সকাল ৮:১১, বুধবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০১৭ ইং
/ লাইফস্টাইল

পায়ের যত্নে সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে পেডিকিওর। যেকোনো রূপচর্চাকেন্দ্রে পেডিকিওর করাতে গেলে সেটি আপনার জন্য ব্যয়বহুল হবে। তবে আপনি ঘরে বসেই করতে পারেন পেডিকিওর। সেজন্য আপনার দরকার হবে গামলাভর্তি গরম পানি, বাথ সল্ট বা শ্যাম্পু, ফুট স্ক্রাব, নেইল কাটার, নেইল ফাইল, পিউমিস স্টোন, ফুট ময়েশ্চারাইজার, একটি পরিষ্কার তোয়ালে, তুলোর বল। চলুন জেনে নেই তারপরের করণীয়।

নেইলপলিশ রিমুভার দিয়ে প্রথমেই নখের নেইলপলিশ কিংবা নেইল আর্ট তুলে ফেলুন। অতঃপর নেইল কাটার দিয়ে পছন্দ মতন শেইপে নখ কেটে নিন। খেয়াল করে কাটবেন, খুব বেশি গভীরে যেন না কেটে ফেলেন। এরপর, নেইল ফাইলার দিয়ে নিখুঁতভাবে নখ ফাইল করে নিন।

পেডিকিওরের এটিই সবচেয়ে আরামদায়ক পর্যায়। হালকা গরম পানিতে বেশ কিছুক্ষণ পা ডুবিয়ে রাখুন। খেয়াল করবেন যেন গোড়ালি পর্যন্ত ডোবানো যায়। আরামদায়ক অনুভব বাড়ানোর জন্য আপনি চাইলে পানিতে লবণ, লেবুর রস, গোলাপ পাপড়ি এবং শ্যাম্পু যোগ করতে পারেন। এতে করে পায়ের ত্বক নরম হবে এবং যেকোন ধরনের ব্যথা কমবে। এভাবে ১৫-২০ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন। এরপর তোয়ালেতে পা মুছে নিন।

এবার রেডিমেড কিংবা ঘরোয়া কোন স্ক্রাব দিয়ে ভালো করে দুটি পা ম্যাসাজ করুন। বাজারে বিভিন্ন ধরনের ফুট স্ক্রাব পাওয়া যায়। তবে ঘরোয়া স্ক্রাব ব্যবহার করলে উপকার পাবেন বেশি। তৈরির উপায় বলে দিচ্ছি- চিনি, মধু, লেবুর রস ও বাদাম তেল ভালোমতন মিশিয়ে দু’পায়েই লাগান এবং খুব ভালোমতন স্ক্রাব করুন। হাতের কাছে কিছুই না পেলে পিউমিস স্টোন দিয়ে সুন্দর করে ঘষে ফেলুন দু’পায়ের গোড়ালি। এতে করে পায়ের মরা কোষ খুব ভালোমতন উঠে যাবে এবং পা নরম ও কোমল হবে।

ভালোমানের একটি ময়েশ্চারাইজার এবার পায়ে পুরুভাবে লাগিয়ে ফেলুন। আপনি চাইলে বাদাম তেল কিংবা জলপাই তেলও লাগাতে পারেন। পা নরম, কোমল ও নমনীয় হবে। এরপর চাইলে আপনি পছন্দসই রঙের নেইলপলিশে রাঙাতে পারেন নখগুলো।

কোন রঙের ডিম উপকারী

প্রতিদিন খাবারের তালিকায় ডিম রাখেন সবাই। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, ডিম স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ডিম শরীরের ঘাটতি পূরণ করে। গবেষকরা আরও জানাচ্ছেন, হৃদরোগ কিংবা কোলেস্টেরলের সমস্যার সঙ্গে ডিম খাওয়া বা না খাওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই।

গবেষকরা জানাচ্ছেন যে, একজন সুস্থ মানুষ প্রতিদিন ৩টি ডিম খেতে পারেন। ডিম খাওয়ার সঙ্গে হৃদরোগের কোন সম্পর্ক নেই। বাজারে ব্রাউন এবং সাদা দু’প্রকারের ডিম পাওয়া যায়। কোন ডিম বেশি উপকারী, তা নিয়ে একটি সংশয় তৈরি হয়েছে।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, মুরগির খাদ্যাভ্যাসের কারণেই ডিমের খোলের রং আলাদা হয়। তাই ব্রাউন কিংবা সাদা হোক; দুই প্রকারের ডিমই সমান উপকারী। তাই চিন্তা না করে বেশি বেশি ডিম খান। হোক না যেকোন রঙের।

সব সময় যেভাবে সুন্দর থাকবেন

সবাই আয়নায় নিজেকে সুন্দর দেখতে চায়। কিন্তু সব সময় তা সম্ভব হয়ে ওঠে না। এ জন্য অবশ্যই কিছু বিষয়ে পরিকল্পনা থাকা জরুরি। সব সময় পরিপাটি থাকতে হলে অবশ্যই সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী আপনাকে এগুতে হবে। ধরুন  মাঝেমধ্যেই নিজের চেহারায় কিছু পরিবর্তন আনা উচিত। বিশেষ করে লুকের ক্ষেত্রে। হতে পারে নতুন কোনো হেয়ার স্টাইল এ ব্যাপারে আপনাকে সাহায্য করতে পারে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, এতে যেন হিতে বিপরীত না ঘটে। আবার ধরুন আপনি ক্লিন শেভ করেন প্রতিনিয়ত। এবার না হয় স্টাইল বদলে ফেলুন। ক্লিন শেভ না করে ট্রিম করুন। মুখের দুপাশে নিট লাইন তৈরি করুন। এতে আপনাকে আরো স্মার্ট ও সতেজ দেখাবে।

প্রতিদিন ঘুমানোর আগে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। পরিষ্কার মুখে এটি ব্যবহার করবেন। ময়েশ্চারাইজার ত্বক সুন্দর রাখে, মুখের দাগ ও বয়সের ছাপও দূর করে। ঘুমানোর আগে ঠোঁটে ভালো করে ক্রিম লাগাতে পারেন। এতে ঠোঁট নরম থাকে, চামড়া নষ্ট হওয়া বন্ধ হয়।

প্রতি মাসে অন্তত একবার আপনার কানে, নাকের ভেতর ও ভ্রু’র অবাঞ্ছিত লোম কাটুন। চুলের বাড়তি অংশ কেটে ফেলুন। হাত ও পায়ের যত্নে ম্যানিকিউর ও পেডিকিউর করতে হবে। নখ কাটা খুব জরুরি প্রতিমাসে। সম্ভব হলে মাসে দু’বার অন্তত চুল কাটান। প্রথমবার সেলুনে গিয়ে নতুন স্টাইলে চুল কাটাতে চেষ্টা করুন। কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার গিয়ে ঘাড়, মাথা, চুলের কাছে বেড়ে উঠা চুল কাটিয়ে পরিপাটি থাকুন।

মুখের সৌন্দর্য্ বাড়িয়ে তুলতে হলে সপ্তাহে একবার ফেস মাস্ক করুন। বর্ষার শেষে ও শীত আসার আগে বর্তমান এই সময়ে এটা জরুরি। সপ্তাহে কোনো এক রাতে নারিকেল তেল দিন চুলে। সকালে উঠে শ্যাম্পু করে ফেলুন। পরে কন্ডিশনার দিন। সপ্তাহে দু’বার ফেস ওয়াশ ব্যবহার করুন। এতে মুখের ত্বকের মৃত কোষগুলো দূর হবে, ত্বক পরিষ্কার থাকবে। হালকাভাবে পুরো শরীরে বডি লোশন বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। বিশেষ করে হাতে, হাঁটুতে, পায়ের গোড়ালি ও পায়ের পাতায়।

সপ্তাহে তিনবার ঘুমাতে যাওয়ার আগে কোনো এসট্রিনজেন্ট বা টোনার ব্যবহার করুন শরীরে। এতে ত্বক তৈলাক্ত হবে না, দূষণমুক্ত থাকবে  ও আপনার ত্বক পরিষ্কার ও সুন্দর রাখবে। সপ্তাহে তিনবার শেভ করা ও গোঁফ ট্র্রিম করা উচিত। সম্ভব হলে সব সময় শেভ করে সুন্দর থাকুন। এতে নিজের কাছে ও অন্যের কাছেও আপনার একটা সুন্দর ইমেজ বজায় থাকবে সব সময়।

শরীরচর্চার পর করতে মানা

দেহ সুস্থ ও সবল রাখার জন্য আমরা শরীরচর্চা করি। তবে শরীরচর্চা করার পর কিছু অভ্যাস আমাদের পুরো পরিশ্রমই যেন পণ্ড করে দেয়। এগুলোর মধ্যে সোফায় বসে টিভি দেখা অন্যতম। এছাড়াও আরও কিছু অভ্যাস আছে যা এড়িয়ে চললে আপনার শরীরচর্চা আরও কার্যকর হবে।

 

অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার না খাওয়া

ঘণ্টা খানেক শরীরচর্চার পর অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার খাওয়া মানে আপনার পুরো পরিশ্রমই পণ্ড করার মতো। তাই এ ধরনের খাবার বাদ দিয়ে খেকে হবে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেন জাতীয় খাবার। যা আপনার শরীরে দ্রুত মিশে যাবে।

পর্যাপ্ত পানি পান করা

অনেকক্ষণ শরীরচর্চা করা পর পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে। কারণ শরীরচর্চার করার পর আমাদের দেহ থেকে প্রচুর পানি চলে যায়। তাই শরীর থেকে যে পরিমাণ পানি কমে যায় তা অবশ্যই পূরণ করতে হবে।

শরীরচর্চার সময় ব্যবহৃত কাপড় দীর্ঘক্ষণ পড়ে না থাকা

আমাদের মধ্যে অনেকেই শরীরচর্চার সময় ব্যবহৃত কাপড় দীর্ঘক্ষন পড়ে থাকেন যা শরীরের জন্য খুবই খারাপ। কারণ ওই কাপড়ে আপনার স্কিনে অনেক সমস্যা ও শরীরের দুর্গন্ত তৈরি করবে যা বেশ অস্বস্থিকর।

কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়া 

অনেকক্ষণ ধরে শরীরচর্চার করার শেষে হালকা বিশ্রাম অথবা ইয়োগা করা উচিত। এতে আপনার হৃদক্রিয়া  চলাচল স্বাভাবিক থাকবে এবং আপনার পরবর্তী কাজ করার ক্ষেত্রে কোনও ব্যাঘাত ঘটাবে না। 

মুখে হাত না দেওয়া

শরীরচর্চা করার পর সরাসরি মুখে হাত দেওয়া উচিত না। কারণ আপনি যে যন্ত্রপাতি দিয়ে শরীরচর্চার করেছেন তাতে অনেকের হাতের ছোঁয়া লাগে এবং জীবানু থাকে। এতে আপনার হাত থেকে জীবানু মুখে লেগে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।

অত্যধিক পরিশ্রম যেভাবে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে পারে

 জাপানে ৩১ বছর বয়সি এক নারী একমাসে অফিসে ১৫০ ঘণ্টারও বেশি  ওভারটাইম করে কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলিউরে মারা যান। তার নিয়োগকর্তা এ খবরটি জানান।

মিওয়া স্যাডো নামের এই নারী ছিলেন জাপানের ন্যাশনাল পাবলিক ব্রডকাস্টিং অর্গানাইজেশন এনএইচকে এর সাংবাদিক। তিনি ২০১৩ সালের জুলাইয়ে নিজ বাসায় মারা গেলে নিউজ আউটলেটটির এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়। অ্যাসাহি শিম্বান নিউজপেপারের মতে, শ্রম কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্তে আসেন যে, স্যাডোর মৃত্যুর কারণ ছিল ওভারওয়ার্ক বা অতিরিক্ত পরিশ্রম। এনএইচকে বলেন, স্যাডো তার মৃত্যুর পূর্বে একমাসে প্রায় ১৫৯ ঘণ্টা ওভারটাইম পরিশ্রম করেন।

উচ্চমাত্রার স্ট্রেস বা মানসিক চাপ হার্টের কার্যকলাপকে হার্টের স্বাভাবিক কার্যকলাপের তুলনায় কঠিনতর করে তুলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মৃত্যুর দিকে টেনে নিয়ে যেতে পারে। ওভারওয়ার্কের সঙ্গে মৃত্যুর সম্পর্ক নিয়ে নিচে আলোকপাত করা হল।

স্ট্রেস হার্টে যা করে
স্ট্রেস সবাইকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। স্ট্যানফোর্ড কার্ডিওভাসকুলার হেলথের মেডিক্যাল পরিচালক অ্যালান ইয়াংয়ের মতে, দুই প্রকার ইমোশনাল স্ট্রেস বা মানসিক চাপ হার্টকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। সাধারণত হঠাৎ আঘাতমূলক ঘটনার, যেমন- গাড়ি দুর্ঘটনা কিংবা ভূমিকম্প, পর তীব্র স্ট্রেস শুরু হয় এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেসে রূপ নেয়। ইয়াং বলেন, অত্যধিক ঘণ্টা কাজ করলে স্বাস্থ্যহানিকর চালচলনে, যেমন- নিম্নমানের খাবার খাওয়া কিংবা ব্যায়াম না করা, দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেস হতে পারে এবং তা রক্তচাপ বা কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করতে পারে। যখন কোনো ব্যক্তি যেকোনো প্রকার স্ট্রেসে উচ্চমাত্রায় ভুগবে, তার হৃদস্পন্দন এবং রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে।

ইয়াং বলেন, উভয় প্রকার স্ট্রেসের আধিক্য হার্ট অ্যাটাক ও হার্ট ফেইলিউরের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, বিশেষ করে সেসব মানুষদের মধ্যে যাদের হার্টের সমস্যা বা হৃদরোগ রয়েছে।

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, হার্ট পাম্প করতে না পারলে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত শরীরের কোষে সরবরাহ না হলে হার্ট ফেইলিউর হয়।৬০ লাখেরও বেশি আমেরিকান অধিবাসীর হার্ট ফেইলিউর আছে (শ্বাসকষ্ট, দীর্ঘস্থায়ী কাশি, ক্লান্তি, বমি বমি ভাব এবং ক্ষুধা বুঝতে অসমর্থ্য বা ক্ষুধার অভাব হচ্ছে হার্ট ফেইলিউরের লক্ষণ) এবং প্রতিবছর ৯০০,০০০ নতুন রোগীর মধ্যে তা ধরা পড়ছে। যে কারো মধ্যে হার্ট ফেইলিউরের বিকাশ হতে পারে, কিন্তু এটি বয়স্কদের ক্ষেত্রে বেশ কমন এবং প্রথমে যাদের অন্য কোনো হার্টের সমস্যা থাকে তাদের অধিকাংশের ক্ষেত্রে এটি হতে পারে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হার্ট ফেইলিউরের বিকাশ হয়। চিকিৎসা এবং ওষুধের ব্যবহারে এটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যেতে পারে। চিকিৎসা বা প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়া এটি মারাত্মক পরিস্থিতি বা প্রাণনাশের কারণ হতে পারে।

অত্যধিক পরিশ্রমে মৃত্যুর সম্ভাবনা যতটুকু
অত্যধিক পরিশ্রমে মৃত্যু হওয়া সম্ভব, কিন্তু সম্ভাবনা খুব কম। ইয়াং বলেন যে, স্ট্রেসের কারণে হার্ট ফেউলিউর সম্ভবত মারাত্মক হতে পারে যদি বিভিন্ন বিষয় একসঙ্গে দেখা দেয়, যেমন- দীর্ঘসময় ধরে বিকাশমান স্ট্রেস, হঠাৎ মানসিক চাপপূর্ণ পরিস্থতি এবং হার্টের অন্য কোনো সম্ভাব্য খারাপ অবস্থা। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে মৃত্যু বেশ বিরল ঘটনা। আপনার এমন অবস্থা হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে পারেন এবং আশা করা যায় তা প্রশমিত হবে।

যেভাবে স্ট্রেস প্রতিরোধ করা যায়
যেসব লোকের হার্ট দুর্দশার উপসর্গ আছে তাদের জরুরি ভিত্তিতে মেডিক্যাল সেবা গ্রহণ করা উচিত। স্ট্রেস সমস্যায় রূপ নেওয়ার আগেই তা নিয়ন্ত্রণ করতে আপনি অনেক উপায় অবলম্বন করতে পারেন। ব্যায়াম করা, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, ধূমপান থেকে বিরত থাকা, শান্ত পরিবেশে সময় কাটানো এবং বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সমর্থন বা সহায়তা হচ্ছে কয়েকটি পরিচিত উপায় যা স্ট্রেস কমাতে পারে।
 

পোশাক থেকে সুগন্ধির দাগ দূর করবেন যেভাবে

ডিওডরেন্ট অথবা সুগন্ধির সাদাটে দাগ পড়ে নষ্ট হয়ে গেছে প্রিয় পোশাক? দুশ্চিন্তার কারণ নেই। ঘরোয়া কয়েকটি পদ্ধতির সাহায্যে দূর করতে পারেন এ ধরনের দাগ। জেনে নিন কীভাবে।

পোশাক থেকে সুগন্ধি অথবা ডিওডরেন্টের দাগ দূর করতে সাহায্য নিতে পারেন লবণের। পোশাক উল্টো করে ভিজিয়ে নিন। এবার দাগযুক্ত স্থানে লবণ ছিটিয়ে দিন। ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা এভাবেই রাখুন। চাইলে সারারাত রাখতে পারেন। পরদিন আরও খানিকটা লবণ দিয়ে হালকা করে ঘষে নিন দাগযুক্ত অংশ। এবার ওয়াশিং পাউডার দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলুন। সাদা অথবা রঙিন কাপড় এভাবে পরিষ্কার করতে পারেন

কাপড়ের দাগের অংশ ভিনেগার দিয়ে ভিজিয়ে নিন। সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন কাপড় পরিষ্কার করে নিন সাবান দিয়ে। রঙিন কাপড়ের পাশাপাশি উলের কাপড়ও এভাবে পরিষ্কার করতে পারবেন। তবে সাদা কাপড় পরিষ্কার না করাই ভালো। ভিনেগারে এটি হলদে হয়ে যেতে পারে।   

কাপড়ে সদ্য লেগে যাওয়া সুগন্ধির দাগ দূর করতে ব্যবহার করুন লেবু। কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দাগযুক্ত স্থানে ছড়িয়ে দিন। ১০ মিনিট পর কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে হালকা করে ঘষে নিন।    

ডিশওয়াশিং লিকুইডের সাহায্যে কাপড় থেকে সুগন্ধির দাগ দূর করা যায়। দাগ লেগে যাওয়া অংশে সামান্য ডিশওয়াশিং লিকুইড ছড়িয়ে নিন। আধা ঘণ্টা পর কাপড় পরিষ্কার করে ফেলুন।

যেগুলো কমোডে ফেলবেন না ভুলেও

অসাবধানতায় অথবা না জেনে এমন কিছু কমোডে ফেলছেন না তো যেগুলো স্যুয়ারেজ সিস্টেম ব্লক করে দেবে? জেনে নিন কোনগুলো পাইপে জমে বন্ধ করে দিতে পারে পাইপ।

  • পশুখাদ্য বেসিনে অথবা কমোডে ফেলবেন না ভুলেও। এ ধরনের খাবারে থাকা সিলিকা ও মিনারেল পানিতে দ্রবীভূত হয় না। ফলে জমে থাকে পাইপে।  
  • কফি পাউডার পাইপের ভেতর জমে অন্যান্য বর্জ্য আটকে দেয়। ফলে বেসিনে অথবা কমোডে এটি না ফেলাই ভালো।
  • ভেজা টিস্যু ভুলেও ফেলবেন না কমোডে। এটি স্যুয়ারেজ সিস্টেম ব্লক করে দেয়।
  • কমোডে ডায়াপার ফেলবেন না। কারণ ডায়াপারের ভেতরে থাকা জেলের অংশ পানিতে দ্রবীভূত হয় না। উল্টো পানির সংস্পর্শে এটি ফুলে ওঠে। ফলে আটকে যায় পাইপ।
  • কটন বাডস ভুলেও ফেলবেন না কমোডে অথবা বেসিনে। এগুলো এলোমেলোভাবে আটকে বন্ধ করে দেয় পাইপ।
  • তেলজাতীয় কিছু ফেলবেন না বেসিনে। এগুলো পানির সংস্পর্শে এসে জমাট বেধে যায়। ফলে সৃষ্টি হয় ব্লক।  

ঘুম পাড়ানি গাছ!

