সকাল ৯:১৮, শনিবার, ১৬ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং
/ রাজনীতি / বঙ্গবন্ধুর ভাষণের স্বীকৃতি আনন্দের : মির্জা ফখরুল
বঙ্গবন্ধুর ভাষণের স্বীকৃতি আনন্দের : মির্জা ফখরুল
নভেম্বর ১৮, ২০১৭

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিকে ‘আনন্দের’ বললেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আজকে (শনিবার) খুব বড় সমাবেশ হচ্ছে। এই সমাবেশকে বলা হচ্ছে- এটা কোনো রাজনৈতিক সমাবেশ নয়, এটা একটা রাষ্ট্রীয় নাগরিক সমাবেশ। যে বক্তব্য ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ দেওয়া হয়েছিল, সেটা ইউনেস্কো তালিকাভুক্তি করেছে, সেজন্য এই সমাবেশ। এটা তো ভালো কথা। আমরা তো মনে করি যে, এটা আনন্দের কথা।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ভাসানী স্মৃতি সংসদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন ফখরুল। বঙ্গবন্ধুর ভাষণের স্বীকৃতি উদযাপনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নাগরিক সমাবেশেও অমত না থাকার কথা জানান বিএনপি মহাসচিব। তবে এতে জনসমাগমে নানা পদক্ষেপের সমালোচনা করেন তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, প্রত্যেকটা স্কুল-কলেজকে চিঠি দিয়েছেন, না আসলে শিক্ষকদের চাকরি থাকবে না। ব্যাংকে চিঠি দিয়েছেন, না আসলে পাঁচ দিনের বেতন কাটা যাবে। টিচার-শিক্ষক সবাইকে এই কথা বলে নিয়ে আসছেন।

সকালে দেখে এসেছি, বড় বড় বাসে স্কুলের বাচ্চাদের তোলা হচ্ছে। আমাদের তো আপত্তি নেই। কিন্তু আপনারা একদিকে সমস্ত মানুষের অধিকারগুলো কেড়ে নিচ্ছেন, মিথ্যা দিয়ে সত্যকে ঢেকে দিচ্ছেন; অন্যদিকে এ সমস্ত কথা বলে মানুষকে প্রতারিত করছেন। অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) তোষামোদী ছেড়ে নিরপেক্ষ ভূমিকা নিতে আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, তিনি (সিইসি) তোষামোদী করে রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচনে আনতে চান।

আজকে বিএনপিকে খুব খুশি করার চেষ্টা করছেন। আবার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ মানুষ দিয়ে আওয়ামী লীগের কথা বলছেন। আমরা স্পষ্টভাষায় বলতে চাই, কাউকে তোষামোদী করার তো দরকার নেই। আপনারা কাজের মাধ্যমে সত্যিকার অর্থে আপনাদের নিরপেক্ষতা প্রমাণ করুন। মির্জা ফখরুল সরকারকে হুঁশিয়ার করে বলেন, বিএনপি অংশ না নিলে আগামীতে নির্বাচন হবে না। এ দেশের মানুষ আগামী নির্বাচনে অবশ্যই সমস্ত দলগুলোকে দেখতে চায়। সংগঠনের সভাপতি জিয়াউল হক মিলুর সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য রাখেন-সাবেক মন্ত্রী জাকারিয়া খান চৌধুরী, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, সাবেক মন্ত্রী নুর মোহাম্মদ খান, প্রয়াত ন্যাপ নেতা মসিউর রহমান যাদু মিয়ার মেয়ে ন্যান্সি রহমান, ভাসানী স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক কাজী মনিরুল হুদা প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

নৃত্যশিল্পী ঝুনুর শয্যাপাশে ফখরুল গুরুতর অসুস্থ নৃত্যশিল্পী রাহিজা খানম ঝুনুকে দেখতে সকালে ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালে যান মির্জা ফখরুল। এ সময় তিনি এই নৃত্যশিল্পীর শয্যার পাশে কিছু সময় অবস্থান করেন এবং চিকিৎসকদের কাছ থেকে তার চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন। ঝুনু উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিকসহ নানা রোগে আক্রান্ত। এ সময়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ডা. জাহিদ হোসেন, আশরাফউদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, জাসাস সহ-সভাপতি শায়রুল কবির খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top