আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে দুর্নীতি কমাতে হবে

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে দুর্নীতি কমাতে হবে

  মীর আব্দুল আলীম : ২০ জুন সাবেক পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী দুর্নীতির মামলায় জেলে গেছেন। দুর্নীতি করে মন্ত্রী মশায়ও ছাড় পেলেন না। এ ধারাবাহিকতা চলতে থাকুক তাতে দুর্নীতি কমে আসবে। বগুড়ায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় সাবেক এ মন্ত্রীর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বাংলাদেশ জুট করপোরেশনের সুরুজ মল আগরওয়ালা (বিলুপ্ত) জায়গা জাহানারা রশিদ নামে এক নারী ২০১০ সালের ১৩ মে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় থেকে তিন বছরের জন্য প্রতিবছর এক লাখ ২০ হাজার টাকায় লিজ নেন। জায়গার পরিমাণ ২ একর ৩৮ শতাংশ। কিন্তু তাকে এক বছর ভাড়া দেওয়ার নির্দেশ দিলেও ভাড়া না দিয়ে জমিটি কেনার জন্য পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ে ২০১১ সালে ২৩ নভেম্বর আবেদন করে। ওই সম্পত্তি স্থায়ীভাবে বরাদ্দ দেওয়ার জন্য উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করার নিয়ম থাকলেও মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী তার পরিচিতজন হওয়ায় মন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তে ৬৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭শ’ ৯৫ টাকার সম্পত্তি মাত্র ২৩ লাখ ৯৪ হাজার ৭শ’ ৭৪ টাকা মূল্যে বিক্রি করায় সরকারের ৪০ লাখ ৬৯ হাজার ২১ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ও জাহানারা রশিদকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আর এ মামলায় তিনি কারাগারে রয়েছেন।
মন্ত্রী থেকে আমলা, প্রজাতন্ত্রের পিয়ন পর্যন্ত দুর্নীতিতে জড়িত। তাতে বিব্রত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। প্রায়শই তিনি এ ব্যাপারে হুঙ্কার দিচ্ছেন। মনানীয় প্রধানমন্ত্রী এর আগে দুর্নীতি কমানোর লক্ষ্যে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা কর্মচারিদের বেতন ভাতা বৃদ্ধি করেছেন। দুর্নীতি কমেনি। দুর্নীতি কমাতে আমাদের মানসিকতা বদলাতে হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে দুর্নীতিগ্রস্তদের আতংকে রাখতে হবে। তাতে দুর্নীতি কমবে। বলতে গেলে দুর্নীতিবাজদের কোন নীতি নেই। দফায় দফায় প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা কর্মচারিদের বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে, তবু ঘুষ দুর্নীতি বন্ধ হচ্ছে না। বেতন ভাতা, সুবিধাদি বাড়ছে  তাহলে দুর্নীতি কেন হবে?” এ জন্য সরকারি কর্মচারিদের, মন-মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে আগে। যে কোন মূল্যে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়তেই হবে।
ক্ষুধা এবং দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন প্রতিষ্ঠা জরুরি। সেবা খাতে দুর্নীতি হয় বেশি। মানুষের অর্থ ব্যয়সহ ভোগান্তি হয়। মানুষের কষ্ট লাঘব করতে হবে। এখনও বোধ করি ফায়ার সার্ভিস ছাড়া প্রতিটি সেবা খাতে সেবা পেতে হলে ঘুষ দিতে হয়। টিআইবির রিপোর্টে এদিক থেকে সবার শীর্ষে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। দ্বিতীয় ও তৃতীয়তে আছে যথাক্রমে পাসপোর্ট ও বিআরটিএ। তবে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি ঘুষ নেয় বিআরটিএ। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে বিভিন্ন ধরনের সেবা পেতে বছরে ঘুষ দিতে হয় ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি। দেশের আইন-শৃঙ্খলা সংস্থা, পাসপোর্ট ও বিআরটিএ, ভূমি অফিসে, সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস, পুলিশ ষ্টেশন, আদালত পাড়া থেকে শুরু করে সবখানেই অনেকটা রাগঢাক না রেখে প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণ চলছে।
