অবৈধ দোকানীদের দখলে মাটিডালীর বিমান চত্বর
স্টাফ রিপোর্টার : বগুড়া শহরতলীর বিমান মোড়ের বিমান চত্বর অবৈধ দোকানীদের দখলে। অবৈধ দোকানের কারণে রাস্তা পারাপারের সময় এপার ওপার দেখা যায় না। আর এতেই ঘটছে দুর্ঘটনা। অন্যদিকে এই মোড়ে গাড়ি পারাপারের সংখ্যা দিন দিন বাড়লেও দেওয়া হয়নি ইন্টারচেঞ্জ বা ফ্লাইওভার।
প্রায় ২০ বছর আগে বগুড়ার বনানী থেকে মাটিডালী মোড় পর্যন্ত সড়ক প্রশস্ত করার পর মাটিডালী মোড়ের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য অলংকার হিসেবে ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে ব্যবহৃত অকেজো একটি যুদ্ধ বিমান পিলারের উপর স্থাপন করা হয়।
বিমানটি স্থাপনের পর মাটিডালী মোড়ের নাম মানুষের মুখে মুখে বিমান মোড় হিসেবে ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে ওই জায়গার নাম মাটিডালী বিমান মোড় হিসেবে ব্যাপক পরিচিত। সম্প্রতি সাসেক প্রকল্পের আওতায় সড়ক সম্প্রসারণ করা হলে বিমান মোড়ের ব্যাপক পরিবর্তন আসে। এই মোড়ে এখন গাড়ি পারাপারের সংখ্যা বেড়েছে কয়েক গুণ।
গাড়ি পারাপার বাড়লেও এইস্থানে ইন্টারচেঞ্জ বা ফ্লাইওভার কোনটিই করা হয়নি। ফলে রাস্তা পারাপারে মানুষকে ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। এর মধ্যে আরেক প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে বিমানকে ঘিরে যে গোল চত্বর করা হয়েছে সেই চত্বর এখন ভ্রাম্যমাণ দোকানীদের দখলে। গোলচত্বর ঘিরে রেখেছে অর্ধশতের বেশি বিভিন্ন দোকান। স্থানীয় প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে কেউ দিন ভাড়া, কেউ মাসিক ভাড়ায় দোকান চালাচ্ছে।
আরও পড়ুনগোলচত্বরটি দোকান বেষ্টিত হওয়ায় এপার ওপার কিছুই দেখা যায়না। ফলে অহরহ দুর্ঘটনা ঘটছে। বগুড়া সদরের বাঘোপাড়া এলাকার এক স্কুল শিক্ষক করতোয়া’কে জানান, তিনি প্রতিদিন মাটিডালী থেকে স্কুলে যান। ঝুঁকি নিয়ে বিমান মোড় পার হতে হয়।
একটা ফ্লাইওভার হলে এপার থেকে ওপার যেতে এত ঝুঁকি নিতে হতো না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাসেক প্রকল্পের এক প্রকৌশলী করতোয়া’কে জানান, ২০১৪ সালে কোরিয়ান একটি কনসালটেন্ট প্রতিষ্ঠান সমীক্ষা করেছে। ১০ বছর আগে এত গাড়ি ছিলনা তাই তখন ফ্লাইওভার বা ইটারচেঞ্জ করার প্রয়োজন মনে করেনি। বর্তমানে যে পরিস্থিতি হয়েছে তাতে মনে হচ্ছে ফ্লাইওভার অতি জরুরী ছিলো।
এই প্রকৌশলী আরও জানান, কেবল মাটিডালী নয় বনানীতেও ফ্লাইওভার এবং শেরপুরেও প্রয়োজন ছিলো। মাটিডালী মোড়ের গোলচত্বর থেকে দোকান উচ্ছেদ প্রসঙ্গে বলেন, স্থানীয় প্রশাসন উদ্যোগ নিয়ে তাদের উচ্ছেদ করতে পারে।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক


_medium_1774464518.jpg)