ঘরের ভেতর গাছ শুধু সৌন্দর্য বাড়ায় না, পাশাপাশি অনেক কাজে আসে। গাছ ঘরের মধ্যে পজিটিভ এনার্জির পাশাপাশি প্রাকৃতিক শুদ্ধতা হিসেবে কাজ করে। আবার কিছু কিছু গাছ আছে যা আপনার বেডরুমে রাখলে রাতে ঘুমাতে সাহায্য করে।

 

ল্যাভেন্ডার

ল্যাভেন্ডারের সুগন্ধ কার না ভালো লাগে? এই ফুল আপনার দুশ্চিন্তা এবং মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে, যার কারণে  ঘুমও ভালো হয়। গবেষণায় জানা গেছে এই গাছ বাচ্চাদের গভীর ঘুমে সহায়তা করে এবং সন্তানসম্ভাব্য মায়েরও মানসিক চাল কমায়।

জেসমিন

জেসমিনের গন্ধ শরীরে এক ধরনের প্রশান্তি বয়ে নিয়ে আসে, যা মানসিক চাপ এবং ক্লান্তি দূর করতে সহায়তা করে।

স্নেক প্লান্ট

স্নেক প্লান্ট ঘরের বাতাসকে ছাঁকতে পারে, ঘরের সৌন্দর্যের পাশাপাশি রাতে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন নিঃসরণ করে।

স্পাইডার প্লান্ট

স্পাইডার প্লান্ট বাতাসে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ক্যামিকেল পরিষ্কার করে। এই গাছ বাতাসের দুর্গন্ধ দূর করার পাশাপাশি ভালো ঘুমে সহায়তা করে।

এলোভেরা

ত্বকে ব্যবহারের পাশাপাশি এই গাছ ঘুমাতে সাহায্য করে। এই গাছ রাতে প্রচুর অক্সিজেন নিঃসরণ করে। এলোভেরার জেল ক্ষত স্থান দ্রুত নিরাময় করে।

বোয়াল মাছের ঝোল

মাছে-ভাতে বাঙালি। খাবারের পাতে প্রিয় মাছের একটি পদ হলে যেন আর কিছুই লাগে না আমাদের! বোয়াল মাছের ঝোল অনেকের কাছেই প্রিয় একটি খাবার। চাইলে আপনি নিজেই তৈরি করে চমকে দিতে পারেন সবাইকে। রেসিপি জানা নেই? রইলো রেসিপি।

 

উপকরণ: কয়েক টুকরা বোয়াল মাছ এবং লেজ, আধ চা চামচের বেশি গুড়া হলুদ, আধ চামচ লাল গুড়া মরিচ, এক চিমটি জিরা গুড়া, কয়েকটা পেঁয়াজ কুঁচি, এক চামচ রসুন বাটা, পরিমাণমতো তেল, পরিমাণমতো লবণ, কয়েকটি কাঁচা মরিচ, ধনে পাতা।

 

প্রণালি: সামান্য লবণ দিয়ে বোয়াল মাছ হালকা তেলে সামান্য ভেজে নিন। তেল গরম করে সামান্য লবণ দিয়ে পেঁয়াজ কুঁচি ভেজে নিন। মশলাপাতি দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। এবার দুইকাপ পানি দিয়ে ঝোল বানিয়ে নিন। এবার ঝোলে ভেজে রাখা মাছগুলো দিয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে মিনিট বিশেষ হালকা আঁচে জ্বাল দিন। কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিয়ে দিন। ঝোল অনেকটা এমন দাঁড়িয়ে যাবে। ধনে পাতার কুচি ছিটিয়ে দিন। ব্যস হয়ে গেল বোয়াল মাছের ঝোল, পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।

বয়স ধরে রাখার উপায়!

আপনাকে কি প্রকৃত বয়সের তুলনায় বেশি বুড়ো দেখায়? আয়নায় যদি নিজেকে দেখে চিনতে কষ্ট হয়, তাহলে প্রতিদিনের রুটিনটা এখনই মূল্যায়ন করা উচিত। আপনি কী খান, কীভাবে ঘুমান, সেসব বিষয়ও আপনাকে নতুন করে ভেবে দেখতে হবে। এগুলো সঠিকভাবে না হলে আপনার কাঙ্ক্ষিত আয়ুও কিন্তু কমে যেতে পারে! বিশেষজ্ঞরা গবেষণায় জেনেছেন, প্রতিদিন যে অভ্যাসগুলো আপনাকে আরো বেশি বয়স্ক করে তুলবে চলুন সেগুলো জেন নেই।

অনেকের ধারণা প্রতিদিন নানা ধরনের কাজ করা ভালো। আসলে ব্যাপারটা উল্টো। প্রতিদিন যদি কাজের চাপ লেগেই থাকে, তাহলে তা মানসিক ও শরীরিক চাপ তৈরি করে। আর তা আপনার চেহারা ও শরীরের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট করে বয়স বাড়িয়ে দেয়। কয়েক ধরণের গবেষণায় দেখা গেছে ক্রনিক স্ট্রেস শরীরের কোষগুলো নষ্ট করে দেয়। তাই ডাক্তাররা বলছেন, প্রতিদিন একটি কাজের উপরই বেশি জোর দেয়া উচিত। সেটি ভালোভাবে শেষ হলে পরের কাজ শুরু করুন।

মিষ্টি বা মিষ্টান্ন যদি সব সময় খাওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলে ওজন যেমন বাড়তে পারে, তেমনি চেহারায় বয়সের ছাপ পড়তে পারে। চিনি আপনার দেহে গ্লাইকেশন প্রক্রিয়ায় বাধা দিয়ে দেহ ও চেহারার উজ্জ্বলতা নষ্ট করে দিতে পারে। এতে করে মুখে বয়সের ছাপ, চোখের নিচে কালো দাগ এসব দেখা দেয়। তাই তারুণ্য ধরে রাখতে চাইলে মিষ্টি, চিনি জাতীয় খাবার বর্জন করুন।

প্রতি রাতেই কি আপনি ৫ ঘণ্টার কম ঘুমাচ্ছেন? এতে চোখের নিচে যেমন কালো ছাপ পড়বে, তেমনি আপনার আয়ুও কমে যাবে। তাই ডাক্তাররা রাতে অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুমের পরামর্শ দেন। ব্রিটিশ জার্নাল অফ স্পোর্টস মেডিসিন পরিচালিত ২৫ ও তার চেয়ে বেশি বয়সী ১১ হাজার অস্ট্রেলিয়ান যুবকের উপর এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন ১ ঘণ্টা টিভি দেখেছে, তাদের আয়ু ২২ মিনিট করে কমেছে। আমরা যারা দিনে গড়ে ৬ ঘণ্টা টিভি দেখি, তাদের আয়ু কমে যাচ্ছে ৫ বছর। মূলত এক জায়গায় কয়েক ঘণ্টা বসে থাকার ফলে শরীরে চিনির পরিমাণ বেড়ে গিয়ে নানা রোগ দেখা দেয়। তাই টিভি দেখা বা অফিসে কাজ করার সময় এক জায়গায় দীর্ঘক্ষণ বসে  না থেকে প্রতি ৩০ মিনিট পর একটু হাঁটার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

যারা দিনের বেশির ভাগ কর্মহীন সময় কাটান, তারা কিডনি, কার্ডিওভাস্কুলার রোগ, ক্যানসার, ওজন বাড়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন। তাই, প্রতিদিন ব্যায়াম করা জরুরি। গবেষণায় দেখা গেছে সপ্তাহে যারা ১৫০ মিনিট বা তার চেয়ে বেশি সময় ব্যায়াম করেন, তাদের আয়ু ১০-১৩ বছর বেড়ে যায়।

গবেষকরা বলছেন,  প্রতিদিন  একটা ভালো মানের আই ক্রিম ব্যবহার করা জরুরি। নইলে চোখের নিচে বলিরেখা দেখা দিয়ে বয়স বেশি দেখাবে। সম্ভব হলে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত সব সময়। আপনি নারী হলে প্রতিদিন যদি কড়া মেকআপ নিয়ে বাইরে বের হন, তাহলে এক সময় আপনার বয়স বেশি দেখাবে । অতি মাত্রায় স্কিন প্রোডাক্ট ব্যবহার করলে, সেগুলোতে থাকা কেমিক্যাল আপনার চেহারার স্বাভাবিক কোমনীয়তা নষ্ট করে দেবে।

আপনি কি সব সময় উপুড় হয়ে ঘুমান? তাহলে আপনার চেহারায় বয়সের ছাপ দেখা দিতে পারে। কারণ গবেষকরা বলছেন, ওভাবে ঘুমালে চেহারার কোষগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে। খাবারের তালিকা থেকে সব ধরণের চর্বি বাদ দেয়া ঠিক না। বিশেষ করে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ মাছের চর্বি ত্বকের জন্য খুব উপকারী। এটি ত্বক ও চেহারায় উজ্জ্বলতা এনে দেয়। তাই বয়স্ক হওয়ার আগেই বুড়ো হতে না চাইলে আপনাকে প্রতিদিনের এসব অভ্যাস সম্পর্কে এখনই সতর্ক হতে হবে

চিকেন বল তৈরির রেসিপি

বিকেলের নাস্তা কিংবা টিফিনে চিকেন বলের কদরই আলাদা। এটি যেমন সুস্বাদু তেমন তৈরি করতে ঝামেলাও কম। তাই রেস্টেুরেন্টে না ছুটে ঘরেই তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু এই রেসিপি।

 

উপকরণ : মুরগির কিমা ৫০০ গ্রাম, ডিম ১টি, ময়দা ১ টেবিল চামচ, বিস্কুটের গুঁড়া আধা কাপ, পুদিনা পাতা, ধনেপাতা ও কাঁচামরিচ কুচি ২ টেবিল চামচ, আদা ও রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদ অনুযায়ী, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ, লাল মরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ।

প্রণালি : প্রথমে মুরগির কিমায় একে একে সব বাটা ও গুঁড়া মসলা, স্বাদ অনুযায়ী লবণ, ময়দা, ডিম এবং কুচি করা ধনেপাতা, পুদিনা পাতা, কাঁচামরিচ ও পেঁয়াজ দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে গোল গোল করে বিস্কুটের গুঁড়ায় গড়িয়ে ডুবন্ত গরম তেলে ভেজে টিস্যুতে তুলে সাজিয়ে পরিবেশন করুন গরম গরম চিকেন বল।

