ওষুধ চাই স্বচ্ছতা

 ওষুধ চাই স্বচ্ছতা

বাংলাদেশের ওষুধ বিভিন্ন দেশে রফতানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ওষুধের চাহিদা বেড়েই চলেছে। এ অবস্থায় নিম্নমানের ওষুধ বা মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের দৌরাত্ম রোধ করা না গেলে বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ওষুধের ব্যাপারে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হতে পারে। নিম্নমানের ওষুধের কারণে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হলে তা অন্যান্য রফতানি পণ্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। তবে আশার কথা মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বাজার থেকে জব্দ করে এক মাসের মধ্যে ধ্বংস করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। চলতি মাসেই এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন এ আদেশ দেন। হাইকোর্ট সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্মকর্তাদের ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন আদালত। আমরা মনে করি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সারা বছর ওষুধের ওপর নজরদারি রাখতে হবে।

ওষুধ চাই স্বচ্ছতা

একুশ শতকে ওষুধ জীবন রক্ষার জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। যারা মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের ব্যবসা করে তারা অপরাধী। যারা এই জঘন্য অপরাধের সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। মনে রাখতে হবে উৎপাদনভিত্তিক ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি বাড়ায় এ খাতের যথেষ্ট উন্নতি হচ্ছে। গত কয়েক বছরে এই খাতের বেশ উন্নতি দৃশ্যমান। এই অবস্থায় যদি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের কারণে মানুষের জীবন ঝুঁকি বেড়ে যায় তাহলে সারা দেশে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এমন পরিস্থিতি কোনোভাবেই প্রত্যাশিত হয়। আমরা মনে করি, হাইকোর্টের যে নির্দেশনা এসেছে তা বাস্তবায়নের পাশাপাশি সরকার সংশ্লিষ্টদের মনে রাখা দরকার, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির ভয়াবহতা কী রূপ হতে পারে। কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে হাইকোর্টের নির্দেশনার যথাযথ বাস্তবায়ন হোক এমনটি কাম্য।