পোশাক কারখানার নিরাপত্তা

 পোশাক কারখানার নিরাপত্তা

পোশাক খাতের সংস্কার বিষয়ক জাতীয় উদ্যোগের আওতায় থাকা কারখানাগুলোর সংস্কারে গতি কম। শুরুর তিন বছরের মাথায় মাত্র ৩০ শতাংশ সংস্কার কাজ শেষ হয়েছে এ রকম কারখানার সংখ্যা এখনও পাঁচ শতাধিক। এসব কারখানা কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া শুরু করেছে সরকারি কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর (ডিএফআই)। নোটিশে সংস্কারে ন্যুনতম অগ্রগতি না থাকায় শ্রম আইন অনুযায়ী কারখানা কেন বন্ধ করে দেওয়া হবে না, সে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব পাওয়া না গেলে এসব কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

পোশাক খাতের মূলধারার কারখানার সংস্কার চলছে দুই ক্রেতা জোট ইউরোপভিত্তিক অ্যাকর্ড অন ফায়ার এ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি বা অ্যাকর্ড এবং মার্কিন নেতৃত্বাধীন উত্তর আমেরিকার ক্রেতাদের জোট অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি বা অ্যালায়েন্সের তত্ত্বাবধানে। এসব কারখানার প্রায় ৯০ শতাংশ সংস্কার শেষ হয়েছে। দুই জোটের বাইরে এক হাজার ৮২৭টি কারখানার পরিদর্শন এবং সংস্কার কার্যক্রম চলছে জাতীয় উদ্যোগে। এসব কারখানার প্রাথমিক পরিদর্শনে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)। আমাদের পোশাক শিল্পের ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে নিজেদের স্বার্থেই প্রতিটি কারখানায় নিরাপত্তার বিধানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ কারখানাগুলি যথাসময়ে মেরামত ও সংস্কার করতে হবে। এভাবে পোশাক কারখানার নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে।