রাত ৪:১৮, মঙ্গলবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০১৭ ইং
/ বিনোদন

অভি মঈনুদ্দীন : তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নাংিকা পপি এরইমধ্যে চলচ্চিত্রে বিশ বছর পূর্ণ করেছেন। ১৯৯৭ সালের ১৬ মে মুক্তি পায় পপি অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘কুলি’। প্রথম চলচ্চিত্রে তার বিপরীতে নায়ক হিসেবে ছিলেন সেই সময়ের তুমুল ব্যস্ত নায়ক ওমরসানী। মনতাজুর রহমান আকবর এবং ্ওমরসানীর সহযোগিতায় কুলি নিজের অভিনয় দক্ষতা পর্দায় উপস্থাপন করতে পেরেছিলেন বলে প্রথম চলচ্চিত্রেই পপি দর্শকের মন জয় করে নেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজো পপি দর্শকের মন জয় করে চলেছেন।দেখতে দেখতে চলচ্চিত্রের পথচলায় বিশ বছর পূর্ণ করে এগিয়ে চলেছেন আগামীর পথে। চলচ্চিত্র জীবনের দীর্ঘদিনের এই পথচলা প্রসঙ্গে পপি বলেন,‘ মহান আল্লাহর কাছে অসীম কৃতজ্ঞতা।

সেই সাথে আমার বাবা মা, আমার প্রথম স্টিল ফটোগ্রাফির ক্যামেরাম্যান চঞ্চল মাহমুদ ভাই, প্রথম সিনেমার পরিচালক মনতাজুর রহমান আকবর ভাই, প্রথম সিনেমার নায়ক ওমরসানী ভাই, সাপ্তাহিক আনন্দ বিচিত্রা’র সম্পাদক প্রয়াত শাহাদত চৌধুরী ভাই, প্রথম সিনেমার প্রযোজক সিদ্দিকুর রহমান ভাই, নায়ক ফারুক ভাই, আলমগীর ভাই, ববিতা ম্যাডাম, নৃত্য পরিচালক মাসুম বাবুল ভাই,গুণী বরেণ্য পরিচালক মালেক আফসারী, বাদল খন্দকার , নারগিস আক্তার , সামিয়া জামান, সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান ডায়ম-’সহ সাংবাদিক ইমরুল শাহেদ’সহ আমার আরো বহু সুপারহিট চলচ্চিত্রের পরিচালকদের প্রতি। সবাই যার যার অবস্থানে থেকে আমাকে দারুণভাবে সহযোগিতা করেছেন। সর্বোপরি র্দশকের কাছে আমি অনেক বেশি কৃতজ্ঞ। কারণ তারাই আমাকে তাদের ভালোবাসা দিয়ে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছেন।’  পপি প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান ২০০৩ সালে সাংবাদিক ইমরুল শাহেদ’র প্রযোজনা সংস্থা ‘তন্নি তন্ময় কথাচিত্র’ প্রযোজিত কালাম কায়সার পরিচালিত ‘কারাগার’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য।

এরপর তিনি নারগিস আক্তারের ‘মেঘের কোলে রোদ’ এবং সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান ডায়ম-ের ‘গঙ্গাযাত্রা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন।
১৯৯৫ সালে  খুলনার শিববাড়ির ইব্রাহিম মিয়া রোডের জমিদার বাড়ির কন্যা সাদিকা পারভীন পপি ‘আনন্দ বিচিত্রা ফটোসুন্দরী’ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের আগে গিনি শহীদুল হক খানের নির্দেশনায় ‘নায়ক’ নামের একটি নাটকে অভিনয় করেন।  পপি প্রসঙ্গে মনতাজুর রহমান আকবর বলেন,‘ পপিকে আমার মেয়ের মতোই মনেকরি। একজন বাবা যখন মেয়েক বিয়ে দিয়ে দেয় তখন তাকে নিয়ে চিন্তা আরো বেড়ে যায়। সে কেমন আছে, সবার সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতে পারছে কী না,এমন আরো অনেক ভাবনা। পপিকে নিয়েও আমার চিন্তা ঠিক তেমনি। সে যেখানেই থাকুক, যার চলচ্চিত্রেই কাজ করুক যেন ভালো করে, ভালো থাকে এই দোয়াই আমার আজীবন থাকবে।’

পপির প্রথম সিনেমার নায়ক ওমরসানী বলেন,‘ দূর থেকে ওর জন্য শুধু দোয়া করি ও যেন ভালো থাকে। ’ পপির নিজের অভিনীত প্রিয় চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘কুলি’, ‘কারাগার’, ‘মেঘের কোলে রোদ’, ‘লাল বাদশা’, ‘মেঘের কোলে রোদ’, ‘ও আমার ছেলে’, ‘রানী কুঠির বাকী ইতিহাস’, ‘কী যাদু করিলা’ ইত্যাদি। ছবি : মোহসীন আহমেদ কাওছার

অপুর নায়ক রিয়াজ

বিনোদন প্রতিবেদক : অবশেষে চলচ্চিত্রে ফিরছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। তার কামব্যাক ছবির নায়ক হতে যাচ্ছেন তারকা অভিনেতা রিয়াজ। সম্প্রতি এই দুই শিল্পীকে একসঙ্গে দেখা গেছে একাধিক বিজ্ঞাপনচিত্রে। নাম চূড়ান্ত হওয়া ছবিটিতে এরই মধ্যে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন অপু বিশ্বাস। এটি তৈরি করবেন অপূর্ব রানা। ১ ডিসেম্বর থেকে এর দৃশ্যধারণ শুরু হবে। রিয়াজের সঙ্গে প্রাথমিক আলাপ হয়েছে নির্মাতার। রিয়াজ জানান, ‘আমি এখনও চুক্তিবদ্ধ হইনি। প্রাথমিক আলাপ হয়েছে।

নায়িকা হিসেবে অপুর কথা জেনেছি। চিত্রনাট্য হাতে পেলে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবো।’ রিয়াজ আরো জানান, গল্প ও চরিত্র পছন্দ না হলে কাজটি তিনি করবেন না। কারণ গতানুতিক ধারার ছবিতে তিনি আর থাকতে চান না। এদিকে এসব ব্যাপারে মুখ খোলেননি অপু বিশ্বাস। তবে ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি। ছবির সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বলছে, রিয়াজ-অপুকে নিয়ে হিন্দু-মুসলমান তরুণ-তরুণীর প্রেমের গল্প তুলে ধরা হবে চলচ্চিত্রটিতে। এতে আরেকটি নতুন জুটিকে দেখা যাবে। এর মধ্যে নায়ক চূড়ান্ত হয়নি। নায়িকা হিসেবে থাকছেন লিয়ানা লিয়া।

‘মন জানে তুই’ এক দিনে এক লাখ

বিনোদন প্রতিবেদক : একদিন আগেই বঙ্গবিডির ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ হয়েছে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’ ছবির গান ‘মন জানে তুই’। গানটি গেয়েছেন ইমরান ও কনা। ফয়সাল রাব্বিকীনের কথায় গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ইমরান। আর গানটিতে পারফর্ম করেছেন বাপ্পী চৌধুরী ও বিদ্যা সিনহা মিম। একদিনেই এ গানটি ইউটিউবে উপভোগ করেছেন এক লাখেরও  বেশি শ্রোতা-দর্শক। এ প্রসঙ্গে ইমরান বলেন, আসলে ভালো গান হলে যে মানুষ সেটা শোনে ‘মন জানে তুই’ গানটি তার প্রমাণ। পকাশের একদিন হলেও গানটি থেকে দুর্দান্ত সাড়া পাচ্ছি।

ফেসবুক ইনবক্সে ও ফোনে গানটির জন্য অনেকেই অভিনন্দন জানাচ্ছেন। আমার বিশ্বাস সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গানটি শ্রোতারা আরও বেশি পছন্দ করবেন। কনা বলেন, ইমরানের সঙ্গে আমার করা গানগুলো দর্শক আগেও পছন্দ করেছেন। এবারও তার ব্যাতিক্রম হয়নি। একদিনেই এ গানটি থেকে অনেক শ্রোাতা-দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছি। আমি আনন্দিত। এদিকে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’ ছবিতে অভিনয় করেছেন ডিপজল, মৌসুমী, বাপ্পী, মিমসহ অনেকে। ছবিটি চলতি মাসের ২০ তারিখ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।

এই বিভাগের আরো খবর

বগুড়ায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে তিনদিনব্যাপী নাট্যকর্মশালা

বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের অন্যতম নাট্য সংগঠন বগুড়ার কলেজ থিয়েটার সংগঠনের চলমান কর্মসূচিকে আরো বেগবান করতে নতুন নাট্যকর্মী সংগ্রহের জন্য আজ থেকে শুরু হচ্ছে তিনদিনব্যাপি নাট্য কর্মশালা। প্রতিদিন বিকেল তিনটা থেকে জেলা পরিষদ এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজ, সরকারি শাহ সুলতান কলেজ, সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজ, সোনাতলার সরকারি নাজির আখতার কলেজ, গাবতলীর সৈয়দ আহম্মদ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, সারিয়াকান্দি ডিগ্রী কলেজ, বগুড়া পুলিশ লাইনস্ স্কুল এন্ড কলেজ, বেসরকারি পলিটেকনিক বিআইআইটি এবং করতোয়া মাল্টিমিডিয়া স্কুল এন্ড কলেজ  থেকে মোট ৯০ জন নিজ নিজ ক্যাম্পাসে এবং এসএমএস’র মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছে।

 নাট্য কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের কেন্দ্রীয় সভাপতি মন্ডলীর সদস্য লোকনাট্য গবেষক কাজী সাঈদ হোসেন দুলাল, সাধারণ সম্পাদক নাট্যকার ও নাট্যনির্দেশক তৌফিক হাসান ময়না,  সাংগঠনিক সম্পাদক নাট্যনির্দেশক সাঈদ রিংকু, কার্যনির্বাহী সদস্য নাট্যনির্দেশক আব্দুল হান্নান, সরকারি আজিজুল হক কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. গাজী তৌহিদুল আলম চৌধুরী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি এবং দৈনিক করতোয়ার র্বাতা সম্পাদক প্রদীপ ভট্টার্চায শংকর, থিয়েটার আইডিয়ার পরিচালক নিভা রাণী সরকার, বগুড়া থিয়েটারের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য দ্বীন মোহম্মদ দীনু, সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান কবির, কার্যনির্বাহী  সদস্য বিশিষ্ট মঞ্চ ও টিভি অভিনেতা রুবল লোদী, মাসউদ করিম এবং কলেজ থিয়েটারের সাবেক আহবায়ক গোলাম মোস্তফা জিহন। আজ দুপুর আড়াইটায় তিনদিনব্যাপী নাট্য কর্মশালার উদ্বোধন করবেন সরকারি আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ এবং কলেজ থিয়েটার বগুড়ার প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মোঃ সামস্-উল আলম জয়। খবর বিজ্ঞপ্তির।

