ভিডিও বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২

প্রকাশ : ০৪ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৪:৪৩ দুপুর

বগুড়ার ধুনটে যমুনা পাড়ের মৎস্যজীবীদের দুর্বিষহ জীবনযাপন

বগুড়ার ধুনটে যমুনা পাড়ের মৎস্যজীবীদের দুর্বিষহ জীবনযাপন। ছবি : দৈনিক করতোয়া

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি : তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে বগুড়ার ধুনট উপজেলায় যমুনা নদী থেকে মাছ ধরতে না পারায় কর্মহীন হয়ে হতদরিদ্র মৎস্যজীবী পরিবারের লোকজন দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন। উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের পূর্ব পাশ দিয়ে বহমান যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ৪৮ বছরে অসংখ্য পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে।

বসত বাড়িসহ সর্বস্ব হারিয়ে তারা আজ নিঃস্ব। অনেকে মাতৃভূমির মায়া ত্যাগ করে এলাকা ছেড়ে শহর কিংবা অন্যত্র চলে গেছেন। অনেক পরিবারের লোকজন নাড়ীর টানে বাঁধে আশ্রয় নিয়েছেন। বাঁধে আশ্রিত বেশিভাগ পরিবারের লোকজন যমুনায় মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন।

ঘন কুয়াশার কারণে কয়েক দিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না। কনকনে শীতে নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বের হচ্ছে না। জেঁকে বসা প্রচন্ড শীতে যমুনা নদীতে মাছ শিকারিদের দুর্ভোগ বেড়েছে। সূর্যের আলোবিহীন দিন আর ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা রাত। এমন পরিস্থিতিতে নদীতে মাছ শিকারিরা বিপাকে পড়েছেন। প্রায় ২শ’ পরিবার-পরিজন নিয়ে পড়েছেন মহাসংকটে।

আরও পড়ুন

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাছ শিকারিদের নৌকাগুলো শহড়াবাড়ি ঘাটে নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে। কুয়াশার কারণে রাতের বেলায় নদীতে নৌকা চালানো যায় না। মৎস্যশিকারি বানিয়াজান গ্রামের হিরন কুমার, বানিয়াজানের পরিমল চন্দ্র হাওয়ালদার, ভান্ডারবাড়ির নিবারন চন্দ্র জানান, অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে তারা কয়েক দিন ধরে নদী থেকে মাছ ধরতে পারছেন না।

ফলে তারা খুবই অভাবে পড়েছেন। ঋণের টাকায় সংসার চালাতে হচ্ছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে তারা অতিকষ্টে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ি বাজরের পাইকারি আড়তদার হরিলাল কুমার জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে জেলেদের পক্ষে নদী থেকে মাছ ধরা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বাজারে মাছের সরবরাহও কমে গেছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

'রাত ২টা ১৫ মিনিটে' স্বাধীনতার ঘোষণা দেন জিয়াউর রহমান

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ঢাবির শ্রদ্ধাঞ্জলি

ইরানকে ড্রোন, খাদ্য ও ওষুধ দিচ্ছে রাশিয়া

স্বাধীনতার অনেক আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি বলেই নতুন প্রজন্মকে রক্ত দিতে হয়

‘ভারতে গ্রেপ্তারদের ফেরাতে চুক্তি অনুযায়ী অনুরোধপত্র পাঠানো হয়েছে’

স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা