ভিডিও বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২

প্রকাশ : ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ০৪:৫৪ সকাল

ওয়ান ইলেভেনে তারেক রহমানের মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়া হয়েছিল: তুষার

ওয়ান ইলেভেনে তারেক রহমানের মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়া হয়েছিল: তুষার, ছবি: সংগৃহীত।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেছেন, ওয়ান ইলেভেনে বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে গুরুতর নির্যাতন চালানো হয়। এ সময় তার মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয় এবং তাকে রাজনীতি না করার মুচলেকা দিতে বাধ্য করা হয়।

রোববার সকালে নিজের ফেসবুক ওয়ালে এমন কথা জানান তিনি। ফেসবুক স্ট্যাটাসটি সরাসরি তুলে ধরা হলো—১/১১-র সময় বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে গুরুতরভাবে আহত করে, তার মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়া হয়েছিল। তার কাছ থেকে মুচলেকা নেয়া হয়েছিল তিনি আর রাজনীতি করবেন না। কাজটা শুরু হয়েছিল তাকে দুর্নীতিবাজ হিসেবে চিত্রিত করে তার ক্রেডিবিলিটি নাই করে দেয়ার মাধ্যমে।

তখন আমাদের মহান সিভিল সোসাইটি কিন্তু এর প্রতিবাদ করে নাই। উল্টো সিভিল সোসাইটির স্টারদের মধ্যে কেউ কেউ কী লিখেছিলেন জানেন? “আমি অত্যাচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে কোনো যদি-কিন্তু নাই। তবে কেন জানি তারেক জিয়ার আহত ও ব্যথাতুর চেহারা আমার মধ্যে কোনো ভাবাবেগ তৈরি করে না।” তখন তারেক জিয়ার কোনো মানবাধিকার ছিল না। নির্যাতন করে তার মাজা ভেঙে দেয়াটা ছিল জাস্টিফাইড। সেই সিভিল সোসাইটিকেই এখন দেখি তারা মহা বিএনপিপ্রেমী। এর মানে কি এই যে তারা তাদের ভুল বুঝতে পেরে থিসিস পরিবর্তন করেছে ?

আরও পড়ুন

না, মোটেও না। তাদের চিন্তা, মাইন্ডসেট, মতাদর্শিক এলাইন্টমেন্ট আগের মতোই আছে। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে তারা স্রেফ চায় তাদের অনুমিত ও চর্চিত প্রগতিশীলতার ঝাণ্ডা বিএনপি বহন করুক।

মনে রাখবেন বাংলাদেশের সিভিল সোসাইটির ভূমিকা পর্যালোচনা না করে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী ও গণহত্যাকারী হয়ে ওঠার ইতিহাস বোঝা সম্ভব হবে না। ওই একই সিভিল সোসাইটি এখন বিএনপির ঘাড়ে ভর করছে। তারা বিএনপিকে আরেকটা আওয়ামী লীগ বানাতে চায়।
ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটতেসে যেন। তখন তারেক জিয়া ও বিএনপির চরিত্র হনন করা হইসিল। এখন ছাত্রনেতা, তরুণ রাজনৈতিক নেতাদের ডিল্যাজিটিমাইজ করা হচ্ছে। তাদের ওপর যখন অত্যাচারের স্টিম রোলার চালানো হবে দেখবেন এই সিভিল সোসাইটি তখন মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকবে।

কিন্তু গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগের কোনো আসামিকে আদালত প্রাঙ্গণে সামান্য ডিম ছুঁড়ে মারলে একযোগে মানবাধিকারের হাহাকার শুরু হয়ে যায়/যাবে।জি, এটাই সায়েন্স।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

স্বাধীনতার অনেক আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি বলেই নতুন প্রজন্মকে রক্ত দিতে হয়

‘ভারতে গ্রেপ্তারদের ফেরাতে চুক্তি অনুযায়ী অনুরোধপত্র পাঠানো হয়েছে’

স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

বীর শহীদদের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুলেল শ্রদ্ধা

ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মামুন খালেদ আটক

ভিয়েতনামের বিপক্ষে আজ কঠিন পরীক্ষায় বাংলাদেশ