যে কারণে কাঁকরোল খাবেন

কাঁকরোল আমাদের দেশের পরিচিত একটি সবজি। কাঁকরোলে প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেল থাকে, লুটেইন ও জেনান্থিন থাকে যা চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এছাড়াও এতে ফাইবার, কার্বোহাইড্রেট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং এনজাইম ও থাকে। কাঁকরোলে টমেটোর চেয়ে ৭০ গুণ বেশি লাইকোপিন থাকে, গাজরের চেয়ে ২০ গুণ বেশি বিটা ক্যারোটিন থাকে, কমলার চেয়ে ৪০ গুণ বেশি ভিটামিন সি থাকে এবং ভুট্টার চেয়ে ৪০ গুণ বেশি জিয়াজেন্থিন থাকে। চলুন জেনে নেই কাঁকরোলের আরো কিছু গুণ।

কাঁকরোলে চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ভিটামিন, বিটাক্যারোটিন ও অন্যান্য উপাদান থাকে যা দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে সাহায্য করার পাশাপাশি চোখের ছানি প্রতিরোধেও সাহায্য করে।

কাঁকরোলে সেলেনিয়াম, মিনারেল এবং ভিটামিন থাকে যা নার্ভাস সিস্টেমের উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখে। তাই বিষণ্ণতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে কাঁকরোল।

কাঁকরোলে লাইকোপিন নামক এন্টিঅক্সিডেন্ট আছে টমেটো থেকে শতকরা ৭০ ভাগ বেশি। লাইকোপিন প্রস্টেট ক্যান্সার রোধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গবেষণায় পাওয়া গেছে যাদের শরীরে লাইকোপিনেরে মাত্রা বেশি, তাদের চেয়ে যাদের শরীরে এর মাত্রা কম তাদের শতকরা ৫০ ভাগ বেশি হার্ট এ্যাটাকের সম্ভাবনা রয়েছে। তাহলে কাঁকরোল আপনার হার্টেরও উপকার করবে নিশ্চয়ই।

কমলার চেয়ে শতকরা ৪০ ভাগ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে কাঁকরোলে। ভিটামিন সি শরীরের অতিরিক্ত মেদ পুড়িয়ে ফেলতে সাহায্য করে।আর রক্তে ভিটামিন সি’র পরিমাণ কম থাকলে ফ্যাট বার্নিং কম হয়।ফলে ওজন কমে না।যাদের রক্তে প্রয়োজনীয় পরিমাণে ভিটামিন সি আছে,তাদের ফ্যাট বার্নিং হয় শতকরা ২৫ ভাগ।ফলে তাদের মোটা হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

কাঁকরোলে আছে ভুট্টার চেয়ে শতকরা ৪০ ভাগ বেশি জিযানথেন এবং গাজরের চেয়ে শতকরা ২০ ভাগ বেশি বিটা ক্যারোটিন, আছে ভিটামিন ই। এগুলো আপনার ত্বককে দূষণ থেকে রক্ষা করে। আপনার ত্বকে বয়সের ছাপ ফেলতে দেয় না। কাঁকরোলের জুস ত্বকের জন্য উপকারি।

কাঁকরোলে আছে লো-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন। ফলে কলোস্টেরল লেভেল থাকে নিয়ন্ত্রণে। হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে কাঁকরোলে বিদ্যমান উপাদান।

চুলের বৃদ্ধি বাড়াবে অ্যালোভেরা জেল

চুলের যত্নে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন নিয়মিত। এটি চুল পড়া কমানোর পাশাপাশি বাড়ায় চুলের বৃদ্ধি। প্রাকৃতিকভাবে চুল উজ্জ্বল করতেও জুড়ি নেই অ্যালোভেরার। জেনে নিন চুলে কীভাবে ব্যবহার করবেন অ্যালোভেরা জেল।

অ্যালোভেরা জেল

  • ফ্রেশ অ্যালোভেরা জেল সংগ্রহ করুন পাতা থেকে।
  • জেল সরাসরি চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করুন।
  • আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করুন।
  • শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন চুল।

অ্যালোভেরা হেয়ার প্যাক

  • একটি পাত্রে পরিমাণ মতো অ্যালোভেরা জেল নিন।
  • কয়েক ফোঁটা রোজমেরি অয়েল মেশান।
  • চুলের গোড়ায় ঘষে ঘষে লাগান।
  • ৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। সবচেয়ে ভালো হয় সারারাত রেখে দিলে।
  • শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন চুল।

অ্যালোভেরা হেয়ার স্প্রে

  • একটি স্প্রে বোতলে ১ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল নিন।
  • আধা কাপ পানি মেশান।
  • কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল দিয়ে ঝাঁকিয়ে নিন।
  • চুলে স্প্রে করুন প্রয়োজন মতো।

চুলে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করবেন কেন?

  • চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে বুলের বৃদ্ধি দ্রুত করে অ্যালোভেরা জেল।
  • চুল নরম ও ঝলমলে করে এটি।
  • মাথার তালুর চুলকানি ও খুশকি দূর করে অ্যালোভেরা জেল।
  • চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।

ভিডিওতে দেখুন ১ প্যাকেট সিগারেটের কুফল

আমরা সবাই জানি, ধূমপান আমাদের জন্য স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু যখন আপনি এতে আসক্ত তখন এটি ত্যাগ করা অসম্ভব বলে মনে হতেই পারে।

কখনো কখনো ভয়ানক কোনো বার্তা ধূমপান ত্যাগের জন্য সহায়ক হতে পারে। আর এক্ষেত্রে নতুন একটি ভিডিও আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

ইউটিউবার ক্রিস নোপ কিছু তুলা ব্যবহার করে দেখিয়েছেন, মাত্র এক প্যাকেট সিগারেট ফুসফুসের ওপর কি ধরনের প্রভাব ফেলে। ভিডিওটিতে ফুসফুসের ভূমিকায় তুলা এবং সিগারেট টানার ভূমিকায় সাকশন পাইপ ব্যবহার করা হয়েছে।

ভিডিওটিতে দেখা গেছে, তুলা থাকা কাচের জারটি প্রত্যেকটা সিগারেটের টানে ধোয়ার ভয়ে গিয়েছে এবং ধীরে ধীরে তুলাগুলো বাদামি রঙে পরিণত হয়েছে। ধোয়া ভিতরে নেওয়ার জন্য যে স্বচ্ছ সাকশন পাইপ ব্যবহার করা হয়, সেটিও বাদামিতে পরিণত হয়।

ভিডিওটির বর্ণনায় নোপ উল্লেখ করেন, ‘তুলার সাহায্যে আমি আমার নিজস্ব খুব ছোট একটি পরীক্ষার মাধ্যমে দেখিয়েছি যে, আপনার মুখ, গলা এবং ফুসফুসে প্রতিদিন ১ প্যাকেট সিগারেটে বাস্তবে কি ধরনের মারাত্মক প্রভাব ফেলে। ধূমপান শরীরের প্রতিটি সিস্টেমে ক্ষতি করে থাকে। আমি শুধু বলতে চাই, ধীরে ধীরে নিজেকে হত্যা করবেন না।’

নোপ আরো উল্লেখ করেন, ‘শরীরের ওপর ধূমপানের কুফল সকলেরই জানা এবং আপনি যদি এখনো এ ব্যাপারে সতর্ক না হোন, তাহলে এ ভিডিওটি আরেকটি উদাহরণ যে, কেন ধূমপান ত্যাগ করা আপনার প্রয়োজন। মাত্র এক প্যাকেট সিগারেট ফুসফুসে কেমন মারাত্মক প্রভাব ফেলে, তা ভিডিওটিতে দেখানো হয়েছে। ইচ্ছাশক্তিকে জাগিয়ে ধূমপান ছেড়ে দিন। ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে কখনো খুব বেশি দেরী হয়ে যায় না। তবে মনে রাখবেন, আরেকটি দিনের জন্য অপেক্ষা করাটা কিন্তু খুব বেশি দেরী হয়ে যাওয়ার কারণ হয়ে ওঠতে পারে।’

রসমালাই তৈরির সহজ রেসিপি

রসমালাইয়ের নাম শুনলে জিভে জল চলে আসে অনেকেরই। চমৎকার স্বাদের এই মিষ্টি আপনি ঘরে বসে খুব সহজেই বানাতে পারেন। তবে আর দেরি কেন! চলুন ঝটপট জেনে নেই রসমালাই তৈরির রেসিপি।

 

উপকরণ:
রসগোল্লার জন্য:
দুধ ১ লিটার, সিরকা-৪ টেবিল চামচ, পানি-২ কাপ, খাবার সোডা-১/৪ চা চামচ, ময়দা বা সুজি-১ চা চামচ, এলাচ গুঁড়া-১/৪ চা চামচ, চিনি-১ কাপ।

মালাই তৈরির জন্য:
দুধ-৬ কাপ, চিনি-১/২ কাপ, গোলাপজল/কেওড়া পানি-১ চা চামচ।

 

প্রণালি: চুলায় দুধ ফুটে উঠা মাত্র সিরকার পানি দিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিবেন। ছানা আলাদা হয়ে গেলে কাপড় বা ছাকনিতে ঢেলে পানি ঝড়িয়ে ঠাণ্ডা হওয়ার জন্য বাতাসে রাখুন। চুলায় চিনির সাথে পানি মিশিয়ে সিরা তৈরি করে মৃদু আঁচে রাখুন। ছানার সাথে ময়দা, এলাচ গুঁড়া, খাবার সোডা, ১ চা চামচ চিনি মিলিয়ে হাত দিয়ে মথে নিয়ে গোল করে গুলি তৈরি করুন। সব ছানার গুলি সিরার মধ্যে দিয়ে আঁচ বাড়িয়ে রান্না করুন। রসগোল্লা সিরার উপর ভেসে উঠলে বড় চামচ দিয়ে রসগোল্লা ডুবিয়ে ২০-২৫ মিনিট ঢেকে রান্না করুন। একটি বড় বাটিতে সিরা সহ রসগোল্লা ৭-৮ ঘণ্টা সিরায় ভিজিয়ে রাখুন। দুধ জ্বাল দিয়ে অর্ধেক হলে চিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন যেন সর না পড়ে। একটি বড় বাটিতে ঘন দুধ ও গোলাপজল দিয়ে মিশাবেন। সিরা থেকে রসগোল্লা তুলে ৪-৫ ঘণ্টা দুধে ভিজিয়ে রাখুন।

