চলুন, স্বপ্নবাজের মিছিলে সমবেত হই

 চলুন, স্বপ্নবাজের মিছিলে সমবেত হই

আতাউর রহমান মিটন : আমার গ্রাম, আমার শহর’ বর্তমান সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন শ্লোগান। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী ইশতেহারে এই শ্লোগানটি যুক্ত করা হয়েছে এবং তারই প্রতিফলন কিছুটা হলেও ২০১৯-২০ অর্থ বছরের বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে। এই কর্মসূচির লক্ষ্য এটা নয় যে, গ্রামগুলো শহর হয়ে যাবে। এই কর্মসূচির মূল কথাটা হচ্ছে গ্রামে বসেও শহরের সুবিধাদি পাওয়া। অর্থাৎ গ্রামের রাস্তাঘাট, যানবাহন, বাড়িঘর, ইন্টারনেট ও ফোন সংযোগ, বিদ্যুৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ইত্যাদি যেন শহরের মত হয়। গ্রামে থেকেও একজন মানুষ যেন নিজেকে শহরের মতই নাগরিক সেবার অধিকারী বোধ করেন সেটা নিশ্চিত করা। বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে গ্রামের এই বাস্তবতা বিদ্যমান। আমি নিজেও জাপানের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে বা গ্রামে গিয়ে দেখেছি সেখানে শহরের মতই প্রায় সবকিছু পাওয়া যায়। তবে সেটা কোনভাবেই রাজধানী টোকিও শহরের সাথে তুলনীয় নয়।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের বহু দেশেই চলমান উন্নয়ন শহরমুখী। মুখে যাই বলুক না কেন, সরকার দেশের প্রধান প্রধান শহরগুলোকে তিলোত্তমা বানানোর জন্য দারুণভাবে সচেষ্ট। মেগা প্রকল্পগুলোর সুবিধাভোগীরা হচ্ছেন শহরের মানুষ। গ্রামে সেই উন্নয়নের চুইয়ে পড়া প্রভাব খানিকটা পড়ে বটে এবং গ্রামের সরল সোজা সাধারণ মানুষগুলো সেটাকেই ‘পরিবর্তন’ ভেবে সান্ত¡না খুঁজে নেয়। এভাবেই এগিয়ে চলে জীবন। অতীতের দিকে তাকালে মনে হয়, মানুষের জীবন বদলে যাচ্ছে। মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক উন্নত জীবনযাপন করছে। বাংলাদেশের গ্রামেও এখন স্মার্টফোনের ছড়াছড়ি, বিদ্যুৎ সংযোগ চলে গেছে অনেক বাড়িতেই। রয়েছে টেলিভিশন ও ডিশ কানেকশন। প্রায় সব গ্রামেই এখন ইন্টারনেট সুবিধা পাওয়া যায়। মোবাইল ফোনের ম্যাসেঞ্জার বা ফেসবুক ব্যবহার এখন সাধারণের কাছে একটা মামুলি ব্যাপার। এ সবই এক ধরনের উন্নয়ন। যদিও প্রশ্ন করবার সুযোগ রয়েছে যে, এই উন্নয়ন কার জন্য এবং তা কতখানি টেকসই?
শহরমুখী উন্নয়ন দর্শনের প্রভাবে পিছিয়ে পড়েছে গ্রামীণ জনপদ। তাদের উন্নতি দৃশ্যমান হলেও শহরের তুলনায় তা অসম। বৈষম্যভরা এই প্রচেষ্টা। গ্রামের নারী ও যুবকেরা নিঃসন্দেহে শহরের নারী বা শহরের যুবকের মত করে জীবনকে বিকশিত করছে না। বিশেষ করে আমাদের যুবসমাজ, যাদেরকে আমরা সমাজের সবচাইতে উৎপাদনক্ষম এবং আগুয়ান অংশ হিসেবে মনে করি তারা উন্নয়নের দৌড়ে পিছে পড়ছে। ফলে, বাড়ছে হতাশা এবং বাড়ছে সামাজিক অপরাধ। গ্রামেও এখন মাদকাসক্তি বিস্তৃত হয়েছে। নারীদের উপর যৌন নিপীড়নের প্রবণতা এখন আগের যে কোন সময়ের তুলনায় বেড়েছে। ঘরে সোমত্ত মেয়ে রয়েছে এমন বাবা-মায়ের এখন দুশ্চিন্তা আগের তুলনায় বেড়েছে। এই যে সামাজিক অবক্ষয় বেড়ে গেল সেটাকে কি আমরা উন্নয়ন বলব? অনেকেই বলেন এগুলো হচ্ছে, উন্নয়নের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া!
বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে একটা অন্যরকম দেশ। আমরা ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছি। বহু সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে অর্জন করেছি স্বাধীনতা। সে কারণেই আমাদের সংবিধানে বলা হয়েছে, ‘আমাদের রাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অথনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে’। রক্ত দিয়ে লেখা আমাদের মহান সংবিধানের প্রস্তাবনায় বর্ণিত এই কথাগুলো বাংলাদেশের সকল মানুষের মনের কথা। এটা সকলের প্রাণের চাওয়া। রক্ত যখন দিয়েছি, আরও রক্ত দিতে হলেও আমরা যেন সংবিধানের সেই প্রস্তাবনার বাস্তবায়ন দেখতে পাই তার নিশ্চয়তা চাই। আমাদের দেশপ্রেমিক নেতৃবৃন্দ আমাদেরকে সেই স্বপ্ন ও প্রেরণায় উজ্জীবিত রাখবেন এবং এগিয়ে নিয়ে যাবেন সেটাই আমরা প্রত্যাশা করি।

সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বিশ্ব স্বীকৃতি লাভ করবে। আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে হবে উন্নয়নশীল দেশ। জাতিসংঘের ঘোষিত টেকসই লক্ষ্যসমূহ অর্জন করবে ২০৩০ সালের মধ্যে আর আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের অন্যতম একটি ‘উন্নত দেশ’। বতমান সরকার এই লক্ষ্যসমূহ অর্জনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে দেশ-বিদেশের বিনিয়োগ আহ্বান করছেন। জাপান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  শিনজো আবে ইতোমধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর ২০৪১ সালের স্বপ্ন পূরণে জাপান সাথে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। বিশ্বের অন্যান্য দেশও প্রায় একইভাবে বাংলাদেশকে সাহায্য ও সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে। এটা খুবই ইতিবাচক। বিশ্বের বহু দেশের অর্থনীতি যখন স্থবির তখন বাংলাদেশের জিডিপি প্রায় ৮% হারে বাড়ছে। আগামীতে এই প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে ১০% - এ নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। সেটাও খুবই আশাপ্রদ।
তবু প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশের অর্থনীতির এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি কি মানুষের জীবনকে নিরাপদ করতে পারছে? বরগুনার ঘটনা বা মাদ্রাসা শিক্ষকের দ্বারা মেয়ে শিক্ষার্থীদের নিপীড়ন বা সামগ্রিকভাবে নারীদের উপর যৌন নিপীড়ন বেড়ে যাওয়াকে আমরা কিভাবে মূল্যায়ন করব? সমাজে যদি এ ধরনের অনাচার বাড়তেই থাকে তাহলে উন্নয়নের এই রোল মডেল হয়ে আমাদের সার্থকতা কোথায়! যে উন্নয়ন আমাকে সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা দেয় না সেই উন্নয়ন আমার কতখানি কাম্য? আমি কি সত্যিই সেটা চাই?  