ঋতু-শুভ’র দ্বিতীয় লটের কাজ শুরু

অভি মঈনুদ্দীন : গেলো ৬ অক্টোবর মুক্তিপ্রাপ্ত আলোচিত এবং দর্শকপ্রশংসিত চলচ্চিত্র দীপংকর দীপন পরিচালিত ‘ঢাকা অ্যাটাক’ চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের কারণে এই মুহুর্তে বেশ আলোচনায় রয়েছেন চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ। চলচ্চিত্রটির দর্শকপ্রিয়তায় আরিফিন শুভ আছেন বেশ খোশ মেজাজে। এই চলচ্চিত্রেই তিনি প্রথম চিত্রনায়ক আলমগীরের সঙ্গে অভিনয় করার সুযোগ পান। কিন্তু আলমগীরেরই নির্দেশনায় চলচ্চিত্রে শুভ অভিনয় করবেন এমনটা ভাবনায়ও ছিলো না তার। কিন্তু শুভ’র সৌভাগ্য হয়েছে আলমগীরের নির্দেশনায় ‘একটি সিনেমার গল্প’ চলচ্চিত্রে কাজ করার। এরইমধ্যে গেলো ১০ অক্টোবর থেকে গাজীপুরের খতিব খামারবাড়িতে ঋতুপর্ণা’র সঙ্গে একটি গানের দৃশ্যায়নের শুটিং-এ অংশ নিয়েছেন আরিফিন শুভ।

 ‘আমার জামা কাপড় গুছাইয়া দে নকশী করা ব্যাগেতে, দুবাই যাবো’ এমন কথার গানটিরই দৃশ্যায়ণে অংশগ্রহণের মধ্যদিয়ে আবারো ঋতুপর্ণা এবং আরিফিন শুভ ‘একটি সিনেমার গল্প’ চলচ্চিত্রের শুটিং-এর কাজ শুরু করেছেন। গানটি লিখেছেন মনিরুজ্জামান মনির, সুর সঙ্গীতায়োজন করেছেন শওকত আলী ইমন এবং গানটিতে কন্ঠ দিয়েছেন মনির খান ও কোনাল। গানটির কোরিওগ্রাফি করছেন গুনী নৃত্যপরিচালক মাসুম বাবুল। গানটির দৃশ্যায়ণে অংশ নেয়া প্রসঙ্গে ঋতুপর্ণা বলেন, ‘ মাসুম বাবুল আমার খুব প্রিয় একজন মানুষ, প্রিয় এবং মেধাবী একজন কোরিওগ্রাফার। আমি যখন প্রথম স্বামী কেন আসামী চলচ্চিত্রে কাজ করার জন্য ঢাকায় আসি, তখন প্রথম তার দেখিয়ে দেয়া একটি নাচের দৃশ্য দিয়েই ঢাকার ক্যামেরার সামনে প্রথম দাঁড়ানো।

এরপর তার কোরিওগ্রাফিতে অনেক চলচ্চিত্রে কাজ করেছি। সবসময়ই তিনি খুব ভালো কাজ করেন। অবসর সময়ে আমরা ভীষণ আড্ডা দেই। শুভ আর আমার এ গানটির কাজ সত্যিই অসাধারণ হয়েছে।’ আরিফিন শুভ বলেন,‘ চলচ্চিত্রে এমন কিছু গান থাকে যা সাধারণ দর্শককে খুব আনন্দ দেয়, গান শুনে নাচতে ইচ্ছে করে, কিছু গান থাকে দেশের আনাচে কানাচে বাজে দুবাই যাবে শিরোনামের গানটি এমনই একটি গান। এই গানটি একটি সিনেমার গল্প’র ভেতরের আরেকটি সিনেমার গল্পের গান। যেখানে আমাকে গ্রামের ছেলের চরিত্রে দর্শক প্রথম দেখবেন।

মাসুম ভাইয়ের কোরিওগ্রাফিতে আমি এবং ঋতু দিদি চেষ্টা করেছি গানটিকে দর্শকের কাছে উপভোগ্য করে তোলার। আশা করছি দর্শকের ভালোলাগবে।’ আলমগীরের প্রযোজনা সংস্থা ‘আইকন এন্টারটেইনম্যান্ট’র ব্যানারে ‘একটি সিনেমার গল্প’ নির্মিত হচ্ছে। এতে বিভিন্ন চরিত্রে আরো অভিনয় করছেন সৈয়দ হাসান ইমাম, আলমগীর, সাদেক বাচ্চু, চম্পা, সাবেরী আলম, ববি, জ্যাকি আলমগীর প্রমুখ। ছবি ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার।

এই বিভাগের আরো খবর

কথিত ধর্মগুরু রাম রহিমের ঘনিষ্ঠ ছিলেন সানি লিওন!

বিনোদন ডেস্ক : ভারতের কথিত ধর্মগুরু রাম রহিম সিংয়ের ওপর নির্মিত সিনেমায় অভিনয় করছেন রাখি সাওয়ান্ত, এটা পুরোনো খবর। তবে নতুন খবর হলো এ ছবির একটি আইটেম গানে নাচতে দেখা যাবে সানি লিওনকে। তবে সত্যিকারের সানি নন, তার চরিত্রে অভিনয় করবেন একজন। ছবিটিতে সানি লিওনের একটি চরিত্র রাখা হবে। কারণ রাম রহিমের সঙ্গে তিনিও দেখা করেছিলেন।

তার সামনে নেচেছিলেনও তিনি। সানির সঙ্গে নাকি রাম রহিমের ঘনিষ্ঠতাও ছিলো বেশ। এমনটাই জানিয়েছেন রাখি। রাখির দাবি, রাম রহিম সম্পর্কে সব সত্য তথ্য ছবিতে দেখানো হবে। ছবির কাজ শেষ হচ্ছে আগামী জানুয়ারিতে। ধর্ষণের দায়ে রাম রহিম সিং এখন জেলে। তার সহকারী ও পালিত কন্যা হানিপ্রীত আত্মসমর্পণ করেছেন। ছবিতে হানিপ্রীতের অংশও থাকবে।

এই বিভাগের আরো খবর

‘আমি তুমি এবং সেই রাত’-এ জেনি-নিলয়

অভি মঈনুদ্দীন : হাসপাতালের বিছানায় গুরুতর অসুস্থাবস্থায় নিঃসঙ্গ সময় কাটাচ্ছেন নাট্যনির্মাতা শেখ রুনা। গত ৮ সেপ্টেম্বর সড়ত দুর্ঘটনায় মারাত্বকভাবে আহত তিনি। কিন্তু তাতে কী নিজের কাজ থেকে দূরে সরে থাকেননি তিনি। নিজের নির্মিত নাটক ‘আমি তুমি এবং সেই রাত’র সম্পাদনার কাজ শেষ করালেন তিনি মুঠোফোনে নির্দেশনা দিয়েই। আর তাকে এই সম্পাদনার কাজে দারুণভাবে সহযোগিতা করছেন নাট্যনির্মাতা কামরুজ্জামান সাগর। সম্পাদনার কাজ প্রায় শেষের দিকে যখন, তখন তিনি হাসপাতাল থেকে সম্পাদনা দেখতে গিয়েছিলেন গেলো শুক্রবার। আর তাতেই নিজের নির্দেশিত নাটকের সার্বিক কাজ স্ক্রিনে দেখে আবেগী হয়ে উঠেন শেখ রুনা। তার নাটকটির সম্পাদনার কাজ করেছেন অনেক যতœ নিয়ে কিশোর আল মামুন।

 এ নাটকে আবারো জুটিবদ্ধ হয়ে অভিনয় করেছেন জেনি ও নিলয়। নাটকটি রচনা করেছেন অনুরূপ আইচ। নাটকটি প্রসঙ্গে শেখ রুনা বলেন,‘ এ নাটকটি একটি ভৌতিক নাটক। অনুরূপ দা বেশ আন্তরিকতা নিয়ে নাটকটি রচনা করেছিলেন। আমিও চেষ্টা করেছিলাম যতœ নিয়ে নাটকটি নির্মাণ করার। নাটকে জেনি ও নিলয় অসাধারণ অভিনয় করেছেন। শুটিং-এর সময় আমাকে তারা দু’জনই দারুণভাবে সহযোগিতা করেছিলেন। আমি কৃতজ্ঞ তাদের প্রতি। ’ নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে জেনি বলেন,‘ যতোদূর মনে পড়ে ১৯৬৪’র একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে নাটকটির গল্প রচিত হয়েছিলো। আমি’সহ আমরা যারা কাজ করেছি বেশ আগ্রহ নিয়েই কাজটি করেছি। সবমিলিয়ে বলা যায় একটি ভালো কাজ ছিলো এটি। ’ শেখ রুনা জানান , শিগগিরই নাটকটি একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলে প্রচার হবে।

 এদিকে নিলয় ও শখ অভিনীত সানিয়াত পরিচালিত ‘অল্প অল্প প্রেমের গল্প’ চলচ্চিত্রটি দর্শকের কাছে বেশ গ্রহণযোগ্যতা পেলেও পরবর্তীতে নিলয়কে আর কোন চলচ্চিত্রে অভিনয়ে দেখা যায়নি।  শেখ রুনা নির্দেশিত উল্লেখযোগ্য নাটক হচ্ছে ‘অপু তুমি কে’, ‘মনের আকাশ’ ,‘পুর্ণাবৃত্তি’, ‘বাকল’, ‘রাজবন্ধীর চিঠি’, ‘ভালোবাসার আশেপাশে’। টেলিফিল্ম ‘মন চোরা’,‘মন ছুঁয়ে যায়’, ‘ভালোবাসা ছুঁয়ে যায়’, ‘হয়তো তব্ওু ভালোবাসা’, ‘তোমাকে আর পাইনা’ ও ‘স্বপ্নে বসবাস’। তার নির্দেশিত উল্লেখযোগ্য ধারাবাহিক নাটক হচ্ছে বিটিভিতে প্রচারিত ‘আদালত’ এবং এটিএন বাংলায় প্রচারিত ‘ভুল সবই ভুল’। জেনি ও নিলয়কে নিয়ে তিনি প্রথম রোমান্টিক ঘরানার বাইরে কোন নাটক নির্মাণ করলেন। নাটকটি নিয়ে শেখ রুনা খুউব আশাবাদী। ছবি : মোহসীন আহমেদ কাওছার

এই বিভাগের আরো খবর

ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিলেন মিলা

বিনোদন প্রতিবেদক : অনেক ভেবে চিন্তে অবশেষে স্বামীকে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জনপ্রিয় পপ তারকা মিলা ইসলাম। খুব জলদি এর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি। মিলাকে মারধরের অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার করা হয় তার স্বামী পারভেজ সানজিরকে। মিলার নারী ও শিশু নির্যতন মামলার বিপরীতে শুক্রবার পাঁচদিনের রিমান্ড চেয়ে পারভেজকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে শনিবার সকালেই ডিভোর্সের সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানান মিলা। এর কারণও ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, আমি ডিভোর্সের পাকাপাকি সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

