আমাদের কর্মেই আমাদের ভবিষ্যত

আমাদের কর্মেই আমাদের ভবিষ্যত

আতাউর রহমান মিটন : আজ ১৬ অক্টোবর, বিশ্ব খাদ্য দিবস। জাতিসংঘের উদ্যোগে বিশ্বের সকল দেশে যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালিত হচ্ছে। এমন এক সময়ে বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত হচ্ছে যখন পৃথিবীতে প্রায় ৮২ কোটি মানুষ তিনবেলা প্রয়োজনীয় খাবার পাচ্ছে না। বাংলাদেশে এই সংখ্যা প্রায় চার কোটি। বিশ্বে এই চিত্র প্রতি আটজনে প্রায় একজন আর বাংলাদেশে এই সংখ্যা প্রতি চার জনে একজন প্রায়। তা সত্বেও, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি একটি ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ, ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়ে তোলা সম্ভব। ক্ষুধার অবসান বলতে কেবল পেটে কিছু দানা-পানি দেয়া বুঝায় না। বিশ্বব্যাপী এটি পরিমাপ করা হয় পুষ্টিসূচকের মাধ্যমে। অর্থাৎ কোন মানুষ যখন তার প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার পায় না অথবা আজ পেয়েছে কিন্তু কাল পাবে কিনা জানে না, এমন পরিস্থিতিকেও ‘ক্ষুধা’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ক্ষুধা একটি মানবিক সমস্যা। বাঁচতে হলে খেতে হবে। সেই খাবারে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি মিটবে কিনা সেই ভাবনাটা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বে খাদ্য মানচিত্রে এবং খাদ্য গ্রহণের প্রবণতায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে নগরায়ন, বিশ্বায়ন এবং আয়বৃদ্ধির সাথে সাথে মানুষের খাদ্য গ্রহণের প্যাটার্ন বদলে গেছে। আমাদের খাদ্যে এমন অনেক কিছু স্থান করে নিয়েছে যা দেখতে চকচকে ও আকর্ষণীয়, খেতে মজাদার! যেমন আইসক্রীম বা কোমল পানীয়। কিন্তু বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা শঙ্কিত বাজারের চকচকে ও মজাদার খাদ্যসমূহ মানবদেহের জন্য কতখানি নিরাপদ! এমনকি সাধারণ মানুষের মধ্যেও এখন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়ছে। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি বা খাদ্য ক্রয়ের সামর্থ্য বৃদ্ধির সাথে সাথে মানুষের টেবিলে দূষিত ও বিপজ্জনক খাবারের উপস্থিতিও বেড়ে গেছে। বাড়ছে অসংক্রামক রোগ। ঘরে ঘরে মানুষের ওষুধ গ্রহণের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। কারও কারও জীবনে ওষুধ নির্ভরতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তার পক্ষে ওষুধ না খেয়ে বেঁচে থাকাটাই প্রায় অসম্ভব।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বলছে, মানুষ মৌসুমী ফলমূল ও খাবার-দাবার ছেড়ে এখন চিনি, লবণ ও অন্যান্য রাসায়নিক উপাদানে তৈরি মাংস নির্ভর খাবারে ঝুঁকে পড়েছে। মানুষ এখন ঘরে তৈরি খাবার খাওয়ার বদলে বাইরের দোকান, হোটেল-রেষ্টুরেন্ট বা সুপারিশপগুলোর খাবারে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে নগরজীবনে এটা এক নির্মম সত্যে পরিণত হয়েছে। এমনকি রাস্তার ধারে, ফুটপাতে খোলা ও দূষিত পরিবেশে উৎপাদিত বা বিক্রি হওয়া খাবারের প্রতিও মানুষের ঝোঁক আশংকাজনক হারে বাড়ছে। বাইরের এই খাবারগুলো খুবই মুখরোচক কারণ এতে অতিরিক্ত তেল, মশলা ও টেষ্টিং সল্ট ব্যবহার করা হয়। খাবারের স্বাদ বাড়াতে