সূর্য্যমুখী চাষ করে স্বাবলম্বী দিনাজপুরের সোহরাব
দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি : দিনাজপুরে সূর্য্যমুখী ফুলের চাষ করে স্বাবলম্বী ও সফল হয়েছেন সোহরাব আলী নামে এক উদ্যোক্তা। দিনাজপুর শহরের রাজবাড়ী কাটাপাড়ায় দুই বিঘা বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে মো: সোহরাব আলী গড়ে তুলেছেন সূর্য্যমুখী ফুলের বাগান। দূর থেকে দেখলে মনে হবে যেন হলুদ গালিচার চাদরে ঢাকা বিস্তীর্ণ এলাকা। আর এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিনই ভীড় জমায় অসংখ্য দর্শনার্থী। আর সৌন্দর্য দেখতে আসা দর্শনার্থীদের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন হয় সোহরাব আলীর।
কম খরচে অল্প সময়ে অধিক লাভ হওয়ায় নিজেকে স্বাবলম্বী ও সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে এই পথ বেছে নিয়েছে সোহরাব আলী। এর পাশাপাশি কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সহোযোগিতা এবং সৌন্দর্য পিপাসুদের অনুপ্রেরণা তাকে এ কাজে আরো উৎসাহী করে তুলেছে। উৎসাহ, অনুপ্রেরণা আর পরিশ্রমের কারণেই আজ সূর্য্যমুখী ফুলের বাগান করে সোহরাব আলী নিজেকে স্বাবলম্বী ও সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলেছেন।
চিকিৎসকদের মতে সূর্য্যমুখী ফুলের বীজ থেকে উৎপাদিত তেল অন্যান্য ভোজ্য তেলের তুলনায় ১০ গুণ বেশি পুষ্টিগুণ সম্পন্ন, কোলেষ্টেরল মুক্ত এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেক কম। এই তেলের চাহিদাও দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় সূর্য্যমুখী ফুল চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের।
আরও পড়ুনসূর্যমুখী ফুল চাষে সফল উদ্যোক্তা সোহরাব আলীর সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি অন্যের জমি বর্গা নিয়ে ২০২০ সালে ১০ শতক জমিতে সূর্য্যমুখী ফুলের আবাদ শুরু করে। সেই বছর সফলতা পেয়ে পরের বছর ২০ শতক জমিতে আবাদ করে সেই বছরও ভালোই মুনাফা পায়। এভাবেই সে একটু একটু করে বর্তমানে দুই বিঘা জমিতে চাষ করছেন বারি ৩ জাতের সূর্য্যমুখী ফুল।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর দিনাজপুর কার্যালয়ের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো: আনিসজ্জামান বলেন, অন্যান্য শস্যের ন্যায় সূর্য্যমুখী একটি সম্ভাবনাময় শস্য। আমরা কৃষকদের উৎসাহিত করছি। কৃষকরা দো-ফসলি জমিতে তিন ফসলি আবাদ করতে পারবে। আমনের পরে সূর্য্যমুখী আবাদ করে পরে অন্য আরেকটি শস্য আবাদ করতে পারবে।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক
_medium_1774517291.jpg)



_medium_1774464518.jpg)