 ১০ বছর সম্পর্কের পর আমি পারভেজকে বিয়ে করেছিলাম। কিন্তু বিয়ের ১৩ দিন যেতে না যেতেই আমি তার একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি জানি। সে আমার সঙ্গে অবিরত প্রতারনা করে গেছে। কোন স্ত্রী তার স্বামীর এসব সম্পর্কের বিষয়টি মানবে না। আমি অনেক চেষ্টা করেছি তাকে ফেরাতে। কিন্তু সেটা হয়নি। সে আমাকে মানসিক নির্যাতনের পর শারীরিক নির্যাতনও শুরু করেছিলো। কিন্তু আর সহ্য করা যাচ্ছিলো না। অন্যদিকে আমি জানি অনেক তরুণী আমাকে আদর্শ হিসেবে মানে। সেদিক থেকে আমি পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করি। এবার আমি ডিভোর্সের পথে এগুবো।

এই বিভাগের আরো খবর

উপস্থাপনাতেই স্বাচ্ছন্দ্যতা মারিয়া নূরের

অভি মঈনুদ্দীন : মারিয়া নূর, এই সময়ে দর্শকের পছন্দের একজন উপস্থাপিকা। একজন ফ্যাশন সচেতন উপস্থাপিকা হিসেবেও তার রয়েছে বেশ সুনাম। মিডিয়াতে তার যাত্রাটা ছিলো একজন আরজে হিসেবে। ২০০৯ সালে রেডিও এবিসি’র আর জে হয়ে তার প্রথম কাজ। তবে শাহরিয়ার শাকিলের নির্দেশনায় চ্যানেল টুয়েন্টি ফোর-এ প্রচারিত ট্রাভেল শো ‘সার্কেল দ্য গ্লোব’-এর উপস্থাপনা করে আলোচনায় আসেন তিনি। এই অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়েই দর্শকের কাছে তিনি পরিচতি হন একজন উপস্থাপিকা হিসেবে। বলা যায় উপস্থাপনায় আগামীর পথে এগিয়ে যেতে ‘সার্কেল দ্য গ্লোব’ যেন একটি শক্ত ভীত তৈরী করে দেয়। এরপর তিনি চ্যানেল নাইনে প্রচারিত ‘ট্রাভেলার্স স্টোরি’রও উপস্থাপনা করে প্রশংসিত হন। একজন উপস্থাপিকা হিসেবে এগিয়ে যাবার পথ যেন আরো দৃঢ় হয় তার। পাঁচ অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত পাঁচজন নারীকে নিয়ে নির্মিত জিটিভিতে প্রচারিত ‘ফাইভ ফিমেল ফ্রে-স’ ধারাবাহিকে একজন আরজে’র চরিত্রে অভিনয় করে অভিনেত্রী হিসেবেও প্রশংসিত হন তিনি। তবে এর আগে তিনি তৌকীর আহমেদ’র বিপরীতে গোলাম মুক্তাদীর শানের নির্দেশনায় ‘কবিতার নারী অ’কবিতার নারী’ নাটকে প্রথম অভিনয় করেন।

 এতে তিনি বনলতা চরিত্রে অভিনয় করেন। প্রথম নাটকে বনলতা চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হন তিনি। সেই বনলতা’ই আজকের মারিয়া নূর। গেলো ঈদেও তৌকীর আহমেদ’র নির্দেশনায় ‘দাম্পত্য’ নাটকে অভিনয় করেও মারিয়া নূর নন্দিত হন দর্শকের কাছে। গত বছর ঈদে ‘লাক্স স্টাইল চেক’র অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেও বেশ প্রশংসিত হয়েছিলেন মারিয়া নূর। এটি নির্দেশনা দিয়েছিলেন তানিয়া আহমেদ। মারিয়া নূর বলেন, ‘উপস্থাপনাতেই আমি স্বাচ্ছন্দ্যতা খুঁজে পাই। তবে মাঝে মাঝে অভিনয় করতে ভালোই লাগে। যারা শুরু থেকে আমাকে উপস্থাপনায় এগিয়ে যেতে সহযোগিতা করে আসছেন তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। উপস্থাপনা করে দর্শকের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি সাগা পেয়েছিলাম ২০১৪ সালে টি টুয়েন্টি ওয়ার্ল্ডকাপে ক্রিকেট শো করে। এরপর তানিয়া আপুর নির্দেশনায় লাক্স স্টাইল চেক’র কাজ করে ভীষণ ভালোলেগেছিলো। তিনি খুব ঠা-া মাথায় কোরিওগ্রাফি, কস্টিউম ডিজাইন’সহ অন্যান্য আনুষঙ্গিকি বিষয়ে অধিক মনোযোগী থেকে কাজ করেছিলেন। এ কাজটি আমার জন্য ছিলো আশীর্বাদের মতো। অথচ এই অনুষ্ঠানটি আমার করারই কথা ছিলো না।

 কারণ ২০১৫ সালে যখন এটি করার কথা ছিলো, আমার তখন সিডিউল ছিলো না। প্রযোজক সাজু মুনতাসির আমার জন্যই তা পরের বছর করেন কাজটি।’ গেলো ঈদে তৌকীর আহমেদ’র নির্দেশনায় নাটকে শূটিং-এর সময় অভিনয়ে নিয়মিত হবার কথাও বলেন তৌকীর আহমেদ। কিন্তু মারিয়া নূরের আগ্রহ উপস্থাপনায় নিয়মিত থাকা। এর আগে চ্যানেল আই’র আয়োজনে ‘ক্ষুদে গানরাজ’,‘ফেয়ার অ্যা- হ্যা-সাম’র গ্র্যা- ফিনালের উপস্থাপনা করলেও এবার ‘সেরা কন্ঠ-সিজন সিক্সর’র পুরোটারই উপস্থাপনা করছেন তিনি। ইজাজ খান স্বপনের নির্দেশনায় এবারই প্রথম তিনি ‘সেরাকন্ঠ’র উপস্থাপনা করছেন। কুমিল্লার মেয়ে মারিয়া নূরের বাবা মোঃ আব্দুল লতিফ খান ও মা নাসিমা খান। শান্তা মারিয়াম ইউনিভার্সিটি থেকে ফ্যাশন ডিজাইনিং-এ ডিপ্লোমা এবং ঢাকার সিটি কলেজ থেকে অনার্স মাস্টার্স সম্পন্ন করা মারিয়া নূরের জন্মদিন ২১ মার্চ। এই সময়ে অনেকেই উপস্থাপনার সঙ্গে জড়িত। তবে ভিন্নমাত্রার উপস্থাপনার মধ্যদিয়ে অনেকের মধ্যেই মারিয়া নূর নিজেকে আলাদা করে নিয়েছেন। ছবি : মোহসীন আহমেদ কাওছার

এই বিভাগের আরো খবর

সে দাঁড়িয়ে দূয়ারে’তে মেহজাবিন-জোভান

বিনোদন রিপোর্টার : খুব বেশি নাটক-টেলিফিল্মে মেহজাবিন চৌধুরী ও জোভান একসঙ্গে অভিনয় করেননি। তবে যে ক’টি কাজ তারা একসঙ্গে অভিনয় করেছেন তা দর্শকের কাছে বেশ গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। গেলো ঈদে ‘প্রিয়’ নামের একটি নাটকে মেহজাবিন ও জোভানের অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। এর আগে রোমান্টিক গল্পের নাটক টেলিফিল্মেই দু’জনকে দেখা গেছে। তবে এবার সেই ধারার বাইরে সিরিয়াস একটি গল্পের টেলিফিল্মে তারা দু’জন একসঙ্গে অভিনয় করেছেন। টেলিফিল্মের নাম ‘সে দাঁড়িয়ে দূয়ারে’। গেলো ৪ অক্টোবর থেকে গতকাল পর্যন্ত রাজধানীর উত্তরার একটি শূটিং হাউজে এর শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। এতে দর্শক নতুন এক মেহজাবিনকে দেখতে পাবেন বলে টেলিফিল্মের নির্মাতা ফয়েজ আহমেদ রেজা জানিয়েছেন।

টেলিফিল্মটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে মেহজাবিন বলেন,‘ আমি সবসময়ই গল্প এবং আমার চরিত্রের প্রতি জোর দিয়ে আসছি। এখনো ঠিক তাই। সে দাঁড়িয়ে দুয়ারে’তে আমাকে একটি চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয়ে দেখা যাবে। চরিত্রটিতে নিজেকে যথাযথভাবে ফুটিয়ে তোলার  জন্য আমার একটু বাড়তি প্রস্তুতি ছিলো। আশাকরি জোভানের সঙ্গে এ কাজটি দর্শকের ভালোলাগবে।’ জোভান বলেন,‘ মেহজাবিনের সঙ্গে আমার প্রথম কাজ ২০১৩ সালে।

এরপর থেকে তারসঙ্গে বেশকিছু নাটক টেলিফিল্মে অভিনয় করেছি। আমাদের দু’জনের মধ্যে কাজের বোঝাপড়াটা দারুণ। শুটিং-এর ফাঁকে ফাঁকে একসঙ্গে বসে স্ক্রিপ্ট পড়ে নিয়ে দু’জনই চরিত্রের মধ্যে ডুবে থাকার চেষ্টা করি। তাতে অভিনয়ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠে। আমি এ কাজটি নিয়ে দারুণভাবে আশাবাদী। ’ পরিচালক জানান শিগগিরই টেলিফিল্মটি একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলে প্রচার হবে। টেলিফিল্মটিতে আরো অভিনয় করেছেন লীনা আহমেদ, শিল্পী সরকার অপু’সহ নবাগত আরো কয়েকজন অভিনয়শিল্পী।

 মেহজাবিন ও জোভান একসঙ্গে প্রথম আতিক জামানের নির্দেশনায় ‘ইউনিভার্সিটি’ ধারাবাহিকে অভিনয় করেন। আর বি প্রীতমের নির্দেশনায় ক্লোজআপ কাছে আসার গল্পে ‘কেউ জানে না’ নাটকটি ছিলো মেহজাবিন ও জোভান অভিনীত সাম্প্রকি সময়ের দর্শকপ্রিয় নাটক। গেলো ঈদে শাহীন সরকারের নির্দেশনায় ‘প্রিয়’ নাটকেও তাদের দু’জনের অনবদ্য অভিনয় প্রশংসিত হয়। এদিকে মেহজাবিন এরইমধ্যে শেষ করেছেন মিজানুর রহমান আরিয়ানের নির্দেশনায় ভালোবাসা দিবসের নাটক ‘আস্থা’র কাজ। এতে তার বিপরীতে আছেন অপূর্ব। এছাড়া গেলো পূজায় দশমীতে বাংলাভিশনে অঞ্জন আইচ নির্দেশিত ‘আমি তোমার কথা বলবো কাকে’ নাটকেও তার অভিনয় প্রশংসিত হয়। এতে তার বিপরীতে ছিলেন আফরান নিশো।