অন্যান্য আরও নানা ধরনের কেমিক্যাল ও রং মেশানোর কথাও শোনা যায়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এর ফলে মানুষের মধ্যে ক্যান্সার, কিডনী সমস্যা, হৃদরোগ ইত্যাদি খুব দ্রুত হারে বাড়ছে। এনার্জি ড্রিঙ্ক খেয়ে খেয়ে যারা অকালেই এনার্জি শেষ করছেন তাদের পক্ষে দীর্ঘমেয়াদী সুখী দাম্পত্য লাভ করাটাও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে। সব মিলিয়ে বাড়ছে হতাশা, বাড়ছে অস্থিরতা এবং বিশৃঙ্খলা।


বিচুটি পাতা গায়ে মাখলে যেমন গা চুলকায়, মরিচ খেলে যেমন ঝাল লাগে ঠিক তেমনি আমরা যা কিছু খাই আমাদের শরীরে তার প্রতিটি খাবারে প্রতিক্রিয়া হয়। কোন কোন খাবারের প্রতিক্রিয়া দ্রুত বোঝা গেলেও অনেক খাবারের প্রতিক্রিয়া বুঝতে কয়েক বছর পর্যন্ত লেগে যেতে পারে। পুষ্টিবিদ এবং চিকিৎসকেরা খুব ভালমতই জানেন কোন অসুখের পেছনে সাধারণতঃ কি ধরনের খাবার দায়ী। তারা প্রায় সবই জানেন কিন্তু বলেন কতটুকু? বিশ্বে মানুষ কেবল না খেয়ে থাকার জন্যই কষ্ট পাচ্ছে এমন নয়, মানুষের কষ্ট বাড়ছে অধিক খাওয়ার জন্যেও। স্থুলতা পুষ্টিহীনতার মতই বিপজ্জনক বরং কোন কোন ক্ষেত্রে অধিক ভয়ঙ্কর। রক্তের ‘লো প্রেসার’ নিয়ে কেউ মারা যায় না, বরং রক্তের ‘হাই প্রেসার’ মানুষের প্রাণহানি ঘটায়। স্থুল ব্যক্তির রক্তচাপ সাধারণতঃ বেশি থাকে এবং তাদের মধ্যে অন্যান্য অসুখের পরিমাণও সাধারণভাবে বেশি দেখা যায়। তাই চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তিমাত্রই ওজন নিয়ন্ত্রণের কথা বলে থাকেন। আর এই ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন বা পরিমিত খাদ্য গ্রহণ।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মতে, বিশ্বে একদিকে যখন ৮২০ মিলিয়ন বা ৮২ কোটি মানুষ ক্ষুধার্ত অপরদিকে প্রায় ৮৩০ মিলিয়ন বা ৮৩ কোটি মানুষ স্থুলকায়! অর্থাৎ বিশ্বে ক্ষুধার্ত মানুষের তুলনায় বেশি খাওয়া লোকের সংখ্যাই বেশি! এই সমস্যা কেবল ধনী দেশের নয় বরং বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশগুলোতেও এই প্রবণতা উর্ধ্বমুখি। অনেকে ভাবেন, আমার টাকা দিয়ে আমি বেশি খাই বা কম খাই তাতে অন্যের কি আসে যায়? এই চিন্তাটা ঠিক নয়, কারণ অবশ্যই রাষ্ট্রের তাতে যায় আসে।  বেশি খাবার খেয়ে স্থুলতার শিকার হওয়া মানুষদের চিকিৎসায় রাষ্ট্রকেও অধিক খরচ করতে হয়। আর তা ছাড়া, কোন দেশে বা সমাজে অসুস্থ মানুষের পরিমাণ বেড়ে গেলে যে সেই দেশের প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধি হ্রাস পাবে এটা না বোঝার তো কোন কারণ নেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বে মোট মৃত্যুর প্রায় এক পঞ্চমাংশ ঘটছে অসংক্রামক ব্যাধির শিকার হয়ে। আর অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণজনিত অসুস্থতায় বিশ্বে সরকারগুলো অতিরিক্ত যে টাকা খরচ করে তার পরিমাণ প্রায় ২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার! বর্তমানে বিশ্বে স্থুলতা এক বিরাট সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। উন্নত দেশসমূহে প্রায় প্রতি তিনজনে দুজন ব্যক্তি স্থুলতার শিকার। বর্তমান হার অব্যাহত থাকলে আগামী ২০২৫ সাল নাগাদ এই সংখ্যা প্রতি দুইজনে একজনে গিয়ে দাঁড়াবে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সাথে