বেসরকারি বিনিয়োগে উৎসাহ কম

 বেসরকারি বিনিয়োগে উৎসাহ কম

সরকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চাকা দ্রুত ঘোরাতে চাইলেও তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ছে না। কাঙ্খিত হারে আসছে না বৈদেশিক বিনিয়োগও। প্রতিবেশি বা প্রতিযোগি অনেক দেশের চাইতেও বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে অনেক পিছিয়ে। অর্থনীতিবিদরা রয়েছেন উচ্চ আয়ের ব্যবসায়ের খরচ এর পেছনে অন্যতম কারণ। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব ব্যাংকের ডুয়িং বিজনেস তালিকায় এর প্রমাণ মেলে। তাতে দেখা যায়, ১৮৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৭৭তম। আগের বছরের চাইতে উন্নতি না হয়ে বরং এক ধাপ নিচে নেমে গেছে। অথচ একই সময়ে এ অঞ্চলের প্রতিযোগি দেশ ভারত, ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়া এগিয়ে গেছে। ঢাকায় দুই দিনের বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের একাধিক আলোচনায়ও ঘুরে ফিরে বেসরকারি বিনিয়োগ কাঙ্খিত হারে না বাড়ার বিষয়টিই আলোচনায় এসেছে।

বিনিয়োগকারীরা বলছেন, প্রতিযোগি অন্যান্য দেশের চাইতে বাংলাদেশের সার্বিক ব্যবসায়িক পরিবেশ স্পষ্টতই দুর্বল। বেসরকারি খাতের দেশি বা বিদেশি যে কোনো বিনিয়োগই সরকারের কাছে যেতে হবে। এই জায়গাটাই দুর্বল। কেউ কেউ বলেন অবকাঠামো আর  গ্যাস বিদ্যুতের অনিশ্চয়তা। আয়করের ক্ষেত্রে দীর্ঘ মেয়াদি নীতিমালা নেই। এসব কারণে কাঙ্খিত বিনিয়োগও আসছে না। ২০১৬ সালে বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে ২৩০ কোটি মার্কিন ডলারের। দেশে বেসরকারি বিনিয়োগের পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত কয়েক বছর ধরেই বিনিয়োগ জিডিপির ২১ থেকে ২৩ শতাংশের বৃত্তে আটকে রয়েছে। পরবর্তী ২০১৬-১৭ অর্থ বছরেও একই অবস্থা। বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা এই খাতে বিনিয়োগে এখনও অনিশ্চয়তায় ভোগেন।