ভিডিও বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৪:৩৩ দুপুর

ফেলানীর বাবা নুরুকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন জামায়াতের আমির ডা.শফিকুর রহমান

ফেলানীর বাবা নুরুকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন জামায়াতের আমির ডা.শফিকুর রহমান। ছবি : দৈনিক করতোয়া

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে বিএসএফ’র গুলিতে নিহত কিশোরী ফেলানী খাতুনের কবর জিয়ারত করেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। এরপর ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম নুরুকে বুকে জড়িয়ে ধরেন তিনি। সেই সঙ্গে আশ্বাস দেন সুষ্ঠু বিচারেরও।

গতকাল শুক্রবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিয়নের দক্ষিণ রামখানা গ্রামে ফেলানীর বাড়িতে যান ডা. শফিকুর রহমান। এসময় তিনি ফেলানীর কবর জিয়ারত করে ফেলানীর বাবাকে বুকে জড়িয়ে ধরেন। ডা. শফিকুর রহমান ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম নুরু, মা জাহানারা বেগম ও তিন ভাই জাহান উদ্দিন, আরফান আলী ও আক্কাস আলীর সাথে মতবিনিময় করে সবাই নতুন জামা-কাপড় উপহারসহ তাদেরকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান জানান, সীমান্তে ফেলানী হত্যার ১৪ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও এ হত্যার সুবিচার বিচার হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকার এ বিষয়ে তৎপর ছিল না। বর্তমান অর্ন্তরবর্তী সরকার ফেলানী হত্যার বিচারকে ত্বরান্বিত করবে এটা আমাদের দাবি।

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ সদস্যরা ফেলানীকে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করে কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলিয়ে রেখেছিল। ফেলানী হত্যা শুধু বাংলাদেশের নয়, সারা বিশ্বের মানুষের বিবেককে নাড়া দিয়েছিল। এটি সারা বিশ্বে একটি আলোচিত ঘটনা। এ হত্যাকান্ডের বিচার হতেই হবে। আন্তর্জাতিক আদালতে ফেলানী হত্যার বিচার সুনিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন

ফেলানীর বাবা নূর ইসলাম নুরু কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি এখনও আমাদের মেয়ে ফেলানীর মুখচ্ছবি ভুলতে পারছি না। আমার চোখের সামনেই বিএসএফ’র গুলিতে ফেলানীর মৃত্যু হয়। ন্যায় বিচার পেতে আমি ভারতে বহুবার গিয়েছিলাম। কিন্তু গত ১৫ বছরও সেই ন্যায় বিচার আমি পাইনি। বর্তমান সরকারের কাছে আমাদের মেয়ে হত্যার ন্যায় বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

ফেলানীর মা জাহানারা বেগমও কেঁদে কেঁদে বলেন, আমাদের মেয়ে ফেলানী হত্যার পর থেকে একটা দিনও আমি শান্তিতে ঘুমাতে পারিনি। এ হত্যার বিচার না হলে আমাদের মেয়ের আত্মা শান্তি পাবে না। আমাদেরও শান্তি নেই। ফেলানী হত্যার সঙ্গে জড়িত বিএসএফ সদস্যের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

ফেলানীর পরিবারের সাথে সাক্ষাতের সময় কেন্দ্রীয়, বিভাগ, জেলা ও স্থানীয় জামায়াতের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি ফেলানীর গ্রামে কলোনীটারী জামে মসজিদে স্থানীয় লোকজনের সাথে মতবিনিময় করেন। এরপর বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ড. শফিকুর রহমান ফুলবাড়ী উপজেলা সদরের কদমতলা মোড়ে স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ঢাবির শ্রদ্ধাঞ্জলি

ইরানকে ড্রোন, খাদ্য ও ওষুধ দিচ্ছে রাশিয়া

স্বাধীনতার অনেক আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি বলেই নতুন প্রজন্মকে রক্ত দিতে হয়

‘ভারতে গ্রেপ্তারদের ফেরাতে চুক্তি অনুযায়ী অনুরোধপত্র পাঠানো হয়েছে’

স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

বীর শহীদদের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুলেল শ্রদ্ধা