সাথে আমাদের দেশেও চিনি ও অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান মিশ্রিত প্রক্রিয়াজাত খাবার গ্রহণের পরিমাণ যে হারে বাড়ছে তাতে আমাদের দেশেও অসংক্রামক ব্যাধি দ্রুত বাড়বে। আইসিডিডিআরবি’র গবেষণায় দেখা যায়, মহানগরগুলোতে এখন প্রতি ১০০ শিশুর মধ্যে ১৪টির ওজন বেশি, কমপক্ষে চারজন স্থুলকায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মুটিয়ে যাওয়া বা স্থুলতার কারণে শিশুরাও জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।


প্রশ্ন হচ্ছে স্বাস্থ্যকর খাবার বলতে কি বোঝায়? আমাদের আসলে কি ধরনের খাবার খাওয়া উচিত? এর উত্তরে বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, স্বাস্থ্যকর খাবার বলতে ওই খাবারগুলোকেই বোঝায় যা একজন ব্যক্তির প্রয়োজনীয় পুষ্টির যোগান নিশ্চিত করে এবং অসুখ-বিসুখের পরিমাণ কমায়। এই ধরনের খাবার পেতে হলে কোম্পানির প্রক্রিয়াজাত খাবারের বদলে সতেজ সব্জি, ফলমূল, বাদাম, বীজ জাতীয়, কম চর্বিযুক্ত, কম চিনি ও লবণযুক্ত খাবার খেতে হবে। অনেকেই বলে থাকেন, স্বাস্থ্যকর খাবারের দাম বেশি। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতায় এটা সঠিক নয়। আমাদের দেশে এখনও প্রচুর শাকসব্জি, ফলমূল এবং সতেজ খাবার সহজেই পাওয়া যায়। আমাদের মাটি ও আবহাওয়া খুবই উর্বর। আমাদের জমিগুলোকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে ব্যবস্থাপনায় নিয়ে আসা হলে, কৃষি বিজ্ঞানী, কৃষি বিভাগ ও কৃষকের মধ্যে সমন্বয়ের ভিত্তিতে চাষাবাদ করা হলে এবং সমবায়ভিত্তিক বিপণন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হলে আমাদের দেশের নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনায় আরও শৃঙ্খলা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। আমাদের দেশের খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা এখনও বহুলাংশে সনাতনী। এখানে উন্নত ও টেকসই প্রযুক্তির এখনও পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। ফলে বছর বছর কৃষিতে লোকসান হচ্ছে, কৃষি কাজ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে কৃষক এবং নতুন করে কৃষিতে কেউ আসতে চাইছেন না। গ্রামের যুবকটিও এখন রিক্সা চালাতে রাজী কিন্তু কৃষি কাজ করতে আগ্রহী নয়। এই অবস্থা চলতে থাকলে আগামীর বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে বাধ্য। দেশের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাইলে ভবিষ্যত প্রজন্মকে স্বাস্থ্যকর খাদ্য উৎপাদনে জড়িত হতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তাকে দিতে হবে নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি শিক্ষা। আমাদের গণমাধ্যমকে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাদ্য শিক্ষা সম্প্রসারণে কাজে লাগাতে হবে।

