তোফায়েলের বাড়িতে আগুন, কাদেরের বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা
মফস্বল ডেস্ক : আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ভোলা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদের বাসভবনে ভাঙচুর ও আগুন দেওয়া হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানে পতনের পর পালিয়ে থাকা শেখ হাসিনার অনলাইনে ভাষণের ঘোষণা দেওয়ার প্রতিবাদে বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার পর ভোলা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের গাজীপুর রোডের প্রিয় কুটির বাসায় এ আগুন দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার পরে শহরের গাজীপুর সড়কের বাড়ির সামনে ছাত্র-জনতা অবস্থান নিয়ে ভাঙচুর শুরু করে। এসময় ছাত্র-জনতা স্লোগান দিতে থাকে ‘স্বৈরাচারের আস্তানা জ্বালিয়ে দাও, পুড়িয়ে দাও’।এর আগে ভোলা শহর থেকে ফ্যাসিবাদবিরোধী স্লোগান দিয়ে একটি মিছিল নিয়ে ছাত্র-জনতা তোফায়েল আহমেদ বাড়ির সামনে আসে। রাত সাড়ে ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত তোফায়েল আহমেদের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা। ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা এই বাসা থেকেই তোফায়েল আহমেদ তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসতেন।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নোয়াখালী জেলার সমন্বয়করা। আজ বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজস্ব ফেসবুক পেইজ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে লিখা হয়, ‘নোয়াখালীর বিপ্লবীরা, বুলডোজার নিয়ে প্রস্তুত থাকুন। মার্চ টু কাউয়া কাদেরের বাড়ি! আজ বেলা ১১টা।’
জানা যায়, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের বড় রাজাপুর গ্রামের মিয়া বাড়িতে ওবায়দুল কাদের জন্মগ্রহণ করেন। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবর রয়েছে। তিনি ছাড়া বাকি ভাই ও চাচাতো ভাইয়ের ঘর রয়েছে। আরও জানা যায়, গত ৫ আগস্ট বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত কাদেরের গ্রামের বাড়িতে ব্যাপক হামলা-ভাঙচুর শেষে অগ্নিসংযোগ করে আন্দোলনকারীরা। তারা বাড়ির ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুর শেষে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় কিছু ব্যক্তিকে বাড়ির ভেতর থেকে বিভিন্ন জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যেতে দেখেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
আরও পড়ুনস্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ওবায়দুল কাদেরের বাড়িতে তার নিজস্ব ঘর নেই। তিনি বাড়িতে গেলে ছোট ভাই কাদের মির্জার বাড়িতে উঠতেন এবং সেখানেই নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন। বাবা-মায়ের কবরের পাশে একটা মসজিদ, একটা কাঁচারি ঘর, একটা পরিত্যক্ত ঘর ও একটা পাঠাগার রয়েছে। এছাড়া ভাই ও চাচাতো ভাইদের ঘর আছে।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক







_medium_1774464140.jpg)
