বিকাল ৩:৪১, শুক্রবার, ২৪শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং
/ তথ্য ও প্রযুক্তি

মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে ইউসি ব্রাউজার জানিয়েছিল, প্লে স্টোর থেকে এই অ্যাপ প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডাউনলোডের বিশাল মাইলফলক অর্জন করেছে।

অবিশ্বাস্য ঘটনা হচ্ছে, প্লে স্টোরে জনপ্রিয় ইউসি ব্রাউজার এখন আর নেই। গুগল প্লে স্টোর থেকে হঠাৎ করে এই অ্যাপ উধাও হয়ে গেছে এবং কেউ জানে না কি কারণে। ইউসি ব্রাউজার সরিয়ে নেওয়ার কারণ সম্পর্কে ইউসি কিংবা গুগল- কেউই মুখ খোলেনি।

চীনের ইন্টারনেট জায়ান্ট আলিবাবার মালিকানাধীন ইউসি ওয়েবের জনপ্রিয় পণ্য হচ্ছে, ইউসি ব্রাউজার। চীনে গুগল ক্রোম ব্রাউজারের বিকল্প হিসেবে জনপ্রিয় এই ব্রাউজার। বিশ্বে চীনের পর ইউসি ব্রাউজার সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়ে থাকে ভারতে।

ভারতে সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড হওয়া ছয়টি অ্যাপের একটি ইচ্ছে, ইউসি ব্রাউজার। কিন্তু এই মোবাইল ব্রাউজারের বিরুদ্ধে অ্যাডাল্ট নিউজের লিংক প্রদর্শন এবং ব্যবহারকারীদের তথ্য চুরির অভিযোগ দীর্ঘ দিনের।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, ব্রাউজারের মাধ্যমে গ্রাহকদের তথ্য চুরির অভিযোগে অ্যাপটিকে প্লে স্টোর থেকে সরিয়ে ফেলেছে ভারত এবং তথ্য চুরির তদন্ত শুরু করছে দেশটির মিনিস্ট্রি অব ইলেক্ট্রনিকস অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ভারতে নিষিদ্ধ করা হতে পারে ইউসি ওয়েবের কার্যক্রম। মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেন, ইউসি ব্রাউজার অ্যাপটি ফোন থেকে মুছে ফেলার পরও তথ্য চুরির ঝুঁকি থাকে।

গত বছরে ইউসির তথ্যানুযায়ী, বিশ্বব্যাপী ইউসি ব্রাউজারের ব্যবহারকারী ৪২০ মিলিয়ন, যার মধ্যে ১০০ মিলিয়ন ভারতে। এ বছরের আগস্টে এক রেডডিড ব্যবহারকারী জানিয়েছিল, ইউসি ব্রাউজার ব্যবহারকারীদের স্পর্শকাতর তথ্যগুলো চুরি করে চীনের সার্ভারে প্রেরণ করে।

ব্রাউজারটি বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ ২০১৫ সালে প্রথম এনেছিল কানাডার একদল গবেষক। ইউনিভার্সিটি অব টরেন্টোর গবেষকরা জানিয়েছিলেন, ইউসি ব্রাউজারের চীনা এবং ইংরেজি সংস্করণটি তৃতীয় পক্ষের কাছে ব্যবহারকারীর লোকেশন, সার্চ হিস্টোরি, ডিভাইস নম্বর পাওয়া সহজলভ্য করে দেয়।

প্লে স্টোর থেকে এখন হঠাৎ উধাও হয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে, ইউসি ব্রাউজারে সঙ্গে কাজ করেন মাইক রোজ নামক একজন টুইটারে জানিয়েছেন, তিনি একটি মেইল পেয়েছেন, যেখানে বলা হয়েছে গুগল প্লে স্টোর থেকে ৩০ দিনের জন্য সাময়িক ভাবে ইউসি ব্রাউজার অ্যাপ সরিয়ে ফেলা হয়েছে বিতর্কিত কনেন্ট প্রদর্শন এবং তথ্য পাচারের অভিযোগে।

অ্যান্ড্রয়েড পুলিশের প্রতিষ্ঠাতা আর্টেম রুশাকোভেস্কি কিছুদিন আগে একটি ইমেইল পান, যেখানে বলা হয়েছিল ইউসি ওয়েব এর সহযোগীরা ইউসি ব্রাউজারের ডাউনলোড বৃদ্ধি করার জন্য প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন ব্যবহার করছে।

প্লে স্টোর থেকে ইউসি ব্রাউজার অ্যাপ সরিয়ে ফেলা হলেও, ইউসি ব্রাউজার মিনি অ্যাপটি রয়েছে।
 

আইফোনের ফেস আইডি হ্যাক!

বায়োমেট্রিক নিরাপত্তা ফিচার হিসেবে টাচ আইডির পরিবর্তে আইফোন ১০-এ ব্যবহার করা হয়েছে ফেস আইডি। তবে এই ফিচার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, সহজেই এটি বাইপাস করা সম্ভব। যদিও অ্যাপল এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে প্রতিবারই।

এবার তা প্রমাণ করে দেখিয়েছে ভিয়েতনামের সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ‘বিক্যাভ’। প্রতিষ্ঠানটি ১৫০ ডলারেরও কম মূল্যের থ্রিডি প্রিন্টেড মুখোশ ব্যবহার করে খুব সহজেই ফেস আইডি আনলক করে দেখিয়েছে।

পুরো ব্যাপারটি নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে বিক্যাভ। এতে দেখা গেছে, এই মুখোশে চোখের জায়গায় দুটো চোখের ছবি বসানো আছে। একইভাবে আছে নাক ও মুখের ছবি। মুখোশের মাধ্যমে আনলক করার পর প্রতিষ্ঠানটির ভাইস প্রেসিডেন্ট নিজের চেহার দিয়েও ফোনটি আনলক করেছেন।

ফেস আইডি হ্যাকিংয় বিষয়ে অ্যাপল জানিয়েছে, ফোনের সামনে মুখের ছবি ধরে ফেস আইডি আনলক করা সম্ভব নয়। কারণ আনলক করার সময় আইফোন ইনফ্রারেড রশ্মি ব্যবহার করে যা থ্রিডি ইমেজ স্ক্যান করার মাধ্যমে আনলকের কাজটি করে থাকে। থ্রিডি ইমেজ না হলে কোনোভাবেই ফোন আনলক করা সম্ভব নয়।

তবে ফেস আইডি হ্যাকিংয়ে বিক্যাভের পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ফোনটির ফেস আইডি যদি শুরুতেই ওই মুখোশ ব্যবহার করে নিবন্ধন করা হয়ে থাকে, তাহলে মুখোশ দিয়ে আনলক করা যাবে, এমনটাই স্বাভাবিক। তবে এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি বিক্যাভ।

অন্যদিকে ভিডিওতে প্রথমবারেই মুখোশের মাধ্যমে ফেস আইডি আনলক করার বিষয়টি দেখানো হলেও একবার নাকি একাধিকবার চেষ্টা করে বাইপাস করা সম্ভব হয়েছে কিনা, তাও জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি।

তবে এসব প্রশ্ন থাকলেও পুরো ব্যাপারটি নিয়ে চিন্তায় পড়েছে সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, কোন না কোনোভাবে ফেস আইডি হ্যাক করার আরও উন্নত প্রযুক্তি ঠিকই বের করে নেবে সাইবার অপরাধীরা।

বিক্যাভের মতে, সাধারণ ব্যবহারকারীরা নয়, এক্ষেত্রে প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারেন বড় ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ কিংবা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।

স্মার্টফোন পানিতে পড়লে কী করবেন

অনেক সময় অসতর্কতাবশত প্রিয় স্মার্টফোনটি পানিতে পড়ে গেল। ভীষণ দুশ্চিন্তায় পড়ে গেলেন। কী করবেন তাৎক্ষণাৎ বুঝে উঠতে পারলেন না। চিন্তা না করে দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নিতে পারলে ক্ষতি হওয়া থেকে বাঁচাতে পারবেন। এ জন্য আপনাকে দশটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে।

 

১. দ্রুত ফোনটি পানি থেকে তুলে এনে সুইচ অফ করুন। স্মার্টফোনের সঙ্গে ইউএসবি কেবল, চার্জার, মাইক্রোফোন সংযুক্ত করার ছোট পোর্টগুলোর ভেতর দিয়ে পানি ঢুকে নিমিষেই ফোনের ক্ষতি হতে পারে। তাই দ্রুত ফোনটিকে পানি থেকে বের করুন। এরপর শর্ট সার্কিট এড়ানোর জন্যে ফোন সুইচ অফ করে দিন।


২. পানি থেকে ফোনটি তুলে এনে ব্যাটারি কাভার এবং ব্যাটারি খুলুন এবং পেপার টাওয়েল বা নরম কাপড়ের ওপর রাখুন। 


৩. সিম কার্ড খুলে রাখুন। যদিও পানিতে সিম কার্ডের তেমন কোনো ক্ষতি হয় না, তবু এটি খুলে ফেলাই ভালো। খোলার পর হালকাভাবে মুছে নিন। পুনরায় ফোনে লাগানোর শুকিয়ে নিন।


৪. ফোনের অন্যান্য আনুষঙ্গিক (যেমন- মেমোরি কার্ড, ইয়ার বাড, ফোন কেইস, প্রোটেকটিভ কাভার) অপসারণ করুন।


৫. ফোনের ভেতরের ভেজা অংশগুলো বরাবর বিশ মিনিট করে ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ধরে রেখে অবশিষ্ট পানিটুকু শুকিয়ে নিতে হবে। খেয়াল রাখবেন ভ্যাকুয়াম ক্লিনার যেন ফোনের খুব কাছ থেকে না ধরা হয়। কারণ এটি স্থির তড়িৎ উৎপন্ন করে, যা ফোনের জন্য পানির চেয়েও বেশি ক্ষতিকর।


৬. ফোন শুকানোর কাজে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করবেন না।


৭. আর্দ্রতা শুষে নেয়, এমন কোনো পদার্থ ব্যবহার করুন। এক্ষেত্রে চালভর্তি থলে বা গামলার মধ্যে সারারাত ফোনটিকে রেখে দিতে পারেন। প্রতি ঘণ্টায় ফোনটিকে উল্টে পাল্টে দিতে হবে। কিছু বিশেষ আর্দ্রতা শোষণকারী পদার্থ (ডেসিক্যান্ট) আছে, যা চালের চেয়ে ভালোভাবে আর্দ্রতা শোষণ করতে পারে, যেমন- সিলিকা জেল।


৮. ফোনটিকে রোদযুক্ত জায়গায় তোয়ালে, ন্যাপকিন বা কাগজের ওপর রাখুন। এতে ফোনের সব পানি এবং আর্দ্রতা দূর হবে।


৯. চব্বিশ ঘণ্টা পার হওয়ার পর ফোনের প্রতিটি পোর্ট, কম্পার্টমেন্ট এবং সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম সব ফাঁকফোকরে পরীক্ষা করে দেখুন কোনো পানি বা ময়লা লেগে আছে কিনা।

১০. ফোন সম্পূর্ণ শুকিয়ে যাওয়ার পরও যদি কাজ না করে, তবে ব্যাটারি খুলে রাখা অবস্থায় ফোনটিকে চার্জারের সঙ্গে সংযুক্ত করুন।

এরপরও যদি আপনার ফোন কাজ না করে তাহলে বুঝতে হবে আপনা মন্দ ভাগ্য। দেরি না করে নিকটস্থ অনুমোদিত বিক্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে।

২৮০ শব্দে টুইট!