এই বিভাগের আরো খবর

ঈদের পর আবারও একসঙ্গে চঞ্চল, খুশী ও মিলি

বিনোদন রিপোর্টার : গেলো ঈদে চঞ্চল চৌধুরী, শাহানাজ খুশী ও ফারহানা মিলি একটি খন্ড নাটকে অভিনয় করেছিলেন। তবে এই তিন তারাক একটি প্রচার চলতি ধারাবাহিকেও নিয়মিত অভিনয় করছেন। বেশ কিছুদিন আগেই এনটিভিতে প্রচার শুরু হয়েছে চঞ্চল চৌধুরী, শাহানাজ খুশী ও ফারহানা মিলি অভিনীত মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত ধারাবাহিক ‘পোস্ট গ্র্যাজুয়েট’। আজ এই তিন তারকা অভিনীত এই ধারাবাহিকটির ৬০’তম পর্ব প্রচার হবে। আজ রাত ৮.২০ মিনিটে এনটিভিতে এই তারকার অনবদ্য অভিনয় দর্শক উপভোগ করবেন। নাটকটিতে চঞ্চল চৌধুরী পলাশ চরিত্রে, শাহানাজ খুশী খুশী চরিত্রে এবং ফারহানা মিলি আশা চরিত্রে অভিনয় করছেন। এরইমধ্যে দর্শকের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে নাটকটি।

 নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে চঞ্চল চৌধুরী বলেন,‘ একজন অভিনেতা হিসেবে আমার দায়িত্ব হচ্ছে চরিত্রে মনোযোগী থেকে অভিনয় করে যাওয়া। যথারীতি আমি তাই করে যাচ্ছি। বাকীটা নির্ভর করছে দর্শকের উপর। তারাই নাটকের ভালো মন্দ বিচার করবেন। আমরা সবাই মিলে একটি ভালো কাজ করার চেষ্টা করছি।’ শাহনাজ খুশী বলেন,‘ নাটকে আমি স্বনামেই অভিনয় করছি এবং শুরু থেকেই আমার চরিত্রটি আমি যথাযথভাবে করে যাবার চেষ্টা করছি।’ ফারহানা মিলি বলেন,‘ এ নাটকে আমি আশা চরিত্রে অভিনয় করছি। সবমিলিয়ে আমরা একটি ভালো কাজ দর্শককে দেবার চেষ্টা করছি। দর্শকের ভালোলাগলেই আমাদের কষ্ট সার্থক।’ উল্লেখ্য ধারাবাহকটি রচনা করছেন পরিচালক নিজেই।

 চঞ্চল চৌধুরী, শাহানাজ খুশী ও ফারহানা মিলি গেলো ঈদে দীপু হাজরার নির্দেশনায় ‘হ্যাপি ফ্যামিলি’ নাটকে অভিনয় করেছিলেন একসঙ্গে। নাটকটি বেশ দর্শকপ্রিয়তা পায়। ‘পোস্ট গ্র্যাজুয়েট’ ধারাবাহিকটি ১০৫ পর্ব পর্যন্ত প্রচার হবে বলে জানালেন মুস্তাফা কামাল রাজ। চঞ্চল চৌধুরী ও ফারহানা মিলি অভিনীত গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘মনপুরা’ চলচ্চিত্রটি এখনো দর্শকের কাছে প্রিয় একটি চলচ্চিত্র। দর্শক এখনো এই জুটিকে বড় পর্দায় দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেন। ‘মনপুরা’র পর চঞ্চল চৌধুরীর আলোচিত চলচ্চিত্র ‘আয়নাবাজি’। মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার অভিনীত ‘দেবী’ চলচ্চিত্রটি। মিলিকে ‘মনপুরা’র পর আর চলচ্চিত্রে অভিনয়ে দেখা যায়নি। উল্লেখ্য চঞ্চল, খুশী ও মিলি গেলো ৪ অক্টোবর থেকে রাজধানীর ইস্কাটনে প্রিয়াংকা শুটিং হাউজে আবার শুটিং শুরু করেছেন। ছবি ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার।

এই বিভাগের আরো খবর

মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের দ্বিতীয় রানারআপ চমকও বিবাহিতা!

করতোয়া ডেস্ক: মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় যৌথভাবে দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন রুকাইয়া জাহান চমক। এবার জানা গেল তিনি বিবাহিতা! ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে চমকের বিয়ে হয়। তার স্বামীর নাম খান এইচ কবির। বিয়ে হওয়ার পর ২০১৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি চমকের স্বামী ফেসবুকে ম্যারিড ইউথ চমক দেন। পরের বছর তারা স্বামী-স্ত্রী প্রথম বর্ষপূর্তি পালনও করেন!

সোশ্যাল মিডিয়ায় চমকের স্বামী কবিরের বিয়ের রিলেশন স্ট্যাটাস ভাইরাল হয়েছে! সেখানে চমককে নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ক্যাপশনও দিয়েছেন তার স্বামী কবির। এছাড়া দুটি সেলফি পোস্টও করা হয়েছে। স্ট্যাটাসে চমকের স্বামী দিয়েছেন চমকের সাথে তার বিয়ে হয়েছে ২০১৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি। চমকের বিয়ের বিষয়টি অন্তর শোবিজ কর্তৃপক্ষ সত্যতা নিশ্চিত করেছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, আমরা জেনেছি চমক বিবাহিত। সেজন্য তাকে যৌথভাবে তৃতীয় করা হয়েছে। নইলে তাকে আমরা দ্বিতীয় করতাম। এর আগে চমক বলেছে ছেলেটি নাকি তার প্রেমিক। কিন্তু আমরা অনুসন্ধানে বের করেছি সে-ই চমকের স্বামী। স্বামীর সঙ্গে রাজধানীর উত্তরায় থাকে। তবে চমক বরিশালের মেয়ে।’ এ ব্যাপারে চমকের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। তবে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিযোগীও চমকের বিবাহিত খবরটি নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া চলচ্চিত্রে অভিনয় করা চমকের এক ফেসবুক ফ্রেন্ড বলেন, ‘সে (চমক) বিবাহিত বলেই জানি আমি। ২০১৪ সালের নভেম্বরে বিয়ের আগে আমাদের প্রায়ই দেখা হতো।

বিয়ের পর আর যোগাযোগ নেই।’ মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ অনুষ্ঠানের শর্ত হচ্ছে, প্রতিযোগী অবশ্যই অবিবাহিত হতে হবে। বিবাহিত, ডিভোর্স কেউই অংশ নিতে পারবেন না। সেই তথ্য গোপন করার অপরাধে জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলের বিজয়ীর মুকুট ফিরিয়ে নেয়া হয়। এরপর বিজয়ী ঘোষণা করা হয় জেসিয়া ইসলামকে। কিন্তু এবার দ্বিতীয় রানারআপ চমকের বিয়ের খবর ভাইরাল হলে পুরো আয়োজনটি নিয়েই স্বচ্ছতার অভিযোগ তুলছেন সবাই। পাশাপাশি নিয়ম না মেনে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া চমককে তৃতীয় স্থান দেয়ায় সে নিয়েও চলেছে সমালোচনা।

 

হলিউডে হেমন্ত সাদীকের ‘এ লেটার টু গড’

বিনোদন প্রতিবেদক : ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের পঞ্চম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী সাদীকুর রহমান (হেমন্ত সাদীক) নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘এ লেটার টু গড’ এবার হলিউডে অনুষ্ঠিতব্য রিল টু রিল-গ্লোবাল ইউথ ফেস্টিভালে প্রদর্শিত হবে। আগামী ৭ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস স্কুলে অনুষ্ঠিত হবে এ প্রতিযোগিতা। উৎসব কমিটি জানিয়েছে, বিশ্বের ২০০ তরুণ নির্মাতার ২০০ চলচ্চিত্র থেকে ২২টি চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে প্রদর্শনের জন্য, যেখানে এ লেটর টু গড ‘অ্যাওয়ার্ড উইনিং’ তালিকায় রয়েছে।

এছাড়া আগামী ৭-১১ নভেম্বর নরওয়েতে অনুষ্ঠিতব্য রিঙ্গেরিক ইন্টারন্যাশনাল ইউথ ফিল্ম ফেস্টিভালে এ লেটার টু গড প্রদর্শিত হবে। উৎসবের দাপ্তরিক ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, বিশ্বের প্রায় ৮০০ এর বেশি তরুণ নির্মাতার চলচ্চিত্র থেকে নির্বাচিত সেরা  ৩০ তরুণ নির্মাতাকে এ উৎসবে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। উৎসবে বাংলাদেশ থেকে নিজের নির্মিত চলচ্চিত্র প্রর্দশনের পাশাপাশি একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ কর্মশালায় অংশ নেবেন পরিচালক হেমন্ত সাদীক।

 অপরদিকে আগামী ৯ নভেম্বর ইতালির সিত্তাদেল্লাতে অনুষ্ঠিতব্য জিয়ো ফিল্ম ফেস্টিভাল অ্যান্ড এক্সপোতে প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে এ লেটার টু গড। এর আগে ১৮ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত  অওরজাজাত ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা বিভাগে প্রদর্শিত হয়েছে এ লেটার টু গড এবং ২৫ সেপ্টেম্বর চীনে অনুষ্ঠিত থার্ড এশিয়া ইউথ মাইক্রো ফিল্ম এক্সিবিশনের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে প্রদর্শিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি। এছাড়া ফিলিপাইনের সিনেমাঙ্গা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভাল, মেক্সিকোর ফিফথ ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভাল, গ্র্যান্ড বাহামায় অনুষ্ঠিত ক্যারিবিয়ান ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভাল এবং মিশরের এ.এম ইজিপ্ট ফিল্ম ফেস্টিভালে প্রদর্শিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি।

এ লেটার টু গড-এর পরিচালক হেমন্ত সাদীক ইতিমধ্যে ১০ আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা তরুণ নির্মাতার পুরস্কার অর্জন করেছেন। এছাড়া সিলেট চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পুরস্কার পেয়েছে এ লেটার টু গড। উল্লেখ্য, ১৪ মিন্টি ৫৯ সেকেন্ডের এ চলচ্চিত্রটি বাংলা ও মারমা ভাষায় নির্মিত। চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন দু’জন আদিবাসী উনি প্রু মারমা এবং অং চৌ মারমা। পরিচালক জানান, পুরো চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে বান্দরবানে।

এই বিভাগের আরো খবর

বলিউডে

বিনোদন ডেস্ক : ভারতের দক্ষিণী সিনেমার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। ৬ অক্টোবর প্রেমিক নাগা চৈতন্যর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছেন তিনি। হিন্দু ও ক্রিশ্চিয়ান রীতিতে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। এদিকে সামান্থার হবু শ্বশুর নাগার্জুন জানিয়েছেন, বিয়ের পরই বলিউডে অভিষেক হতে যাচ্ছে সামান্থার। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে। মঙ্গলবার একটি সিনেমার প্রচারণায় গিয়ে নাগার্জুন জানিয়েছেন, বলিউডের একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন সামান্থা। সিনেমাটি প্রযোজনা করবেন রনি স্ক্রুওয়ালা। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি এই অভিনেতা।

