ভোর ৫:২৯, শনিবার, ১৫ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং
/ উপ-সম্পাদকীয় / দুর্বল ভিত্তির ওপর সুউচ্চ ইমারত হয় না
দুর্বল ভিত্তির ওপর সুউচ্চ ইমারত হয় না
ডিসেম্বর ৬, ২০১৭

মোহাম্মদ নজাবত আলী:আমাদের সংবিধানে শিক্ষা ব্যবস্থা হবে অভিন্ন, এমন কথা উল্লেখ রয়েছে অর্থাৎ সর্বজনীন গণমুখী শিক্ষার কথা বলা আছে। যেখানে একই ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থা থাকবে, কোনো বিভাজন থাকবে না। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে সরকারি-বেসরকারি কিন্ডার গার্টেন, ইংলিশ মিডিয়াম সহ আরও নানা ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। যে সংবিধানের ওপর ভিত্তি করে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়, অথচ সংবিধানের অনেক দিক নির্দেশনা দৃশ্যমান নয়, উপেক্ষিত।

প্রকৃতপক্ষে সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিয়ে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় বিভাজন তৈরি করা হয়েছে অথচ সিংহভাগ প্রতিষ্ঠান বেসরকারি যা দেশের মূল শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে জড়িত। মাধ্যমিক পর্যায় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি এ সমস্ত সিংহভাগ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিবছর পাবলিক পরীক্ষায় লাখ লাখ শিক্ষার্থী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায় থেকে পাশ করছে। কিন্তু অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে ভালো কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারে না। এর কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে শিক্ষাবিদ গবেষকরা বর্তমান শিক্ষার গুণগত মানকে দায়ী করেছেন। শিক্ষার গুণগত মান ভালো না হওয়ার অন্যান্য কারণগুলোর মধ্যে নোট বই, প্রাইভেট, প্রশ্ন ফাঁস কোচিং বাণিজ্যকে দায়ী করেন।

 শিক্ষা গবেষণায় উঠে আসা কারণগুলো যে, অকারণ তা নয় বরং বহুলাংশে সঠিক। কারণ বর্তমান সরকার যে শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছেন তাতে নোট গাইড, কোচিং নিষিদ্ধ করা হয়েছে এ জন্য যে, তাতে শিক্ষার মান, শিক্ষার্থীর বোধগম্যতা, সৃজনশীলতা, মেধা বিকাশে বাধা, কেননা মুখস্থ বিদ্যা পরিহার করে শিক্ষার্থীর মেধার বিকাশ ঘটানোর জন্য সৃজনশীল পদ্ধতির শিক্ষা ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়। সনাতন পদ্ধতি পরিহার করে যখন নতুন এক ধরনের শিক্ষা পদ্ধতি প্রবর্তন করা হলো তখন দেশবাসী শিক্ষিত বিশিষ্টজনরা সাধুবাদ জানায়। কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যে এ পদ্ধতি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

শত ভাগ পাশ, নোট গাইড, প্রশ্ন ফাঁস, কোচিং বাণিজ্য, ভর্তি পরীক্ষায় ফল বিপর্যয় ইত্যাদি কারণে এ শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম দেয়। সম্প্রতি বিশিষ্ট জন, শিক্ষাবিদরা বর্তমান ৩০ নম্বর এর বহু নির্বাচনী প্রশ্ন বাতিলের ও পরামর্শ দেন। কারণ অনেক সময় পরীক্ষার হলে বাইরে থেকে এ ৩০ নম্বরের প্রশ্নের সঠিক উত্তর সাপ্লাই দেয়া হয় পরীক্ষার্থীর কাছে। একটি শিক্ষা ব্যবস্থায় যদি নানা ধরনের নেতিবাচক দিক থাকে তাহলে সে শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে কিভাবে ভালো কিছু আশা করা যায় ?

