অথচ বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে শ্রীলঙ্কা!

অথচ বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে শ্রীলঙ্কা!

বিশ্বকাপের তৃতীয় ম্যাচে আজ (শনিবার) মাঠে নামছে নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশ সময় বেলা ৩.৩০ মিনিটে কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেনে মুখোমুখি হবে এ দু'দল। বিশ্বকাপে মুখোমুখি দেখায় নিউজিল্যান্ডের চেয়ে শ্রীলঙ্কা এগিয়ে থাকলেও আজ ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নামছে নিউজিল্যান্ড।

বিশ্বকাপের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরে গেলেও এর আগে ভারতকে বড় ব্যবধানে হারানোয় আত্মবিশ্বাসী কিউইরা। নিউজিল্যান্ডের সাম্প্রতিক ফর্মও কথা বলছে তাদের পক্ষে। শেষ ৫ ওয়ানডে ম্যাচে তাদের হার কেবল একটি ম্যাচে। অন্যদিকে, লঙ্কানদের অবস্থা তথৈবচ! শেষ ওয়ানডে ক্রিকেটে তাদের জয় ১ ম্যাচে; বাকি সবগুলোতেই হেরেছে তারা।


এবার এক নজরে ওয়ানডে ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা মুখোমুখি পরিসংখ্যানগুলো জেনে নেয়া যাক :

১. বিশ্বকাপের ১০ দেখায় জয়ে এগিয়ে শ্রীলঙ্কা। তারা জিতেছে ৬টি। অপরদিকে, নিউজিল্যান্ডের জয় বাকি ৪ ম্যাচে।

২. ওয়ানডে ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত ৯৮ দেখায় আবার বেশি জয় নিউজিল্যান্ডের। শ্রীলঙ্কার ৪১ জয়ের বিপরীতে তাদের জয় ৪৮ ম্যাচে। অন্যদিকে ৯ ম্যাচের ১টি টাই এবং ৮টি পরিত্যক্ত হয়।

৩. নিউজিল্যান্ডের দলীয় সর্বোচ্চ ৩৭১/৭। মাউন্ট মঙ্গানুইতে এ বছরই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এই সংগ্রহ গড়ে কিউইরা। শ্রীলঙ্কার দলীয় সর্বোচ্চ ৩২৬/১০। মাউন্ট মঙ্গানুইতে ওই ম্যাচেই এ সংগ্রহ পায় লঙ্কানরা।

৪. নিউজিল্যান্ডের দলীয় সর্বনিম্ন ৭৩/১০। অকল্যান্ডে ২০০৭ সালে এই লজ্জার স্কোর গড়ে তারা। আর ২০০৭ সালে ক্রাইস্টচার্চে কিউইদের বিপক্ষে মাত্র ১১২ রানে অলআউট হয়ে গিয়ে সর্বনিম্ন রানের লজ্জায় পড়ে শ্রীলঙ্কা।

৫. শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান রস টেলরের। ৩৩ ম্যাচ খেলে তার সংগ্রহ ৮৮১। এদিকে কুমার সাঙ্গাকারা ৪৭ ম্যাচে ১৫৬৮ রান তুলে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের মালিক।

৬. ২০১৫ সালে ডানেডিনে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৭০ রানে অপরাজিত থাকেন লুক রনকি। যা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের কোনো ব্যাটসম্যানের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস। আর ১৪০ রান করে সনাৎ জয়সুরিয়া ও থিসারা পেরেরা লঙ্কানদের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক।

৭. ৪১টি ম্যাচে খেলে ৭৪ উইকেট নিজ ঝুলিতে পুরে মুত্তিয়া মুরালিধরন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি। অন্যদিকে, পেসার কাইল মিলস ২১ ম্যাচে ৩২ উইকেট নিয়ে কিউইদের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি।

৮. ১৯৮৩ সালে ব্রিস্টলে স্যার রিচার্ড হ্যাডলি ২৫ রানের খরচায় ৫ উইকেট নিয়ে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সেরা বোলিং ফিগারের মালিক। আর শারজায় মাত্র ৯ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়ে কিংবদন্তি মুত্তিয়া মুরালিধরন শ্রীলঙ্কার পক্ষে সেরা বোলিং ফিগারের মালিক।