ফুডপান্ডায় বার্গার কিং-এর সব খাবার

আমেরিকার বিশ্বখ্যাত ফাস্ট ফুড চেইন রেস্তোরাঁ বার্গার কিং এর সঙ্গে সম্প্রতি চুক্তি করেছে ফুডপান্ডা। এ চুক্তির ফলে এখন থেকে বার্গার কিং-এর বিখ্যাত সব খাবার পাওয়া যাবে ফুডপান্ডায়।

বার্গার কিং-এর সঙ্গে ফুডপান্ডার এই যাত্রাকে স্মরণীয় করে রাখতে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফুডপান্ডা দিচ্ছে বিশেষ অফার। ৯৪৯ টাকা এবং ১,১৯৯ টাকার দুটি নির্দিষ্ট প্যাকেজে গ্রাহকরা এই অফার পাবে। ৯৪৯ টাকার প্যাকেজে থাকছে দুটি টেন্ডারগ্রিলস, ১টি বড় ফ্রাইজ, ৫টি নাগেটস এবং কোমল পানীয়। ১,১৯৯ টাকার প্যাকেজে থাকছে দুটি বড় চিকেন, দুটি ডাবল চেজবার্গার এবং দেড় লিটার কোমল পানীয়।

ফুডপান্ডার হেড অব পার্টনারশিপ অ্যান্ড পিআর সাকেরিনা খালেদ বলেন, সারা বিশ্বে সুপরিচিতি বার্গার কিং। এরকম একটি বিখ্যাত রেস্তোরাঁ আমাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় আমাদের সেবার পরিধি অনেকগুণ বেড়ে গেল। গ্রাহকরা আমাদের সেবায় আরো সন্তুষ্ট হবেন বলে আশা করছি।

বার্গার কিং-এর মূল আকর্ষণ ফ্লেইম গ্রিলড বিফ পেটি দিয়ে দুই স্তরের ওয়াপার বার্গার পাওয়া যাবে ফুডপন্ডায়। এছাড়া চিজ বার্গার, চিকেন বার্গার, ফিশ বার্গারও পাওয়া যাবে এখানে।

১৯৫৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা রাজ্যে বার্গার কিংয়ের প্রথম রেস্তোরাঁ চালু হয়। বর্তমানের ১০০টিরও বেশি দেশে বার্গার কিং-এর প্রায় ১৫ হাজার ৭৩৮টি শাখা রয়েছে। বার্গার কিং তাদের বিখ্যাত ওয়াপার বার্গার ছাড়াও পৃথিবীজুড়ে ইউনিক সিরিজ বার্গার বাজারে ছাড়ে।

বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৯টি দেশে ফুডপান্ডা তাদের সেবা দিচ্ছে। ওয়েবসাইট (www.foodpanda.com.bd) ছাড়াও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেও ফুডপান্ডায় খাবার অর্ডার দেয়া যায়।

রেসিপি: মচমচে চিজ পটেটো বল

বিকেলের নাস্তা অথবা অতিথি অ্যাপায়নে গরম গরম চিজ পটেটো বল পরিবেশন করতে পারেন। মচমচে ও সুস্বাদু চিজ পটেটো বল কীভাবে তৈরি করবেন জেনে নিন।


উপকরণ
আলু- ৫০০ গ্রাম
সুজি- ৫০ গ্রাম
চিজ কিউব- ৪ টুকরা
মরিচ গুঁড়া- আধা চা চামচ
ধনেপাতা কুচি- ২০ গ্রাম
সেদ্ধ মটরশুঁটি- ৫০ গ্রাম
কর্নফ্লাওয়ার- ৫০ গ্রাম
পাউরুটি- ৪ স্লাইস
লবণ- স্বাদ মতো
চাট মসলা- ১০ গ্রাম
গাজর কুচি- ৫০ গ্রাম
প্রস্তুত প্রণালি
পাউরুটি গুঁড়া করে নিন। আলু সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে চটকে নিন। মরিচ গুঁড়া, লবণ, চাট মসলা, ধনেপাতা কুচি, পনির, গাজর কুচি ও আলু একসঙ্গে মেশান। হাত দিয়ে বল আকৃতির করে নিন। বল কর্নফ্লাওয়ারের পেস্টে ডুবিয়ে সুজি ও পাউরুটির গুঁড়ায় গড়িয়ে নিন। ১ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখুন বল।
কড়াইয়ে তেল গরম করে বাদামি করে ভেজে তুলুন চিজ পটেটো বল। টমেটো সস অথবা পুদিনার চাটনির সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন। 

পেঁপে ভালো, আবার খারাপও!

পেটের জন্য ভালো। খেতেও বেশ। কাঁচাপেঁপের তরকারি কিংবা শুধুই পাকাপেঁপে খেতে মজা। তবে এই ফল কিছু ক্ষেত্রে ক্ষতিও করতে পারে।

পেঁপেতে রয়েছে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকরোধী গুণাবলী। আবার ডেঙ্গুজ্বর রোধে কার্যকর পেঁপেগাছের পাতা।  এসব তথ্য পুষ্টিবিজ্ঞানে স্বীকৃত।

এত গুণের মাঝেও এই ফলের কিছু খারাপ দিকও আছে। যেমন- গর্ভবতী নারীদের পেঁপে এবং আনারস খেতে মানা করা হয়।

এরকমই কিছু ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইট।

গর্ভপাত: পেঁপে অত্যন্ত পুষ্টিকর হলেও এর বীজ ও শেকড় গর্ভপাত ঘটাতে পারে। কাঁচাপেঁপে জরায়ু সংকুচিত করে ফেলে। পাকাপেঁপেতে এই ঝুঁকি কিছুটা কম। তবে গর্ভবতী হলে পেঁপে এড়িয়ে চলাই ভালো।

খাদ্যনালীতে বাধা: পুষ্টিকর বলে কোনকিছুই অতিরিক্ত খাওয়া উচিত নয়। পেঁপে অতিরিক্ত খেলে খাদ্যনালীর উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। দিনে এক কাপের বেশি পেঁপে খাওয়া উচিত নয়।

জন্মদোষ: পেঁপে পাতায় থাকা ‘পাপাইন’ নামক উপাদান গর্ভের সন্তানের জন্য বিষাক্ত হতে পারে। সন্তান বুকের দুধ খাওয়ানোর বয়সে মায়ের পেঁপে খাওয়া ক্ষতিকর কি না তা নিশ্চিত নয়। তবে সাবধানের মার নেই, তাই গর্ভাবস্থায় এবং সন্তান জন্মের কয়েক মাস পর্যন্ত পেঁপে এড়িতে চলা উচিত।

অ্যালার্জি: কাঁচাপেঁপের বোটা থেকে বের হওয়া সাদা তরল চামড়ায় অ্যালার্জির সৃষ্টি করতে পারে।

রক্তে শর্করার পরিমাণ: পেঁপে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমায়। তাই যারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ওষুধ খান তাদের জন্য পেঁপে বিপজ্জনক হতে পারে।

প্রজনন ক্ষমতা কমাতে পারে: পেঁপের বীজের নির্যাস পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা কমাতে সক্ষম। বীর্জে শুক্রাণুর সংখ্যা কমাতে এবং শুক্রাণুর নড়াচড়ার ক্ষমতা কমার পেছনেও দায়ী হতে পারে পেঁপে।

স্টেইনলেস স্টিলের বেসিন ব্যবহারে মৃত্যু ঝুঁকি

রান্নাঘরের সিঙ্ক বা বেসিন মানেই ময়লা এবং জীবাণুদের বাসা, প্রতিটি বর্গক্ষেত্র ইঞ্চিতে ১৮ হাজার ব্যাকটেরিয়া থাকে। এই তথ্য নতুন নয় বা বিস্ময়কর নয়, কারণ সেখানে ময়লা ধোয়া হয়।

কিন্তু নিউ সায়েন্টিস্টে প্রকাশিত তথ্যানুসারে, বেসিনে আপনি কি ফেলেন, সেটাই কেবল স্বাস্থ্য উদ্বেগের একমাত্র কারণ নয়।

চীনামাটির অথবা তামার বেসিনের তুলনায় স্টেইনলেস স্টিলের বেসিন নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হয়ে দাড়াতে পারে- লেজিওনাইরেস রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এই সমস্যাটি তখন শুরু হয় যখন স্টেইনলেস স্টিলের সিঙ্কের ওপরের নিরাপদ আস্তরণ ক্ষয়ে যাওয়া শুরু হয়, ফলে সম্ভাব্য এই মারাত্মক রোগের জন্য একটি আদর্শ কারণ তৈরি করে।

মায়ো ক্লিনিকের মতে, লেজিওনাইরেস রোগের উপসর্গগুলো মাথাব্যথা, পেশী ব্যথা, শরীর ঠান্ডা এবং উচ্চ জ্বর হিসেবে শুরু হয় এবং দিন দিন বাড়তে থাকে যার সঙ্গে যুক্ত হয় কাশির সঙ্গে রক্ত, শ্বাস প্রশ্বাসে দুর্বলতা, বুকের ব্যথা, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা এবং স্নায়বিক পরিবর্তন।

লেজিওনাইরেস রোগ প্রতিরোধে উইলকো ভ্যান ডের লুগ্টের তত্ত্বাবধানে একটি গবেষণায় গবেষকরা, বিভিন্ন ধরনের বেসিনের কলে লেজিওনেলা অ্যানিসা ব্যাকটেরিয়া ছাড়া এবং এই ব্যাকটেরিয়া সহ পানি পরীক্ষা করে। পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, স্টেইনলেস স্টিলের বেসিনের কল এই ব্যাকটেরিয়ার বেঁচে থাকার জন্য সবচেয়ে উর্বর পরিবেশের সৃষ্টি করে। পরীক্ষায় লেজিওনাইরেস রোগের ৫০ শতাংশ ঝুঁকি পাওয়া গেছে। স্টেইনলেস স্টিলের নিরাপদ আবরণ ক্ষয় হয়ে যাওয়ার পর মরচে পড়ে এবং এই মরচে লেজিওনেলা অ্যানিসা ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।
 

