কর্মস্থলে ফেরা মানুষের টিকিট পেতে রংপুরে ভোগান্তি

 কর্মস্থলে ফেরা মানুষের টিকিট  পেতে রংপুরে ভোগান্তি

রংপুর জেলা প্রতিনিধি: ঈদের ছুটি শেষে ঘরমুখি মানুষ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে। কেউ বা বাস, ট্রেনে, আর যানজটের ঝুক্কি থেকে নিজেদের মুক্ত করতে হাতে গোনো কিছু প্রভাবশালী মানুষ বিমানযোগে রাজধানীতে রওনা হচ্ছেন। বাস, ট্রেনের টিকেট পাওয়া তো এখন সোনার হরিণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্ধারিত ছুটি শেষে আগামী রোববার সকল সরকারি-বেসরকারি, ব্যাংক-বীমা, অফিস-আদালত খুলবে। আর এজন্য সময়মতো চাকুরিজীবীদের হাজিরা দিতে হবে। সেজন্য নিজ তাগিদে নাড়ির টান ছেড়ে এখন ছুটছে কর্মস্থলের পানে মানুষজন। আর এই সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে কিছু সংখ্যক বাস ও ট্রেনের টিকেট কালোবাজারী ব্যবসায়িরা। বিভিন্ন নামে-বেনামে টিকেট নিজেদের সংগ্রহে রেখে বর্তমানে অধিকহারে বিক্রি করছে।

বিভিন্ন বাস কাউন্টার কর্তৃপক্ষ বলছে, সড়কপথে ঢাকামুখী ভিড় বাড়ে রাতের গাড়িতে। রংপুর কেন্দ্রীয় ঢাকা বাস টার্মিনাল কামারপাড়া এলাকা ঘুরে ঢাকামুখী মানুষের আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে। বেসরকারি চাকরিজীবীদের যারা বেসরকারী অফিস কিংবা যারা ভিড় এড়িয়ে স্বস্তিতে ঢাকা ফিরতে চেয়েছিলেন মূলত তারা চলে গেছেন কর্মস্থলে কষ্ট সহ্য করে। ট্রেনেও একই অবস্থা। অনেকে টিকিট না পেয়ে দাড়িয়ে ঢাকা গেছেন। রংপুর রেলওয়ে ষ্টেশন মাস্টার জানান, টিকিট অনলাইনে বিক্রি হয়েছে। আর কোন টিকিট নাই। তবে ট্রেনে আরও বগি সংযোজন করা দরকার ছিল। ঈদে চাপ বেশী হলেও আমরা ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।

রংপুর কামারপাড়া বাস টার্মিনাল এলাকার এনা পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার গাজি হোসেন জানান, ২১ আগষ্ট পর্যন্ত গাড়ির টিকেটের অনেক চাপ। সকলকেই ব্যবস্থা করে দেয়া হচ্ছে। অতিরিক্ত ফি কাউন্টারে নেয়া হচ্ছে না। বাইরে কেউ করছে কি না এটা  আমরা জানি না। রংপুর মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এম এ মজিদ জানান, ঈদে যারা রংপুরে আছেন তারা কর্মস্থলে যেতে পারবেন। পর্যাপ্ত গাড়ি রয়েছে । কোন সমস্যা হবে না। তাছাড়া অনেকেই গাড়ি রিজার্ভ করে এনেছেন।
আরপিএমপির সহকারী কমিশনার ( ডিবি এন্ড মিডিয়া) আলতাফ হোসেন জানান, টিকিট কালোবাজারী রোধে পুলিশ মাঠে আছে। এছাড়া অজ্ঞান ও মলম পার্টির দৌরাত্ম বন্ধে পুলিশী টহল বাড়ানো হয়েছে। টার্মিনালগুলোতে সাদা পোষাকে পুলিশ টহল দিচ্ছে।