তারুণ্যে জাগ্রত ‘ডিজিটাল দেয়াল’ চাই

 তারুণ্যে জাগ্রত ‘ডিজিটাল দেয়াল’ চাই

আতাউর রহমান মিটন : কিছুদিন আগে পড়েছিলাম ঢাকার মহাখালীতে একটা দেয়াল তৈরি করা হয়েছে, যার নাম দেয়া হয়েছে ‘মানবতার দেয়াল’। সেই দেয়ালের গায়ে বসানো হ্যাঙ্গারে ঝোলানো আছে কিছু কাপড়। ডান পাশে লেখা আছে ‘আপনার অপ্রয়োজনীয় কাপড় দিয়ে যান’ আর বাম পাশে লেখা আছে ‘আপনার প্রয়োজনীয় কাপড় নিয়ে যান’। সাধারণ, বিত্তহীন মানুষদের সেবায় প্রতিষ্ঠিত এই ‘মানবতার দেয়াল’ অনেকের মনেই ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। মানুষ মানুষের জন্য সেই সত্যটা আরও একবার ফুটে উঠেছে ছোট্ট এই প্রচেষ্টায়। যতটুকু জানা যায়, ২০১৫ সালে ইরানের উত্তর-পূর্ব শহর মাশাদে প্রথম এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। শহরের তীব্র শীতে কাতর মানুষগুলোর সহায়তায় অজ্ঞাত কোন এক ব্যক্তি অভিনব এই উদ্যোগটি নিয়েছিলেন। বাংলাদেশেও ২০১৫ সালের নভেম্বরে মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলায় আড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমন একটি মহতি উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। একই ধরনের উদ্যোগের সংবাদ পাওয়া যায় লক্ষীপুরে। জেলার রায়পুর উপজেলার চর আবাবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০১৭ সালে একই ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়। কিশোরগঞ্জের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও অনুরূপ উদ্যোগের কথা শোনা গেছে।
মানবতার দেয়াল গড়ে তোলা হয়েছে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে, হয়েছে জেলার শ্রীমঙ্গল উদয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে, ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। ‘মানবতার দেয়াল’ প্রতিষ্ঠা পেয়েছে খুলনায়, শেরপুরে, টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। টাঙ্গাইলের ধনবাড়িতে একই ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে কিন্তু নাম দেয়া হয়েছে ‘বিবেকের দেয়াল’। যে নামেই হোক মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই মহতি ও ব্যতিক্রমী প্রচেষ্টা আমদের আশাবাদী করে। আমরা জাতি হিসেবে আরও আশাবাদী হই কারণ এই মহতি উদ্যোগগুলোর পেছনে দায়িত্বশীল ভূমিকায় কাজ করেছে দেশের তরুণ শিক্ষার্থীসমাজ!
