অ্যালমন্ডের বা কাঠবাদামের নানা গুণ

অ্যালমন্ডের বা কাঠবাদামের নানা গুণ

ফল কাঁচা অবস্থায় পুষ্টিগুণে ভরপুর থাকে। আবার কিছু ফল আছে যা শুকনো অবস্থায়ও গুণে ভরা।বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের ড্রাই ফ্রুটস বা শুকনো ফল পাওয়া যায়। এর ভেতরে কাঠ বাদাম, কাজুবাদাম, কিসমিস, আখরোট, পেস্তা বাদাম- এগুলো সবচেয়ে জনপ্রিয়। আবার অনেকে ডায়েট করতে গিয়ে খাবারের অভ্যাসে বদল ঘটান। এতে তালিকা থেকে অনেক সময় বাদ পড়ে যায় পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার।

যা উল্টো ফলও বয়ে আনতে পারে। দেখা গেলো ওজন কমলো ঠিকই কিন্তু আপনি রোগা হয়ে গেলেন! এজন্য ডায়েট চার্টে রাখা উচিত প্রয়োজনীয় পুষ্টিসম্পন্ন খাবার। এক্ষেত্রে অ্যালমন্ড বাদামই দিতে পারে আপনাকে প্রয়োজনীয় পুষ্টির যোগান। অ্যালমন্ড খাওয়ার উপকারিতা:

অ্যালমন্ড বা কাঠবাদাম প্রতিদিন সকালে খাওয়া মস্তিস্কের জন্য বেশ উপকারী।গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যালমন্ড বাদাম পেটের পেশিগুলোয় চর্বি শোষণ কমিয়ে দেয় এবং আগের চর্বিগুলোকে দূর করে।কাঠবাদাম ক্যালরির আধার। প্রতি ১০০ গ্রাম কাঠবাদামে রয়েছে ৬৫৫ ক্যালরি। খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

অ্যালমন্ড একটি প্রোটিনযুক্ত খাবার, যা শরীরে প্রচুর পরিমাণে শক্তি সরবরাহ করে। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে।কাঠবাদাম ভিটামিন ই-এর অন্যতম উৎস । এটি রক্তে সুগারের পরিমাণ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।

অ্যালমন্ডে ভিটামিন ই ও ওমেগা-৩, ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা দূষিত কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে।  কাঠবাদামে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অকাল বার্ধক্য প্রতিরোধে সহায়তা করে।

অ্যালমন্ডে এত পরিমান ভিটামিন আছে যে তা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে । আর এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম।