঁকে হত্যার কারণে স্বাধীনতার সুফল জনগণের নিকট পৌঁছে দেয়া সম্ভব হয়নি। এই হত্যার কারণে বাংলাদেশের উন্নয়ন স্থিমিত হয়ে গেছে। জাতির পিতার সোনার বাংলা গঠনের আশা-আকাঙ্খা অপূর্ণ রয়ে গেছে।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর উন্নত বাংলাদেশ গড়ার জন্য একটি পথনকশাঁ তৈরি করে গত দশ বছর দেশ পরিচালনা করার কারনে আমরা একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হতে পেরেছি। তিনি বলেন, গ্রামীণ জনপদে শহরের সুবিধা নিশ্চিত করতে গৃহীত সকল প্রক ল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নবগঠিত মন্ত্রিপরিষদ এবং মেধাবী ও দেশপ্রেমিক কর্মকর্তাগণ উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর দাপ্তরিক ও উন্নয়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা, পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতায় বলেন, আমরা দেশ থেকে দারিদ্র ও দুর্নীতি দূর করাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি।

 আমরা স্বপ্ন নয় উন্নত বাংলাদেশ গড়াকে অঙ্গীকার হিসেবে নিয়েছি। গ্রামে শহরের নাগরিক সুবিধা দেয়ার পাশাপাশি শহরমুখী ¯্রােত থামাতে গ্রামে কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে।এসময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব এস এম গোলাম ফারুক এবং এলজিইডি-র প্রধান প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন।ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, নগরবাসীর উন্নত জীবনমান নিশ্চিতে আমরা কাজ করছি। সময়ের পরিক্রমায় এ শহর বদলে যাবে। নতুন প্রজন্ম একটি আধুনিক ঢাকা পাবে।এর আগে মন্ত্রী এলজিইডি-র বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শন করেন এবং বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল এ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ও মোনাজাতে অংশ নেন।