আমাদের শিক্ষার্থীরা মূল বই শ্রেণিমুখী না হয়ে নোট গাইড, প্রাইভেট, কোচিং নির্ভর। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে সৃজনশীলতা অর্জন, মেধার বিকাশ, প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকা। বর্তমান শিক্ষার্থীরা সেটা অর্জন করবে মূল বই ও শ্রেণি কক্ষে শিক্ষকদের আলোচনায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, মূখস্থ বিদ্যা নকলের চেয়েও ভয়াবহ। সে ভয়াবহ পথে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর হাঁটছে, কোচিং সেন্টারগুলোতে নোট মূখস্থের মাধ্যমে। উপরšু— নোট গাইড তো রয়েছে।

এভাবে একটি জাতি প্রকৃতপক্ষে কখনো মেধাসম্পন্ন হিসাবে গড়ে উঠতে পারে না। একই সাথে সরকারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ব্যহত হচ্ছে। আমরা অনেক আগে থেকে শুনে আসছি সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের বিশেষ মনোযোগের জন্য প্রাইভেট কোচিং নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে অর্থাৎ সরকারি বেতন-ভাতাদি পান এমন এমপিওভুক্ত শিক্ষক প্রাইভেট বা কোচিং করাতে পারবে না নিজ বিদ্যালয়ে বা অন্যত্র।

 কিন্তু কবে এ আইন হবে কবে বাস্তবায়ন হবে তা আমরা জানি না। তবে বাস্তবায়ন হলে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার গোড়া দৃঢ়ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হবে এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি গুণগত পরিবর্তন আসবে এবং একই সাথে শিক্ষার্থীরা বই ও শ্রেণিমুখী হবে বলে অভিজ্ঞ মহল এবং বিশিষ্টজনরা মনে করেন। কারণ শিক্ষাকে এক শ্রেণির অতি মুনাফালোভী শিক্ষক, কর্মকর্তা, নীতি নৈতিকতা বিবর্জিত সারা বছর প্রাইভেট, কোচিংয়ের লোভনীয় ফাঁদে ফেলেছে শিক্ষার্থীদের, যার কারণে শিক্ষা ব্যবস্থা বাণিজ্যকরণ হয়েছে।

প্রকৃতপক্ষে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় নানা অনিয়ম, দুর্নীতিতে বিপর্যস্ত। বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস, নকল, খাতা অবমূল্যায়ন, শ্রেণি কক্ষের পড়ালেখা, গাইড, শিট, টিউশনী, কোচিং সেন্টারে। প্রশ্ন প্রণয়নে ভুল, ইত্যাদি অপকর্মের সাথে জড়িত ছাত্রলীগের এক শ্রেণির নেতা। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাথমিক শিক্ষা স্তরেও চলছে এ অনিয়ম, দুর্নীতি। সরকার এখনও কোচিং সেন্টার, নোট গাইড বন্ধ করতে ও প্রশ্ন ফাঁস হোতাদের চিহ্নিত বা তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে না পারাটা কি এক ধরনের ব্যর্থতা নয় ?


দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও নন-এমপিওভুক্ত বেশ কয়েকজন শিক্ষক আমাকে মোবাইলে অনুরোধ জানিয়েছেন তাদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়ে লিখতে। নন-এমপিও শিক্ষকরা তাদের মানবিক বিপর্যয় নিয়ে লেখার অনুরোধ জানিয়েছেন। উপরোন্ত আমার লেখা অনিয়মিত হওয়ার কারণও জানতে চেয়েছেন। আমি তাদের এই বলে আশ্বস্ত করেছি সবার অনুরোধ যেমন- রক্ষা করা কঠিন তেমনি পত্রিকা কর্তৃপক্ষের ওপর লেখা ছাপানো নির্ভর করে।

