অভিনন্দন নারী ক্রিকেট দল

 অভিনন্দন নারী ক্রিকেট দল

মেয়েদের এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশ দল এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে চ্যাম্পিয়ন হয়ে। নেদারল্যান্ডে শনিবার টি-২০ বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের ফাইনালে আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়েছেন নারী ক্রিকেটাররা। বৃহস্পতিবার স্কটল্যান্ডকে হারানোয় আগামী নভেম্বরে গায়ানায় অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছিল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের মেয়েদের পথচলা খুব বেশি দিনের নয়। আইসিসি মেয়েদের ক্রিকেটে জোর দেওয়ায় বিসিবিও মেয়েদের ক্রিকেটকে গুরুত্ব দিতে শুরু করে ২০০৬-২০০৭ সাল থেকে। ২০১১ সালে বিশ্বকাপ বাছাই পর্ব চলাকালে দেশের মেয়েরা পায় ওয়ানডে স্ট্যাটাস। মেয়েদের ক্রিকেটকে বরাবরই অবহেলার চোখে দেখা হয়েছে।

অনেক সময় নিয়মিত খেলাও ছিল না। বাংলাদেশের নারী ফুটবলাররাও সাম্প্রতিক সময়ে আঞ্চলিক পর্যায়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখতে শুরু করেছেন। কিন্তু হতাশার সঙ্গেই বলতে হয়, মেয়েদের ক্রিকেট নিয়ে খুব বেশি ভাবা হয়নি। বিশ্বে যখন নারী-পুরুষে মজুরি ও বেতন বৈষম্য নিয়ে কথাবার্তা চলছে তখন এই সাফল্যের প্রেক্ষাপটে আমরা দেশের নারী  ক্রিকেটারদের সম্মানী-ভাতা বাড়ানোর সুপারিশ করতে পারি। নারী দলের স্পন্সর হওয়ার জন্য দেশের বড় বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছেও আর্জি জানাতে পারি। সাফল্যের জন্য দেশবাসীর শুভেচ্ছা রইল নারী ক্রিকেটারদের প্রতি। সেই সঙ্গে তাদের আরও পরিচর্যা এবং নবীন খেলোয়াড় উঠে আসার জন্য মেয়েদের বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট চালুর পরামর্শ দেন। তাদের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে উৎসাহ দিতে হবে। তাতে ফুটবলের মতো ক্রিকেটেও মেয়েদের সাফল্যের ধারাবাহিকতা থাকবে।