বাংলাদেশের মানুষ নিরাপদে ও নিশ্চিন্তে থাকতে চায়। তাঁরা আত্মমর্যাদায় উঠে দাঁড়াতে চায়। ভিক্ষুকের মত জীবন তাদের জন্য অসম্মানের। তারা এমন এক জীবন চায় যা তাদেরকে বেঁচে থাকার সার্থকতা বোঝাবে, জীবনের যন্ত্রণা নয়। উন্নত জীবনের ধারণা যদিও আপেক্ষিক তবু বেশিরভাগ মানুষই মনে করে, উন্নত জীবন হচ্ছে এমন এক জীবন যেখানে মানুষ তার মনের ইচ্ছাগুলোকে তুলে ধরতে পারবে, মন ডানা মেলতে পারবে সম্ভাবনার অনন্ত আকাশে! এমন এক ধরনের সহায়ক পরিবেশ সেখানে বিরাজ করবে যেখানে মানুষের মন জুড়ে থাকবে প্রশান্তি। প্রবৃদ্ধি নয়, সমাজের অগ্রগতি মাপার জন্য ‘হ্যাপিনেস” সূচক ব্যবহার করা হবে, যেমনটি পার্শবর্তী দেশ ভূটানে করা হয়। কারাগারে সব ধরনের সুবিধা পাওয়া যায় তবু কারাগারের জীবন কারও কাম্য নয়, কারণ সেখানে স্বাধীনতা থাকে না। নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ সে কারণেই উন্নয়নকে তুলনা করেছেন ‘ফ্রিডম বা স্বাধীনতা’র সাথে। টাকা-পয়সা বা ধন সম্পদের উন্নয়নকে তিনি যথাথ উন্নয়ন বলতে নারাজ। মানুষ যদি সত্যিকারের শিক্ষা না পায়, যদি তাদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত না হয় এবং যদি তাদের জন্য এগিয়ে চলার মত একটা সহায়ক পরিবেশ বিরাজ না করে তাহলে তিনি সেই সমাজকে একটি উন্নত সমাজ বলতে চান না। প্রশ্ন হলো আমরা কি চাই?
বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ গ্রামে বাস করে। বাংলাদেশের উন্নতি তাই গ্রামীণ মানুষের জীবনমানের উন্নতির দ্বারা মাপতে হবে। নদীমাতৃক বাংলাদেশে গ্রামগুলির চেহারা ও বাস্তবতা এক নয়। উত্তরাঞ্চলের সমতলের গ্রাম, হাওরাঞ্চলের গ্রাম এবং উপকূলীয় অঞ্চলের গ্রামের বৈশিষ্ট্য ও বাস্তবতা এক নয়। তিস্তা, যমুনা ও পদ্মাপারের চরাঞ্চলের সাথে পার্বত্যাঞ্চলের গ্রামগুলির কোন তুলনা চলে না। তাই সরল রেখার মত করে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করলে তা ফলপ্রসু ও টেকসই হবে না। পরিকল্পনা নিতে হবে বাস্তবতার নিরীখে। সংবিধানের ১৬ অধ্যায়ে শহর ও গ্রামাঞ্চলের জীবন যাত্রার মানের বৈষম্য ক্রমাগতভাবে দূর করার উদ্দেশ্যে গ্রামে গ্রামে আমূল রূপান্তর সাধনের কথা বলা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে ক্রমাগতভাবে বলা হচ্ছে তারা সেই লক্ষ্যেই কাজ করছেন। সরকারের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার কারণেই বর্তমানে বাংলাদেশের গ্রামগুলিতে ‘উন্নয়ন’ দৃশ্যমান হয়েছে। সরকার যত ধরনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে তা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়িত হলে নাকি গ্রামের জীবনযাত্রা আরও বদলে যাবে এবং গ্রামের মানুষ আগামীতে আরও সুখে ও শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। আমরা তাতে কতখানি আস্থাবান? গ্রামের উন্নতি একদিনে করা সম্ভব নয়। আবার কোন একটি সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি দিয়েও তা অর্জিত হবে না। এর জন্য ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যেতে হবে। বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি কৃষি নির্ভর। আমাদের মোট শ্রমশক্তির ৪০.