কিছুদিন প্রধানমন্ত্রীর একটি কথা খুব ভালো লেগেছে। তিনি (শেখ হাসিনা) বলেছেন, ‘সবাইকে অনুরোধ করব, একটা কথা মনে রাখতে হবে যে দেশটা আমাদের। আমরা এ দেশ স্বাধীন করেছি। আজ সারা বিশ্বে একটা সম্মানজনক জায়গায় আসতে পেরেছি। ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তি সেই পাকিস্তানও এখন আর্থসামাজিক সূচকসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সূচকে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশকে অনুকরণ করতে চায়। এখন সেই পাকিস্তানও বলে আমাদের বাংলাদেশ বানিয়ে দাও। আজকে কিন্তু আমাদের আর তলাবিহীন ঝুড়ি বলার সাহস তাদের নেই। এ কথা বলতেও তারা পারবে না। কারণ, আমরা অনেক এগিয়েছি। এই এগিয়ে যাওয়াটা, এই যাত্রাটা আমাদের কিন্তু অব্যাহত রাখতে হবে।’ কেবল প্রধানমন্ত্রীর সদ্চ্ছিাই দুর্নীতি মুক্ত দেশ হবে না। আমাদের সবাইকে এ ব্যাপারের সততা নিয়ে কাজ করতে হবে।
পৃথিবীর সবদেশেই কম-বেশি দুর্নীতি আছে, ঘুষের রেওয়াজ আছে। এই কথাটির আপেক্ষিক সত্যতা মেনে নিয়েও, বাংলাদেশের রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থায় দুর্নীতির ব্যাপকতাকে অস্বীকার করার কোনো অজুহাত নেই। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে যে, এই দুর্নীতি জনগণের মনে ব্যাপক হতাশাবোধের জন্ম দিয়েছে। এই হতাশাবোধের মূল কারণ হচ্ছে যে, দেশের রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কার্যকর ভূমিকা থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম জনগণকে আশ্বস্ত করতে পারছে না। একটি গণতান্ত্রিক এবং স্বাধীন সমাজ ব্যবস্থার প্রধানতম ভিত্তি হওয়ার কথা এসব প্রতিষ্ঠানের। আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অগ্রগণ্য হচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা, সংবাদ মাধ্যম, সরকারি ও বেসরকারি আমলাতন্ত্র, জাতীয় সংসদ, সরকারি ও বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং ব্যক্তিখাত। আমরা বিগত কয়েক দশক ধরে এসব প্রতিষ্ঠানকে ক্রমে ধ্বংস বা অকার্যকর করার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে চালিত করেছি। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হচ্ছে যে মূল উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে দুর্নীতি।
ক্ষুদ্র থেকে বৃহত্তর প্রতিটি সেক্টরই যেন ছেয়ে গেছে দুর্নীতি ও ঘুষের অভিশাপে। ঘুষ ছাড়া কোন কিছুই মিলেনা। দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) দেশের ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ সেবাখাতের ওপরে জরিপ করে দুর্নীতি ও ঘুষের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে। সংস্থাটির জরিপের তথ্য মতে- ২০১৭ সালে সার্বিকভাবে দেশের ৬৫ দশমিক ৫ শতাংশ খানা (পরিবার বা ছোট গোষ্ঠীবিশেষ) দুর্নীতির শিকার হয়েছে। ১৬ সেবাখাতের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭২ দশমিক ৫ শতাংশ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থায়, পাসপোর্ট ৬৭ দশমিক ৩ শতাংশ এবং বিআরটিএ-তে ৬৫ দশমিক ৪ শতাংশ এবং বিচারিক সেবায় ৬০ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ দুর্নীতির শিকার হয়েছেন। ২০১৭ সালে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্থানীয় সরকার প্রশাসন, ভূমি, কৃষি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, বিচারিক সেবা, বিদ্যুৎ, ব্যাংকিং, বিআরটিএ, কর ও শুল্ক, এনজিও, পাসপোর্ট, বীমা, গ্যাস সেবাখাতে এই জরিপ করে টিআইবি। জরিপে বলা হয়, দেশের ৮৯ শতাংশ মানুষ মনে করেন, ঘুষ না দিলে কোনো সেবা খাতে সেবা মেলে না। জরিপের তথ্য মতে, গত বছর সার্বিকভাবে ঘুষের শিকার (ঘুষ দিতে বাধ্য) হওয়া খানার হার ৪৯ দশমিক ৮ শতাংশ। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ঘুষগ্রহণকারী তিনটি খাত হচ্ছে- বিআরটিএ (৬৩ দশমিক ১ শতাংশ), আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা (৬০ দশমিক ৭ শতাংশ) ও পাসপোর্ট সেবা (৫৯ দশমিক ৩ শতাংশ)। ২০১৭ সালে খানাপ্রতি গড়ে ৫ হাজার ৯৩০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ঘুষ আদায়কারী খাত হলো- গ্যাস (৩৩ হাজার ৮০৫ টাকা), বিচারিক সেবা (১৬ হাজার ৩১৪ টাকা) ও বিমাখাত (১৪ হাজার ৮৬৫ টাকা)। ২০১৫ সালের তুলনায় এই ঘুষের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যহারে বেড়েছে গ্যাস, কৃষি ও বিচারিক খাতে। আর কমেছে শিক্ষা, পাসপোর্ট ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান খাতে। এছাড়া ২০১৫ সালের তুলনায় সেবা খাতে ঘুষের শিকার খানার হার কমলেও ঘুষ আদায়ের পরিমাণ বেড়েছে।
