রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০১৬
ad
২৬ এপ্রিল, ২০১৬ ১৫:৩০:৩২
প্রিন্টঅ-অ+
‘শের-ই-বাংলার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে’
 বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, স্বাধীনতার চেতনা ও গণতান্ত্রিকবোধ সৃষ্টিতে শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হকের অসামান্য অবদানের কথা এদেশের মানুষের মন থেকে কোনো দিনই বিস্মৃত হবে না। দেশ এবং জাতির কল্যাণে অবদানের জন্য ইতিহাসের পাতায় তাঁর নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

 

মঙ্গলবার শের-ই- বাংলা এ কে ফজলুল হকের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি এই কথা বলেন।

 

ফজলুল হকের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, ‘এদেশের মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তিনি জীবনের শেষদিন পর্যন্ত সোচ্চার ছিলেন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার জন্য তিনি ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।’

 

তিনি বলেন, ‘ঋণ সালিশী বোর্ড গঠনের মাধ্যমে এদেশের কৃষককুলকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছিলেন। প্রজাস্বত্ত্ব আইন প্রণয়নের মাধ্যমে তিনি ভূমির উপর এদেশের কৃষক সমাজের অধিকার আদায়ে যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেন।’

 

বিএনপি নেত্রী ফজলুল হকের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন তিনি।

 

অপর এক বাণীতে এ কে ফজলুল হকের মৃত্যুবার্ষিকীতে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

 

তিনি বলেন, ‘এদেশের মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ে শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হকের অবদানের কথা কোনদিনই ভুলবার নয়। ব্রিটিশদের অমানবিক, অন্যায় ও চাপিয়ে দেওয়া কঠোর নিয়ম-কানুনের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে ইতিহাসে অবিস্মরণীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। এদেশের কৃষক সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে ঋণ সালিশী বোর্ড গঠন তাঁর একটি যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।’

 

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘স্বাধীকার ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে তিনি এদেশের মানুষকে যে দীক্ষা দিয়েছিলেন সেটির পথ ধরে চলতে গিয়েই আমরা বিশ্বদরবারে এখন সাহসী জাতি হিসেবে বিবেচিত। দেশ এবং জাতির কল্যাণে অবদানের জন্য তিনি ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবেন।’

 

 
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত

রাজনীতি এর অারো খবর