যা হোক, আমি ব্যক্তিগতভাবে পেশায় একজন বেসরকারি শিক্ষক। প্রায় সারাদিন ব্যস্ত থাকতে হয়। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ে অবস্থান করতে হয়। তবুও এর ফাঁকে অনেক কষ্ট করেও গভীর রাতঅবধি লেখার খসড়া তৈরি করি। আমি যেহেতু বেসরকারি শিক্ষক তাই স্বাভাবিকভাবে শিক্ষকদের প্রতি আমার সহানুভূতি রয়েছে। আমিও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। কোনো কিছুর ভিত যদি দুর্বল হয় তাহলে তা টেকসই হয় না।

 হঠাৎ ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। বেসরকারি শিক্ষকদের যে আর্থিক সুযোগ-সুবিধা দেয়া হচ্ছে তা শক্ত মজবুত নয়। দুর্বল ভিত্তির ওপর সুউচ্চ ইমারত হয় না। আমরা যারা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত আর্থিক দিক থেকে আমাদের সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়নি পরিপূর্ণভাবে। এখনো বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত ও আর্থিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত বেসরকারি শিক্ষকরা। আমাদের শিক্ষা মন্ত্রী মহোদয় একজন সজ্জন ব্যক্তি এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু তিনি এখনো শিক্ষা ক্ষেত্রে নানা অনিয়ম, শিক্ষকদের দুর্ভোগ, শিক্ষার মান বাড়ানোর বড় ধরনের কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেননি। সময়ের পরিক্রমায় যুগের পরিবর্তনে নানা সময়ে বিভিন্নভাবে শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন ও সংস্কার বাধিত হয়। একটি আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা নানা ধরনের অনিয়ম রয়েছে। প্রশ্নফাঁস, কোচিং বাণিজ্য, পিইসি, জেএসসি, জেডিসি পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা, অতিরিক্ত সিলেবাসের বোঝা শিক্ষার্থীদের সইবার সক্ষমতা কতটুকু রয়েছে ?


শিক্ষাক্ষেত্রে নানা অনিয়ম, শিক্ষকদের শুধু আর্থিক সংকটই নয় সামাজিকভাবেও শিক্ষকদের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয় প্রতিনিয়ত। স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্য, রাজনৈতিক প্রভাবশালী নেতাদের দ্বারা শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার খবর আমরা বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেখি। উন্নত ও সভ্য রাষ্ট্রগুলোতে শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষকদের আর্থিক ও সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় অতি গুরুত্ব দেয়া হয়। একদিকে শিক্ষা ক্ষেত্রে বিভিন্ন অনিয়ম, বিশৃঙ্খলায় যোগ্যতা ও মেধা সম্পন্ন শিক্ষার্থী তৈরি হচ্ছে না অন্যদিকে শিক্ষকদের আর্থিক দৈন্যতা এ দুটো বিষয় দুর্বল ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। তাই দুর্বল ভিত্তির ওপর কোনো টেকসই ইমারত তৈরি করা যায় না। আমাদের সরকারের বিভিন্ন কর্তা ব্যক্তিরা প্রায় একটি কথা গর্বের সাথে উচ্চারণ করে আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তুলতে চান।


 শিক্ষকদের বেতন দ্বিগুণ করা হয়েছে, কথাটা ঠিক। কিন্তু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক ২০-২৫ বছর শিক্ষকতা পেশায় জড়িত এমন দক্ষ, অভিজ্ঞ, শিক্ষকের বেতন ১৬ হাজার স্কেলে কেন ? এ স্কেলে বেতন পায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণি পাশ একজন পিয়ন বা দপ্তরী। আর সরকারি হাসপাতালের একজন নার্সের বেতন ১৬ হাজারের চাইতেও অনেক বেশি। একজন শিক্ষক যদি একজন পিয়নের স্কেলে, একজন নার্সের স্কেলের চেয়ে কম বেতন পান তাহলে শিক্ষকের সামাজিক মর্যাদা কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৬ হাজার স্কেলের অন্তর্ভূক্ত যে সমস্ত শিক্ষক আছেন তাদের অপরাধ কি ? আমার বিবেচনায় তাদের অপরাধ দু’টি। তারা বি.এড প্রশিক্ষণের আগেই টাইম স্কেল নিয়েছেন অথবা বেসরকারি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এড প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। সরকারি অনুমোদিত বেসরকারি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এড সনদের যদি কোনো মূল্যায়ন না হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে অনুমোদন দেয়া হলো কেন ?