পরীক্ষামূলক পর্ব শেষ হলো। এখন সবাই ১৪০ শব্দের পরিবর্তে ২৮০ শব্দে টুইট করতে পারবেন। টুইটার তার ব্লগ পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছে। তবে জাপান, কোরিয়া ও চীনের ব্যবহারকারীরা ২৮০ শব্দে টুইট করতে পারবেন না। তাদের জন্য ১৪০ শব্দই বরাদ্দ থাকছে।
এর আগে টুইটার এক ব্লগ পোস্টে জানায়, অনেক ব্যবহারকারীর অভিযোগ ছিল ১৪০ শব্দের সীমাবদ্ধতা। তাদের সেই অভিযোগ বিবেচনা করে নতুন শব্দ সংখ্যা নির্ধারণ করা হলো। এতে গ্রাহকরা সাইটটি ব্যবহারে আগের চেয়ে বেশি আগ্রহী হবেন।
অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহারকারী সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়লেও টুইটারের চিত্র ভিন্ন। এর গ্রাহক বৃদ্ধির হার খুবই কম। ফলে নতুনদের আকৃষ্ট করতে নিজেদের কৌশল কিছুটা পরিবর্তন করলো তারা।

উন্মুক্ত হলো আইফোন ১০

দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষে অ্যাপলের নতুন ডিভাইস আইফোন ১০ বিশ্বব্যাপী উন্মুক্ত হয়েছে আজ। প্রথম দিনেই বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে নতুন এই ফোন সেটের প্রতি ক্রেতাদের ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়।

প্রথমেই এ ফোন উন্মুক্ত হয় সিঙ্গাপুরে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩ নভেম্বর) সকাল ৮টায় সিঙ্গাপুরের অ্যাপল স্টোরে নতুন এ ফোনের বিক্রি শুরু হয়। তবে তার আগেই বৃহস্পতিবার রাত থেকে দোকানের সামনে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন জমে যায়।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বব্যাপী আইফোন ৮ ও আইফোন ৮ প্লাস উন্মুক্ত করে অ্যাপল। আজ আইফোন ১০ কিনতে ক্রেতাদের ভিড় ছিল আইফোন ৮ ও আইফোন ৮ প্লাসের উদ্বোধনী দিনের চেয়েও বেশি।

আইফোন ১০ কিনতে নির্ধারিত সময়ের আগেই বৃহস্পতিবার রাত থেকে অ্যাপল স্টোরের বাইরে ভক্তদের ভিড়ের কারণে অ্যাপল দল সময় গণনা শুরু করে। ক্রেতারাও তাতে ব্যাপক সাড়া দেন।

সিঙ্গাপুরে অ্যাপল স্টোরের বাইরে দুটি লাইন করা হয়। যারা আগে থেকেই ফোনের অর্ডার দিয়েছিলেন, তারা একটি লাইনে এবং অন্যটিতে তাৎক্ষণিক ক্রেতারা দাঁড়ান।

আইফোন ১০ প্রথমে কেনার সুযোগ পান থাইল্যান্ডের দুই শিক্ষার্থী কিত্তীওয়াত ওয়াং ও সুপাকণ রিক্সিশিরি। গত ২৭ অক্টোবর তারা নতুন এ ফোনের জন্য অগ্রিম অর্ডার দিয়েছিলেন।

ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ আর স্বপ্ন নয় : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, ২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারণা যোগ করেন। যা আজ আর স্বপ্ন নয়, বাস্তবে রূপ নিয়েছে। দেশে আইসিটি খাতে অভাবনীয় উন্নতি হয়েছে। ফলে জ্ঞান আহরণ এখন অনেকটা সহজ হয়েছে।

বুধবার (১ নভেম্বর) ঢাকায় শুরু হওয়া জাতিসংঘের ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশন ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (এসকাপ) এর এশিয়া প্যাসিফিক ইনফরমেশন সুপার হাইওয়ে (এপিআইএস) এর স্টিয়ারিং কমিটির প্রথম অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে দুই দিনব্যাপী এই অধিবেশনের উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী

 

মুহিত বলেন, এশিয়া প্যাসিফিক ইনফরমেশন সুপার হাইওয়ের (এপিআইএস) স্টিয়ারিং কমিটির প্রথম অধিবেশন আজ (বুধবার) ঢাকা থেকে শুরু হলো। আশা করি, এ অধিবেশনের মাধ্যমে এশিয়ান সুপার হাইওয়ের কানেক্টিভিটি বাড়াতে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা পাওয়া যাবে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে কানেক্টিভিটি যত বাড়বে এ অঞ্চলের দারিদ্রের হারও তত কমবে।

সভাপতির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আজ আমি সত্যিই আনন্দিত। আমি সৌভাগ্যবানদের একজনও বটে। ভাবতেই ভালো লাগছে যে, আমি এশিয়ান হাইওয়ে ও ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে আইসিটি ব্যাকবোনকে সম্পৃক্ত করার প্রস্তাব করেছিলাম। এসকাপ কমিটি অন আইসিটি আমার সে প্রস্তাব গ্রহণ করার মাধ্যমে এশিয়া প্যাসিফিক ইনফরমেশন সুপারহাইওয়ে (এপিআইএস) উদ্যোগ গ্রহণ করে এবং বাংলাদেশকে এই এপিআইএস-এর ওয়ার্কিং গ্রুপের সভাপতি নির্বাচিত করে।

অতিথির বক্তব্যে ইউএনএসকাপ-এর প্রোগ্রাম ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিং এর ডেপুটি এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি হং জো হাম বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন বিশ্বের কাছে অনুকরণীয়। ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারণা অনেক দেশই গ্রহণ করছে। ফলে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছে রাইজিং স্টারে পরিণত হয়েছে।

এপিআইএস ওয়ার্কিং গ্রুপের সভাপতি ও আইসিটি অধিদফতরের মহাপরিচালক বনমালী ভৌমিক স্বাগত বক্তব্যে বলেন, এপিআইএস-এর মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে তা মাথাপিছু ব্যান্ডউইথ ব্যবহারকারী স্বল্পোন্নত দেশের জন্য অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে মাথাপিছু ব্যান্ডউইথ ব্যবহারের হার বৃদ্ধি পাবে এবং তা জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

অধিবেশনে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে রোড ট্রান্সপোর্ট ডিভিশনের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মোফাজ্জল হোসাইন, এপিআইএস ওয়ার্কিং গ্রুপের সভাপতি ও আইসিটি অধিদফতরের মহাপরিচালক বনমালী, ইউএনএসকাপ এ বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাইদা মুনা তাসনিমসহ দেশ-বিদেশি প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এপিআইএস এর মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে স্টিয়ারিং কমিটির এই অধিবেশনে জাতিসংঘের এসকাপভুক্ত ৫৬ দেশের প্রতিনিধিসহ দেশি-বিদেশি শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছে। অধিবেশনে এপিআইএস-এর মহাপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত কানেক্টিভিটি, ইন্টারনেট ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট, ই-রেসিলিয়েন্স এবং ব্রডব্যান্ড ফর অল -এ চারটি স্তম্ভ এবং মধ্যবর্তী মেয়াদে (২০১৬-১৮) বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হবে।

২০১৬ সালে আগস্টে চীনের গুয়াংজুতে এপিআইএস ওয়ার্কিং গ্রুপের দ্বিতীয় সভায় বাংলাদেশকে এক বছরের জন্য ওয়ার্কিং গ্রুপের সভাপতি হিসেবে নির্বাচন করা হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদফতরের মহাপরিচালক বনমালী ভৌমিক এপিআইএস ওয়ার্কিং গ্রুপের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

গুগলের দুটি পুরস্কার পেল বাংলাদেশ

গুগল লোকাল গাইড সামিটে দুটি পুরস্কার অর্জন করেছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যার্লিফোনিয়ায় গত ১০-১২ অক্টোবর গুগল লোকাল গাইড সামিট অনুষ্ঠিত হয়। এবারের সামিটে ৬২টি দেশের মধ্যে ১৬টি পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ একমাত্র দেশ যারা একসঙ্গে দুটি পুরস্কার পেয়েছে।

সামিটের শেষ দিন ১২ অক্টোবর রাতে পুরস্কার ঘোষণা করা। বাংলাদেশের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন বাংলাদেশ লোকাল গাইডের মডারেটর মাহাবুব হাসান এবং বেস্ট স্যুভিনিয়র অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন সোনিয়া বিনতে খোরশেদ।

মাহাবুব হাসান জাগো নিউজকে বলেন, পুরস্কারপ্রাপ্তির অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমরা যেহেতু গুগল ম্যাপে দেশের পর্যটনকে বেশি ফোকাস করি তাই এ পুরস্কারপ্রাপ্তির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে আশা করছি। পুরস্কার ঘোষণার মঞ্চে যখন দুইবার বাংলাদেশের নাম ঘোষণা করা হয় তখন সবাই উন্মুখ হয়ে তাকিয়ে ছিল আমাদের দিকে।

মাহাবুব হাসান আরো বলেন, সামিটে একটা পর্ব ছিল বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণকারীদের নিজ দেশের ঐতিহ্যবাহী কোনো খাবার বা পণ্য বিনিময় করা। আমরা নকশি পিঠা সবাইকে দিয়েছিলাম। এটি হাতে তৈরি পিঠা শুনে সবাই অবাক হয়েছিলেন এবং ব্যাপক প্রশংসা করেন।

তিন দিনব্যাপী এ সামিটে ছিল সামাজিক ও তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সেমিনার এবং গুগল ম্যাপভিত্তিক সমাজ সেবা বাড়ানোর কৌশল নিয়ে আলোচনা। এবারের সামিটের আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল আক্সেসেবিলিটিস, ফিজিক্যাল ডিজেবিলিটিস, ইমেজ প্রসেসিং, আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্ট ও ইউজার জেনারেটেড কন্টেন্ট।

সামিটে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন গুগল ম্যাপের ভাইস প্রেসিডেন্ট লুইস আন্দ্রে বেরোস। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন গুগলের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। সামিটে গুগলের কিছু প্রজেক্ট দেখানো হয় যা আগামী বছর সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

উল্লেখ্য, লোকাল গাইড হচ্ছে গুগলের ম্যাপভিত্তিক এক পরিসেবা। যার মাধ্যমে আপনি ম্যাপের বিভিন্ন স্থানের বিবরণ ও অন্যান্য সুবিধাগুলো তুলে ধরতে পারবেন। যেমন, কোন রেস্টুরেন্টের খাবারের মান কেমন, ওই রেস্টুরেন্টে হুইল চেয়ার প্রবেশ করতে পারে কি না, হুইল চেয়ার ব্যবহার উপযোগী টেবিল আছে কি না ইত্যাদি। এ ছাড়া এই ফোরামের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশের ঐতিহ্য ও প্রযুক্তি সম্পর্কিত সমস্যাগুলো সবার সামনে তুলে ধরা যায়। পরে গুগল সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করে থাকে।

