আওয়ামী লীগ : দিয়েছে অনেক, দিতে পারবে আরও

আওয়ামী লীগ : দিয়েছে অনেক, দিতে পারবে আরও

 ড. এম এ মাননান : বিশ বছরের অধিক সময় ধরে সামরিক আর স্বৈরশাসকদের মাইনাস ফর্মূলার শিকার জনহৃদয়ে প্রোথিত বাংলাদেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ফিনিক্স পাখির মতোই জেগে উঠেছে আর একই সাথে জাগিয়ে দিয়েছে সারা বাংলাদেশকে। জাতির মুক্তির কান্ডারি হয়ে যে রাজনৈতিক দলটি সেই ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন থেকে যুগে যুগে বাঙালি জাতির নেতৃত্ব দিয়েছে, ঘোর অমানিশার মাঝে আলোর পথ দেখিয়েছে, উড়িয়েছে স্বাধীনতার ঝান্ডা, নির্যাতিত-নিষ্পেষিত জনতার ভরসা হিসেবে যুগে যুগে পাশে দাঁড়িয়ে ইতিহাস রচনা করেছে, তার নামই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এই সংগঠনটির রয়েছে লড়াই, সংগ্রাম, রক্ত¯œাত রাজপথে অনড় অবস্থান, ত্যাগ আর গৌরবের বর্ণাঢ্য ইতিহাস। ব্রিটিশ শাসনামলের শেষভাগ ও পাকিস্তান শাসনামলের শুরুর সময়ে বিদেশি প্রভুতোষণ ও পদলেহনকারী, অথর্ব, লোভী রাজনৈতিক নেতৃত্বের চরিত্র বিশ্লেষণ থেকে এ বিষয়টি স্পষ্ট যে, পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরবর্তী সময়কার গভর্নর জেনারেল মুহম্মদ আলি জিন্নাহ, সামন্ত প্রভুদের স্বার্থ রক্ষাকারী প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী, জমিদারদের প্রতিনিধিত্বকারী পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দিন আহমেদরা পাকিস্তান রাষ্ট্রটিকে একটি প্রজা নিপীড়ক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল। এমনি অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে জনসমর্থিত একটি বিকল্প রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ছিল ঐতিহাসিক প্রয়োজন।
পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের পর পরই আওয়ামী লীগ গড়ে না উঠলে আমরা বাঙালি জাতি সভ্যতা থেকে ছিটকে পড়তাম শত শত মাইল দূরে। অতীতের মতো জেল-জুলুম, অন্যায়, নিপীড়ন, শোষণ, বঞ্চনাই জুটত আমাদের নিয়তিতে। এমনি এক পরিস্থিতিতে, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশেমের নেতৃত্বাধীন তৎকালীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একাংশের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার টিকাটুলির এম কে দাস লেন রোডের রোজ গার্ডেন প্যালেসে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠত হয়। এর সভাপতি ছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান। ৫২-এর ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের মূল লক্ষ্য বুঝতে সক্ষম হন এদেশের সব শ্রেণির মানুষ। সে সময় জেলে বসেই আন্দোলনের ছক কষেন অভূতপূর্ব দূরদর্শী আজকে আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ওই বছরেই তিনি ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান এবং ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত এই পদে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ’৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ’৫৮-এর মার্শাল ল’ বিরোধী আন্দোলন, ’৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৬-এর ছয় দফা, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান,’৭০-এর নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয়, ’৭১-এর মার্চের অসহযোগ আন্দোলনসহ নয় মাসব্যাপী মহান মুক্তিযুদ্ধ সমেত সব লড়াই-সংগ্রাম আর বীর বাঙালির অর্জনে আওয়ামী লীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। ১৯৭১-এ ৩০ লাখ শহীদ আর অসংখ্য মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম হাল ধরেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার সুমহান ঐতিহাসিক নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ শুধু বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশই ঘটাননি, অর্থনৈতিক পঙ্গুত্বের বিরুদ্ধে করেছে নিরলস লড়াই।
জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল, স্বাধীন এ দেশ মাথা তুলে দাঁড়াবেই একদিন। কিন্তু ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট একদল স্বাধীনতাবিরোধী কুচক্রী সেনাসদস্য বঙ্গবন্ধু ও তার দুই কন্যা ব্যতীত পরিবারের সবাইকে নির্মমভাবে হত্যা করে। তার কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে অবস্থান করায় বেঁচে যান তারা। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে তার স্বপ্নে গড়া সংগঠন আওয়ামী লীগ। দেশজুড়ে গণহারে গ্রেফতার করা হয় আওয়ামী লীগের শীর্ষ ও প্রান্তিক পর্যায়ের নেতাকর্মীদের। প্রাচীন এই সংগঠনকে ভেঙে ছিন্নভিন্ন করতে নানা কূটকৌশল ও ষড়যন্ত্র চালায় ’৭৫-পরবর্তী শাসকগোষ্ঠী । শত শত মিথ্যা মামলার জালে জড়ানো হয় প্রবীণ ও নেতৃত্বদানকারী নেতাদের। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলায় সৃষ্টি করা হয় সেনানিয়ন্ত্রিত রাজনৈতিক ধারার। আর সুকৌশলে চালানো হয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শকে নির্বাসনে পাঠানোর অপচেষ্টা। ১৯৮১ সালের ১৭ মে আবেগ-আশ্রয়ী বাংলার মাটিতে ফিরে আসেন জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা। মূলত সে দিন থেকেই বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত স্বপ্ন বুননে নতুন করে হাল ধরেন শেখ হাসিনা। মাঝপথে এসে থমকে যাওয়া আওয়ামী লীগ আবারও যেন নতুন প্রাণ পায়। সে দিন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সিঁড়িতে শেখ হাসিনা পা রেখেছিলেন। এর আগেও কয়েকবার বিদেশের মাটি থেকে দেশের মাটিতে পা  রেখেছেন তিনি। এ দিনটা ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ, অনন্য একটা দিন। অস্থির বাংলাদেশে তখন বাঙালি জাতি ছিল বঙ্গবন্ধুর খুনিচক্রের দখলদারি ও জবরদস্তি শাসনের যাঁতাকলে পিষ্ট, বুটের তলায় স্তব্ধ তাদের অধিকার। অবরুদ্ধ ছিল বাকশক্তি। বাংলাকে পাকিস্তান বানানোর চক্রান্ত পেয়ে বসেছিল পাকিস্তানপ্রেমী শাসকচক্রের। সে দিন দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধুর  রেখে যাওয়া স্বপ্নের সোনার বাংলা পাননি শেখ হাসিনা। পাহাড়সম বাধা আর পথের বাঁকে বাঁকে বিছানো ছিল বিরুদ্ধাচরণ-বিপত্তির কাঁটা। এ কাঁটার ভয় উপেক্ষা করে তিনি ফিরেছিলেন বাংলায়, সমবেত হয়েছেন জনতার কাতারে। মানুষের ভালোবাসা ও আস্থার ওপর ভরসা রেখে তিনি সব ঝুঁকি উপেক্ষা করেছিলেন সে দিন। ভালোবাসা, আবেগের বিবেচনায় এ দিনটি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে যেমনটি স্মরণীয়, তেমনি মুক্তিকামী বাঙালির ইতিহাসে ১৭ মে দিনটি নক্ষত্রের মতো উজ্জ্বল।
দীর্ঘ বিরতির পর ওই দিন থেকে আবারও যেন হাঁটা শুরু করে আওয়ামী লীগ। সে দিন শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘আপনারা আমার সঙ্গে ওয়াদা করুন, বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা বঙ্গবন্ধুসহ অন্যান্য নেতার হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণ করব।’ বঙ্গবন্ধুর দুই যুগ আর তাঁর কন্যা শেখ হাসিনার প্রায় তিন যুগের বেশি সময় ধরে লালন করা আজকের আওয়ামী লীগ একটি পরিপূর্ণ আদর্শ সংগঠনে পরিণত হয়েছে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের ফাঁসিতে ঝুলিয়েছেন শেখ হাসিনা সরকার, যার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। পলাতকদের দেশে আনার প্রক্রিয়া চলমান। এখানেই শেষ নয়। ’৭১-পরবর্তী পশ্চিমাদের অবহেলা আর অবজ্ঞার বাক্য ‘বাংলাদেশ একটি তলাবিহীন ঝুড়ি’ আজ দৃষ্টান্ত গড়েছে বিশ্বে। আইনের শাসন, মানবসম্পদের দক্ষতা বৃদ্ধি, কৃষি ও পরিবেশ উন্নয়ন, নতুন নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন, সিট মহল সমস্যার স্থায়ী সমাধান, মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরের দোরগোড়ায় পৌঁছা, যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি, ১০১ জন হত্যাকারী মুফতি হান্নানের ফাঁসির মধ্য গিয়ে জঙ্গিদের নির্মূল করা, নারীর ক্ষমতায়ন, ইন্টারনেটসহ প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার, দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত ন্যায়ভিত্তিক অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমাজ গঠন, সমুদ্র জয়ের মাধ্যমে বিশাল সীমানা বৃদ্ধি, মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি, যুগোপযোগী শিক্ষানীতি, প্রাথমিকে প্রায় শতভাগ ভর্তি, প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে জেন্ডার সমতা অর্জন, উচ্চশিক্ষায় নারীদের ভর্তির হার প্রায় ৪৫ শতাংশে উন্নীতকরণ, মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাসিক উপবৃত্তি, শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনেই ৩৬ কোটি পাঠ্যবই বিতরণ, মাদ্রাসাসহ সব প্রতিষ্ঠানে জাতীয় সংগীত পরিবেশন বাধ্যতামূলক করা, এমডিজি সাফল্য এবং এসডিজি অর্জনের পথে অদম্য প্রয়াস-বাংলাদেশের এ অগ্রযাত্রা আজ নজর কেড়েছে সমালোচকদের। এত দ্রুত পরিবর্তন আনতে পারেনি বিশ্বের কোন দেশ। উল্টো, আজ বাংলাদেশের নব নব উদ্যোগ ও উন্নয়নের প্রশংসায় পঞ্চমুখ তারা।
দেশের ভেতরে আওয়ামী লীগের জনসমর্থন বেড়েছে বিপুল হারে। তার মূল কারণ শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নই নয়, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী ধারার অবসান, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠিতকরণ, হঠাৎ মাথাচাঁড়া দিয়ে ওঠা জঙ্গিপনা নির্মূল, মাদকের বিরুদ্ধে সফল যুদ্ধ, ভেজালের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ, ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণ, দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ, বহুমাত্রিক ব্যাধী দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণসহ আরও অনেক যুগোপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ।
এখানেই শেষ নয়, বাঙালি জাতির গর্ব আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার আপসহীন মনোভাব ও নির্দেশনার ফলে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের পে-স্কেলে আমূল পরিবর্তন এনে ইনসেন্টিভ প্রদান, রাজনীতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, প্রত্যেক সেক্টরে তথ্য ও প্রযুক্তির ছোঁয়া, নিজ অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণ, সবই তার সাহসী পদক্ষেপ। তিনি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করে ক্ষমতাসীন হয়েও ক্ষমতায় নির্মোহ। শতভাগ সততা নিয়ে কাজ করে আন্তজার্তিক অঙ্গনে প্রভাবশালী নেতৃত্ব দিয়ে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, ২৫ মার্চকে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার ব্যবস্থা করেছেন। এভাবেই একের পর এক ইতিহাস রচনার মধ্য দিয়ে ৭০ বছরে পদার্পণ করল আওয়ামী লীগ। ১৯৪৭ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা ভাসানী আর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যার অসাধারণ গতিশীল নেতৃত্বে আমরা আজ তার দ্বারপ্রান্তে। তাদের হাতে গড়া রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ আজ আশা, ভরসা আর জাতিমুক্তির কা-ারিতে রূপ নিয়েছে। বহু চক্রান্ত-ষড়যন্ত্রের বেড়াজালে আটকে দিয়ে অগণতান্ত্রিক পথে দেশকে দখলে নিয়ে স্বাধীনতা-বিরোধীরা কখনো ঊর্দি পরে আবার কখনো বা মেকি গণতন্ত্রের মুখোশ পরে রাজনীতি থেকে মাইনাস করতে চেয়েছিল তৃণমূলে ভিতগড়া আওয়ামী লীগকে। সব কিছু পেছনে ফেলে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বে থেকে জাতির পিতার যোগ্যকন্যা শেখ হাসিনা জাতিকে দেখিয়েছেন পথ, দিয়েছেন নির্দেশনা, বেগবান করেছেন শিখরে উঠার গতি, উঠিয়েছেন উন্নয়নের মহাসড়কে, বিশ্বে স্থাপন করেছেন দৃষ্টান্ত। তিনি দলের নেতৃত্বে আছেন, থাকবেন, দেখাবেন জাতিকে আশার আলো আর সুষম উন্নয়নের ধারায় ধরে রাখবেন পুরো জাতিকে, আওয়ামী লীগের সব পরীক্ষিত ত্যাগী নেতাকর্মীসহ সকল সমর্থককে সাথে নিয়ে। বাংলার জনগণের অন্তরে প্রোথিত ও রাজনীতির  মূল ধারার ধারক-বাহক আওয়ামী লীগের সফল নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়েছে অনেক, এগিয়ে যাবে বহুদূর।
লেখক ঃ উপাচার্য, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলাম লেখক, শিক্ষাবিদ