৬২% গ্রামীণ কৃষির সাথে যুক্ত। গ্রামের উন্নতি করতে হলে গ্রামের মানুষের আয় বাড়াতে হবে। কৃষিকে আধুনিকীকরণ করতে হবে। সমবায় বা যৌথ মালিকানার ভিত্তিতে কৃষির যান্ত্রিকীকরণ, অধিক লাভজনক ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি, গণপরিবহনে (রেলওয়ে, নৌপথে)  সহজে কৃষিপণ্য পরিবহন সুবিধা সৃষ্টি এবং স্থানীয়ভাবে কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে আর্থিক প্রণোদনা দেয়ার মাধ্যমে কৃষির উন্নতি করা যায়। দুনিয়ার বহুদেশেই কৃষিতে ভর্তুকি চালু আছে, বাংলাদেশেও তা চালু রাখতে হবে। কৃষির উন্নতি ও গ্রামের উন্নতিকে একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ হিসেবে গণ্য করতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষির বাইরেও বাংলাদেশে আরও ৪৭ ধরনের অকৃষিজ পেশা রয়েছে যার মানোন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ জীবনমানের উন্নয়ন নিশ্চিত করা যায়। গ্রামের এই অকৃষিজ পেশাকে গুরুত্ব দিয়ে আমাদের তরুণসমাজকে এসব পেশায় নিযুক্ত হতে উৎসাহিত করতে হবে। মনে রাখতে হবে, সবাই কিছু পারবে না, আবার সবাই সবকিছু করবেও না। তাই মানুষকে তাদের পছন্দমত পেশা বেছে নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব তাদের জন্য সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা। কাউকে মুখে তুলে খাওয়াতে হবে না। মানুষ নিজেরাই নিজেদের উন্নত খাবারের ব্যবস্থা করে নেবে। সরকার শুধু পথের বাধাটুকু সরিয়ে নিলেই মানুষের পথ পরিষ্কার হয়ে যায়।

আগামীর বাংলাদেশ কেমন হবে তা নির্ভর করছে আমাদের তরুণ সমাজ কিভাবে বর্তমানে নিজেদের তৈরি করছে। বরগুনার ‘নয়ন বন্ড’ আমাদের তারুণ্যের প্রতিক নয়। আমরা আমাদের তরুণদের নিয়ে গব করি। তারা মেধাবী ও উদ্যমী। আমাদের মাতৃভাষার সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম, গণতন্ত্রের সংগ্রাম আমাদের তরুণদের পরিচয় বহন করে। কিছু বিপথগামী ব্যক্তির দায় সকল তরুণদের উপর চাপানো সঠিক হবে না। তবে একথা ঠিক আমাদের দেশের এক তৃতীয়াংশ অর্থাৎ ছয় কোটি যুবকের এক বড় অংশের মধ্যেই দিনে দিনে হতাশা বাড়ছে। আমাদের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা তরুণদের মধ্যে ভরসা জাগাতে বাড়ছে না। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাইলে তরুণদের মধ্যে স্বপ্ন তৈরি করতে হবে। এই স্বপ্ন দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার স্বপ্ন নয়। নিজের গ্রামে থেকেই গ্রামকে সাজিয়ে তোলার স্বপ্ন দেখতে হবে। প্রত্যেক গ্রামে লুকিয়ে থাকা সম্ভাবনাগুলোকে বিকশিত করার জন্য নিজেরা ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। প্রত্যেক গ্রামে তরুণদের নিয়ে ‘যুব ব্রিগেড’ গড়ে তুলে স্থানীয় সরকারের সহায়তায় তাদের হাতে গ্রামের নিরাপত্তা ও উৎপাদনশীলতা বিকাশের দায়িত্ব দিতে হবে। বড়দের ভূমিকা হবে তাদের কাজে সহায়তা করা, মাতব্বরী করা বা বাধা দেয়া নয়! বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে তরুণদের স্বপ্নের গভীরে। সরকারের উচিত হবে তরুণদের মধ্যে স্বপ্ন জাগিয়ে তোলা। আমাদের যুব উন্নয়ন কর্মসূচিকে ঢেলে সাজাতে হবে। মনে রাখতে হবে, আগামীর উন্নত বাংলাদেশ গড়ার কারিগর আজকের তরুণ সমাজ। আসুন, আমরা সবাই সমৃদ্ধ জীবন গড়ে তোলার স্বপ্নবাজ তারুণ্যের মিছিলে সমবেত হই। বৈষম্যের ক্ষয় হোক। জয় হোক বঞ্চিতজনের!
লেখক : সংগঠক-প্রাবন্ধিক

০১৭১১-৫২৬৯৭৯