বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় পিছিয়ে

 বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় পিছিয়ে

স্ইুজারল্যান্ডের জেনেভা ভিত্তিক সংস্থা বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডাব্লিউইএফ) তথ্য বলছে, এ বছর বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা সূচকে বাংলাদেশ আরো দুই ধাপ পিছিয়েছে। বিশ্বের ১৪১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৫তম। ১০০ স্কোরের মধ্যে বাংলাদেশ পেয়েছে ৫২.১। আগের বছর ১৪০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ছিল ১০৩তম। তার আগের বছর ছিল ১০২তম। ডাব্লিউইএফ’র তথ্যানুযায়ী আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডা, কেনিয়া, এশিয়ার স্থলবেষ্টিত দেশ মঙ্গোলিয়া, এমনকি হন্ডুরাস, গুয়েতেমালার মতো দেশেও ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ বাংলাদেশের চেয়ে উন্নত। এক নম্বরে থাকা যুক্তরাষ্ট্রকে হটিয়ে এবার জায়গা করে নিয়েছে আগের বছর দ্ইু নম্বরে থাকা সিঙ্গাপুর। আর দুইয়ে নেমে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে আছে যথাক্রমে হংকং ও নেদারল্যান্ডস। গত বুধবার সারা বিশ্বে এক যোগে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে ডাব্লিউইএফ। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সুশাসনে মারাত্মক ঘাটতি রয়েছে।

উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে, যেকোনো কাজ পেতে এখানে ঘুষ লেনদেন হয়। সরকারি কাজ পেতে তাদের ঘুষ দিতে হয়েছে। ৭৬ শতাংশ অভিযোগ করেছেন, পণ্য আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে তাদের ঘুষ দিতে হয়েছে। একটি দেশে ব্যবসায়ীদের জন্য ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ কতটা সহায়ক সরকারের নীতি কৌশল, প্রতিষ্ঠান কতটা ব্যবসা সহায়ক এবং একজন ব্যবসায়ী প্রতিযোগিতা করতে কতটা সক্ষম এসব বিষয় নিয়ে ১৯৭৯ সাল থেকে প্রতি বছর বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা প্রতিবেদন তৈরি করে আসছে ডাব্লিউইএফ। ১২টি স্তম্ভ বা সূচকের ভিত্তিতে একটি দেশের সক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়। সেগুলো হলো প্রতিষ্ঠান, অবকাঠামো, তথ্য প্রযুক্তির অভিযোজন, সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্য দক্ষতা, পণ্য বাজার, শ্রম বাজার, আর্থিক ব্যবস্থা, বাজারের আকার, উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও ব্যবসার গতিশীলতা। আমাদের সূচকগুলোকে আরো এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট নির্ধারকদের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ প্রয়োজন।