ইলিশ মাছের ভর্তা

ইলিশ মাছ এমন একটি মাছ, এটি যেভাবেই রান্না করা হোক না কেন খেতে ভীষণ মজা লাগে। ভর্তাপ্রেমীদের জন্য সুখবর হলো, ইলিশ মাছ দিয়ে তৈরি করা যায় সুস্বাদু ভর্তাও। গরম ভাত কিংবা পোলাওয়ের সঙ্গে খেতে বেশ লাগবে। রইলো রেসিপি।

উপকরণ: ইলিশ মাছের টুকরো ৩-৪টি, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুচি ১ চা চামচ, শুকনো মরিচ ১টি, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, লবণ স্বাদ অনুযায়ী, সরিষা তেল ভাজার জন্য।

প্রণালি: মাছের টুকরো ভালো করে ধুয়ে এতে মসলা ও লবণ মাখিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। কড়াইয়ে তেল গরম করে মাছগুলো ভালো করে ভেজে নিন। পেঁয়াজ, ধনেপাতা ও কাঁচামরিচ কুচি মচমচে করে ভেজে নিন। মাছ ঠান্ডা হলে কাঁটা বেছে নিন। এখন মাছের সঙ্গে ভাজা উপকরণগুলো ভালো করে হাত দিয়ে মাখিয়ে তৈরি করুন মজাদার ভর্তা।

ত্বকের যত্নে নতুন কিছু উপাদান

কমবেশি সবাই ত্বকের প্রতি যত্নশীল। শত ব্যস্ততার মাঝেও ত্বকের যত্ন নেওয়ার চেষ্টা করি। ত্বকের যত্নে বেশকিছু নতুন উপাদান এ বছর থেকে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। যা আপনার ত্বককে লাবণ্যময় করে তুলবে।

 

প্লাসেন্টা বা গর্ভপত্র : ভেড়ার গর্ভপত্রের তৈরি উপাদান বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এটি ত্বকের কোষকে নমনীয় করে এবং ত্বকের বলিরেখা দূর করে।

হোয়াইট টি : গ্রীনটির উপকারিতার কথা আমরা সবাই জানি। হোয়াইট টিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।

স্কোয়ালিন :  এতে জলপাই, গমের শর্করা ও রাইস ব্রানের মতো উদ্ভিদ উৎস রয়েছে যা শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বকে চমৎকার কাজ করে। প্রাকৃতিক দূষণ থেকে ত্বককে সুরক্ষিত রাখে।

পেপটাইড : এটি ত্বকের কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে। বয়সের ছাপ দূর করে এবং আইক্রিমের কাজ করে।

আর্গান অয়েল : ত্বক ও চুলের যত্নে এটি ব্যবহার করা হয়। জলয়োজন করে ত্বকের শুষ্কতা দূর করে।

গোজি বীজ : এতে মিনারেল,অ্যামিও এসিড, ভিটামিন সি ও ক্যারোটিনোয়েড রয়েছে যা ত্বকে জলয়োজনে সাহায্য করে। ত্বক স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তোলে।

কোরিয়ান এগ রোল

বিকেলের নাস্তায় কোরিয়ান স্টাইলের এগ রোল বানিয়ে ফেলতে পারেন। ঝটপট বানিয়ে ফেলা যায় এটি। জেনে নিন রেসিপি।

উপকরণ
ডিম- ৩টি
দুধ- দেড় টেবিল চামচ
পেঁয়াজ কুচি
গাজর কুচি
ধনেপাতা কুচি
গোলমরিচ গুঁড়া
মরিচ গুঁড়া
কাঁচামরিচ কুচি
লবণ
ভেজিটেবল অয়েল
প্রস্তুত প্রণালি
একটি পাত্রে ডিমের সঙ্গে দুধ ও লবণ মিশিয়ে ফেটিয়ে নিন। গাজর কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, পেঁয়াজ কুচি, ধনেপাতা কুচি, মরিচ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মেশান ডিমের মিশ্রণে।
প্যানে তেল গরম করুন। ডিমের অর্ধেক মিশ্রণ প্যানে ছড়িয়ে দিন। শক্ত হয়ে আসলে এক পাশ থেকে রোল করে নিন। এভাবে সব মিশ্রণ দিয়ে বানিয়ে ফেলুন রোল। সসের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার এগ রোল। 

এই বিভাগের আরো খবর

গৃহস্থালির কাজ হবে সহজ

বাড়িতে মেহমান, অথচ দ্রুত রান্নার সময় দেখলেন ডিমের খোসা ছাড়াতে গিয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সেদ্ধ ডিম! আবার আপেল স্লাইস করার পর পরিবেশনের আগে দেখা গেল কালচে হয়ে গেছে! ঘর গৃহস্থালির কাজ সামলানোর সময় এ ধরনের ছোট বড় ঝামেলার সম্মুখীন হতে হয় সবসময়ই। এসব ঝামেলা এড়াতে সাধারণ কয়েকটি ট্রিকস জেনে নিন। 

 

সেদ্ধ ডিমের খোসা দ্রুত ছাড়াবেন যেভাবে

সেদ্ধ ডিমের খোসা সহজে ছাড়ানোর জন্য ফুটন্ত পানি থেকে উঠিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঠাণ্ডা পানিতে ডুবিয়ে রাখুন। দেখুন কেমন সহজেই খুলে এসেছে খোসা!

বরফ ছাড়াই যেভাবে ঠাণ্ডা করবেন পানীয় 


কোল্ড ড্রিংক ঠাণ্ডা করতে হবে অথচ ফ্রিজে বরফ নেই? চিন্তার কিছু নেই। ফ্রিজ থেকে ঠাণ্ডা আঙুর বের করে ধুয়ে রেখে দিন কোল্ড ড্রিংকের গ্লাসে। ঠাণ্ডা হয়ে যাবে।

আইসক্রিম নরম রাখবেন যেভাবে 


আইসক্রিমের বক্স ফ্রিজে রাখার আগে পাতলা পলিথিনে মুড়ে রাখুন। নরম থাকবে আইসক্রিম।

সহজে রসুনের খোসা ছাড়াবেন যেভাবে 
 


সহজে রসুনের খোসা ছাড়াতে চাইলে একটি মুখবন্ধ পাত্রে ঢুকিয়ে ঝাঁকিয়ে নিন।

স্লাইস করা আপেল তাজা রাখবেন যেভাবে 

 


স্লাইস করা আপেল কালচে হয়ে যায় দ্রুত। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে লেবুর রস ছড়িয়ে দিন আপেলের উপরে।

ধনেপাতা দীর্ঘদিন তাজা রাখবেন যেভাবে 


ধনেপাতা দীর্ঘদিন তাজা রাখতে চাইলে গোড়া পানিতে ভিজিয়ে উপরের অংশ পাতলা প্লাস্টিকে মুড়ে রাখুন।  

এই বিভাগের আরো খবর

সফল মানুষদের মুখে যেসব কথা শুনবেন না

আপনি যদি প্রকৃত সফল মানুষদের সঙ্গে সময় কাটান তাহলে লক্ষ্য করে থাকবেন যে, এমন কিছু কথা আছে যা সাধারণত তারা প্রত্যাখান করেন।

তারা নেতিবাচক চিন্তা বা অজুহাত দেখিয়ে সময় নষ্ট করেন না। তারা মনে করেন আত্ম-সীমাবদ্ধ বিশ্বাস সফলতাকে দূরে ঠেলে দেয়। আর অজুহাত প্রকৃতপক্ষে কোনো সমাধান দেয় না।

মিথ্যা বিশ্বাস থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্তটি মহান উদ্যোক্তাদের গভীরভাবে প্রভাবিত করে। এটা তাদের এগিয়ে নিয়ে যায় এবং তাদের সফল হতে সাহায্য করে।

আপনিও একই ধরনের প্রতিশ্রুতি দ্বারা একই ধরনের সাফল্য উপভোগ করতে পারেন। এ প্রতিবেদনে সাতটি জিনিসের একটি তালিকা আছে, যা আপনি কখনোই একজন মহান উদ্যোক্তার মুখ থেকে শুনতে পাবেন না।

১. আমি এটা পারব না
কখনো কখনো আমরা মনে করি আমাদের কাছে প্রয়োজনীয়  জ্ঞান, দক্ষতা বা সম্পদের অভাব আছে। যদিও এই অনুভূতিতে আমরা প্রলুব্ধ হই কিন্তু সেরা প্রতিষ্ঠাতারা এটি প্রত্যাখ্যান করেন। তারা নিজের সন্দেহ দূরে সরিয়ে দেন এবং তারা যা তৈরি করতে চান তাতে মনোযোগ দেন।

বিশ্বাস করতে শিখুন এবং বলুন- আমি পারি, যদিও আপনার মনে হয় যে আপনি পারবেন না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আপনি বিশ্বাস করতে শিখবেন যে, আপনার মন যা চায় আপনি তাই করতে পারবেন। যদি প্রমাণ করতে ইচ্ছে হয়, আপনি শৈশবকাল থেকে যা যা অর্জন করেছেন তার একটা তালিকা তৈরি করুন। আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি যে, আপনি জীবনের যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারবেন।

২. ‘কিভাবে করব আমি জানি না’
আপনি আজ পর্যন্ত যা কিছু করেছেন সবকিছু আপনাকে শিখতে হয়েছিল। আপনি হাঁটতে শিখেছেন, ড্রাইভিং করতে শিখেছেন এবং ব্যবসা কিভাবে শুরু করতে হয় সেটা শিখেছেন। শিক্ষা একটি জীবনব্যাপী প্রক্রিয়া। কোনো উদ্যোক্তারই শুরুতে সব উত্তর জানা থাকে না।

যখন আমরা স্কাইবেল ব্যবহার শুরু করি, তখন আমরা জানতাম না যে কীভাবে ভিডিও ডোরবেল তৈরি করা যায়, এমনকি  কেউও জানত না। জ্ঞানের অভাব সত্ত্বেও আমরা যদি এগিয়ে না যেতাম তাহলে কোম্পানির অস্তিত্ব থাকত না।

‘আমি কিভাবে করব’ সেটা বলার পরিবর্তে এই মন্ত্রটি মনে রাখবেন যেটা আপনাকে সাহায্য করবে: ‘সমাধান খুঁজে বের কর’। জীবন হচ্ছে রহস্য উন্মোচনের একটি চলমান প্রক্রিয়া।

