লালমনিরহাটে একটি ড্রামের সেতু দু:খ ঘুচলো ২৫ হাজার মানুষের
লালমনিরহাট প্রতিনিধি : লালমনিরহাটের পাটগ্রামে ড্রামের তৈরি সেতুতে দুঃখ ঘুচলো অন্তত ২৫ হাজার মানুষের। উপজেলার সানিয়াজান নদীর ওপর নির্মিত ২শ’ ফুট দীর্ঘ ভাসমান এ সেতুটি এখন এলাকার মানুষের জন্য স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে।
সরজমিনে দেখা যায়, স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্লাস্টিকের ড্রামের ওপর বাঁশের চাটাই জোড়া লাগিয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। সেতুটি দেখতে প্রতিদিন এখানে বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন আসছেন। এমন ভাসমান ড্রাম সেতু সবার নজর কেড়েছে। ভাসমান এ সেতু নির্মাণে খরচ হয়েছে প্রায় ৩ লাখ টাকা।
পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে সানিয়াজান নদীর ওপর নির্মিত সেতুটি গতকাল বুধবার থেকে লোকজনের চলাচলের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেয়া হয়। এরপর থেকে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াত শুরু হয়েছে। এতে তিন গ্রামের মানুষ বেশ খুশি।
জানা গেছে, পাটগ্রামে ড্রামের তৈরি এ সেতুটি দু:খ ঘুচলো অন্তত ২৫ হাজার মানুষের। উপজেলার সানিয়াজান নদীর ওপর নির্মিত ২শ’ ফুট দীর্ঘ ভাসমান। সেতুটি নির্মাণ করেছেন ওই গ্রামের ১৫ জন সাধারণ মানুষ। তারা তাদের বুদ্ধি দিয়ে সেতু নির্মাণের ব্যবহার করেছে প্লাস্টিকের ড্রাম, বাঁশ, লোহার অ্যাঙ্গেল এবং দড়ি।
আরও পড়ুনস্থানীয় আজমত উল্লাহ বলেন, বন্যার সময় নদীর পানি যতই বাড়বে ড্রামগুলো ভেসে উঠবে। এতে চলাচলের কোনো কষ্ট হবে না। তাই আমরা ড্রাম কিনে সেতুটি করেছি। স্থানীয় একটি স্কুলের শিক্ষার্থী বরকত বলেন, সেতু নির্মাণের ফলে আমরা খুব সহজে স্কুল-কলেজে যেতে পারি। আগে এ পথ দিয়ে অনেক কষ্টে স্কুলে যেতাম এখন আর ভিজে যেতে হবে না। খুব কম সময়ে আমরা স্কুলে যেতে পারবো।
এবিষয়ে কথা হলে পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিল্লুর রহমান বলেন, আমি এ উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি, তাই এ ভাসমান সেতুর বিষয়ে জানি না। তবে কোন একদিন নিজেই যাবো দেখতে। এক্ষেত্রে আর কোন সহযোগিতা লাগলেও সে দিকটিও বিবেচনায় নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক

_medium_1774464518.jpg)


_medium_1774463306.jpg)