সামান্থা ভক্তদের মনে অনেক দিন ধরেই প্রশ্ন, বিয়ের পর সামান্থা অভিনয় চালিয়ে যাবেন কিনা? যদিও সামান্থা একাধিকবার নিশ্চিত করেছেন, বিয়ের পর তিনি অভিনয় চালিয়ে যাবেন। এ বিষয়ে সামান্থার হবু শ্বশুর জানিয়েছিলেন, বিয়ের পর যদি সামান্থা অভিনয় ছেড়ে দেয় তবে তাকে তিনি ভৎসনা করবেন। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার পরই ‘রাঙ্গাথালাম ১৯৮৫’ সিনেমার শুটিংয়ে ফিরবেন তিনি। সামান্থার বিয়ের জন্য সিনেমাটির শুটিং কিছুটা পিছিয়েছে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে। অন্যদিকে সামান্থা-চৈতন্যর বিয়ের দিনটির জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছেন অভিনেতা নাগার্জুন। ভারতের গোয়াতে অনুষ্ঠিত হবে সামান্থার বিয়ের অনুষ্ঠান। বিয়েতে তামিল ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে কাছের বন্ধুরা উপস্থিত থাকবেন বলেও জানিয়েছেন নাগার্জুন।

এই বিভাগের আরো খবর

একসঙ্গে প্রথম মিতালী-সামিনা

অভি মঈনুদ্দীন : দু’জনই গানের মানুষ, একজন মিতালী মুখার্জি অন্যজন সামিনা চৌধুরী। সঙ্গীতাঙ্গনে দু’জনই আমাদের গর্ব। মিতালী মুখার্জি ভারতের গজল স¤্রাজ্ঞী উপাধিও পেয়েছেন বহু আগে। এটা আমাদের জন্য অবশ্যই গর্বের। অন্যদিকে সামিনা চৌধুরী আমাদের সঙ্গীতাঙ্গনে নিজ মহিমায় উজ্জ্বল। আমাদের সঙ্গীতাঙ্গনের এই দুই উজ্জ্বল তারকা হঠাৎ এক অনির্ধারিত আড্ডায় মেতে উঠেছিলেন গেলো মঙ্গলবার বিকেলে চ্যানেল আইয়ে। সন্ধ্যায় ‘সেরা কন্ঠ’র বিচারকার্য শুরু করার আগেই তারা দু’জন আড্ডায় মেতে উঠেছিলেন। ‘সেরা কন্ঠ’র প্রকল্প পরিচালক ইজাজ খান স্বপন। তিনিই জানান মিতালী মুখার্জি এবং সামিনা চৌধুরীর সন্ধ্যায় আসার কথা সেদিন। কিন্তু দু’জনই বিকেলে এসে পৌঁছান চ্যানেল আইতে। তাই অনুষ্ঠান শুরুর আগে তারা নিজেরই গল্পে মেতে উঠেন। গল্পের ফাঁকে ফাঁকে নানান ভঙ্গিমায় তারা দু’জন ক্যামেরার ফ্রেমেও বন্দী হন। মিতালী মুখার্জি ও সামিনা চৌধুরীর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা হলেও। এবারই প্রথম তারা দু’জন কোন অনুষ্ঠানে বিচারক হিসেবে কাজ করছেন। ‘সেরা কণ্ঠ’ সিজন সিক্স’র প্রধান চার বিচারক’র দু’জন মিতালী-সামিনা।

 দু’জন একসঙ্গে এবারই প্রথম কোন কাজ করছেন। বিচারকার্যের ফাঁকে ফাঁকে দু’জনের মধ্যে গল্প জমে উঠে। গতকাল বিচারকার্য শেষ করে মুম্বাই ফিরে গেছেন মিতালী মুখার্জি। সামিনা চৌধুরী এবং সেরাকন্ঠ প্রসঙ্গে মিতালী মুখার্জি বলেন,‘ সামিনার সঙ্গে সময় কাটাতে আমার সত্যিই ভীষণ ভালোলাগে। গানে তার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা দারুণ। সুক্ষ সুক্ষ বিষয় সামিনা এতো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে যে কেউ তাকে ফাঁকি দেয়ার সুযোগ পাবে না। বিশ্বেও বিভিন্ন দেশের গান সম্পর্কে বিষদ জ্ঞান তার। তাকেতো আমি নামই দিয়েছি মুভিং এনসাইক্লোপিডিয়া। আমাকে সামিনা ভীষণ শ্রদ্ধা করে, সম্মান করে। মানুষ হিসেবে যেমন ভীষণ ভালো মনের মানুষ সামিনা, ঠিক তেমনি শিল্পী হিসেবেও সামিনা অনন্য। আর সেরাকন্ঠ’র প্রধান বিচারক হিসেবে এবারই প্রথম কাজ করছি।

বেশ প্রতিভাবান কিছু শিল্পী আমরা পাচ্ছি। আমি খুব আশাবাদী।’ সামিনা চৌধুরী বলেন,‘ মিতালী আপা আমার প্রিয় একজন মানুষ। আমি কাজের ফাঁকে ফাঁকে তার ব্যক্তি জীবন সম্পর্কে অনেক কিছুই জানার চেষ্টা করেছি। বিশেষত গান সম্পর্কে তার কাছ থেকে অনেক কিছুই জানার চেষ্টা করেছি। তিনি খুউব সুন্দর করে কথা বলেন। খুব সাধারণ একজন মানুষ তিনি। তারসঙ্গে কাটানো সময় আমি বেশ উপভোগ করি। মজার বিষয় হচ্ছে আমার মতো তিনিও বেশ ভোজন রসিক মানুষ। স্বপনের কাজ, নির্দেশনা তার ভীষণ ভালোলাগছে।’ ‘সেরা কন্ঠ’-এ বিচারক হিসেবে আরো যে দু’জন আছেন তারা হচ্ছেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ও কুমার বিশ্বজিৎ। গেলো ২৯ সেপ্টেম্বর ‘চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস’-এ উপস্থিত ছিলেন মিতালী মুখার্জি ও সামিনা চৌধুরী। এদিকে ফাহমিদা নবী ও সামিনা চৌধুরীর প্রথম দ্বৈত অ্যালবাম ‘এক আকাশের গান’ শিগগরিই বাজারে আসবে। ছবি ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার।

এই বিভাগের আরো খবর

‘সে প্রতারক, এখানে নারীবাদ টেনে এনে সিমপ্যাথি দেখানো বোকামি’

বিনোদন প্রতিবেদক : শি ইজ এ ফ্রড ( সে একজন প্রতারক), এইখানে নারীবাদ টেনে এনে সিমপ্যাথি দেখানো বোকামি। আজ অনেকেই বলছেন ও ঘুরে দাঁড়াইছে এই করছে সেই করছে এটা যদি সে অন্য কিছুতে করতো আমি সাপোর্ট করতাম। বাট এতো বড় একটা কমপিটিশন-এর সাথে ফ্রড করাতে আই উইল নট সাপোর্ট হার। শি লাইড এবাউট হার প্যারেন্টস, চেঞ্জড হার নেম লাইড এবাউট হার ম্যারিজ অ্যাজ ওয়েল হোয়েন নি রুলস অফ দ্য কম্পিটিশন। কথাগুলো বলছিলেন লাক্স তারকা ফারিয়া শাহরিন। যখন ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল বিতর্ক তুঙ্গে তখন তিনি তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে এসব কথা বললেন। পড়াশোনার জন্য মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি এই অভিনেত্রী এর আগে ফেসবুকে আরো একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

 যেখানে তিনি লিখেছেন, ‘যা দেখলাম গ্রামের মেয়ে গুলাই বেশি স্মার্ট। আগে দুই-তিনটা বিয়ে করে কী সুন্দর মুখের ওপর বলে দেয় আমি বিয়ে করি নাই। কাবিন, ভিডিও, ছবি থাকার পরও একবার মনে হয় না, সব কিছু সবাই জেনে যাবে একদিন। জেনে যাওয়ার পরও দেখি খুব আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলে আসে এসব মিথ্যা! অনেক হাসি পেল। ফারিয়া আরো বলেন, অবশ্য এদের দোষ দিয়ে লাভ কী? আমাদের দেশের নায়িকারাই তো এদের আইডল। বিয়ের ছবি, বাসরের ছবি, চুমু দিয়ে জড়িয়ে ধরার ছবি, কাবিনের ছবি বের হওয়ার পরও বলে আমি ভার্জিন।

এমনকি নামও জরিনা থেকে হয়ে যায় জ্যাকলিন। বোরকা থেকে বিকিনি। আমারাই দেখি অনেক পিছিয়ে আছি। একটা বিয়ে করারও দুর্ভাগ্য হলো না। নাম বদলে ফেলা তো অনেক দূরের কথা।’ ফারিয়া শাহরিন বর্তমাানে মালয়েশিয়াতে অবস্থান থাকলেও গত বছর কিছুদনের জন্য দেশে ফিরে বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপন ও নাটকে অভিনয় করেছিলেন। তারপর আবারও অভিনয় ছেড়ে ফিরে যান পড়াশোনার জন্য মালয়েশিয়াতে।

এই বিভাগের আরো খবর

‘টিপসই’তে একসঙ্গে দিলারা জামান ও ইশানা

অভি মঈনদ্দীন : একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য অভিনেতী দিলারা জামান বাস্তবধর্মী এক গল্পের নাটকে অভিনয় করেছেন। নাটকের নাম ‘টিপসই’। নাটকটির নাট্যরূপ দিয়েছেন অসীম ম-ল এবং নির্মাণ করেছেন এস কে শুভ। নাটকে দিলারা জামান অভিনয় করেছেন নূরী চরিত্রে। নূরীর দুই সন্তান নানানভাবে মাকে পটিয়ে তার সম্পত্তি নিয়ে যেতে চায় কাগজে টিপসই দেয়ার মধ্যদিয়ে। এই নিয়েই নাটকের মূল গল্প। এতে নূরীর পালিত নাতনী চরিত্রে অভিনয় করেছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী ইশানা। আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন শ্যামল মাওলা। এবারই প্রথম দিলারা জামান, শ্যামল মাওলা ও ইশানা কোন খ- নাটকে একসঙ্গে প্রথম অভিনয় করেছেন। নাটকটি প্রসঙ্গে নির্মাতা এস কে শুভ বলেন,‘ নাটকে দিলারা ম্যাডাম নূরী চরিত্রে, শ্যামল মন্টু চরিত্রে এবং ইশানা জবা চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন।

 জীবনধর্মী এই গল্পের নাটকটি নির্মাণ করে ভীষণ তৃপ্ত আমি। সমাজের মানুষকে সচেতন করার জন্য এই ধরনের গল্প নিয়ে নাটক নির্মাণ খুউব জরুরী।’ দিলারা জামান বলেন,‘ টিপসই নাটকের বিষয়বস্তু আমার কাছে বেশ ভালোলেগেছে। ধন্যবাদ নির্মাতাকে এমন একটি জীবন ঘনিষ্ঠ গল্পে আমাকে অভিনয় করার সুযোগ দেবার জন্য।’ শ্যামল মাওলা বলেন,‘ গল্পটাই আমাকে উৎসাহ দিয়েছে কাজটি করার।’ ইশানা বলেন,‘ আমার ভালোলাগা হচ্ছে এই যেন আমি দিলারা ম্যাডামের সঙ্গে কাজ করতে পেরেছি। এর আগেও তারসঙ্গে কাজ করেছি।