 আর প্রশিক্ষণের আগেই টাইমস্কেল নিলে কি মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে গেল যে, তাকে ১৬ হাজার স্কেলে পড়ে থাকতে হবে। সরকার বা শিক্ষামন্ত্রীর এ দ্বৈতনীতি ও বিভিন্ন অনিয়ম শিক্ষা ক্ষেত্রে নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছে। এখনো বেসরকারি শিক্ষকরা শতভাগ বোনাস পান না। বরাদ্দ নেই বৈশাখী ভাতা ও প্রবৃদ্ধি। অন্যদিকে ননএমপিও শিক্ষকদের অবস্থা তো আরও খারাপ। তারা যুগের পর যুগ বিনা বেতনে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন অথচ পারিশ্রমিক পাচ্ছেন না। একটি সভ্য সমাজের এ চিত্র হতে পারে না।

তাদের এমন অবস্থা যে, জীবন মরণ সমস্যা। তারা দীর্ঘ ১৫ থেকে ১৮ বছর চাকুরী করার পর অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, না পারছে চাকুরী ছাড়তে না পারছে অন্য কিছু করতে। এ দীর্ঘ সময়ে শিক্ষার্থীদের সাথে এ সমস্ত শিক্ষকদের একটি স্নেহের সম্পর্ক যোগসূত্র হলেও তারা বেতন ভাতাদি থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত। তাদের অসহায় অন্তর বার বার কেঁদে ওঠে। সরকার তাদের বার বার প্রতিশ্র“তি দিয়েও কোনো ফল হচ্ছে না। তাদের কান্না থামানো যায় না। কিন্তু প্রকৃত বাস্তবতা হচ্ছে তাদেরও জীবন, সংসার রয়েছে। অন্তত পক্ষে একবারে না হলেও পর্যায়ক্রমে তাদের বেতন ভাতাদির ব্যবস্থা করা সরকারের মানবিক দায়িত্ব বলে আমরা মনে করি।

সভ্য দেশগুলোতে শিক্ষাখাতে বড় ধরনের পুঁজি বিনিয়োগ করা হয়, একটি সুশিক্ষিত জনগোষ্ঠি তৈরিতে। কেননা সুশিক্ষিত জনগোষ্ঠি ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। আমাদের দেশেও শিক্ষাখাতে পুঁজি বিনিয়োগ করা হয়। কিন্তু এর সিংহভাগ অর্থের অপচয় হয় শিক্ষা ক্ষেত্রে বিভিন্ন অনিয়মের কারণে। আমরা প্রতিনিয়ত বড় বড় কথা বলি। আইন করে নোট, গাইড, এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করছি।

আমাদের রাষ্ট্রের কথা ও কাজের মধ্যে এক্ষেত্রে কোনো মিল নেই। কিন্তু রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কখনো বলতে শুনিনা দেশের সরকারি-বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন কাঠামো পুনঃবিন্যাস, বৈষম্য দূরিকরণ ও নন-এমপিও শিক্ষকদের সমমর্যাদা প্রতিষ্ঠা। প্রকৃতপক্ষে বেসরকারি সব শিক্ষকদের এক পর্যায়ে এনে এ পরিবেশ তৈরি করতে না পারলে শিক্ষার ভিত আরও দুর্বল হবে এবং এ দুর্বল ভিত্তির ওপর সুউচ্চ ইমারত তৈরি সম্ভব নয়।
লেখকঃ শিক্ষক ও কলামিস্ট
০১৭১৯-৫৩৬২৩১

এই বিভাগের আরো খবর



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top