৩. আমার যথেষ্ট সময় নেই
সফল প্রতিষ্ঠাতাদের হাতে সময় থাকে না। তারা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর জন্য সময় তৈরি করে নেয়। বাক্যটি এক্সচেঞ্জ করুন, বলুন- আমার সময় নেই, তাই আমাকে সময় করে নিতে হবে।

আপনি যদি সময় বের করতে চান, তবে মনে করুন আপনি একজন লোক নিয়োগ করেছেন যে আপনাকে কাজ পরিচালনা করতে সহায়তা করে। আপনার একজন ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট আছে যে আপনার সময়সূচি পরিচালনা করে এবং অন্যান্য কাজগুলো সম্পাদন করা সহজ করে তোলে।

৪. আমার কাছে শেখার সময় নেই
পৃথিবীর সবচেয়ে সফল ব্যক্তিদের মধ্যে একটি উন্নত মনোভাব রয়েছে। তারা জ্ঞান কামনা করে এবং তারা জানেন যে, এটি সরাসরি সাফল্যের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।

না শেখার জন্য সময়ের অভাব কোনো অজুহাত নয়। পডকাস্ট সাবস্ক্রাইব করুন, আপনি যখন ভ্রমণ করছেন বা দুপুরের খাবার খাচ্ছেন তখন অডিওবক্সগুলো শুনুন।

৫. ‘যদি আমার যথেষ্ট টাকা থাকত তাহলে আমিও সফল হতাম’
সফল উদ্যোক্তারা অর্থায়নকে তাদের সাফল্যের নির্দেশক মনে করে না। এর পরিবর্তে তারা পরিকল্পনা করেন, যে অর্থ আছে তার সৎ ব্যবহার নিশ্চিত করেন। যদি অর্থায়ন কম হয় তারা সৃজনশীলতার পরিচয় দেন। কত কম টাকায় একই ফলাফল আনা যায় সেটা চিন্তা করেন অথবা তারা অর্থায়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করবেন।

৬. ‘আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বীরা মূর্খ’
অদক্ষ উদ্যোক্তারা প্রায়ই তাদের প্রতিযোগিদের দক্ষতার অবমূল্যায়ন করেন। অপরদিকে সফল প্রতিষ্ঠাতারা তাদের প্রতিযোগীদের সম্মান করেন।

যদি তারা একই সুযোগ শণাক্ত করতে পারে এবং বাজারে একটা প্রতিযোগিতামূলক সমাধান দিতে পারে তবে তারাও আপনার মতো স্মার্ট।

৭. ‘সংস্কৃতিকে অতিরিক্ত গুরুত্ব’
কোম্পানির সংস্কৃতি (নিয়মকানুন, শৃঙ্খলা) হচ্ছে, ব্যবসার প্রাণশক্তি। এটি আপনার সফলতার নির্ধারক। কোম্পানির সংস্কৃতি কোম্পানিকে তার উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সহায়তা করে। কর্মচারীদের উৎকর্ষতা সাধনের একটি পরিবেশ তৈরি করে। সাধারণত সফল  কোম্পানিগুলোর নিজস্ব নিয়মকানুন থাকে। প্রমাণ চান?

নবীনরা এয়ারবিএনবি, ইন্ডিগোগো এবং আরইআই কোম্পানিগুলোকে লক্ষ্য করুন।

নেতিবাচক চিন্তা থেকে মুক্ত থাকতে ‘ফিজিক্যাল রিমাইন্ডার’ ব্যবহার করুন। যুক্তরাষ্ট্রের একজন সফল উদ্যোক্তা অ্যান্ড্রু থমাস বলেন, ‘আমি একসময় কবজিতে একটি রাবার ব্যান্ড পরতাম এবং যখনই আমি নেতিবাচক কিছু বলতাম বা নেতিবাচক চিন্তা মাথায় আসত তখন সঙ্গে সঙ্গে রাবার ব্যান্ডে কামড় দিতাম। এটি একটি ছোট মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষা। যদিও এটি আমাকে ইতিবাচক চিন্তা সম্পর্কে নতুন অভ্যাস তৈরিতে সাহায্য করেছে।’ ইতিবাচক চিন্তা করুন। এটি আপনাকে একজন উদ্যোক্তা হিসেবে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এই বিভাগের আরো খবর

রান্নায় আনুষাঙ্গিক পণ্যের বাজারদর

তিন দিন পর ঈদুল আজহা। হাতে সময় বেশি নেই। ঈদে মজাদার সব খাবার রান্না করার মসলাপাতি কেনাকাটার কাজটা তাই সেরে নিতে পারেন। জেনে নিন, বর্তমান বাজারদর।

১০০ গ্রাম মরিচগুড়ার দাম ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, শুকনো মরিচ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, হলুদ গুড়া ১০০ গ্রাম ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। ধনেগুড়া ১০০ গ্রাম ৩০ টাকা।

কেজিপ্রতি পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকা (দেশি) এবং ৪০ থেকে ৪৫ টাকা (বিদেশি)। রসুনের কেজি ১২০ টাকা (ছোট কোয়া) এবং ১৫০ টাকা (বড় কোয়া)। আদার কেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা এবং জিরা ৪৫০ টাকা।

একটু ডালের বাজারের দিকে চোখ নেয়া যাক। মসুর ডাল প্রতি কেজি ১১০ থেকে ১১৫ টাকা (দেশি) এবং ৭৫ থেকে ৮০ টাকা (বিদেশি), মুগ ডাল ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা, বুটের ডাল ১০০ টাকা। মাষকলাই ১১৫ থেকে ১২০ টাকা (বড়টা) এবং  ৯০ টাকা (বিদেশি)।

দারুচিনির কেজি ৪০০ টাকা, এলাচি ১৯০০ থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে আর লবঙ্গ ১৭০০ থেকে ১৮০০ টাকা। গোলমরিচের দাম কেজি ১৭০০ টাকা (কালো) এবং ১৯০০ থেকে ২০০০ টাকা (সাদা)। এছাড়া কিশমিশ পড়ছে কেজিতে ৪৫০ টাকা এবং আলুবোখারা ৭০০ টাকা কেজি। পাঁচফোড়ন ৫০ গ্রাম ১৮ টাকা। সরিষাদানা কেজিতে ১০০ টাকা। জয়ফল দুটো ১০ টাকা।

চীনাবাদাম কেজিতে ১০০ টাকা। কাঠবাদাম ১৭০০ থেকে ১৮০০ টাকা এবং পেস্তাবাদাম ১৬০০ টাকা।

লবণের ক্ষেত্রে সাধারণ খাবার লবণ ৪০ টাকা কেজি। বিট লবণ কেজিতে ১০০ টাকা এবং টেস্টিং সল্ট ১০০ গ্রাম ৪০ টাকা।

তেলের বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল লিটারে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা। ৫ লিটারের বোতল ৫২০ থেকে ৫৪০ টাকা। সরিষার তেল ২২০ টাকা লিটার। ধানের কুড়ার তেল ১ লিটার ১২০ টাকা।

এছাড়াও চিনি কেজিপ্রতি ৬০ টাকা। আখের হলদেটে চিনি ৭০ টাকা। খেজুরের গুড় ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। এছাড়া টকদই প্রতিকেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা।

(বাজার ভেদে দামের সামান্য তারতম্য হতে পারে)
 

কোরবানির হাটে সুস্থ গরু বা ছাগল চেনার উপায়

ঈদুল আজহা দোরগোড়ায়। ইতিমধ্যে জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির হাট। কোরবানির গরু বা ছাগল কেনার আগে সুস্থ কিনা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। কেননা অসুস্থ পশু দিয়ে কোরবানি ধর্মে গ্রহণযোগ্য নয়।

একজন ‍সুস্থ ও অসুস্থ মানুষ যেমন বাহ্যিক লক্ষণ দেখে চেনা যায়, তেমনি কিছু বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য খেয়াল করলে সুস্থ গরু বা ছাগল চেনা যায়। কোরবানির গরু বা ছাগল কেনার সময় যে বিষয়গুলো লক্ষ্য করবেন জেনে নিন।

আপনি প্রথমেই প্রাণীর খুব কাছে না গিয়ে নিরাপদ দূরত্ব থেকে তার গতিবিধি লক্ষ্য করুন। চলাফেরাসহ সবকিছু দেখুন। প্রথম দেখাতেই অনেক কিছু আপনার চোখে ধরা পড়বে। সে যদি নড়াচড়া বা পারিপার্শ্বিক অবস্থায় সাড়া দেয় তাহলে সুস্থতার প্রথম ধাপ পূর্ণ হবে। এরপর কাছে গিয়ে আস্তে আস্তে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন।

* শরীরের পশম : সুস্থ ও নিরোগ প্রাণীর পশম খুব চকচকে দেখায়। শরীরের চামড়ায় কোথাও কোনো ক্ষত থাকবে না। পশু যে রঙের হোক না কেন তা উজ্জ্বল দেখাবে। আর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ভালো থাকলে ত্বকে কোনো ধরনের উকুন বা আঠুলি থাকবে না। আর যদি উশকোখুশকো দেখায় তাহলে ধরে নিতে পারেন  প্রাণীটি কৃমিতে আক্রান্ত। 

* চলাফেরা :  প্রাণীর চলাফেরা বা অঙ্গভঙ্গি দেখে সুস্থতা বোঝা যায়। সুস্থ প্রাণী থাকবে সচেতন। আপনি যেমন পরিবেশ সম্পর্কে সজাগ থাকেন, ঠিক তেমনি তারাও পরিবেশের যে কোনো পরিস্থিতিতে সজাগ থাকবে। আপনি যদি তার দিকে এগিয়ে যান তাহলে সে পিছু হঠতে চেষ্টা করবে। তবে কিছু কিছু গরু বা ছাগল একটু রাগী মেজাজের থাকে। এটি অসুস্থতার লক্ষণ নয়।

* প্রতিক্রিয়া : ধরুন আপনি তাকে মারতে বা ভয় দেখাতে চাচ্ছেন, কিন্তু সে আপনার থেকে সরে যাচ্ছে বা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। এটা সুস্থ প্রাণীর লক্ষণ।