 তারসঙ্গে যতোবারই কাজ করি ততোই ভালোলাগে আমার।’ নির্মাতা এস কে শুভ জানান শিগগিরই ‘টিপসই’ নাটকটি একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলে প্রচার হবে। এদিকে দিলারা জামান আগের চেয়ে অভিনয়ে নিয়মিত হয়ে উঠেছেন। ঈদেও পর তিনি বেশ কয়েকটি ধারাবাহিক নাটকের কাজ শুরু করেছেন। ঈদের পর ইশানা মিজানুর রহমান আরিয়ানের নির্দেশনায় ‘আস্থা’ নাটকের কাজ শেষ করেছেন। অন্যদিকে শ্যামল মাওলা সোলাইমান জয়, সূর্য দীপ্ত সূর্য’র নির্দেশনায় দুটি নতুন ধারাবাহিক নাটকের কাজ শুরু করেছেন। ছবি : মোহসীন আহমেদ কাওছার

এই বিভাগের আরো খবর

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ জান্নাতুল নাঈম বিবাহিত

বিনোদন প্রতিবেদক : প্রতিযোগিতার অন্যতম শর্ত ছিল এতে অংশগ্রহণ করতে হলে অবশ্যই প্রতিযোগীকে অবিবাহিত হতে হবে। অথচ এবারের ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ বিজয়ী জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল বিবাহিত। এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন সুন্দরী জান্নাতুল নাঈমকে দেখে পছন্দ হয় স্থানীয় এক যুবক মো.মনজুর উদ্দিন রানার। পরীক্ষার পরপরই বেশ ঘটা করে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় তাদের। কিন্তু প্রায় আড়াই মাস সংসার করার পর বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায় দুজনের। ঘটনাটি ঘটে জান্নাতুল নাঈমের ইচ্ছাতেই। অথচ এসব তথ্য গোপন রেখেই জান্নাতুল নাঈম ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।

 তত্ত্ব-তালাশে জানা গেছে, জান্নাতুল নাঈমের বাড়ি চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার ৫ নম্বর বরমা ইউনিয়নের সেরন্দি গ্রামের রাউলিবাগ এলাকায় একটি সাধারণ কৃষক পরিবারে। তার বাবা তাহের মিয়া ও মা  রেজিয়া বেগম। তারা দুই ভাই, দুই  বোন। ফোরকান উদ্দিন (৩০), জান্নাতুল আয়শা (২৮), রিয়াজ উদ্দিন (২৬)। কাবিননামা অনুযায়ী ২০১৩ সালের ২১শে মার্চ চন্দনাইশ পৌর এলাকার বাসিন্দা ও কাপড় ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মুনজুর উদ্দিনের সঙ্গে জান্নাতুল নাঈমের বিয়ে হয়। বিয়েতে দেনমোহর ছিল ৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে উসুল ধরা হয় ৩ লাখ। বিয়ের উকিল হন মেয়ের বাবা তাহের মিয়া। বিয়েতে কাজি ছিলেন আবু তালেব। একই বছরের ১১ই জুন তালাকনামায় সই করেন  ।

এই বিভাগের আরো খবর

দর্শক শোতাদের মুগ্ধ করলেন চার কিংবদন্তি সুরকার সঙ্গীত পরিচালক

অভি মঈনুদ্দীন : গেলো ২৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র’তে অনুষ্ঠিত হলো ১২’তম ‘চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস’। এতে বিভিন্ন ধরনের পরিবেশনায়য় মুগ্ধ হন উপস্থিত দর্শক। তবে সবকিছু ছাপিয়ে যে পরিবেশনাটি ছিলো বেশি আলোচিত তা হচ্ছে বাংলাদেশের সঙ্গীতাঙ্গনের কিংবদন্তী চারজন সুরকার, সঙ্গীত পরিচালকদের নিজের সুর করা গান তাদেরকে দিয়েই গাওয়ানো। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বাংলাদেশের চারজন কিংবদন্তী সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক আলী হোসেন, আলম খান, শেখ সাদী খান ও আলাউদ্দিন আলী নিজ কন্ঠে সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

 আলী হোসেন দর্শকদের উদ্দেশ্যে গেয়ে শুনান মমতাজ আলী নির্দেশিত ‘উসিলা’ চলচ্চিত্রের জাফর ইকবালের লিপে যাওয়া ‘কতো যে তোমাকে বেসেছি ভালো’ গানটি। নজরুল ইসলাম বাবুর লেখা এই গানটি গেয়েছিলেন সুবীরনন্দী। আলম খান সৈয়দ শামুসল হকের লেখা অ্যা-্রু কিশোরের গাওয়া চিত্রনায়ক আলমগীরের লিপে যাওয়া এজেমিন্টু পরিচালিত ‘মান সম্মান’ চলচ্চিত্রের ‘কারো বলে ভালোবাসা কারে বলে প্রেম’ গানটি গেয়ে শুনান। শেখ সাদী খান নজরুল ইসলাম বাবুর লেখা কুমার শানুর গাওয়া ইলিয়াস কাঞ্চনের লিপে যাওয়া বেনাজীর আহমেদ নির্দেশিত ‘প্রেমের প্রতিদান’ চলচ্চিত্রের ‘আমার মনের আকাশে আজ জ্বলে শুকতারা’ গানিিট এবং আলাউদ্দিন আলী বিটিভিতে প্রচারিত প্রয়াত নায়ক জাফর ইকবালের গাওয়া মনিরুজ্জামান মনিরের লেখা আধুনিক গান ‘সুখে থাকো ও আমার নন্দিনী’ গানটি গেয়ে শুনান।

 উপস্থিত সবাই চার এই বরেণ্য ব্যক্তিত্বের  কন্ঠে গানশুনে মুগ্ধ হন সবাই। চারজনেরই সঙ্গীত পরিবেশনা ছিলো সত্যিই মুগ্ধ হবার মতো। আলী হোসেন বলেন,‘ বেশ ভালোলেগেছে আমাদের জারজনকে নিয়ে বিশেষ এই আয়োজনটি। চ্যানেল আইয়ের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ।’ আলম খান বলেন,‘ আমাদের গাওয়া গান অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে। এই পরিবেশনায় নতুনত্ব ছিলো। নতুন এই আইডিয়াটা সবার ভালোলাগায় নিজের কাছেও বেশ ভালোলেগেছে। চারজনের পরিবেশনাও বেশ উপভোগ্য ছিলো। ধন্যবাদ চ্যানেল আইকে এমন একটি আয়োজনের জন্য।’ শেখ সাদী খান বলেন,‘ সবমিলিয়েই ভালো হয়েছে এবারের মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠানটি।

 আর অনুষ্ঠানে আমাদের কন্ঠে সঙ্গীত পরিবেশনা অনুষ্ঠানে ভিন্নতা এনে দিয়েছিলো। ধন্যবাদ অবশ্যই চ্যানেলআই পরিবারকে।’ আলাউদ্দির আলী বলেন,‘ আমরা চারজন একই মঞ্চে গেয়েছি এই বিষয়টাইতো আসলে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এমন একটি চমৎকার উদ্যোগের জন্য ইজাজ খান স্বপনকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ। ’ ‘চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড-২০১৭’ পাওয়ার্ড বাই সেভেন আপ এর ১২তম আসরে ১৮টি ক্যাটাগরিতে নবীন প্রবীণ সঙ্গীতশিল্পীদের সম্মাননা জানালো চ্যানেল আই। সঙ্গীতে বিশেষ অবদানের জন্যে এবার আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হলেন সঙ্গীতশিল্পী খুরশিদ আলম।

আর বিশেষ সম্মাননা দেয়া হলো শিল্পী শাম্মি আখতারকে। এবার ১৩টি ক্রিটিক অ্যাওয়ার্ডের মধ্যে রবীন্দ্রসঙ্গীতে অনিমা রায়, উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে প্রিয়াঙ্কা গোপ, লোক সঙ্গীতে শফি মন্ডল, নজরুল সঙ্গীতে নাশিদ কামাল, আধুনিক গানে ফাহমিদা নবী, ছায়াছবির গানে জেম্স, সেরা ব্যান্ড পার্থিব, সাউন্ড ইঞ্জনিযারিং এ পাভেল আরীন, সেরা গীতিকার আসিফ ইকবাল, কাভার ডিজাইনে নাহিদ, মিউজিক ভিডিওতে তানিম রহমান অংশু, সেরা নবাগত শিল্পী মেহেদী হাসান, সঙ্গীত পরিচালনায় শফিক তুহিন গুণীজনদের কাছ থেকে পদক নেন।

পপুলার চয়েস ক্যাটাগরিতে নবাগত শিল্পী শাহিন খান, মিউজিক ভিডিওতে রম্য খান, ছায়াছবির গানে ইমরান, আধুনিক গানে কুমার বিশ্বজিৎ সেরা ব্যান্ড অবসকিওর এর হাতে পদক তুলে দেন গুনীজনরা।পুরস্কারের পাশাপাশি মঞ্চ মাতিয়ে তোলেন জেমস আর মমতাজ। ইজাজ খান স্বপনের পরিকল্পনা ও পরিচালনায় চ্যানেল আই মিউজিক এওয়ার্ড ২০১৭ পাওয়ার্ড বাই সেভেন আপের জাঁকজমকপূর্ণ এই আয়োজন দেশ বিদেশের দর্শকের জন্যে প্রচার হবে আগামী ছয় অক্টোবর দুপুর দুইটার সংবাদের পর। ছবি ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার।

এই বিভাগের আরো খবর

‘স্বপ্নজাল’ পরীমনির স্বপ্নের সিনেমা

বিনোদন প্রতিবেদক : ঢাকাই ছবির আলোচিত নায়িকা পরীমনি। একের পর এক নতুন ছবিতে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে বেশ পরিচিতি তার। গত ঈদে তার অভিনীত ‘সোনাবন্ধু’ নামে একটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। তবে ছবিটি ব্যবসায়িকভাবে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। এ বছর পরীমনির আরও দুটি ছবি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে- মালেক আফসারীর ‘অন্তর জ্বালা’, অন্যটি গিয়াসউদ্দিন সেলিমের ‘স্বপ্নজাল’। প্রথম ছবিটিতে পরীর বিপরীতে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান ও দ্বিতীয়টিতে নবাগত ইয়াশ।