আমাদের দেশে ২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশ লোকাল গাইড কাজ করে যাচ্ছে।

একবারেই তিন গন্তব্যে যাওয়া যাবে উবারে

এতদিন উবার অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে একবারে শুধু একটি গন্তব্যে যাওয়ার জন্য গাড়ি ভাড়া করার সুযোগ থাকলেও এখন সর্বোচ্চ তিনটি গন্তব্যে যাওয়া যাবে। এ জন্য মাল্টিপল স্টপ ফিচার নামে একটি নতুন পরিষেবা চালু করেছে উবার।

এই ফিচারের মাধ্যমে নিজের পাশাপাশি পরিচিতদেরও নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দিতে পারবেন উবার ব্যবহারকারীরা।

জানা গেছে নতুন এই ফিচারের মাধ্যমে গাড়ি ভাড়া করার সময় আগে থেকেই সর্বোচ্চ তিনটি গন্তব্যের স্থান নির্বাচন করা যাবে। ফলে কোনো ব্যক্তি নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাবার পথে চাইলে পরিচিতদেরও নির্দিষ্ট স্থানে নামাতে বা ওঠাতে পারবেন।

এ জন্য উবার অ্যাপের ‘হয়ার টু’ বক্সের পাশে যুক্ত হওয়া ‘+’ আইকনে ক্লিক করে একাধিক গন্তব্যের স্থান লিখতে হবে। এই ফিচার দিয়ে বর্তমানের মতই উবার গাড়িচালকরা সে তথ্য জানতে পারবেন। চাইলে গন্তব্যের ঠিকানাও পরিবর্তন করা যাবে।

এপিআইএস অধিবেশন ১ নভেম্বর

ইন্টারনেট ট্র্যাফিক ম্যানেজমেন্ট, কানেকটিভিটি, ই-রেসিলেন্স ও ব্রডব্যান্ড নিয়ে আলোচনার জন্যে এপিআইএস অধিবেশন শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার। এপিআইএস হচ্ছে এশিয়া ও প্যাসিফিক সংক্রান্ত জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ফোরামের এশিয়া প্যাসিফিক ইনফরমেশন সুপারহাইওয়ে। এপিআইএসর দুইদিনব্যাপী অধিবেশন ১ নভেম্বর রাজধানীতে শুরু হবে।

একটি মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। স্টিয়ারিং কমিটির এ সভায় ১০০টি দেশের প্রতিনিধিরা যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

২০১৬ সালের ২৯ ও ৩০ আগস্ট চিনের গুয়াংজুতে অনুষ্ঠিত এপিআইএস-এর ওয়ার্কিং গ্রুপের দ্বিতীয় বৈঠকে বাংলাদেশ জাতিসংঘের এসকাপের এপিআইএস-এর সভাপতি নির্বাচিত হয়।

সভায় কানেকটিভিটি, ইন্টারনেট ট্র্যাফিক ম্যানেজমেন্ট, ই-রেসিলেন্স ও ব্রডব্যান্ড এ চার প্রধান বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে।

এ বিষযে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমদ পলক জানান, বাংলাদেশ এশিয়া প্যাসিফিক ইনফরমেশন সুপারহাইওয়ে (এপিআইএস)- এর ওয়ার্কিং গ্রুপের সভাপতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে নির্বিঘ্ন যোগাযোগ নেটওয়ার্ক নিশ্চিত করতে এপিআইএস বাস্তবায়নেওয়ার্কিং গ্রুপ মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। এপিআইএস-এর প্রথম অধিবেশন আমাদেরকে এপিআইএস মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কার্যকর পন্থার দিকে চালিত করবে।

ফ্রিল্যান্সার গ্র্যান্ড প্রাইজ জিতল বাংলাদেশ

অনলাইনে তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক কাজের ওয়েবসাইট ফ্রিল্যান্সার ডটকম কর্তৃক আয়োজিত লোগো এক্সপোজ প্রতিযোগিতায় গ্র্যান্ড প্রাইজ বিজয়ী হয়েছে বাংলাদেশি ‘টিম সানারাসা’। বিভিন্ন দেশ থেকে অংশ নেয়া ২৫৩টি দলকে পেছনে ফেলে এ প্রতিযোগিতায় জিতল বাংলাদেশি তরুণ-তরুণীরা। প্রাইজ হিসেবে তারা ১০ হাজার ডলার পুরস্কার জিতেছে।

২৭ অক্টোবর শুক্রবার সকাল ১১টায়, জাতীয় জাদুঘর সিনেপ্লেক্সে ইয়ুথ ইন টেক বাংলাদেশ ও মিডিয়া মিক্স কমিউনিকেশনসের পক্ষ থেকে তাদের এই সফলতার জন্য সংবর্ধনা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইয়ুথ ইন টেক বাংলাদেশের আহবায়ক আনিসুল ইসলাম সুমন, মিডিয়া মিক্স কমিউনিকেশনসের সিইও আবদুল্লাহ হাসান।

‘টিম সানারাসা’র চার সদস্য- সাকিব, নাসিমা, রাকিব ও সাগর। এদের প্রত্যেকের নামের অদ্যাক্ষর দিয়ে তৈরি দলের নাম ‘টিম সানারাসা’। এই চারজন স্বপ্নচারী ফ্রিল্যান্সার প্রত্যেকেই গ্রাফিক্স ডিজাইনার। তারা সবাই পড়াশুনার পাশাপাশি মুক্ত পেশাজীবী হিসেবে অনলাইনে কাজের মাধ্যমে আয় করছে। টিম লিডার সাকিব জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র। নাসিমা পড়াশুনা করছে বেগম বদরুন্নিসায় বোটানি বিভাগে। রাকিব ও সাগর নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজে যথাক্রমে ইংরেজি ও মার্কেটিং বিভাগে অধ্যায়নরত। টিম লিডার সাকিব গ্রাফিক্স ডিজাইনের ওপর প্রশিক্ষণ নেয় বাংলাদেশ সরকারের নেয়া লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রজেক্ট থেকে। তারপর টিমের বাকি সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেয়। তারা প্রত্যেকেই এখন সফল ফ্রিল্যান্সার।

ফ্রিল্যান্সার ডটকম আউটসোর্সিংয়ের একটি বড় মার্কেটপ্লেস। ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হও্য়া অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক এই মার্কেটপ্লেসটি ২০১৭ সালে ২৫ মিলিয়ন ইউজারের মাইলফলক স্পর্শ করে। আর সে জন্য তারা একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। প্রতিযোগিতায় পুরস্কার দেয়া হয় দশটি ক্যাটাগরিতে মোট ২৫ হাজার ইউএস ডলার। সব দিক বিবেচনা করে গ্র্যান্ড প্রাইজ নির্ধারণ করা হয়। যার মূল্যমান ১০ হাজার ইউএস ডলার। বাকি ১৫ হাজার ডলার মোট নয়টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে দেয়া হয়।

এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে টিম সানারাসা মাসব্যাপী প্রোগ্রাম পরিচালনা করে ঢাকা, কক্সবাজার, ফেনী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। তাদের নেয়া পদক্ষেপগুলোর উদ্দেশ্য ছিল, তরুণদের আউটসোর্সিংয়ের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা ও ফ্রিল্যান্সার ডটকমকে সবার মাঝে পরিচিত করিয়ে দেয়া। তারা মাসব্যাপী বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও ইউনিভার্সিটিতে সেমিনারের আয়োজন করে এবং দর্শনীয় স্থানে লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে জনসাধারণের মাঝে আউটসোর্সিংয়ের ধারণা ছড়িয়ে দেয়। এছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফ্রিল্যান্সার ডটকমের বিশালাকৃতির পাজেল লোগো এক্সপোজ এবং সাইকেল র‌্যালির আয়োজন করে তারা। টিম সানারাসার উদ্দেশ্যে- দেশে বেকার সমস্যা দূরীকরণের জন্য আউটসোর্সিংয়ের ধারণা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়বনে সরকারকে সহায়তা করা।

উল্লেখ্য, ‘এক্সপোজ আওয়ার লোগো’ শীর্ষক এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে ‘ডিজাইনার বি টিম’। তারা ফ্লাসমুব ক্যাটাগরিতে ৩ হাজার ডলার পুরস্কার জিতেছে। এছাড়া অ্যাডভার্টাইজার ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছে কলম্বিয়া থেকে অংশ নেওয়া ইয়ামিরা এন, ‘সারপ্রাইজ মি’ ক্যাটাগরিতে ফিলিপাইনের ‘বেবি যে এল’, ট্রাভেলার ক্যাটাগরিতে ইন্দোনেশিয়ার ‘সুইওয়াগা পি’, সুপারস্টার ক্যাটাগরিতে ইন্দোনেশিয়া ‘ইকো পি’, পার্টি সোল ক্যাটাগরিতে ফিলিপাইনের ‘রেইন এফ’, ভ্লগার ক্যাটাগরিতে নেপালের ‘টিম ইয়ালা’। এছাড়া আরো দুইটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং আলবেনিয়ার দুইটি দল।

ফোরজি আসতে যত বাধা

চতুর্থ প্রজন্মের নেটওয়ার্ক তথা ফোরজি’র আগমন পদে পদে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। মোবাইলফোন অপারেটররা তাদের দাবির কথা জানিয়ে বলছে, ফোরজি নিলামের আগেই বিদ্যমান সমস্যার সমাধান হওয়া জরুরি। এদিকে সরকার বলছে, অপারেটরগুলোর উত্থাপিত ২৪টি দাবির মধ্যে ২২টিই সমাধান হয়ে গেছে। যে দুটো অবশিষ্ট রয়েছে, তারও সমাধান শিগগিরই হয়ে যাবে। যৌক্তিক সময়ের মধ্যে উদ্ভূত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে অপারেটররাও আশাবাদী।

 

প্রসঙ্গত, গত বছরের শুরুর দিকে জানা যায়, দেশে ফোরজি আসছে। কিন্তু ওই বছর তরঙ্গের নিলাম আয়োজনও করা সম্ভব হয়নি। একই বছরের অক্টোবর মাসে অনুষ্ঠিত ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেন, ২০১৭ সালে সারাদেশে ফোরজি চালু হবে। প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, ২০১৭ সালে দেশে ফোরজি চালুর পদক্ষেপ হিসেবে স্পেক্ট্রামের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে এবং বর্তমান সরকারের মেয়াদের মধ্যেই এই সেবা চালু করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, থ্রিজি সেবা চালু করে মোবাইল অপারেটরগুলোর একটা অভিজ্ঞতা হয়েছে। বিশাল অংকের অর্থ বিনিয়োগ করে সেই অর্থ এখনও বিনিয়োগেই এক প্রকার আটকে আছে। আবারও প্রায় একই ধরনের ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে বলে তাদের আশঙ্কা, বিদ্যমান ইস্যুগুলোর সমাধান না করে আগের পথে হাটলে একই ধরনের জটিলতায় পড়তে পারে টেলিযোগাযোগ খাত।

