রাজধানীতে জমে উঠছে তাঁত প্রদর্শনী

 রাজধানীতে জমে উঠছে তাঁত প্রদর্শনী

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অনুষ্ঠিত তাঁত পণ্য প্রদর্শনী জমে উঠছে। প্রদর্শনীতে প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীর সংখ্যা, বাড়ছে বিক্রি। এতে সন্তোষ প্রকাশ করছেন বিক্রেতারা। অন্যদিকে তুলনামূলক কম দামে পছন্দের পোশাক কিনতে পারায় খুশি ক্রেতারাও।

সোমবার সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি স্টলেই রয়েছে ক্রেতা ও দর্শনার্থী। ব্যস্ত সময় পার করছেন বিক্রেতারা। অভিজাত মার্কেট থেকে এ প্রদর্শনীতে পোশাকের দাম কম হওয়ায় সব শ্রেণী পেশার মানুষ এসেছে এখানে। কেউ দর-দাম করছেন, কেউ আবার পছন্দের পোশাকটি প্যাকেট করে দিতে বলছেন বিক্রয় প্রতিনিধিকে। প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছে নরসিংদীর আমিরগঞ্জ ইউনিয়ন তাঁত সমিতি। তাদের স্টলে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাড়ি। দেশের তাঁত ও জামদানি পল্লী থেকে কালেকশন করে এ প্রদর্শনীতে অংশ নেয় সংস্থাটি।

এখানে জামদানি কালেকশন আছে ২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকার মধ্যে। তাঁতের শাড়ি রয়েছে ৪৫০ টাকা থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে। ফতুয়া রয়েছে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা আর পাঞ্জাবি রয়েছে ৩০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকার মধ্যে। এ স্টলের পরিচালক মোহাম্মদ  বলেন, আমরা অন্যান্য বছরের মতো এ বছরও অংশ নিয়েছি। শুরুর প্রথম ১৫ দিন বিক্রির পরিমাণ কিছুটা কম হলেও এখন বেশ সাড়া পাচ্ছি ক্রেতার। আশা করছি, সামনের দিনগুলোতে আরও ভালো বিক্রি হবে। শহিদুল ইসলাম নামে এক ক্রেতা জানান, একই পণ্য অভিজাত মার্কেটে অনেক দামে কিনতে হয়। এখানে ভালো পণ্য দাম কম তাই আসা।

প্রতিবছরই এ প্রদর্শনী থেকে কেনাকাটা করি, আজও কিছুটা করেছি। বিভিন্ন তাঁতের ফতুয়া আর লুঙ্গি নিয়ে এ প্রদর্শনীতে হাজির হয়েছে পাটোয়ারী টেক্সটাইল। তাদের স্টলে রয়েছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকার মধ্যে উন্নত মানের লুঙ্গি। আর ফতুয়া রয়েছে ২০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে। পটুয়াখালীর বাউফল দাসপাড়া তাঁত পল্লী থেকে পণ্য সংগ্রহ করে এ প্রদর্শনীতে হাজির হয়েছে আপন টেক্সটাইল। আপনের পরিচালক মো. আনিস  বলেন, আমাদের এখানে সকালের দিকে বিক্রির পরিমাণ ভালো হচ্ছে। আবার দুপুরের পর থেকে জমে উঠছে ক্রেতার আগমনে। অন্য বছরের তুলনায় এবার বিক্রির পরিমাণ ভালো।