দুর্নীতির এই সর্বগ্রাসী থাবা থেকে কীভাবে মুক্ত হওয়া যায়? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে আমাদের বুঝতে হবে যে কেন দুর্নীতি হয় বা দুর্নীতি বিস্তারের প্রক্রিয়া কীভাবে বৃদ্ধি পায়। সার্বিকভাবে দেখলে দুর্নীতির ব্যাপকতার সাথে নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের একটি সম্পর্ক আছে। একথার সত্যতা স্বীকার করে নিয়ে বলতে হয় যে, কেবল মূল্যবোধের অবক্ষয় বাংলাদেশের দুর্নীতির ব্যাপক প্রসারের প্রক্রিয়াকে ব্যাখ্যা করতে পারে না। বাংলাদেশে দুর্নীতির ব্যাপকতা জনগণের মনে যে পরিমাণ হতাশার সৃষ্টি করে তা তুলনাহীন। দুর্নীতি কেবল ওপর মহলে হয় তাই নয় বরং দৈনন্দিন জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে জনগণকে দুর্নীতির প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে বাধ্য করা হয়। এই অংশগ্রহণের কারণ সব ক্ষেত্রেই শুধু লোভ নয় বরং অনেক ক্ষেত্রেই হচ্ছে ন্যূনতম জীবন-যাপনের প্রচষ্টা। এই অসহায়ত্বের সাথে যুক্ত হয়েছে চোখের সামনে ঘটে যাওয়া দৃষ্টান্তের, যেখানে দুর্নীতির সাথে সংশ্লিষ্টদের শাস্তির সুযোগ নেই বরং জনগণকে মূল্য দিতে হয় সৎ থাকার জন্য। জনগণের কাছে এই ধারণা ক্রমেই দৃঢ় হয়েছে যে, সমাজে নীতিবান হয়ে থাকার মাঝে কোনো গৌরব নেই বরং আছে বহু ভোগান্তি। সমাজের সুশীল অংশেও ন্যায়-অন্যায়ের সংজ্ঞা পরিষ্কার নয়। অন্যদিকে বেআইনি পথে থাকার সুবিধা রয়েছে অনেক। জনগণের মনে এই ধারণা যত ক্রমবিকাশমান হচ্ছে, হতাশা ততো বৃদ্ধি পাচ্ছে, সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা সম্পর্কে বিরূপতা ততো বেশি বেড়ে যাচ্ছে। এই হতাশার ফল ধরে আমরা হয়ে যাচ্ছি বছরের পর বছর দুর্নীতিতে শীর্ষস্থানীয় একটি দেশ।
দুর্নীতির যে ধারণা আমরা সৃষ্টি করেছি, সেই ধারণাকে বদলাতে হবে আমাদেরই। আর তা করতে হবে কথাকে কাজে পরিণত করার মাধ্যমে। বাংলা নামের এদেশ আমাদের সবার, তাই আমাদের সবার মিলিত প্রতিরোধে সমাজের সব অনাচার দূর করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সরকারেরও সঠিক ভূমিকা থাকতে হবে। আর এসব বিষয়ে সরকার জনতার ন্যায্য সমর্থন পাবে বলেই আমার বিশ্বাস। সমাজের প্রতিটি স্তরে ঘুষ, দুর্নীতি ক্যান্সারের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। এ ব্যাধি থেকে নিস্তার পাওয়ার পথ হচ্ছে সমাজ ও রাষ্ট্রের বেশকিছু ক্ষেত্রে ব্যাপক সংস্কার সাধন করা এবং উন্নয়ন ঘটানো। এ জন্য আমাদের রাজনীতিক, মন্ত্রী, আমলা আর দেশের মানুষের মানসিকতার পরিবর্তনেরও কোনো বিকল্প নেই। দুর্নীতি কমার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে না। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। কারণ সেবা খাতের এই দুর্নীতিই সুশাসন প্রতিষ্ঠাকে বাধাগ্রস্ত করে তুলছে। আজ দুর্নীতি যেভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে ছেয়ে যাচ্ছে, সাধারণ মানুষ যার কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হচ্ছে তার পেছনে রয়েছে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্তদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়া। বেশিরভাগ সময়েই যারা দুর্নীতি করেন তারা পার পেয়ে যান। দুর্নীতির অভিযোগ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমলে নেয়া হয় না, দুর্নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি শাস্তি পায় না, ফলে দুর্নীতি রোধ করাও সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। দুর্নীতি রোধে আইনের কঠোরতা বাড়াতে হবে। সর্বোপরি এ জাতীয় অপরাধে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
দুর্নীতি প্রতিরোধে বিভাগীয় পদক্ষেপের পাশাপাশি প্রযোজ্য ক্ষেত্রে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরী। আমরা আশা করব, সরকার সংশ্লিষ্টরা প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতি মুক্ত দেশ গড়ার নির্দেশনা মেনে চলবেন। আর তাতেই দুর্নীতিমুক্ত সোনার বাংলাদেশ হবে এ দেশে।
লেখক : সাংবাদিক, কলামিষ্ট ও সম্পাদক  
নিউজ-বাংলাদেশ ডটকম,
[email protected]  
০১৭১৩-৩৩৪৬৪৮