উৎপাদকের কাছে সরকারী সহায়তা সহজলভ্য করতে হবে। বাংলাদেশের এক তৃতীয়াংশ জনগোষ্ঠী যুব। বিশ্বের সকল দেশেই যুবদের সবচেয়ে উৎপাদনশীল অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়। আমাদের দেশেও আমরা যুবদের কীর্তি ও সম্ভাবনাকে বড় করে দেখি। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে যুবদের কতিপয় কর্মকান্ড নিয়ে চাঞ্চল্যকর সব খবর প্রকাশিত হয়েছে। ক্যাসিনো সা¤্রাজ্য গড়ে তোলা থেকে শুরু করে সাপ পেটানোর মত করে মানুষ পিটিয়ে হত্যা করার মত অমানবিক ও নৃশংস ঘটনার সাথেও আমাদের যুবসমাজ জড়িয়ে পড়ছে। অথচ এই যুবসমাজের রয়েছে এক সংগ্রামী অতীত। মায়ের ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র অর্জনে এই যুব সমাজই তার বুক ও পিঠকে ক্যানভাস বানিয়ে লিখে দিয়েছে ‘বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়’। যে যুব সমাজ বুলেটের আঘাতকে নিজের বুকে জড়িয়ে নিয়ে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারে সেই যুবক কি করে সাপের মত করে মানুষ পেটায় তা আমাদের গভীরভাবে ভাবতে হবে। এই সমস্যার দায় কেবল ১৯ শিক্ষার্থীর নয়, এর দায় আমাদের সকলের। আমাদের রাষ্ট্র, সরকার, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, এমনকি পরিবারও সম্ভবতঃ যুবকদের মধ্যে দেশাত্মবোধ, মানবতাবোধ, মৈত্রী, ভালবাসা ও কল্যাণবোধ শেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই অপরাধীকে শাস্তি দেয়ার পাশাপাশি আমাদেরকে অপরাধের নেপথ্য কারণগুলিও চিহ্নিত করতে হবে। আমাদের যুব সমাজের মধ্যে স্বপ্ন তৈরী করতে হবে। তাদেরকে দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত করতে হবে স্কুলে থাকার সময় থেকেই। আমাদের দেশে স্কাউট বা ক্যাডেট কোর এর মত করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক বিভিন্ন ক্লাব বা গ্রুপ গঠন করতে হবে। এই গ্রুপ বা ক্লাবগুলোর কার্যক্রম পরিচালনায় সরকারকে সহায়তা দিতে হবে। ওরা যেন সৃজনশীলতা শেখে হাতে-কলমে, কাজের মাধ্যমে।

মাঠ পর্যায়ে বাস্তবিক কার্যক্রম গ্রহণে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ ও সম্পৃক্ত করতে পারলে তাদের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা তৈরী হবে। তাতে করে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। তারুণ্যের অগ্রযাত্রায় গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ হবে স্বদেশ! অন্যায়, অনাচার ও সীমাহীন দুর্নীতির বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার এ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, “দল-টল বুঝি না। অপরাধী অপরাধীই।” আমরা বিশ্বাস করতে চাই, ক্যাসিনোর অন্ধকারে পথ হারাবে না বাংলাদেশ! অপকর্ম করলে শাস্তি পেতেই হবে। পাপ তার বাপকেও ছাড়বে না। শাস্তি হবেই আজ নয়তো কাল! তবে দ্রুত হওয়াই দেশবাসীর কাম্য। কথায় বলে “গরম ভাতে বিলাই বেজার” তাতে করার কিছু নাই। দলবাজদের দৌরাত্ম থেকে আদর্শ বাঁচাতে হবে। আদর্শ বাঁচলে বেঁচে যাবে দেশ, শান্তি পাবে লাখো শহীদের আত্মা।এবারে খাদ্য দিবসের প্রতিপাদ্য ‘আমাদের কর্মেই আমাদের ভবিষ্যত, স্বাস্থ্যকর খাদ্যে ক্ষুধাশূন্য বিশ্ব!” সকলের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার যেমন নিশ্চিত করতে হবে, তেমনি নিশ্চিত করতে হবে সুস্থ পরিবেশ ও সমাজ। আর তা নিশ্চিত করার জন্যই তরুণ প্রজন্মকে ক্ষমতায়িত করুন, তাদের জন্য সহায়ক পরিবেশ দিন। তাদের কথা শুনুন। কারণ, আগামীর বাংলাদেশ কেমন হবে তা নির্ভর করছে আজকের তরুণ সমাজকে কিভাবে, কি শিক্ষায়, কি ধরনের মননশীলতায় ও সামাজিক সম্প্রীতিবোধ নিয়ে বেড়ে উঠছে তার উপর! জয় হোক তারুণ্যের!
লেখক : সংগঠক-প্রাবন্ধিক
[email protected]
০১৭১১-৫২৬৯৭৯