শেখ হাসিনার ব্যস্ততম দিন অতিবাহিত

আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিশ্ব নেতাদের এক হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিশ্ব নেতাদের এক হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

করতোয়া ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক সকল বিরোধ নিষ্পত্তি এবং সন্ত্রাসবাদের মতো ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের জেনারেল এসেম্বী হলে সোমবার বিকালে অনুষ্ঠিত নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শান্তি এখনো সুদূর পরাহত, ভবিষ্যতে শান্তিপূর্ণ বিশ্ব নিশ্চিত করতে অবশ্যই আন্তর্জাতিক সকল বিরোধ শান্তিপূর্ণ উপায়ে নিষ্পত্তি করতে হবে এবং বিদ্যমান সকল সংঘাতের অবসান ঘটাতে হবে। দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী নেতা ,রাজনৈতিক নেতা এবং মানবহিতৈষী বিশ্বব্যক্তিত্ত্ব নেলসন ম্যান্ডেলার শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এই শান্তি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ম্যান্ডেলা ১৯৯৪ সাল থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন। শেখ হাসিনা বলেন,সন্ত্রাসীদের অর্থায়ন,তাদের অস্ত্র সরবরাহের উৎস বন্ধ এবং তাদের আশ্রয় দান বন্ধের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদের মতো ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় অবশ্যই বিশ্বনেতাদের এগিয়ে আসতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন,আমাদের জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে, অভিযোজন সক্ষমতা অর্জন করতে হবে এবং যে কোন পরিস্থিতিতে মানবাধিকার রক্ষা করতে হবে। শান্তির সংস্কৃতি ও অহিংসতা লালন করতে হবে। তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ অর্জনে আমাদের সহযোগিতা জোরদার করতে হবে, সহনশীলতা বাড়াতে হবে, বৈচিত্র্যকে ধারণ করতে হবে, ধর্মীয় ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীকে বৈষম্য ও শোষণ থেকে রক্ষা করতে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন অংশে বহু মানুষ অনাহার ও অপুষ্টিতে ভুগছে। জাতিগত সংঘাত, ভীতি এবং অসহিষ্ণুতা বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন,অনেক সমাজের লোক বৈষম্যের শিকার,ধর্ম ও নৃ-গোষ্ঠীগত পরিচয়ের কারণে তাদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা হচ্ছে, নির্যাতন ও গণহত্যার শিকার হচ্ছে। শেখ হাসিনা এ প্রসঙ্গে বলেন, মিয়ানমারে জাতিগত নিধনের হাত থেকে রক্ষা পেতে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারাবদ্ধ। বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা বিশ্বের অনেক স্থানে মানুষের জীবন রক্ষা করছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সংঘাত প্রতিরোধ, উন্নয়ন ও মানবাধিকার উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্বশান্তি বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সহযোগিতা করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ। তিনি বলেন, বিগত দুই দশক আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশ শান্তি প্রস্তাবের সংস্কৃতি চালু করেছে। এটি ক্ষুধা থেকে বৈষম্য নির্মূল করে মানব জীবনের সর্বক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়নের এজেন্ডা। শেখ হাসিনা বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর রূপকল্প আমাদের সবাইকে পথ দেখিয়েছে। তিনি বলেন দারিদ্র্য দূরীকরণ, ‘জনস্বাস্থ্য ও শিক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের বিনিয়োগ দেশের জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত ও বৈষম্য হ্রাসে সহায়ক হয়েছে। আমরা উদ্ভাবনী কৌশলের মাধ্যমে উন্নয়নের মধ্যদিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছি। নেলসন ম্যান্ডেলার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার আত্মত্যাগ, উৎসর্গ, মানুষের জন্য সহানুভূতি তাকে মানবতা শান্তি, স্বাধীনতা ও ঐক্যের নেতায় পরিণত করেছে।  নেলসন ম্যান্ডেলার মতো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও আমাদের শোষণ নির্যাতন থেকে মুক্তি ও স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। দেশের মানুষের অধিকার আদায়ে সংগ্রাম করতে গিয়ে তারা দু’জনেই জীবনের বড় অংশ কারাগারে কাটিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বঙ্গবন্ধুকে ১৯৪৮ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত বার বার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। কারাগারে বসেই তিনি কয়েকটি বই লিখেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেলসন ম্যান্ডেলা রচিত ‘লং ওয়াক টু ফ্রিডম’-এর মতো বঙ্গবন্ধু রচিত ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ও ‘কারাগারের ডায়েরি’তে শান্তি ও দেশের মানুষের জন্য তার সংগ্রামের কথা উঠে এসেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আসুন, আমরা সকলে একসাথে কাজ করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে তাঁর আত্মাকে শান্তিতে থাকতে দেই।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাতে
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সবার অংশগ্রহণমূলক, অবাধ ও সুষ্ঠু করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইর্য়ক সফররত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র ও কমনওয়েলথ বিষয়ক মন্ত্রী জেরেমি হান্ট সৌজন্য সাক্ষাতে গেলে এ কথা বলেন তিনি। জাতিসংঘ সদরদপ্তরে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জেরেমি হান্টের এই বৈঠক হয়। পরে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। বৈঠকে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রোহিঙ্গা সঙ্কটসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ হয় দুইজনের। বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে জেরেমি হান্ট বলেন, তারা বাংলাদেশে একটি অংশগ্রহণমূলক অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করেন। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি অংশগ্রহণমূলক, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তার সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বৈঠকে জেরেমি হান্ট জোরপূর্বক বিতাড়িত মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে প্রত্যাবর্তনে সমস্যাটা কোথায়?  তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চান। রোহিঙ্গা ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চুক্তি করলেও মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে বাস্তবে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। মিয়ানমারে গণহত্যা চলছে এমন অভিযোগের কথা উল্লেখ করে জেরেমি হান্ট বলেন, এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়া উচিত হবে কিনা? জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে পারলে তারা নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে। রোহিঙ্গাদের জন্য ভাসানচরে অস্থায়ী আবাসস্থল নির্মাণের কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্য দেশের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান।
রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য মিয়ানমারেও বিনিয়োগের আহ্বান
জন্মভূমি রাখাইনে ফিরে যাওয়ার পর যাতে রোহিঙ্গা শিশুরা শিক্ষাসহ অন্যান্য অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয় সেজন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মিয়ানমারেও বিনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার জাতিসংঘের সদর দফতরে ‘ইনভেস্টমেন্ট ফর এডুকেশন অব উইমেন অ্যান্ড গার্ল’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর উদ্যোগে এ আলোচনায় অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে শিশুদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে তিনটি প্রস্তাব তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতে সহায়তা করায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তিনি ধন্যবাদ জানান। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে প্রায় ৫৫ শতাংশই শিশু জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা শিশুদের আনুষ্ঠানিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে ইউনিসেফের সঙ্গে অংশীদারিত্বে ১১ হাজার শিক্ষাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে এক লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা শিশুকে মানসিক-সামাজিক সহায়তা এবং মৌলিক জীবনভিত্তিক শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে তিনটি প্রস্তাব তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, সমসাময়িক এই পরিস্থিতিতে আমি তিনটি পরামর্শ তুলে ধরতে চাই। প্রথমত, রোহিঙ্গাদের বিপক্ষে বৈষম্যমূলক আইন, নীতি ও পদ্ধতি মিয়ানমারকে অবশ্যই বাতিল করতে হবে এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির মূল কারণগুলো উদঘাটন ও সময়মতো প্রকাশ করতে হবে। ‘দ্বিতীয়ত, মিয়ানমারের সব রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা, অধিকার ও নাগরিকত্ব পাওয়ার উপায় এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতের সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে হবে। প্রয়োজনে সব রোহিঙ্গা নাগরিকের নিরাপত্তার জন্য মিয়ানমারে ‘নিরাপদ অঞ্চল’ তৈরি করতে হবে।’’

‘‘তৃতীয়ত, রোহিঙ্গাদের ওপর নির্মম নির্যাতন বন্ধে মিয়ানমারকে জবাবদিহিতা ও বিচারের আওতায় আনা। বিশেষ করে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ‘ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশনে’র সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হবে।’

মার্কিন ব্যবসায়ীদের উন্নয়নে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পারস্পরিক স্বার্থে ব্যবসা, প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে এই ব্যাপারে সরকারের পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি। সোমবার যুক্তরাষ্ট্র চেম্বার্স অব কমার্সের উদ্যোগে গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের সামনে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জও রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে সহজ বিনিয়োগ নীতি রয়েছে, যেখানে আকর্ষণীয় প্রণোদনা এবং সর্বোচ্চ মুনাফা লাভেরও সম্ভাবনা রয়েছে। ‘যার মধ্যে রয়েছে বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) কে আইন দ্বারা সুরক্ষা প্রদান, কর অবকাশের মত প্রণোদনা, যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে স্বল্প শুল্ক, কাঁচামাল আমদানিতে আয়কর রেয়াত, টেমিট্যান্স অন রয়্যালটি, শতভাগ বৈদেশিক ইক্যুয়িটি এবং বিনা বাধায় লাভ এবং আসলসহ পুঁজি প্রত্যাবাসন সুবিধা।’ অন্যান্য সুবিধার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক বেতন-ভাতায় তরুণ, নিবেদিত প্রাণ এবং সহজে প্রশিক্ষণযোগ্য জনশক্তি, ব্যবসা স্থাপনে স্বল্প ব্যয়, বৃহৎ শুল্ক ও কোটা মুক্ত বাজারে প্রবেশাধিকার, স্বল্প খরচে বিদ্যুৎ ও পানির সুবিধা, বাংলাদেশের উন্নত ক্রেডিট রেটিংয়ের সুবিধা, স্বল্পতম ঝুঁকি এবং দ্রুত প্রযুক্তির আধুনিকায়ন সুবিধা। বাংলাদেশের ভৌগলিক কৌশলগত অবস্থানের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভৌগলিক কৌশলগত অবস্থান বাংলাদেশকে আঞ্চলিক যোগাযোগ, বৈদেশিক বিনিয়োগ এবং বৈশ্বিক আউট সোর্সিয়ের উদীয়মান কেন্দ্রে পরিণত করেছে।  ভারত, চীন এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে আমরা এগুলোকে সংযুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ৪শ’ কোটি মানুষের বাজারের একটি প্রবেশদ্বার হতে পারে এবং দেশটির নিজেরও প্রায় ১৬ কোটি জনগণের একটি শক্তিশালী এবং ক্রমবর্ধনশীল বাজার রয়েছে। আমরা নেদারল্যান্ডস সরকারের সহযোগিতায় ‘ডেল্টা প্ল্যান ২১০০’ গ্রহণ করেছি, যার লক্ষ্য হচ্ছে বন্যা এবং নদীর ভাঙ্গন রোধ করে পানির নিরাপত্তা, খাদ্য নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা।

শেখ হাসিনাকে সুষমার অভিবাদন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিবাদন জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে সুষমা স্বরাজ এই অভিবাদন জানান। জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি সৈয়দ আকবর উদ্দিন এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন, জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে সোমবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ  সাক্ষাৎ করেছেন। তিনি এই সময় শেখ হাসিনাকে অভিবাদনও জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের ৭৩তম অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন। অধিবেশনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীসহ দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজও অংশগ্রহণ করেছেন। অধিবেশনের সাইড লাইনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও শেখ হাসিনার বৈঠক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।