দেশে সমস্যার কোন শেষ নেই। নিঃসন্দেহে দেশের সকল মানুষকে ভাল রাখার, তাদের মৌলিক অধিকারসমূহের নিশ্চয়তা বিধানের দায়িত্ব সরকারের। দেশের তরুণ সমাজ যেভাবে বিবেকের দায় থেকে মানবতার দেয়াল তৈরি করেছে, তেমনিভাবে সরকার যদি একটি ‘ডিজিটাল দেয়াল’ তৈরি করেন যেখানে দেশের নীতি নির্ধারকেরা তাদের মোট সম্পদের পরিমাণ জানাবেন এবং প্রতিবছর তার হ্রাস-বৃদ্ধি প্রকাশ করবেন। এই একটি মাত্র কাজ করা সম্ভব হলে দেশের দুর্নীতি প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। বলা বাহুল্য, আমি সকলের সম্পদের বিবরণ প্রকাশ করতে বলছি না, কেবল যারা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং সরকারের পদস্থ আমলা বা শীর্ষ কর্মকর্তা তাদের বিবরণ প্রকাশের প্রস্তাব করছি। এখানে উল্লেখ্য যে, ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ গত শনিবার চট্টগ্রামে বলেছেন, “সংসদ নির্বাচনের সময় আমার হিসাব জমা দিয়েছি। মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে দেশের সব উপজেলা, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারির সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার জন্য এখনই মৌখিক নির্দেশ দিচ্ছি। মন্ত্রণালয়ে গিয়েই অফিস অর্ডার বা নোটিশ ইস্যু করব।

 যাতে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সবাই বর্তমান সম্পদের হিসাব জমা দেন।” মাননীয় ভূমিমন্ত্রীর এই মৌখিক নির্দেশ যদি শেষ পর্যন্ত বহাল থাকে এবং এই মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাবের হ্রাস-বৃদ্ধি যদি সত্যি সত্যিই মনিটরিং করা হয় তাহলে এই মন্ত্রণালয়ের কাজে স্বচ্ছতা ফিরে আসবে। বিবেকের এই ‘ডিজিটাল দেয়াল’ তৈরি করতে পারলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ দেখানোর যে ঘোষণা দিয়েছেন তা বাস্তবায়নে একটি মাইলফলক স্থাপিত হতে পারে। বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় রাষ্ট্র। আমরা নানা কারণেই বিশ্বে আলোচিত। এর মধ্যে খারাপ নিদর্শন যেমন আছে তেমনি ভাল ব্যাপারও রয়েছে অনেক। আমরা দ্রুত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির দিকে যাচ্ছি কিন্তু সুশাসনের অভাব সেই পথে একটা বিরাট অন্তরায়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেটা জানেন বলেই আমার বিশ্বাস। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পরে দুর্নীতি ও মাদক নির্মূলকে তাঁর সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জোর দিয়ে বলেছেন, ‘সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি ও মাদক নির্মূলের ক্ষেত্রে আমাদের যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘ক্ষমতাটা শুধু চেয়ারে বসে ভোগ করা নয়, এটা জনগণের কাছে দায়িত্ববোধ।’

নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ একটি সুস্পষ্ট ভিশন বা প্রত্যাশা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তী দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশে পালিত হবে, বাংলাদেশ এসডিজি’স অর্জন করবে, এক সময় পরিণত হবে উন্নত দেশে। তখন আমাদের সবুজ পাসপোর্ট নিয়ে বিদেশের এয়ারপোর্টগুলোতে কোন বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না। এই মর্যাদা শুধু চাইলেই হবে না বরং তার জন্য সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পারার মত দক্ষ নেতৃত্ব সরকারে থাকতে হবে। নিজের অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণের দৃঢ় অঙ্গীকারের মত, আমাদের সর্বক্ষেত্রে আত্মমর্যাদায় দাঁড়াতে চাইলে জনগণের সক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে হবে। আমাদের তৃণমূলের ছোট ছোট দুর্নীতিগুলোকে উপেক্ষা করা চলবে না। দেশের রিক্সাস্ট্যান্ড, বেবিট্যাক্সি স্ট্যান্ড, সেতুর টোল তোলা, ভূমি রেজিষ্ট্রি অফিস বা ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রতিদিন যে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা তোলা হচ্ছে সেই টাকার একটা জবাবদিহিতা থাকা দরকার। চাঁদাবাজদের হাত থেকে এই স্থানগুলোর প্রাপ্ত ইজারার টাকা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ এবং পৌরসভাগুলোর উন্নয়ন বাজেটে যদি দেয়া হয় তাহলে বাংলাদেশের উন্নয়নে আরও অভাবনীয় পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে। আশাকরি নতুন সরকার উন্নয়নের এই ধরনের দৃষ্টান্তমূলক নতুন নতুন দেয়াল তুলবেন যা প্রকারান্তরে ‘মানবতার দেয়াল’ বা ‘বিবেকের দেয়াল’ এর মতই মানুষের হৃদয়ে ‘উন্নয়নের দেয়াল’ হয়ে পরিচিতি পাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার মত করে আমরা প্রশ্ন রাখছি, আমরা পারব না কেন? আমাদের কিসের অভাব?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি নিজেই আপনার কার্যালয়ে প্রথম কার্যদিবসে কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দেয়া বক্তৃতায় বলেছেন, ‘আমাদের শুধু উদ্যোগের অভাব, উদ্যমের অভাব, কাজ করার অভাব।’ দেশের তরুণ সমাজ আপনার উপর আস্থা রেখেছে। আপনি তাঁদের মনে স্বপ্নের বীজ বুনেছেন। ওরা উন্নত বাংলাদেশে মাথা তুলে দাঁড়াতে চায়। আপনি ওদের সুযোগ দিন। যে বিশ্বাস ও আস্থা নিয়ে আপনি ‘তারুণ্যের মন্ত্রিসভা’ গঠন করেছেন, সেই একই বিশ্বাস এবং আস্থায় আপনি সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডে তরুণদের সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ দিন। যে তরুণেরা মানবতার দেয়াল বা বিবেকের দেয়াল তৈরি করতে সক্ষম তাদেরকে সুযোগ দিলে আপনি ‘সোনার বাংলা’ সহজেই গড়তে পারবেন। আর একটি অনুরোধ, দয়া করে যত দ্রুত সম্ভব তরুণদের মধ্যে গণতান্ত্রিক চর্চ্চা এবং জাতীয় উন্নয়নে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির জন্য অবিলম্বে ‘যুব ছায়া সংসদ’ গঠন করুন। জাতীয় সংসদের অধীনেই যুব ছায়া সংসদ গঠিত হতে পারে। আপনার দলের অনেক শীর্ষ নেতা যুব ছায়া সংসদ কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত এবং তাঁরাও মনে করেন এটা একটা ভাল উদ্যোগ। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরকে সত্যিকার অর্থে ‘যুববান্ধব’ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আপনি নির্দেশনা দিন। আপনি ভরসা দিন, দেশের যুব সমাজ আপনাকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি এনে দেবে। যুবকেরা কখনই বিশ্বাসঘাতকতা করে না। বঙ্গবন্ধু নিজেও সেটা বিশ্বাস করতেন। তিনি সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য বারবার যুবকদের নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং তাদেরকে সম্পৃক্ত করার তাগিদ দিয়েছেন। আর বাংলাদেশের জন্মটাই তো হয়েছে এদেশের সংগ্রামী তরুণ-যুবকদের প্রচেষ্টায়! আপনি নিজেও সেই সময়ের একজন ছাত্রী নেত্রী হিসেবে তারুণ্যের গর্বিত অহঙ্কার! আমি জানি না, আপনার মত করে তরুণদের চাওয়া-পাওয়া আর কে বেশি বুঝতে পারে!