উল্লেখ্য, থ্রিজিতে মোবাইলফোন অপারেটরগুলোর বিনিয়োগের পরিমাণ ৩২ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এখনও পর্যন্ত মাত্র ছয় হাজার কোটি টাকা ফেরত পেয়েছে বলে অপারেটরগুলোর দাবি।

জানা গেছে, মোবাইল অপারেটররা, ১২ বছর ভয়েস কলের রেকর্ড সংরক্ষণ, সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল খরচ করার আগে অনুমতি নেওয়া, উচ্চ তরঙ্গমূল্য, প্রযুক্তি নিরপেক্ষতা,কনটেন্ট ফিল্টারিং, লোকেশন পিন পয়েন্ট ইত্যাদি বিষয়ে তাদের আপত্তির কথা জানিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগকে। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি অপারেটরগুলোকে ব্যাখ্যা দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা তাদের (মোবাইলফোন অপারেটর) কনসার্ন (আপত্তির বিষয়গুলো) নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছি। এখনও সেই ধারাটা অব্যাহত আছে। বিটিআরসি তাদের বিষয়গুলো ‘এক্সপ্লেইন’ করেছে। সেটা নিয়েও আমরা অপারেটরগুলোর সঙ্গে বসবো। আমরা তাদের প্রতিটি কনসার্নের জায়গায় ‘অ্যাড্রেস’ করেছি। যেগুলো তাদের বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে বলে তারা মনে করছেন, সেগুলোর ব্যাখ্যা আমাদের কাছে এসেছে। আমরা তাদের নিয়ে বসবো।’

তিনি জানান, তারা (মোবাইলফোন অপারেটররা)যে কনসার্নগুলো আমাদের জানিয়েছেন, তার বেশিরভাগই সমাধান হয়ে গেছে। যে দুই-একটা বাকি রয়েছে সেসবও সমাধান হয়ে যাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অপারেটরগুলো ২৪টি ‘কনসার্ন’ দিয়েছিল ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগকে। এর মধ্যে ২২টিরই সমাধান হয়েছে গেছে বলে বিভাগ থেকে দাবি করা হয়েছে।  

মোবাইলফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের এক পদস্থ কর্মকর্তা নিজেকে উদ্ধৃত না করে  বলেন, ‘সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিলসহ (এসওএফ) যে বিষয়গুলো এখনও সমাধান হয়নি তা নিলামের আগেই হওয়া জরুরি।’ তিনি এসওএফ -এর অর্থ খরচ করার বিষয়ে অনুমতি নেওয়ার বিষয়ে বলেন,‘এটা জটিলতা তৈরি করবে এবং জটিলতা বাড়াবে। এটারও সমাধান হওয়া জরুরি।’

বাংলালিংকের জ্যেষ্ঠ পরিচালক তাইমুর রহমান বলেন, ‘আমরা আশাবাদী, যে দুই-একটি সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সমাধান হয়ে যাবে।’ তার আশা, তরঙ্গমূল্য (স্পেক্ট্রাম) আরও কমবে। তিনি সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল সম্পর্কে বলেন, ‘আমরা সব সময়ই জানিয়ে থাকি, কোথায় আমরা এই টাকা খরচ করছি। কিন্তু অনুমতি নিয়ে খরচ করার বিষয়টিতে জটিলতা দেখতে পাচ্ছে অন্য অপারেটররাও। এটার একটা যৌক্তিক সমাধান হবে বলে আমরা আশাবাদী।’

অ্যাকসেঞ্চারের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দাবি

বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান অ্যাকসেঞ্চার বাংলাদেশের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছে 
অ্যাকসেঞ্চার ইমপ্লয়িজ।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাহিন আহমেদ বলেন, অ্যাকসেঞ্চার কমিউনিকেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার সলিউশন্স লিমিটেডে (এসিআইএসএল) গত ১৭ জুলাই বাংলাদেশস্থ সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একসাথে চাকরিচ্যুতির নোটিশ দিয়ে বাংলাদেশ থেকে তাদের সকল কার্যক্রম ৩০ নভেম্বরের মধ্যে গুটিয়ে নেয়ার ঘোষণা দেয়। ক্ষতিগ্রস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ও পাওনাদি আদায়ের ব্যাপারে অ্যাকসেঞ্চার ইমপ্লয়িজ ইউনিয়ন সিবিএ ম্যানেজম্যান্টের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক আলোচনা শুরু করে। কিন্তু ম্যানেজমেন্টের অনিচ্ছায় আলোচনা থমকে যায়।

তিনি বলেন, অ্যাকসেঞ্চার ও গ্রামীণফোন ক্ষতিগ্রস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে যথাসামান্য অর্থ প্রদান করে তাদের দায় থেকে মুক্তি নিতে চায়। এই উদ্দেশ্যে তারা কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে মাত্র ৩০ মাসের বেসিক বেতন দিতে চায়, যা সর্বসাকুল্যে ১ বছরের মূল বেতনের সমান নয়।

তিনি আরও বলেন, অ্যাকসেঞ্চার ইমপ্লয়িজ ইউনিয়ন সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য অন্তত ৬০ মাসের বেসিক বেতন প্রদানের আহ্বান জানায় এবং সর্বশেষ দাবি উত্থাপন করে, যা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অার্থিক ও সামাজিক অবস্থান রক্ষায় যৎসামান্যই ভূমিকা রাখবে। অ্যাকসেঞ্চার বাংলাদেশ আগামী ৩০ নভেম্বর বাংলাদেশ থেকে তাদের সকল কার্যক্রম গুটিয়ে নেবে। ফলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য পাওনা ও ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তিতে আরও উদ্বেগ বেড়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনি গ্লোবাল ইউনিয়ন বাংলাদেশ লিয়াজো কাউন্সিলের সভাপতি আমজাদ আলী খান সহ অন্যান্যরা।

ইন্টারনেটে ধীর গতি থাকবে তিন দিন

দেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল ‘সি-মি-উই-৪’ সোমবার রাত ১২টা ১৯ মিনিটে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ২৪-২৬ অক্টোবর এই তিন দিন ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হবে।

ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবি-এর সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক মঙ্গলবার বাংলা ট্রিবিউনকে একথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে ইন্টারনেটে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। তবে কিছু আইআইজি (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) ভালো করায় এখনও পুরোপুরি সমস্যা হয়নি। তবে এরই মধ্যে আমাদের কাছে গ্রাহকদের অভিযোগ আসতে শুরু করেছে। বিভিন্ন জায়গায় ইন্টারনেটে গতি খুব কম পাওয়া যাচ্ছে বলে তারা জানিয়েছে।’

প্রসঙ্গত, সি-মি-উই-৪ সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে এখন বাংলাদেশ পাচ্ছে ৩০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ। এরমধ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে ২৫০ জিবিপিএস, যা সরবরাহ করছে বিএসসিসিএল। তবে দেশে মোট ব্যান্ডউইথ ব্যবহারের পরিমাণ ৪৪০ জিবিপিএস।

জানা গেছে, দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের (সি-মি-ইউ-৫)  সক্ষমতা ১০০ জিবিপিএস। এতে করে প্রায় ১৫০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ ঘাটতিতে পড়বে দেশ। এই প্রয়োজন আইটিসির ব্যান্ডউইথ দিয়েও মেটানো সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন ইন্টারনেট ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

নতুন প্রযুক্তিতে বাড়বে বাড়ির ইন্টারনেটের স্পিড

ব্রডব্যান্ড কানেকশনে আমরা অনেকেই বাড়িতে ইন্টারনেট ব্যবহার করি। তবে, বহু ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ইন্টারনেট কানেকশন আমরা ব্যবহার করি তার স্পিড খুব কম। এমন ইন্টারনেট গতিকেই এবার বাড়ানো যেতে পারে নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে।

সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের গবেষকরা নতুন এক প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছেন। যার মাধ্যমে অনায়াসেই বাড়ানো যাবে ইন্টারনেটের গতি। ব্রিটেনে কম খরচে ব্রডব্যান্ড কানেকশন ব্যবহৃত হয়। নতুন রিসিভার প্রযুক্তির মাধ্যমে সেই ব্রডব্যান্ড কানেকশনের স্পিড 36Mbps থেকে অনায়াসেই 10,000Mbps-এ বাড়িয়ে দিলেন গবেষকরা।

এই প্রসঙ্গে মুখ্য গবেষক সিজার এরকিলিঙ্ক বলেছেন, ‘সাধারণত ইউকে-তে ইন্টারনেট স্পিড গড়ে 36Mbps থাকে। কিন্তু, আলট্রা হাই ডেফিনেশন ভিডিও কিংবা অনলাইন গেম-সহ বেশ কিছু কাজ হাইস্পিড ইন্টারনেট ছাড়া করা যায় না। নতুন প্রযুক্তিতে সেই স্পিড ১০০ গুণ বেশি করা সম্ভব হয়েছে।’

কী এই রিসিভার? অপটিক্যাল অ্যাকসেস নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা হয় রিসিভার। যা, ইন্টারনেট সাবস্ক্রাইবার এবং তাদের সার্ভিস প্রোভাইডরের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে। আর এভাবেই স্পিড বাড়ে ইন্টারনেটের। কত সংখ্যক মানুষ একই সময়ে অনলাইন রয়েছেন, তার কোনও প্রভাব এর মধ্যে পড়ে না।

নারীদের বিনামূল্যে বিশ লাখ সিম দিচ্ছে টেলিটক

স্টাফ রিপোর্টার: নারীর ‘ক্ষমতায়ন’ ও তাদের ‘জীবনযাত্রায় মানোন্নয়নে’ বিনামূল্যে ২০ লাখ ‘অপরাজিতা’ সিম বিতরণ করছে রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক। ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম গতকাল রোববার সচিবালয়ে এই সিম বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করে বলেন, একজন নারী বিনামূল্যে সর্বোচ্চ দুটি সিম নিতে পারবেন। এই সিমে সুলভ মূল্যে কল ও ইন্টারনেট সেবা পাওয়া যাবে। অপরাজিতা সিম দেশের নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থান উন্নয়নে সুদূর প্রসারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করি।

‘স্টার্ট আপ বোনাস’ হিসেবে একজন অপরাজিতা গ্রাহক সিমের সঙ্গে ১০ টাকার টক টাইম পাবেন, যা তিন মাস বহাল থাকবে। সেই সঙ্গে এক জিবি ডেটা, ১০ মিনিট টেলিটক থেকে টেলিটকে এবং টেলিটক থেকে অন্য অপারেটরে ৫ মিনিট বিনা পয়সায় কথা বলার সুযোগ পাবেন, যা ব্যবহার করতে হবে অ্যাক্টিভেশনের পর প্রথম সাত দিনের মধ্যে। অপরাজিতা গ্রাহক সাত দিন মেয়াদে ৮ টাকায় এক জিবি ডেটা এবং ১৪ টাকায় দুই জিবি ডেটার ইন্টারনেট প্যাকেজ ব্যবহারের সুযাগ পাবেন। সিম অ্যাক্টিভেশনের পর তিন মাস যতবার খুশি এই প্যাকেজ তিনি উপভোগ করতে পারবেন। টেলিটকের নারী গ্রাহকদের মধ্যে যারা অন্য সিম ব্যবহার করছেন, তারাও অপরাজিতায় ‘মাইগ্রেট’ করতে পারবেন বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