পরিচালকের ঘোষণামতে,  অন্তর জ্বালা ছবিটি মুক্তি পাবে আগামী ১৮ ডিসেম্বর। স্বপ্নজালের নির্দিষ্ট তারিখ ঠিক না হলেও চলতি বছরের শেষের দিকেই মুক্তি দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা। ছবি দুটি প্রসঙ্গে পরীমনি বলেন, ‘অন্তর জ্বালা অনেক আগে শুটিং করেছি। গত বছরই ছবিটি মুক্তি দেয়ার কথা ছিল। শুনেছি ব্যবসায়িক কারণেই মুক্তি দেয়া হয়নি। তবে ছবিটি নিয়ে আমি আশাবাদী। আর স্বপ্নজাল বলতে পারেন আমারও স্বপ্নের সিনেমা। এতে আমাকে শুভ্রা চরিত্রে দেখা যাবে। এ ছবির মাধ্যমে দর্শকরা নতুন এক পরীমনিকে দেখবেন।’

এই বিভাগের আরো খবর

নায়ক রাজের মৃত্যুর ৪০ দিনে বাড়ির নেমপ্লেট উধাও

বিনোদন প্রতিবেদক : গতকাল ছিলো নায়ক রাজ রাজ্জাকের চলে যাওয়ার চল্লিশ দিন। আর এমনদিনেই সকালে নায়ক রাজ রাজ্জাকের ‘লক্ষীকুঞ্জ’র নেমপ্লেটটি চুরি হয়ে যায়। নায়করাজ রাজ্জাক তার গুলশানের বাড়িটির নাম দিয়েছিলেন ‘লক্ষ্মীকুঞ্জ’। প্রিয়তমা স্ত্রীর নামের সঙ্গে মিলিয়ে তিনি এই নাম দিয়েছিলেন। তবে দুঃসংবাদ হলো, গত ২৯ সেপ্টেম্বও দিবাগত রাতে  বাড়ির নেমপ্লেটটি চুরি হয়ে গেছে। লক্ষ্মীকুঞ্জের অবস্থান রাজধানীর গুলশান ২ এর ৩৬নং রোডে। বাড়ির নম্বর ৫।

রাজ্জাকের ছোট ছেলে অভিনেতা স¤্রাট জানান, আজ (শনিবার) সকালে তারা দেখেন বাড়ির নেমপ্লেটটি কে বা কারা খুলে নিয়ে গেছে। এতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এই অভিনেতা। এদিকে গতকাল নায়ক রাজের চলে যাওয়ার চল্লিশ দিন অতিক্রম করেছে। সাধারণ ভাষায় একে বলা হয়ে থাকে চল্লিশা। দিনটিতে নায়ক রাজের পরিবারের সদস্যরা এক হয়েছিলেন। চিত্রনায়িকা সুচন্দা. চম্পা, গীতিকার পরিচালক গাজী মাজহারুল আনোয়ার, নায়ক প্রযোজক পরিচালক আলমগীর’সহ আরো অনেকেই উপস্থিত হয়েছিলেন।

এই বিভাগের আরো খবর

অভিনয়ে একদশক পেরিয়ে জাকিয়া বারী মম

অভি মঈনুদ্দীন : ‘লাক্স চ্যানেল আই সুপারষ্টার’ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হবার পর ৩১ আগস্ট ২০০৭ সালে তৌকীর আহমেদ পরিচালিত ‘দারুচিনি দ্বীপ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্যদিয়ে অভিনয়ে মম’র যাত্রা শুরু হয়। এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করে জীবনে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেন তিনি। দেখতে দেখতে অভিনয় জীবনের পথচলায় একদর্শক পূর্ণ করেছেন মম।  অভিনয় জীবনের শুরুতেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্তির আনন্দটা দারুণভাবে উপভোগ করতে পারেননি। এখন বয়স একটু বেড়েছে মম’র।

পুরস্কারের মর্যাদাও উপলদ্ধি করেন হৃদয় দিয়ে। তাই মম’র আশা যেন এখন কোন চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি এই সম্মাননা অর্জন করতে পারেন। সেই আশায় ভালো ভালো কিছু চলচ্চিত্রে কাজও করছেন তিনি। চ্যালেঞ্জিং চরিত্রের গভীরে প্রবেশ করে অভিনয় করছেন আপনমনে। ঠিক তেমনি একটি চরিত্র আলতা। অরুন চৌধুরী পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘আলতাবানু’তে নাম ভূমিকায় অভিনয় করছেন তিনি।

 পাশাপাশি তিনি শেষ করেছেন তানিম রহমান অংশু’র ‘স্বপ্নবাড়ি’ চলচ্চিত্রের কাজ। দুটো চলচ্চিতেও তার বিপরীতে আছেন আনিসুর রহমান মিলন। ‘আলতাবানু’ প্রসঙ্গে মম বলেন,‘ এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা দর্শক এক বসাতেই উপভোগ করবেন। সহজে বলতে গেলে বলা যায় এটি একটি ভালো চলচ্চিত্র। ‘স্বপ্নবাড়ি’ও ঠিক তাই। দুটো চলচ্চিত্র নিয়ে আমি ভীষণরকম আশাবাদী। আমি চেষ্টা করেছি আমার চরিত্র যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে।’ অভিনয় করতে করতে কী নির্দেশক হবার স্বপ্ন মনে উকি দেয় কী? মৃদু হেসে মম বলেন, ‘আমি এতো মেধাবী কেউ নই। আমি খুব স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই যে আমাদের এখানে যারা নাটক টেলিফিল্ম নির্মাণ করেন তারা নিঃসন্দেহে অনেক মেধাবী। কারণ তারা এতো কম বাজেটের মধ্যে কতো চমৎকারভাবে একটি পূর্ণ গল্প দর্শকের সামনে তুলে ধরেন। তাই নিদের্শকদের প্রতি আমার অনেক শ্রদ্ধা। সেইসাথে সহমর্মিতাও রয়েছে। কারণ তারা কঠিন বাস্তবতার মধ্যদিয়ে স্বল্প বাজেটে নাটক নির্মাণ করেন।

 সত্যিই এ এক অন্যরকম চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ আমার পক্ষে নেয়া সম্ভব নয়। তাই নিদের্শকদের আমি স্যালুট জানাই।’ অভিনয়ের পথচলায় দীর্ঘ এক দশক পূর্ণ প্রসঙ্গে মম বলেন ‘দর্শকের চোখে আমার জন্য আমি যে ভালোবাসা দেখেছি, যে সম্মান দেখেছি এর চেয়ে বড় অর্জন, প্রাপ্তি আর কিছুই হতে পারেনা। এটাই এই জীবনের বড় সার্থকতা। এভাবে আমি আরো বহুবছর কাজ করে যেতে চাই দর্শকের ভালোবাসা নিয়েই।’ ব্যক্তিজীবন কেমন যাচ্ছে আপনার?,‘ ব্যক্তি জীবনইতো নেই আমার। সকালে ঘুম থেকে উঠে শুটিং-এ যাই, শুটিং শেষে বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে পড়ি। অভিনয় জীবনটাই আমি দারুনভাবে উপভোগ করছি। এর বাইরে আমি অতি সাধারণ একজন মানুষ। একজন সাধারণ বাঙ্গালী মেয়ে আমি। খুব সাদামাটা জীবন আমার।’
ছবি ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার

এই বিভাগের আরো খবর

বিজয়া দশমীতে ‘আমি তোমার কথা বলবো কাকে’

বিনোদন প্রতিবেদক : দূর্গাপূজায় বাংলাভিশনের নিজস্ব প্রযোজনায় গুণী নাট্যনির্মাতা অঞ্জন আইচ নির্মাণ করছেন বিশেষ নাটক ‘আমি তোমার কথা বলবো কাকে’। অঞ্জন আইচের নির্দেশনায় এবারই প্রথম একসঙ্গে কাজ করছেন আফরান নিশো ও মেহজাবিন চৌধুরী। এর আগে বিভিন্ন পরিচালকের নির্দেশনায় নিশো মেহজাবিন একসঙ্গে কাজ করলেও অঞ্জন আইচের নির্দেশনায় প্রথম কাজ  করেছেন।

এতে অভিনয় প্রসঙ্গে আফরান নিশো বলেন,‘ দাদার নির্দেশনায় কাজ করতে এ কারণেই ভালোলাগে যে তার গল্পভাবনা সবসময়ই খুউব ভালো হয়। সেই গল্প ভাবনার সাথে যখন মিলিয়ে শিল্পীদের অভিনয়, চিত্রনাট্য, মেকিং’র চমৎকার সমন্বয় ঘটে তখনই একটি সুন্দর নাটক হয়ে দাঁড়ায়। আশাকরি এই নাটকটিও ঠিক তেমনি একটি নাটক হবে। আর দাদার নির্দেশনায় প্রায় তিন বছর পর আমার কাজ করা হচ্ছে। মেহজাবিন এই সময়ে এসে অভিনয় নিয়ে দারুণভাবে ভাবছে।

এটা একজন অভিনেত্রী হিসেবে খুবই ভালো দিক। রূপ সচেতনতার পাশাপাশি অভিনয়টা নিয়ে যে ভাবতে হবে সেটা একজন অভিনয় শিল্পীর কাজ। মেহজাবিন সবসময়ই আমার একজন পছন্দের কোআর্টিস্ট এবং দর্শকও আমাদের এই জুটিকে খুব পছন্দ করেন।’ মেহজাবিন বলেন,‘ অনেকদিন পর অঞ্জন দাদার নাটকে কাজ করছি। তার নির্দেশনায় এবারই প্রথম খন্ড নাটকে কাজ করা।

গল্পটা বেশ ভালো। নিশো ভাইয়া নিঃসন্দেহে একজন ভালো অভিনেতা। তারসঙ্গে অভিনয় করাটা সবসময়ই বেশ উপভোগ করি। একজন সহশিল্পী যখন ভালো হয় তখন কাজ করাটাও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।’ পরিচালক অঞ্জন আইচ জানান ‘আমি তোমার কথা বলবো কাকে’ নাটকটি একটি রোমান্টিক ও যথেষ্ট আবেগঘন নাটক। 

আফরান নিশো ও মেহজাবিন চৌধুরীকে গল্পের কারণে তাদের সর্বোচ্চ অভিনয় দিয়েই অসীম ও রিয়া চরিত্র দুটিকে ফুটিয়ে তুলতে হচ্ছে বলে জানান পরিচালক অঞ্জন আইচ। আজ দূর্গা পূজার বিজয়া দশমীতে বাংলাভিশনে রাত ৯.০৫ মিনিটে নাটকটি প্রচার হবে। আফরান নিশো প্রথম অঞ্জন আইচের নির্দেশনায় ধারাবাহিক নাটক ‘শূণ্য সমীকরণ’ নাটকে অভিনয় করেন। অন্যদিকে মেহজাবিন চৌধুরী অঞ্জন আইচের নির্দেশনায় প্রথম ‘চক্র’ ধারাবাহিকে অভিনয় করেন।