আমাদের গণতন্ত্র এখনও নতুন, অন্ততঃ আমেরিকা বা ইংল্যান্ডের তুলনায়। আমরা এখনও শিখছি এবং উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। সেটা সত্যি। বিকাশ একটি অন্তর্নিহিত প্রক্রিয়া। বাইরে থেকে এনে ঘাড়ের উপর ফেলে দিয়ে ‘গণতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠা করা যাবে না। গণতন্ত্রের জন্য গণতান্ত্রিক মানসিকতার কোন বিকল্প নেই। পারস্পরিক বিভেদের দেয়াল তুলে আমরা কি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে পারব? রাজনীতিবিদেরা রাজনীতি করেন দেশের জন্য, মানুষের জন্য। তাদের উন্নয়নের লক্ষ্য কেবলই দলীয় লোকজন হওয়া উচিত নয়। সবাইকে নিয়ে পথ চলা শিখতে হবে। নিজেদের মধ্যে বিভেদের দেয়াল ভেঙে মানবতা ও বিবেকের দেয়াল নির্মাণ করতে হবে। বিভেদের দেয়াল নির্মাণের জন্য জনগণ কেন তাদের ট্যাক্সের টাকা দেবে? আমেরিকার দিকে তাকিয়ে দেখুন, মেক্সিকো সীমান্তে স্টিলের দেয়াল নির্মাণে আবারো ৫৭০ কোটি ডলার চেয়েছেন ট্রাম্প। আর কংগ্রেস সেই অর্থ বরাদ্দ না দেয়ায় পুরো যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে চলছে অচলাবস্থা। ডেমোক্রাট নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস বলছে ‘জনগণের করের টাকায়’এই দেয়াল নির্মাণ করা যাবে না, অন্যদিকে ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন প্রয়োজনে তিনি কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে জরুরি অবস্থা জারি করবেন, তবুও তিনি ‘দেয়াল’ তুলবেনই। দুই পক্ষের অনড় অবস্থানের কারণে পুরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এতে সাধারণ আমেরিকানদের মনে একদিকে ঘৃণা ও ভীতির সঞ্চার হচ্ছে। অন্যদিকে মানুষের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো উপেক্ষিত হচ্ছে।

মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণে মার্কিন জাতীয় স্বার্থের চেয়ে এখানে বড় হয়ে দেখা দিচ্ছে উভয়দলের নেতৃবৃন্দের জিদ। কেউ কাউকে ছাড় দিতে তৈরি নন। এটা হয়তো রাজনীতির কৌশল কিন্তু জাতীয় স্বার্থে ছাড় দিতে না শিখলে শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয় জনগণ। আমেরিকায় যদি জরুরি অবস্থা ঘোষিত হয় তাতে ট্রাম্প হয়তো আইনগতভাবে দেয়াল নির্মাণে টাকা খরচের অধিকার পাবেন কিন্তু তাতে করে তিনি জনগণের, বিশেষ করে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পারবেন বলে মনে হয় না। কারণ, সাধারণ আমেরিকানদের কাছে জিনিষপত্রের দাম, চিকিৎসা ও শিক্ষাখাতে ব্যয় কমানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ইত্যাদি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অবৈধ অভিবাসী নিয়ন্ত্রণের নামে একটা সূউচ্চ দেয়াল তৈরির চেয়ে বরং সুশাসনে ব্যয় বৃদ্ধি এবং জনগণের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে বরাদ্দ বৃদ্ধি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দেয়াল তুলে মাদক নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাবটাকে একটা ‘ধাপ্পাবাজি’ বলেই অনেক বিশ্লেষক মনে করেন। ট্রাম্প নিজের শাসনতান্ত্রিক দুর্বলতা কাটাতে সেই ধাপ্পাবাজির কৌশলটাই সম্ভবতঃ নিয়েছেন।
আমেরিকার ‘সীমান্ত দেয়াল’ নির্মাণ আর আমাদের দেশের তরুণদের তৈরি ‘মানবতার দেয়াল’ দুটো এক্কেবারে বিপরীত। চেতনা ও বৈশিষ্ট্যগতভাবে দুটোই আলাদা। আমি দুটো দেয়ালের উদাহরণ এখানে এনেছি রূপক অর্থে। বাংলাদেশে আমরা ‘মানবতার দেয়াল, ‘ডিজিটাল দেয়াল’ চাই। তারুণ্যে জাগ্রত ডিজিটাল এই দেয়ালে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উন্নত বাংলাদেশের ছবি আঁকতে চাই। আমরা চাই নতুন সরকার তরুণদের কথা শুনবেন, বুঝবেন এবং তাদের জন্য সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলবেন। পারস্পরিক বিভেদের দেয়াল আমরা চাই না। আমরা ঐক্য ও শান্তির রথে চড়ে এগিয়ে যেতে চাই।
লেখক: সংগঠক-প্রাবন্ধিক
[email protected]
০১৭১১-৫২৬৯৭৯