 রোববার থেকেই সারা দেশে টেলিটকের গ্রাহক সেবা কেন্দ্র এবং নির্ধারিত রিটেইল পয়েন্টে এ সিম পাওয়া যাবে। টেলিটকের নেটওয়ার্ক নিয়ে গ্রাহক অসন্তুস্টির বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তারানা হলিম বলেন, প্রকল্পের অর্থ ছাড় না হওয়ায় টেলিটকের নেটওয়ার্ক উন্নত করা যাচ্ছে না। টেলিটকের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে একনেক অনুমোদিত একটি প্রকল্পের অর্থ ছাড়ের বিষয়টি এখনও ঝুলে আছে। তাছাড়া ফোরজির জন্য একনেক অনুমোদিত দুটি প্রকল্পে অর্থ ছাড়ের বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে। এ বছরের ডিসেম্বরর মধ্যে দেশে ফোরজি প্রযুক্তি চালু করা হবে জানিয়ে তারানা হালিম বলেন, অপারেটররা ২৪টি বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। এর মধ্যে বেশিরভাগই ব্যাখার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব হয়েছে। বাকি দুটি বিষয়ে আলোচনা চলছে, শিগগিরই সমাধান হবে বলে আশা করছি। টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. গোলাম কুদ্দুসসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

কাল থেকে তিন দিন ইন্টারনেটে ধীরগতি

স্টাফ রিপোর্টার: প্রথম সাবমেরিন কেবল মেরামতের কাজ চলার কারণে ২৪ থেকে ২৬ অক্টোবর ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। গতকাল রোববার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ওই সময় দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল থেকে ব্যান্ডউইডথ সরবরাহের পাশাপাশি বাংলাদেশ ছয়টি বিকল্প সাবমেরিন কেবলের (আইটিসি বা ইন্টারন্যাশনাল টেরিস্ট্রিয়াল কেবল) সঙ্গে যুক্ত থাকবে বলে সমস্যা হবে না। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, আগামী ২৪ থেকে ২৬ অক্টোবর একটি মেরামতের কাজ হবে, রিপিটার পরিবর্তন করতে হবে। এ জন্য তিন দিন কিছুটা ধীরগতি হতে পারে। প্রথমবারের মতো সংস্কার কাজের জন্য এই বিঘ্ন ঘটছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

 বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো সাবমেরিন কেবল ‘সি-মি-উই-৪’ এ যুক্ত হয় ২০০৫ সালে, যার মাধ্যমে ২৫০ জিবিপিএস (গিগাবিট পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইডথ পাওয়া যাচ্ছে। এটি ছাড়াও বাংলাদেশ ছয়টি বিকল্প সাবমেরিন কেবলের (আইটিসি বা ইন্টারন্যাশনাল টেরিষ্ট্রিয়াল কেবল) সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। গত ১০ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চালু হয়েছে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন। কলাপাড়া উপজেলার গোড়া আমখোলাপাড়ায় এই ল্যান্ডিং স্টেশনের মাধ্যমে সাউথইস্ট এশিয়া-মিডলইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫) আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের সাবমেরিন কেবল থেকে সেকেন্ডে ১ হাজার ৫০০ গিগাবিট (জিবি) গতির ইন্টারনেট পাবে বাংলাদেশ। ইন্টারনেট গেইটওয়ে ফাইবার অ্যাট হোমের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ সাবির জানান,বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথের চাহিদা ৪০০ জিবিপিএসের বেশি। এর মধ্যে ১৮০ জিবিপিএস  রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি বিএসসিসিএলের মাধ্যমে আসছে। বাকি জিবিপিএস আইটিসির ব্যান্ডউইডথ ভারত থেকে আমদানি করা হচ্ছে।

 

গুগল ফটোজে ব্যক্তিগত ছবি গোপন রাখবেন যেভাবে

ছবি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে গুগল ফটোজ বেশ জনপ্রিয়। এটা স্মার্টফোনের স্টোরেজ ক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রাখে। এছাড়া সব ছবি একসঙ্গে রাখার ক্ষেত্রেও জুড়ি নেই গুগল ফটোজের।
তবে অনেকে কিছু ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও সবার সামনে উন্মোচন করতে চান না। যে কারণে সেগুলো গোপন রাখার প্রয়োজন দেখা দেয়। ব্যক্তিগত ছবি অন্য সব ছবি থেকে আলাদা রাখার সুযোগ গুগল ফটোজে রয়েছে। এই সুবিধা ব্যবহারের মাধ্যমে যে কেউ তাদের ব্যক্তিগত ছবি গোপন রাখতে পারবেন।
এজন্য গুগল ফটোজের আর্কাইভ ফিচারটি ব্যবহার করতে হবে। ছবি বা ভিডিও গোপন রাখতে প্রথমেই গুগল ফটোজ ওপেন করুন। তারপর সেখান থেকে যে ছবি বা ভিডিওটি গোপন করতে চান সেটা নির্বাচন করতে হবে।
নির্বাচনের পর ওপরের ডান পাশের কোণে তিনটি ডট চিহ্নিত অপশনে গেলে আর্কাইভ অপশনটি পাবেন। এক্ষেত্রে আর্কাইভ সিলেক্ট করলেই আপনার ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও অন্যগুলো থেকে আলাদা হয়ে যাবে। পরবর্তীতে যেকোনও সময় আর্কাইভে গেলে গোপন করা ছবি দেখতে পাবেন।
অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস এবং ওয়েব ব্যবহারকারীদের জন্য গুগল ফটোজের এই আর্কাইভ সুবিধা রয়েছে। তবে সুবিধাটি উপভোগ করতে হলে গুগল ফটোজের ২ দশমিক ১৫ ভার্সনটি প্রয়োজন হবে।

পর্দা নামল আইসিটি এক্সপোর

মেক ইন বাংলাদেশ স্লোগানে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ১৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া তিন দিনের তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনী ‘বাংলাদেশ আইসিটি এক্সপো ২০১৭’ পর্দা নামল শুক্রবার।

ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) যৌথ উদ্যোগে এবার অনুষ্ঠিত হল তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য ও সেবার বর্ণাঢ্য এ প্রদর্শনী।

 

যেসব অধুনা প্রযুক্তি ও ধারণা তথ্যপ্রযুক্তির প্রকৃতি ও ব্যবহার অবিশ্বাস্য গতিতে বদলে দিচ্ছে সেসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কতটুকু এগিয়েছে, আমাদের সক্ষমতা ও উদ্ভাবন উপস্থাপন করা হয় এবারের প্রদর্শনীতে। বিশেষ করে হার্ডওয়ার, ম্যানুফ্যাকচারিং ও গবেষণা খাতের সম্ভাবনা, কর্মপ্রচেষ্টা ও রূপকল্প তুলে ধরা হয় এবারের মেলায়। উপস্থাপন করা হয় হাই-টেক পার্ক এবং তথ্যপ্রযুক্তির উৎপাদন অবকাঠামোর অগ্রগতিও। জনসচেতনতা সৃষ্টি, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যবান্ধব পরিবেশ তৈরি, তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পথ ও উদ্যোক্তা তৈরি করতে প্রদর্শনী সফল হয়েছে।

মেলার আহ্বায়ক বিসিএসের মহাসচিব ইঞ্জি. সুব্রত সরকার বলেন, হার্ডওয়্যার খাতে বাংলাদেশের এ সকল সাফল্য ও অগ্রগতি দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে দিতে এবং এ খাতে আরও এগিয়ে যেতেই আমরা ‘বাংলাদেশ আইসিটি এক্সপো ২০১৭’ আয়োজন করছি। পুরো প্রদর্শনীকে লোকাল ম্যানুফ্যাকচারাস, আইওটি ও ক্লাউড, প্রোডাক্ট শোকেস, ইনোভেশন, মিট উইথ ইন্টারন্যাশনাল ম্যানুফ্যাকচারারস, ডিজিটাল লাইফস্টাইল, মেগা সেলস, সেমিনার, বিটুবি ম্যাচমেকিং ও হাই-টেক পার্ক- এ রকম ১০টি জোনে ভাগ করা হয়। ১৩২টি প্যাভিলিয়ন ও স্টলে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রকল্প, কর্মসূচি এবং উদ্যোগগুলো উপস্থাপন করা হয়। মেলায় দর্শকদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

সুব্রত সরকার বলেন, নতুন উদ্ভাবনগুলোকে বাণিজ্যিকভাবে সফল করতে ইন্ড্রাস্ট্রির পক্ষ সহযোগিতা করা হবে। আমাদের লক্ষ্য ছিল নতুন উদ্ভাবকদের সহযোগিতা করা। তাদের উদ্ভাবনগুলো প্রদর্শনের প্ল্যাটফর্ম দেয়া। আমরা সেটি সফলভাবে করতে পেরেছি। সব মিলিয়ে আমরা অত্যন্ত সফল একটি আয়োজন সম্পন্ন করেছি। এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখব।

বাংলাদেশে পেপ্যালের ‘জুম সার্ভিস’ চালু

বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল অনলাইনভিত্তিক জনপ্রিয় অর্থ লেনদেন (পেমেন্ট) ব্যবস্থা পেপ্যালের ‘জুম সার্ভিস’।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) এই সেবার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

‘বাংলাদেশ আইসিটি এক্সপো-২০১৭’ এর দ্বিতীয় দিনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের লার্নিং এন্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প।

বর্তমানে বিশ্বের ২০৩টি দেশে পেপ্যাল সেবা চালু আছে। এর মধ্যে মাত্র ২৯টি দেশে পেপ্যালের পূর্ণাঙ্গ সেবা চালু আছে এবং ১০৩টি দেশে শুধু ইনবাউন্ড সেবা চালু রয়েছে।

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, পেপ্যালের ‘জুম সার্ভিস’ এর মাধ্যমে দেশের বাইরের পেপ্যাল অ্যাকাউন্টধারীরা সহজেই তার অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি বাংলাদেশী জুম গ্রাহকের একাউন্টে অর্থ পাঠাতে পারবেন (ইনবাউন্ড)। এই টাকা সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশের ব্যাংকে চলে আসবে। ১০০০ ডলারের নিচে আসলে ৫ ডলার এবং এর বেশি আনলে কোন চার্জ দিতে হবে না।

এসময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর ফজলে কবির, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী প্রমুখ।

সোনালী ব্যাংক, রুপালী ব্যাংক, অগ্রণীব্যাংক, জনতা ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, পুবালী ব্যাংকে প্রাথমিকভাবে এ সেবা চালু হলেও অচিরেই তা অন্যান্য ব্যাংকগুলোতে সম্প্রসারিত হবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার স্মার্টফোন আনল হুয়াওয়ে

বিশ্বের সর্বপ্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিসম্পন্ন চিপসেট কিরিন ৯৭০ প্রসেসরের ফ্ল্যাগশিপ সিরিজ মেট ১০ স্মার্টফোন বিশ্ব বাজারে উন্মোচন করেছে শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। এই সিরিজের নতুন মেট ১০ ও মেট ১০ প্রো স্মার্টফোনগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরির দরজা খুলে দিয়েছে।