* শ্বাস প্রশ্বাসের স্বাভাবিকতা : সুস্থ প্রাণীর শ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। খুব বেশি শ্বাস প্রশ্বাস ও অস্থিরতা অসুস্থতার লক্ষণ। 

* শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক : ছোট প্রাণীতে স্বাভাবিকভাবে তাপ বেশি থাকে। যেমন ছাগল বা ভেড়ার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক তাপমাত্রা ১০১.৫-১০২.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে। অন্য দিকে মহিষ ও গরুর তাপমাত্রা ১০০-১০১.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত স্বাভাবিক থাকে। যদিও গরুর হাটে থার্মোমিটার দিয়ে মাপার সুযোগ সব জায়গায় থাকে না। তারপরও আপনি চাইলে বিষয়টি  নিশ্চিত হতে পারেন।

* খাবার গ্রহণের আগ্রহ : সুস্থ প্রাণীর খাবার গ্রহণে আগ্রহ থাকবে। যদি তার সামনে খাবার থাকে তাহলে সে খাবে বা আগ্রহ প্রকাশ করবে। রুমিনেন্ট বা ৪ প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট প্রাণী যেমন- গরু, মহিষ, ছাগল ভেড়া এরা খাওয়ার পর পুনরায় খাবারগুলো মুখে নিয়ে আসে। অর্থাৎ জাবর কাটে। সুতরাং জাবর কাটছে এমন অবস্থা সুস্থ প্রাণীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। আপনি জাবর কাটা দেখে নিশ্চিত হতে পারেন তার পরিপাকশক্তি ঠিক আছে।

* মাজেল বা নাকের নিচের অংশ ভেজা থাকবে : সুস্থ প্রাণীর আরেকটি  বৈশিষ্ট্য তার মাজেল আদ্র বা ভেজা থাকবে। আর অসুস্থ হলে তা খুব শুষ্ক থাকবে।

* পায়খানা ও প্রস্রাব : সুস্থ প্রাণীর পায়খানা হবে নির্দিষ্ট ধরনের। গরুর ক্ষেত্রে খুব পাতলা বা খুব শক্ত নয় এমন। আর মলে খুব দুর্গন্ধ থাকবে না। ছাগলের ক্ষেত্রে দানাদার ও গোল বিষ্ঠা বের হয়। প্রস্রাবের রং থাকবে হালকা, খুব বেশি গাঢ় রঙের প্রস্রাব সুস্থ প্রাণীর হবে না। পায়খানার রাস্তাসহ পেছনের পা পরিষ্কার থাকবে। কারণ ডায়রিয়া হলে পিছনের পায়ের অধিকাংশ জায়গায় লেগে থাকে।

* শরীরে পানি জমে থাকবে না : সুস্থ প্রাণীর শরীরে যদি আপনি আঙুল দিয়ে চাপ দেন, তাহলে মোটাতাজা স্বাস্থ্যের প্রাণীর ক্ষেত্রে গর্তের সৃষ্টি হবে কিন্তু ছেড়ে দিলে সঙ্গে সঙ্গে পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে। অবৈধ হরমোনের ব্যবহার হয়ে থাকলে গর্ত থেকে যাবে অনেকক্ষণ।
 

 

 

* হাঁটাচলা: কেনার আগে অল্প জায়গায় হলেও হাঁটিয়ে নেবেন। এতে পায়ে সমস্যা থাকলে ধরা পড়বে।

* গর্ভপরীক্ষা নিশ্চিত করা :  কোরবানির সময় গাভী বা ছাগী কেনার আগে অবশ্যই গর্ভপরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে। গর্ভ থাকলে কেনা যাবে না।
এসব বিষয় খেয়াল করলে আশা করা যায় আপনি সুস্থ ও সবল উপযুক্ত কোরবানির প্রাণী পাবেন।

এই বিভাগের আরো খবর

নিমের এই আটটি গুণের কথা জানতেন?

চুল পড়া এবং ত্বকের র‌্যাশ বা ব্রণ কমাতে সাহায্য করে নিম। নিম পাতা বাটা কন্ডিশনার হিসাবে ব্যবহার করা যায়।

এই বিভাগের আরো খবর

অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে আগ্রহীদের জন্য স্কলারশিপ

অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ইন সিডনি (ইউটিএস)-তে পড়তে আগ্রহী বাংলাদেশের উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা এখন আকর্ষণীয় একটি স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবে। নতুন এই ইউটিএস:ইনসার্চ এসপায়ার স্কলারশিপটিতে বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে মোট ৩.৫ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (বাংলাদেশি টাকায় ২১ কোটি টাকা) প্রদান করা হবে, যা ইউটিএস:ইনসার্চ-এ তাদের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ফি হিসেবে ব্যবহার করা হবে৷

সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ইন সিডনি (ইউটিএস) টাইমস হাইয়ার এডুকেশন-এর নবীন ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিংয়ে অস্ট্রেলিয়াতে টানা তৃতীয়বারের মতো শীর্ষ নবীন ইউনিভার্সিটির স্বীকৃতি পেয়েছে এবং বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে ছয় ধাপ এগিয়ে ১৫তম হয়েছে।

ইউটিএস এ অধ্যয়ন এবং সেরা পারফর্ম করার জন্য শিক্ষার্থীদের তৈরি করতে ইউটিএস:ইনসার্চ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। ইউটিএস:ইনসার্চ এ সফলভাবে ডিপ্লোমা শেষ করার পর, শিক্ষার্থীরা সরাসরি ইউটিএস এর স্নাতকে ভর্তি হতে পারে এবং পছন্দকৃত কোর্সের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা খুব দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষে পদার্পণ করতে পারে।

ইউটিএস:ইনসার্চ এর চিফ মার্কেট ডেভেলপমেন্ট অফিসার বেলিন্ডা হওয়েল বলেন, ‘আমরা জানি বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থীই ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ইন সিডনি-এর উন্নত শিক্ষাপদ্ধতির অধীনে পড়াশুনা করতে আগ্রহী। নিয়োগকারী ও শিল্পের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের জোরালো সহযোগিতা আকর্ষণীয় ও সফল ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ বৃদ্ধি করে।’ 

হওয়েল আরো বলেন, ‘বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ারের স্বপ্ন পূরণ করতে এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় সহ পরবর্তীতে সফলতা অর্জনের জন্য প্রস্তুত হওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে এই এসপায়ার স্কলারশিপ প্রোগ্রাম অফার করতে পেরে আমরা আনন্দিত।’

ইউনেস্কোর গ্লোব্যাল ফ্লো অব টার্শিয়ারি-লেভেল-স্টুডেন্টস এর তথ্য অনুযায়ী, বিদেশে পড়াশুনার ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের চতুর্থ শীর্ষ পছন্দের গন্তব্য, যার অবস্থান জার্মানি ও কানাডার উপরে৷

ইউটিএস-এ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে অধ্যয়নরত খুলনার শিক্ষার্থী হামজা বিন মনজুর সবার সঙ্গে তার অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশুনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন৷ তিনি বলেন, ‘প্রকৌশল বিদ্যা নিয়ে পড়াশুনার জন্য বর্তমানে ইউটিএস হলো সর্বোৎকৃষ্ট জায়গা। এটি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পছন্দের জায়গা হিসেবে পরিচিত। এছাড়াও, আমি সিডনির কাছাকাছি একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করতে চেয়েছিলাম।’

মনজুর ২০১৬ সালে ইউটিএস:ইনসার্চ থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং এ ডিপ্লোমা শেষ করেছেন এবং বর্তমানে ইউটিএসে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতকে অধ্যয়নরত আছেন।

এসপায়ার স্কলারশিপ প্রোগ্রামে আবেদনের নিয়মাবলি
* উপমহাদেশের যেসব নতুন শিক্ষার্থী ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ইউটিএস:ইনসার্চ এ ডিপ্লোমা শুরু করবে তারাই এই স্কলারশিপ প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারবে।  

* insearch.edu.au/aspire ওয়েবসাইট থেকে পূর্ণাঙ্গ শর্ত ও নিয়মাবলি জানা যাবে।

লেবুর রস: দূর হবে ব্রণের দাগ

অনেকের ত্বক প্রাকৃতিকভাবেই থাকে দাগহীন ও উজ্জ্বল। তবে ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইটহেডস, বলিরেখা ও ব্রণের দাগের মতো সমস্যাতেও ভোগেন অনেকেই। যারা ত্বকের এসব সমস্যা নিয়ে বিব্রত, তারা নিয়মিত লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন ত্বকে। লেবুর অ্যাসিডিক উ

টোনার হিসেবে

 

 

  • একটি পাত্রে আধা কাপ পানি নিন।
  • ১ টেবিল চামচ পুদিনা পাতার রস মেশান।
  • ৩ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে স্প্রে বোতলে সংরক্ষণ করুন টোনার।
  • প্রতিদিন ত্বকে ব্যবহার করুন এটি।

ব্রণের দাগ দূর করতে

  • একটি পাত্রে ২ টেবিল চামচ লেবুর রস নিন।
  • ১ টেবিল চামচ মধু মেশান।
  • রাতে ঘুমানোর আগে ব্রণের দাগের উপর লাগান মিশ্রণটি।
  • পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলুন।

ফেসপ্যাক হিসেবে

  • ১ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া নিন।
  • ৩ টেবিল চামচ পানি মেশান।
  • ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নেড়ে নিন।
  • প্রয়োজন মতো দই মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।
  • মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন আধা ঘণ্টা।
  • ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • সপ্তাহে তিনবার এটি ব্যবহার করুন ত্বকে।

ত্বকে লেবুর রস ব্যবহার করবেন কেন?

  • বিবর্ণ ত্বকে জৌলুস ফিরিয়ে আনতে পারে লেবু।
  • লেবুতে থাকা ভিটামিন সি ত্বকে দাগ পড়ে যাওয়া রোধ করে।
  • ব্রণের দাগসহ অন্যান্য দাগ দূর করতে পারে লেবুতে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড।
  • ত্বকের মরা চামড়া দূর করে ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ করে লেবু।
  • প্রাকৃতিকভাবে ত্বক ব্লিচ করে লেবুর রস। ফলে ত্বক হয় সুন্দর ও কোমল।
  • ত্বকের রোদে পোড়া কালচে ভাব দূর করতে জুড়ি নেই লেবুর।

পাদান প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের দাগ দূর করতে অনন্য।



Go Top