শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৬
ad
  • হোম
  • জাতীয়
  • মতাসীন দলের নেতা ছাড়া ‘দেশে কেউ নিরাপদ নয়’ইমরান
২৩ এপ্রিল, ২০১৬ ২১:২০:৩২
প্রিন্টঅ-অ+
বিচার চাইলে গুম-খুনও করা হচ্ছে: ইমরান
মতাসীন দলের নেতা ছাড়া ‘দেশে কেউ নিরাপদ নয়’ইমরান
ফাইল ছবি

মতাসীন দলের নেতা ছাড়া ‘দেশে কেউ নিরাপদ নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ােভ প্রকাশ করে শনিবার নিজের ফেইসবুক পেইজে এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ এনেছেন।
ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, “এদেশে শুধুমাত্র মতাসীন দলের নেতারা বাদে (কর্মীরাও খুন হচ্ছে) সবাই খুন হচ্ছে। এমনকি মতাসীন নেতা-নেত্রী ও তাদের পরিবার, আত্মীয়-স্বজনদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের বাইরে অন্য কোনো ঘটনার বিচারও হচ্ছে না।”
অন্য কোনো ঘটনার দায়-দায়িত্বও সরকার নিচ্ছে না বলে তার অভিযোগ।
সকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক এ এফ এম রেজাউল করিম সিদ্দিকীকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ফেইসবুক পেইজে ইমরানের স্ট্যাটাসের দেখা মেলে, এরই মধ্যে যাকে ‘বর্জনের’ জন্য আহ্বান জানিয়ে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রীপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়।   

সাংবাদিক শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়ে মতাসীনদের রোষে পড়া ছাত্রলীগের এই সাবেক নেতা বিচার চাওয়ার অধিকার হারিয়ে যাওয়ার কথা তুলে ধরে আরও লেখেন, “বিচার প্রার্থীদের গুম, খুন করা থেকে শুরু করে হেন কোনো অপপ্রচার নেই, যা তাদের বিরুদ্ধে করা হচ্ছে না।”

রংপুর মেডিকেল কলেজের ছাত্রলীগ নেতা ইমরান ২০১৩ সালে ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক হিসেবে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্রের দায়িত্বে আসেন।

যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ঝড়তোলা আন্দোলনের কারণে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে সারাদেশেই পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি।

অবশ্য সম্প্রতি শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়ে স্ট্যাটাস দেওয়ার পর ইমরানকে ‘সুবিধাবাদী’ আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রীপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় পাল্টা স্ট্যাটাসে অনুসারীদের প্রতি তাকে বর্জনের আহ্বান জানান।

এ বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে ইমরান লিখেছেন, “বিচার চেয়ে তো এদেশে কোনো লাভ নাই, খুন-ধর্ষণ-লুটপাটের বিচার চাইলে পুরস্কার হিসেবে পাই আনফ্রেন্ড আর প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি। আমরা কি তাহলে বিচার চেয়ে সরকারকে বিব্রত করা বন্ধ করে দেব? নাকি সবাই মিলে সরকারের দিকে আঙুল তুলে বলবো, আপনারাই রেজাউল করিম সিদ্দিকীর খুনি।”

একের পর এক হত্যাকা- নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আবারো বিশ্ববিদ্যালয় শিক খুন! কে হচ্ছে না খুন? বিশ্ববিদ্যালয় শিক, স্কুল ছাত্র, কলেজ ছাত্র, বিশ্ববিদ্যালয় শিার্থী, গৃহকর্মী, লেখক, প্রকাশক, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত? কে বাদ আছে? যখন সকলেই অনিরাপদ তখন ড. রেজাউল করিম সিদ্দিকী ধর্ম প্রচারক ছিলেন নাকি উদার মানসিকতার ছিলেন, এটা ফালতু আলোচনা।

“এটা শুধুমাত্র সরকারেরই প্রয়োজন হতে পারে আমাদের মতো বোকা নাগরিকদের বিভক্ত করার কাজে। ধর্ম প্রচারক হলে স্ক্রিপ্টে লেখা হবে জঙ্গী আর উদার হলে নাস্তিক, দায়দায়িত্ব শেষ!”
 
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত

জাতীয় এর অারো খবর