মেট ১০ ও মেট ১০ প্রো ছাড়াও বিশ্বখ্যাত গাড়ি ব্র্যান্ড পোসে ডিজাইনের মেট ১০ সিরিজ উন্মোচন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসমৃদ্ধ হার্ডওয়্যার, কিরিন ৯৭০ চিপসেট, লং-লাস্টিং ব্যাটারি লাইফ এবং নতুন লাইকা ডুয়েল ক্যামেরা প্রযুক্তির মেট ১০ সিরিজ সবচেয়ে অভিনব এবং ক্ষমতাসম্পন্ন ডিভাইস।

হুয়াওয়ে কনজ্যুমার বিজনেস গ্রুপের সিইও রিচার্ড ইউ বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন আর ভার্চুয়াল কোনো ধারণা নয়, বরং আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আংশিক ব্যবহার্য প্রযুক্তি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারকারীকে অভিনব অভিজ্ঞতা ও গুরুত্বপূর্ণ সেবাপ্রদান এবং পণ্যের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সক্ষম একটি প্রযুক্তি। হুয়াওয়ে মেট ১০ সিরিজের ডিভাইসগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসমৃদ্ধ নিউরাল নেটওয়ার্ক প্রসেসিং ইউনিট, যা নতুন প্রজন্মের বুদ্ধিমান স্মার্টফোন।’ 

মেট ১০ সিরিজের গুরুত্বপূর্ণ ফিচারসমূহ:
* কিরিন ৯৭০ চিপসেট, যা বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসমৃদ্ধ প্রসেসর যেটিতে ব্যবহার করা হয়েছে নিউরাল নেটওয়ার্ক প্রসেসিং ইউনিট (এনপিইউ)।

* থ্রিডি গ্লাস বডি যেখানে ব্যাজেল নেই বললেই চলে, হুয়াওয়ে ৫.৯ ইঞ্চির (মেট ১০ প্রো-তে ৬ ইঞ্চি) ফুলভিউ ওএলইডি ডিসপ্লে এবং এইচডিআর১০ সমর্থিত প্রযুক্তি যা অনায়াসে ভিভিড ও উজ্জ্বল কালার প্রদানে সক্ষম।

* কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যাটারি ম্যানেজমেন্টসমৃদ্ধ ৪০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি চার্জ করা যাবে টিউইভি ফাস্ট-চার্জ সেফটি সনদপ্রাপ্ত হুয়াওয়ের সুপারচার্জ প্রযুক্তির মাধ্যমে।

* সামিলাক্স-এইচ লেন্সের সমন্বয়ে এতে আছে নতুন লাইকা ডুয়েল ব্যাক ক্যামেরা (১২ মেগাপিক্সেল আরজিবি+ ২০ মেগাপিক্সেল মনোক্রম); ক্যামেরার অ্যাপারচার এফ/১.৬ যা বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির রিয়েল টাইম সিন, অবজেক্ট শণাকরণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির বোকেহ ইফেক্ট প্রযুক্তি রয়েছে ক্যামেরায়।

* অত্যাধুনিক ইএমইউআই ৮.০ ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহার করা হয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ৮.০ অপারেটিং সিস্টেমে।

* অক্টা কোর এআরএম কোর্টেক্স সিপিইউ, প্রথমবারের মতো ১২টি কোরের মালি-জি১২ জিপিইউ এবং প্রথম এনপিইউ প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে মেট ১০ সিরিজে।

* মেট ১০ প্রো আইপি৬৭ সনদপ্রাপ্ত পানি ও ধূলাবালি রোধক।

নতুন মেট ১০ সিরিজটি চলতি মাসের শেষের দিকে স্পেন, ইউএই, সৌদিআরব, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও অষ্ট্রেলিয়াসহ ১৫টি দেশে বিক্রির জন্য বাজারে ছাড়া হবে। তবে মেট ১০ প্রো নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, ইউএই, সৌদিআরব, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডসহ প্রায় ১২টি দেশের বাজারে ছাড়া হবে। পোসে ডিজাইনের মেট ১০ পাওয়া যাবে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে। হুয়াওয়ে মেট ১০ ৬৪ জিবি রম ও ৪ জিবি র‌্যাম, মেট ১০ প্রো ১২৮ জিবি রম ও ৬ জিবি র‌্যাম এবং পোসে ডিজাইনের মেট ১০ ২৫৬ জিবি রম ও ৬ জিবি র‌্যামে পাওয়া যাবে।

বন্ধের পথে জোভাগো!

চলতি বছরেই বাংলাদেশ থেকে নিজেদের পুরোপুরি গুটিয়ে নিচ্ছে অনলাইনে হোটেল বুকিংয়ের মার্কেটপ্লেস জোভাগো ডটকম। রকেট ইন্টারনেটের সপ্তম ভেঞ্চার হিসেবে ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করেছিল তারা।

প্রতিষ্ঠানটির কান্ট্রি ম্যানেজার মেহরাজ মুয়ীদ জানিয়েছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম বন্ধ আছে। তবে স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে কিনা সে সিদ্ধান্ত নেবেন রকেট ইন্টারনেটের কর্মকর্তারা।

এদিকে জোভাগো ডটকমের ওয়েবসাইট এখনও চালু থাকলেও এতে কোনো হোটেল বুকিং করা যাচ্ছে না। কাস্টমার কেয়ারের নম্বরও অচল। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে তাদের কার্যক্রম গুটিয়ে নেবে জানা গেছে।

বন্ধ হওয়ার আগে দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১ হাজার হোটেল বুকিংয়ের সুবিধা ছিল জোভাগোয়।

‘ডাবল লকার’ আসলে ম্যালওয়্যার

অ্যান্টিভাইরাস নির্মাতা ইসেটের একদল নিরাপত্তা গবেষক ‘ডাবল লকার’ নামে এমন একটি ম্যালওয়্যারের সন্ধান পেয়েছেন যা ডাউনলোড করলেই অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের সব তথ্য এনক্রিপ্ট করার পাশাপাশি পিন কোডও পরিবর্তন করতে পারেন হ্যাকাররা।

ফলে চাইলেও কোনো তথ্য ব্যবহার করতে পারেন না ফোনের মালিক। আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফোনের তথ্য সচল রাখতে অর্থ দাবি করে সাইবার অপরাধীরা। এ অবস্থায় দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ করা হলেই কেবল ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়া যায়।

 

নিরাপত্তা গবেষকদের মতে, অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে আঘাত হানা বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের মধ্যে একমাত্র ‘ডাবল লকার’ একই সঙ্গে তথ্য এনক্রিপ্ট করার পাশাপাশি ডিভাইস লক করতে পারে। ফলে দূর থেকেই ব্যবহারকারীদের ডিভাইস চালু বা বন্ধ করতে পারে সাইবার অপরাধীরা

সরে দাঁড়ালেন স্যামসাংয়ের সিইও

স্যামসাংয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ওউন ওহিউন পদত্যাগ করেছেন। ‘অভূতপূর্ব সংকটে’র কারণে তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন। ওহিউন বলেন, ‘আমি অনেক দিন ধরে এটা নিয়ে ভাবছিলাম। অবশেষে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছি।’

 

স্যামসাংয়ের তিন জন সিইও’র একজন ওহিউন। আগস্টে গোটা স্যামসাং কোম্পানির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) তার এই পদত্যাগের ঘোষণা এলো। তবে একই দিনে স্যামসাং তাদের এ বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে রেকর্ড মুনাফার ঘোষণা দিয়েছে।

ওউন ওহিউন ২০১২ সাল থেকে স্যামসাংয়ের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দুর্নীতির অভিযোগে স্যামসাং গ্রুপের উত্তরাধিকারী জে ইয়ং লির কারাদণ্ডের পর স্যামসাং ইলেকট্রনিকসের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।

দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছি। আমি মনে করি, দ্রুত পরিবর্তনশীল আইটি খাতে টিকে থাকার জন্য তরুণ নেতৃত্বের সাহায্যে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করতে হবে।’

প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেও ওউন ওহিউন ২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত স্যামসাং ইলেকট্রনিক্সের বোর্ড সদস্য হিসেবে থাকবেন।

এদিকে, শুক্রবারেই চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) এ বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে রেকর্ড মুনাফার ঘোষণা দিয়েছে স্যামসাং। দক্ষিণ কোরিয়ার এই টেক জায়ান্ট জানিয়েছে, এই তিন মাসে এক হাজার ২৮০ কোটি ডলার মুনাফা করতে পারে স্যামসাং, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩শ শতাংশ বেশি।

মাইক্রোসফট পার্টনার অ্যাওয়ার্ড জিতেছে বাংলাদেশের ৫ প্রতিষ্ঠান

সম্প্রতি মাইক্রোসফটের আয়োজনে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দ্বিতীয় বার্ষিক সাউথইস্ট এশিয়া নিউ মার্কেটস পার্টনার সামিট। উক্ত সামিটে বাংলাদেশ, ভূটান, ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, লাওস, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলংকাসহ মোট ৯টি মার্কেটের ১৩৮জন প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের পার্টনার লিডাররাও এতে অংশ নিয়েছেন। মাইক্রোসফটের বিভিন্ন পণ্যের ওপর ভিত্তি করে গ্রাহকদের সঙ্গে যোগযোগ রক্ষা, কর্মীদের ক্ষমতায়ন, নিজেদের কর্ম-পরিচালনায় দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘কানেক্ট, কোলেবোরেট অ্যান্ড উইন টুগেদার’ শ্লোগানকে সামনে রেখে আলোচনা, জ্ঞানার্জন ও সহযোগিতা করার মাধ্যমে ব্যবসায়িক মডেল নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে দিয়েছে এই সামিট।

মাইক্রোসফটের পার্টনার মিশন ‘ওয়ান টিম’ এদিন সাফল্য উদযাপন করাসহ মাইক্রোসফট সল্যুশনসের ওপর ভিত্তি করে একে অপরকে সহযোগিতায় ব্যাপক গুরুত্ব দিয়েছে, যাতে করে গ্রাহকদের কার্যকর সেবা প্রদান করা যায়। দুদিনের সেশনে পার্টনাররা মাইক্রোসফটের অ্যাপাক লিডারশিপ টিমের সঙ্গে বিভিন্ন ধারনা আদান-প্রদান করার সুযোগ পেয়েছেন।

পার্টনার সামিট আয়োজনের মূল অংশ ছিল শেরাটন গ্র্যান্ড সুখুমভিত হোটেলে পার্টনার অ্যাওয়ার্ড সেলিব্রেশন নাইট। এদিন উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার নিউ মার্কেটসের জেনারেল ম্যানেজার মাইকেল সিমন্স, ক্ষুদ্র ও মাঝারি মার্কেট পার্টনারস সল্যুশনস গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার ভ্যালেরি বিউলেসহ মাইক্রোসফটের আরো অনেক অ্যাপাক লিডার।

সামিটে মাইকেল সিমন্স বলেন, ‘আমাদের পার্টনারদের প্রদানকৃত সেবায় নতুনত্ব ও ইতিবাচক প্রভাব দেখে আমি সত্যিই মুগ্ধ এবং কৃতিত্বের জন্য আমি বিজয়ী সকল পার্টনারকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমরা আমাদের গবেষণায় দেখেছি যে, এশিয়ার বিজনেস লিডারদের শতকরা ৪৪ ভাগ পুরো কৌশলগত পরিকল্পনায় ডিজিটালের ব্যবহার নিশ্চিত করেছে।

এছাড়া শতকরা ৯১ ভাগ লিডার মনে করেন যে তথ্যভিত্তিক ব্যবসায়িক মডেল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সার্বিক অর্থনীতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসবে। আর আমরা বিশ্বাস করি পার্টনারদের সঙ্গে মিলে মাইক্রোসফট বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলোকে ডিজিটালে রূপান্তরের ব্যাপারে সহায়তা করার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। এতে করে এ অঞ্চলে বিপুল সংখ্যক মানুষের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।’

অন্যান্য দেশের পার্টনার ছাড়াও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের পাঁচটি মাইক্রোসফট পার্টনার উক্ত অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছে। বাৎসরিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করায় ডিস্ট্রিবিউটর অ্যাওয়ার্ড ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয়েছে মাল্টিমোড লিমিটেড, সর্বোচ্চ আয় নিশ্চিত করে রিসেলার অ্যাওয়ার্ড জিতেছে কর্পোরেট প্রযুক্তি লিমিটেড, টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস) লি. পেয়েছে ওইএম অ্যাওয়ার্ড এবং ক্লাউড সেবা প্রদানের জন্য বেস্ট ক্লাউড সল্যুশন পার্টনার ও ডিজিটাল বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক অবকাঠামো তৈরি করায় ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন অ্যাওয়ার্ড ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয়েছে আমরা টেকনোলজিস লিমিটেড।

এ প্রসঙ্গে মাইক্রোসফট বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোনিয়া বশির কবির বলেন, ‘পার্টনারদের সাফল্যে আমি তাদের অভিনন্দন জানাই। মূলত বিশ্বব্যাপী মানুষ ও বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পার্টনারদের সঙ্গে মিলে মাইক্রোসফটে থেকে আমরা কাজ করে থাকি। বিশ্বকে প্রযুক্তির ক্ষমতায় রূপান্তরের যে লক্ষমাত্রা মাইক্রোসফটের রয়েছে তা অর্জনে পার্টনার প্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ ভূমিকা রাখে, আর এভাবেই প্রতিটি পার্টনার প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটকে প্রতিনিধিত্ব করে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর এমন সাফল্য দেখে আমি সত্যিই গর্বিত। পার্টনারদের সঙ্গে মিলে সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে এক হয়ে কাজ করার ব্যাপারে আমরা দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ।

আপনার চিকিৎসক কেন নারী হওয়া প্রয়োজন

পুরুষদের তুলনায় নারী সার্জনের হাতে রোগীর মৃত্যুহার কম- একটি গবেষণায় এই তথ্য জানা গেছে। গবেষকরা বলেন, নারী চিকিৎসকদের মনে করা হয় বেশি দক্ষ, গাইডলাইন ফলো করায় ভালো এবং সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষায় উন্নত। গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন যে, নারী সার্জনদের দ্বারা পরিচালিত অস্ত্রোপচারে রোগীর মৃত্যুহার ১২ শতাংশ কম।

এই গবেষণায়, মহিলা সার্জন কর্তৃক ২৫টি অস্ত্রোপচারের প্রক্রিয়া চলাকালীন রোগীর ফলাফল বিশ্লেষণ এবং একই অস্ত্রোপচারের ফলাফল পুরুষ চিকিৎসকের ক্ষেত্রেও বিশ্লেষণ করা হয়। কানাডার অন্টারিওর একটি হাসপাতালে ২০০৭ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে মোট ১,০৪,৬৩০ জন রোগী এবং ৩,৩১৪ জন সার্জনের ওপর এই গবেষণা সম্পন্ন করা হয়।

ফলাফলে দেখা যায়, পুরুষদের তুলনায় নারী সার্জনদের হাতে রোগীর মৃত্যুহার কম ছিল। যদিও অস্ত্রোপচারে নারী-পুরুষ সার্জনদের মানের এই পার্থক্য খুবই কম। পুরুষ সার্জনদের ২৩০টি অস্ত্রোপচারের মধ্যে নারীদের তুলনায় মাত্র ১টি অতিরিক্ত মৃত্যু ছিল। শুধু তাই নয়, পুরুষ চিকিৎসককর্তৃক যেসব রোগীরা চিকিৎসাগ্রহণ করেছিলেন, তাদের ভবিষ্যতে জটিলতা বা আবারো হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে এমনও দেখা যায়নি।

টরন্টো ইউনিভার্সিটির নতুন এই গবেষণাপত্রের লেখকরা ধারণা করছেন যে, নারী সার্জনদের যত্ন রোগীকেন্দ্রীক বেশি ছিল, গাইডলাইনেও সচেতনা বেশি ছিল এবং সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষায় তারা সব সময় দারুণ। গবেষণায় আরো প্রমাণ মিলেছে যে, নারীরা পুরুষদের তুলনায় কম ঝুঁকি নিয়ে থাকে এবং যদি কোনো ভুল হয় সহকর্মীদের কাছ থেকে সাহায্য চাইতে বেশি আগ্রহী থাকে।

রয়াল কলেজ অব সার্জনস এর প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ক্লেয়ার মার্কস এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ডেরেক অ্যালডারসন বলেন, এই গবেষণা রোগীদের এবং স্টাফদের নারী ডাক্তারদের বিরুদ্ধে একপেশে মনোভাব পরিবর্তনে সহায়ক হবে। তারা গবেষণাপত্রের সম্পাদকীয়তে লিখেছেন: ‘এই গবেষণা পুরুষ সহকর্মীদের তুলনায় দীর্ঘদিন ধরে নারীদের দক্ষতা, নিরাপদ ও অভিজ্ঞতা নিয়ে ভুল একপেশে ধারণা মোকাবেলায় সাহায্য করবে।’ তবে তারা এটাও উল্লেখ করেন যে, ‘রোগীদেরকে তাদের চিকিৎসক নারী না পুরুষ তা নিয়ে ভীত হবার প্রয়োজন নেই।’

২০১৫ সালের একটি গবেষণায় দেখানো হয় যে, পুরুষের তুলনায় নারী চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ আড়াই গুণ কম ছিল। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন যে, নারী চিকিৎসকরা কঠোর পরিশ্রম করে কারণ তারা নিজেদের প্রমাণ করার জন্য মন থেকে তাড়া অনুভব করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নারীরা সার্জন হতে কম আগ্রহী থাকে কারণ তারা কম আত্মবিশ্বাসী হয় যে তারা সফল হবে। একজন সার্জন হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করার জন্য অন্তত ১০ বছর সময় লাগে এবং আরো ৬ বছরের বেশি সময় লাগে কনসালটেন্ট হওয়ার যোগ্যতা অর্জনে। ২০১৩ সালে ইউনিভার্সিটি অব এক্সেটারের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, নারীরা বিশ্বাসী ছিলেন যে, অস্ত্রোপচারের ক্যারিয়ার আসলে পুরুষের জন্য।

ইথিক্যাল হ্যাকারদের নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশের হ্যাকারদের নিয়ে অতিসম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে দেশীয় সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান বিটলস সাইবার সিকিউরিটি লিমিটেডের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ইথিক্যাল হ্যাকারদের সিকিউরিটি কনফারেন্স ‘হ্যাকট্যাগ ২০১৭।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফাইবার অ্যাট হোমের চিফ স্ট্র্যাটেজিক অফিসার সুমন আহমেদ সাবির, বিটলসের প্রধান নির্বাহী মো. মুকিত হালিম, পরিচালক নাহিদুল কিবরিয়া, শাহী মির্জা, তারেক সিদ্দিকী-সহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ইথিক্যাল হ্যাকারদের একটি প্রতিযোগিতায় (সিটিএফ) অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়। ওই প্রতিযোগিতায় হ্যাকারদেরকে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক সমস্যা সমাধান করার পাশাপাশি সিস্টেমের নিরাপত্তা ত্রুটি বের করতে বলা হয়। সেখান থেকে বিজয়ী সেরা তিনজন হ্যাকারকে পুরস্কৃত করে বিটলস।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন,বাংলাদেশে সাইবার নিরাপত্তার জন্য অনেকেই কাজ করছেন। ভবিষ্যতে এ দেশের সাইবার সিকিউরিটি ইন্ডাস্ট্রিকে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য এখনই কাজ করতে হবে। যাতে এ দেশের দক্ষ সাইবার নিরাপত্তা কর্মী তৈরি হয়। তাদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে দেশের সাইবার স্পেসের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হয়।

ধূমপান ছাড়ার বিজ্ঞানসম্মত উপায়

ধূমপান ত্যাগ করা খুব সহজ কোনো ব্যাপার নয়।

তামাকের ব্যবহার প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। কিন্তু বেশ কিছু সমীক্ষায় দেখা গেছে, সম্পূর্ণ ধূমপান ত্যাগের জন্য ৩০বার পর্যন্ত চেষ্টা করা লাগতে পারে।

গত জুলাইতে যুক্তরাষ্ট্রের এফ.ডি.এ. (ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) সিগারেটে নিকোটিনের এর পরিমাণ কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করে যাতে ব্যাবহারকারীদের এর প্রতি আসক্তি কমে। গবেষকরা মনে করেন সিগারেটে নিকোটিন এর পরিমান কমিয়ে আনা গেলে ধূমপায়ীদের জন্য ধূমপান ছাড়াও সহজ হবে, একই সঙ্গে নতুন ধূমপায়ীদের ধূমপানে আসক্তি থেকে বিরত রাখাও সহজ হবে।

ধূমপান ত্যাগের সহায়ক হিসেবে আছে চমৎকার কিছু বৈজ্ঞানিক উপায়। উইসকনসিন ইউনিভার্সিটির টোবাকো রিসার্চ অ্যান্ড ইন্টারভেনশন সেন্টারের ডিরেক্টর ড. মাইকেল ফিওরে ধূমপান ত্যাগের জন্য বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।

* ধূমপান ত্যাগ করার আগে প্রস্তুতি
প্রথমেই এটা মনের রাখা জরুরি যে, ধূমপান ছাড়ার জন্য বিশেষ কোনো উপায় নেই, প্রকৃতপক্ষে ধূমপান ত্যাগ করা বেশ কষ্টসাধ্য কাজ কিন্তু আপনি চাইলে বেশ কিছু কৌশল অবলম্বন করতে পারেন যাতে করে প্রক্রিয়াটা সহজ হয়।

যদি আপনি ধূমপানে অভ্যস্ত হয়ে থাকেন, হুট করেই সিগারেট ছেড়ে দেয়া প্রায় অসম্ভব এক কাজ। তাই ধূমপান ছাড়ার আগে প্রথমেই কিছু পরিকল্পনা করে নেয়া ভালো। প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে কেন আপনি ধূমপান ছাড়তে চাচ্ছেন? এটা হতে পারে আপনার নিজের স্বাস্থ্যের জন্য অথবা পরিবারের ভালোর জন্য। এর মাধ্যমে আপনি আপনার পরিবার এবং বন্ধুবান্ধবদের জানিয়ে দিতে পারেন যে, আপনি ধূমপান ছেড়ে দিতে চাচ্ছেন এবং ওই সকল প্রভাবকগুলো চিহ্নিত করুন যেগুলো আবার আপনার ধূমপান শুরুতে ভূমিকা রাখতে পারে।

* নিকোটিন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি
ধূমপান ছাড়ার প্রক্রিয়ায় নিকোটিনের বিকল্প হিসেবে নিকোটিন প্যাচ বা গাম ব্যাবহার করা যেতে পারে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ এর মতে, এসব নিকোটিন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি খুব অল্প পরিমাণ নিকোটিন এর সাহায্যে আপনার ধূমপান ত্যাগের কিছু উপসর্গকে প্রশমিত করে। নিকোটিন হচ্ছে, টোবাকোর মধ্যে থাকা অত্যন্ত ক্ষতিকারক একটি উপাদান।

* ধূমপান ত্যাগের ওষুধ গ্রহণ
ধূমপান ছাড়ার জন্য কিছু নিকোটিনবিহীন উপায় ব্যাবহার করতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, ভারেনিক্লাইন নামক ওষুধ যা বাজারে চেনটিক্স নামেও পরিচিত, ধূমপান ছাড়ার প্রথম কয়েক মাস এটা ব্যবহার করে দেখতে পারেন। জাইবান হচ্ছে, এ ধরনের আরেকটি কার্যকরী ওষুধ। এগুলো আপনার দেহের রিসেপ্টর এর নার্ভকে ব্লক করে নিকোটিনকে আপনার ব্রেনে ক্রিয়া করতে বাধা দেয়।

* কাউন্সেলিং
অন্যান্য সকল পদ্ধতির সঙ্গে সঙ্গে কাউন্সেলিং করাও ধূমপান ত্যাগে সহায়ক হিসেবে কাজ করে। এটা হতে পারে পরিবার, বন্ধুবান্ধব বা কাছের কোনো মানুষের সঙ্গে অথবা কোনো প্রফেশনাল এর সঙ্গে।

* মেডিটেশন
যদিও এটা নতুন একটা পদ্ধতি কিন্তু এরই মধ্যে ধূমপান ত্যাগে মেডিটেশনের ভূমিকার কথা জানা গেছে। ২০১৩ সালের এক গবেষণায় দুই দল মানুষের মধ্যে যারা নিয়মিত মেডিটেশনে অংশগ্রহন করেছিল তারা নিজেদের ধূমপানের পরিমাণ ৬০% পর্যন্ত কমাতে সক্ষম হয়েছিল। অন্য দলের ধূমপানের পরিমাণে কোনো পার্থক্য দেখা যায়নি। সুতরাং ধূমপান ত্যাগে আপনার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মেডিটেশনকেও রাখতে পারেন।

* ব্যায়াম
নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়ামের ফলে আপনার ধূমপানের ইচ্ছা হ্রাস পাবে। ধূমপান ছাড়ার উপসর্গ ব্যায়ামের মাধ্যমে কমানো যায়। বিশেষ করে জোরে হাঁটা বা দৌড়ানো, সাতার এবং সাইক্লিং এই ব্যায়ামগুলো বিশেষ উপকারী। ব্যায়ামের মাধ্যমে সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দেয়ার ফলে মাঝে মাঝে যে ওজন বৃদ্ধি লক্ষ করা যায় তা কমানো যায়।

* অর্থের প্রলোভন
কথায় বলে টাকায় বাঘের চোখও মিলে। বেশ কয়েকটা সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, টাকার বিনিময়ে ধূমপান ত্যাগ কার্যকর এক উপায়। প্রায় আড়াই হাজার ধূমপায়ীর ওপর এক গবেষণায় বলা হয়েছিল, ৬ মাস ধূমপান না করলে তাদের ৮০০ ডলার করে দেয়া হবে। ওই সমীক্ষার রেজাল্ট দেখে পরে সমীক্ষাচালনাকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের কর্মীদের জন্যেও একই সুবিধা চালু করেছিল!

* ধূমপান ছাড়ার দিন নির্ধারণ
কেমন হবে যদি একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ঠিক করলেন অনেক হয়েছে, আজ থেকে ধূমপান আর না। এভাবে হুট করে ছাড়া যদিও বেশ কষ্টকর, কিন্তু উপরে উল্লেখিত নিয়মগুলো মেনে চললে সারাজীবনের জন্যে ধূমপান ছাড়তে পারবেন আশা করা যায়। আরেকটা উপায় হতে পারে, একটা ডেট ঠিক করে সেদিন থেকে পুরোপুরি ধূমপান ছেড়ে দেয়ার মনস্থির করা। তবে আপনি যেটাই করেন না কেন, জরুরি ব্যাপার হচ্ছে একটা সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে এগুতে হবে। হুট করে ধরলাম আর হুট করে ছেড়ে দিলাম এমন চিন্তাভাবনা নিয়ে কখনোই এই বদভ্যাস ছাড়া যাবে না। হঠাৎ করে ভীষণ অবসাদের একটা দিন আসতে পারে। আবার হঠাৎ করেই সেলিব্রেট করার কোনো উপলক্ষ্য চলে আসতে পারে, পরিকল্পনা নিয়ে না এগুলে ঘুরেফিরে আবার পুরোনো বদ-অভ্যাস এ ফিরে যেতে পারেন।

* ই-সিগারেট
যদি সব কিছুই বিফলে যায় তাহলে শেষ উপায় হিসেবে বেছে নিতে পারেন ই-সিগারেট। ই-সিগারেটে নিকোটিন থাকে কিন্তু কোনো ক্ষতিকারক উপাদান নেই, যা আপনার ধূমপান ত্যাগে সিড়ি হতে পারে। যদিও এটা কিছুটা নতুন ধারণা এবং এটার ব্যাপারে খুব বেশি গবেষণা করা হয়নি তবুও এদের মধ্যে ক্যানসারের জন্য দায়ী কেমিক্যাল নেই। তবে এটাকে অবশ্যই ধূমপান ত্যাগের সিড়ি হিসেবে দেখতে হবে। তবে এ সিগারেটের সঙ্গে বাজারের সিগারেট ব্যবহার করা যাবে না।

বাম্প স্টক’ ভিডিও সরালো ফেসবুক

বন্দুকে কিভাবে ‘বাম্প স্টক’ ব্যবহার করতে হয়- এ ধরনের সব ভিডিও মুছে দিচ্ছে ইউটিউব। বন্দুকে বাম্প স্টক ব্যবহার করে দ্রুত গুলি করা যায়। মূলত আধা স্বয়ংক্রিয় বন্দুকে এই ডিভাইস ব্যবহারে করে দ্রুততম সময়ে অধিক সংখ্যক বার গুলি করা যায়।

গত ১ অক্টোবর আমেরিকার লাস ভেগাস শহরে একটি মিউজিক ফেস্টিভ্যালে আসা দর্শকদের ওপর পাশ্ববর্তী মান্দালে বে হোটেলের ৩২ তলার জানালা থেকে গুলি চালায় ঘাতক স্টিভেন প্যাডক। এ ঘটনায় ৫৮ জন নিহত হয় এবং আহত হয় পাঁচ শতাধিক মানুষ।

ঘাতক প্যাডক তার বন্দুকে বাম্প স্টক ব্যবহার করে এই ভয়াবহ বন্দুক হামলা চালায়। প্যাডকের বন্দুকে বাম্প স্টক থাকার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বন্দুক বিশেষজ্ঞরা অনলাইনে বাম্প স্টকের ভিডিও সরানোর দাবি তোলে। এরই প্রেক্ষিতে বন্দুকে ‘বাম্প স্টক’ ব্যবহারের উপায় সংক্রান্ত ভিডিওগুলো মুছে ফেলছে ইউটিউব।

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ভিডিও প্লাটফর্মটির একজন মুখপাত্র ইন্ডিপেন্ডেন্টকে বলেন, ‘ক্ষতিকারক ও বিপজ্জনক কনটেন্টের বিরুদ্ধে আমরা দীর্ঘ সময় ধরে নীতিমালা করেছি। লাস ভেগাসের সাম্প্রতিক এই দুঃখজনক ঘটনার পরে, আমরা পর্যবেক্ষণে দেখতে পেয়েছি বন্দুকে কিভাবে বাম্প স্টক ব্যবহার করে বন্দুক আরো শক্তিশালী করা যায় এ ধরনের ভিডিওগুলো নীতিমালা বিরোধী। তাই এগুলো আমরা সরিয়ে ফেলছি। সহিংসতা উসকে দেয় অথবা বিপজ্জনক বা বেআইনী কার্যকলাপগুলোকে উৎসাহিত করে এমন সামগ্রী, যা গুরুতর শারীরিক ক্ষতি বা মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে, সেগুলোর টিউটোরিয়াল প্রদর্শন করা হবে না।’

বাম্প স্টক ডিভাইসটি ১০০ ডলারে বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে কেনা যায় এবং এটি বিভিন্ন ধরনের রাইফেলে সহজেই ব্যবহার করা যায়।

গুগল আনছে ছোট আকৃতির বিশেষ ক্যামেরা

ছোট আকৃতির বিশেষ ক্যামেরা বাজারে আনতে কাজ করে যাচ্ছে গুগল। সম্প্রতি বিশ্বের সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন গুগল তাদের এই ডিভাইসের কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছে। আকারে ছোট হলেও ক্যামেরাটি হবে বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন।

 

গুগল জনিয়েছে, তাদের ক্যামেরাটির নাম হবে গুগল ক্লিপস। এই ক্যামেরা মানুষের চেহারা চিনতে সক্ষম হবে। এছাড়া, চালু করার পর ডিভাইসটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করবে। অর্থাৎ কখন থেকে ভিডিও রেকর্ড করতে হবে, তার জন্য কোনও কমান্ডের প্রয়োজন হবে না। নিজ থেকেই ভিডিও করা শুরু করবে এই ডিভাইসটি।

গুগলের এই ক্যামেরাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। যার মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী ক্যামেরার সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দিতে পারবেন। পরবর্তীতে সব সময় ক্যামেরাই তাদের চিনে নেবে। পরবর্তীতে ডিভাইসটি পরিবারের সদস্য চিহ্নিত করা মাত্রই ছবি তুলে রাখবে। এসব ছবি গুগলের পিক্সেল ফোনের একটি অ্যাপে দেখা যাবে।

গুগলের এই নতুন ক্যামেরা ব্যবহারকারীদের বেশ আনন্দ দেবে বলে মনে করছেন অনেকেই। তবে কারও কারও মতে, ক্যামেরাটি যেকোনও মুহূর্তের ছবি তুলে রাখার মাধ্যমে বিব্রতকর অবস্থার জন্ম দিতে পারে। এমনকি এটা মানুষের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়গুলোও প্রকাশ করে দিতে পারে।

গুগল ক্লিপসের দাম হবে ২৪৯ ডলার। ক্যামেরাটি প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ছাড়া হবে। তবে ঠিক কোন সময়ের মধ্যে ডিভাইসটি বাজারে আসবে, তা এখনও জানায়নি গুগল কর্তৃপক্ষ।



Go Top