এই বিভাগের আরো খবর

যে কারণে ঘর ভাঙল সনেট-বাঁধনের

বিনোদন প্রতিবেদক : ভালোবেসেই বিয়ে করেছিলেন লাক্স তারকা আজমেরি হক বাঁধন। নিজের বয়সের থেকে প্রায় বিশ বছরেরও বড় তার স্বামী মাশরুর সিদ্দিকী সনেট। বাঁধনের ভাষায়, ‘আমার মা আমার চেয়ে ১৭ বছরের বড়। আর সনেট ছিলো আমার মায়ের থেকেও বড়। ¯্রফে সার্টিফিকেটেই আমার চেয়ে বিশ বছরের বড় সে। তবুও তাকে বিয়ে করেছিলাম ভালোবেসেছিলাম বলে। মনে হয়েছিলো সে একজন সুখী সংসারী মানুষ হবে। কিন্তু সেই ধারণা আমার ভুল ছিলো।’ ২০১০ সালে বিয়ে করা বাঁধনের সংসারটি ভেঙ্গে যায় ২০১৪ সালে। তবে এতদিন বিষয়টি ছিলো শোবিজের গোপন বিষয়। সম্প্রতি বাঁধনের স্বামী বিচ্ছেদ নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলেন জাগো নিউজের কাছে। সনেট বিষয়টি প্রকাশ্যে আনতে চাইছিলেন এটা আঁচ করতে পারছিলেন বাঁধন। তাই তিনিও গণমাধ্যমে মুখ খুলেছেন ডিভোর্স নিয়ে।

 

এদিকে স্বামী ও স্ত্রী দুজনের কাছ থেকে ডিভোর্সের কারণ হিসেবে পাওয়া গেল আলাদা আলাদা অভিযোগ। তবে কেন্দ্রবিন্দু একটাই। সেটি ছিলো আর্থিক সমস্যা। সনেট ডিভোর্সের কারণ সম্পর্কে বলেন, ‘বিয়ের পর আমি বাঁধনকে নিয়ে গুলশানে উঠি। সেটি ছিলো আমার ভাড়া বাসা। আমি বুঝতে পারিনি তখনও আমি একটা কৌশলী মেয়ের ফাঁদে পড়েছি। কিছুদিন যেতে না যেতেই বললো, ‘আমি আর অভিনয় করবো না। প্রতি মাসে আমাকে ১ লাখ টাকা হাত খরচ দিতে হবে।’ আমি বললাম, ‘অভিনয় করবে না কেন? তুমি অভিনেত্রী বলেই তোমাকে আমার ভালো লেগেছিলো। অভিনয়টা চালিয়ে যাও।

 আর সংসার তো আমি চালাচ্ছিই। তোমার সব চাহিদাও মেটাচ্ছি। যকন যতো টাকা লাগে দিচ্ছি। তবে প্রতি মাসে আলাদা করে ১ লাখ টাকা কেন দিতে হবে?’ উত্তরে সে বললো, ‘এটা তার লাগবেই।’ এ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় দুজনের মধ্যে। সে থেকেই ঝামেলার শুরু।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাঁধন প্রচ- লোভী একটি মেয়ে। ও ভেবেছিলো আমি বিরাট শিল্পপতি। টাকা দিয়ে আমি ওকে মুড়িয়ে রাখবো। এজন্যই সে আমাকে বিয়ে করেছিলো ফাঁদে ফেলে। কিন্তু আদতে অতোবড় শিল্পপতি বা কিছু আমি নই। দীর্ঘদিন আর্মিতে চাকরি করেছি। যা কিছু সঞ্চয় করেছি তাতে কিছু ব্যবসা করে মধ্যবিত্ত জীবন যাপন করার চেষ্টা করি। কিন্তু বাঁধন যখন বিয়ের পরে দেখলো আমি ওর স্বপ্নের মতো নই তখন থেকেই ও হতাশ।

 

প্রতি মাসে ১ লাখ টাকা চায়, আমার ব্যবসায়ে পার্টনারশিপ চায়। আমি বলতাম, যা কিছু আমার সবই তো তার। সে বিশ্বাস করতো না। সে আসলে খুবই লোভী। ওর পরিবার ছাড়া কেউই এই মেয়েটাকে পছন্দ করে না। ওর আত্মীয়দের সঙ্গে আপনারা যোগাযোগ করুন, জানতে পারবেন বাঁধন মানুষ হিসেবে কতোটা নিচু মানের। মিডিয়াতেও অনেকে বাঁধনের বিষয়ে জানে। আমার কাছে অনেক অভিযোগই এসেছে বিয়ের পর। আমি পরে জেনেছি আগেও সে একটি বিয়ে করেছিলো। সেই সংসার থেকে অনেক অর্থকড়ি নিয়ে চলে এসেছিলো।

 মেয়েটাকে বিয়ে করার আগে বুঝতেই পারিনি ও এমন হতে পারে। যখন ও বাচ্ছা নিলো দ্রুত, ভেবেছিলাম সংসারটা মন দিয়ে করবে। কিন্তু সে আর হলো কই। টাকা পয়সা নিয়ে সবসময়ই আক্ষেপ করতো, লোভ করতো। আর তা নিয়েই হতো বিরোধ।’ এদিকে বাঁধন বললেন সম্পূর্ণই ভিন্ন কথা। তিনি দাবি করেন, ‘আমি কখনোই সনেটকে শিল্পপতি ভাবিনি, সেসব ভেবে বিয়েও করিনি। এটা আমাদের চারপাশের সবাই জানে। ও আসলে ব্যার্থ একজন পুরুষ ও স্বামী। সংসার চালাতে সমর্থ ছিলো না। মাসের ১৫ তারিখ যেতে না যেতেই বলতো হাতে টাকা নেই। সংসারটা কীভাবে চলে? আমাকে বলতো অভিনয় করো। কিছু টাকা আসবে। খুব রাগ লাগতো তখন। আসলে ও টাকা রাখতে পারতো না। তাই আমি বলতাম, টাকা আমার হাতে দেবে। আমি খরচ করবো। যেকোনো স্ত্রীই এটা বলতে পারে যদি সেই মেয়ে জানতে পারে যে তার স্বামী সংসার চালাতে অক্ষম।’ আগের বিয়ে প্রসঙ্গে বাধন বলেন, ‘ও প্রচ- মিথ্যেবাদী একটা লোক। ওকি জানতো না যে আমার আরেকটা বিয়ে হয়েছিলো ওর আগে। অবশ্যই জানতো। কেননা, আমি নিজে তাকে সেটি বলেছিলাম। আমি একজন অভিনেত্রী। চাইলেও নিজের জীবেনর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো লুকাতে পারি না। কোনো না কোনোভাবে জেনেই যায় সবাই। এই যে আমি এত চেষ্টা করলাম বিচ্ছেদ লুকিয়ে রাখতে মেয়ের মুখের দিকে চেয়ে, সেটি কী পেরেছি।


পারিনি। তবে কেন বিয়ের কথা লুকাবো আমি।  নিজে ওকে বলেছিলাম আগের বিয়ের কথা। আমাদের বিয়ের পর গণমাধ্যমে নিউজও হয়েছে, আমার ও সনেটের- দুজনেরই এটি দ্বিতীয় বিয়ে। সে ভুলে গেলেও পত্রিকার আর্কাইভে কিন্তু রয়ে গেছে সব।’ বাঁধন আরও বলেন, সংসার খরচের টাকা-পয়সা নিয়েই প্রথম ঝামেলা হয় এই দম্পতির। সে থেকে মনোমালিন্য করে বাবার বাড়ি চলে যান বাঁধন। এটি বিয়ের মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই। অবশেষে পারিবারিক মধ্যস্থতায় আপোষ হলে বাঁধনের বাবার বাড়িতেই গিয়ে উঠেন সনেট। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না এই সংসারের। ২০১৪ সালের ১০ আগস্ট সনেটের কাছ থেকে ডিভোর্স চেয়ে আবেদন করেন বাঁধন।

এই বিভাগের আরো খবর

আজ কাদম্বরী’রূপে দর্শকের সামনে আসবেন নাদিয়া

অভি মঈনুদ্দীন : শুরু হয়েছে দূর্গাপূজা। দূর্গাপূজার আজকের দিন পার করে নবমীর রাতে রাজধানীর বনানীর পূজাম-পে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাদম্বরী দেবী’র জীবন কাহিনীর উপর ‘নৃত্যালেখ্য’ পরিবেশন করবেন নন্দিত নৃত্যশিল্পী ও নাট্যাভিনেত্রী নাদিয়া আহমেদ। ঠাকুর বাড়িতে আশ্রিত একজন সাধারণ মানুষের কন্যা ছিলেন কাদম্বরী। ব্রাম্ম সমাজের নেতা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় ছেলে যোথিন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে কাদম্বরীর বিয়ে হয় ১৮৬৮ সালের ৫ জুলাই। কিন্তু বয়সের ব্যববধান অনেক ছিলো বলে যোথিন্দ্রনাথের ছোটভাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে কাদম্বরীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরী হয়।

 কারণ কাদম্বরীর বয়স তখন নয় এবং রবীন্দ্রনাথের বয়স তখন সাত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখালেখির অনুপ্রেরণার অনেকটা জায়গাজুড়েই ছিলেন কাদম্বরী। একটি সময় এসে রবীন্দ্রনাথ ও কাদম্বরী একে অন্যের উপর নির্ভরশীলও হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে ২২ বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে যশোহরের ফুলতলার বেনীমাধব রায় চৌধুরীর কন্যা ১১ বছর বয়সের মৃনালীনি দেবীর বিয়ে হয়। অন্যদিকে যোথিন্দ্রনাথও প্রেমে পড়েন একজন থিয়েটারকর্মীর। ভীষণ একা হয়ে পড়েন কাদম্বরী। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিয়ের চারমাস ১০দিন পর ১৮৮৪ সালের ১৯ এপ্রিল আফিম পান করে আতœহত্যা করেন কাদম্বরী। সেই কাদম্বরী চরিত্রটিই টানা ৩৬ মিনিট নৃত্যালেখ্য’র মধ্যদিয়ে ফুটিয়ে তুলবেন নাদিয়া আহমেদ।

 বিশ্বরঙ-এর কর্ণধার বিপ্লব সাহা’র সার্বিক তত্ত্বাবধানে ‘নৃত্যালেখ্য’টি আজ রাত সাড়ে আটটায় পরিবেশন করবেন নাদিয়া আহমেদ। নৃত্যালেখ্যটির কোরিওগ্রাফি করেছেন লিখন রায় ও ইভান শাহরিয়ার সোহাগ। এতে নাদিয়া আহমেদ’র সঙ্গে আরো নৃত্য পরিবেশন করবেন ‘নৃত্যকথা’র শিল্পীরা। ‘কাদম্বরী’ চরিত্র নিয়ে নৃত্যালেখ্য পরিবেশন প্রসঙ্গে নাদিয়া আহমেদ বলেন,‘ এমন একটি চরিত্র নিয়ে দর্শকের মাঝে উপস্থিত হতে পারছি-এটা আমার জন্য অনেক আনন্দের, উচ্ছাসের। আমার জানামতে এই চরিত্র নিয়ে এর আগে কেউ কখনো নৃত্যালেখ্য করেনি। সেই হিসেবে আমাকে যারা এটি করার সুযোগ করে দিয়েছেন তাদের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। কাদম্বরীর জীবনকাহিনী এতো অল্পসময়ে যথাযথভাবে তুলে ধরা সম্ভব নয়। তারপরও আমি, আমরা চেষ্টা করেছি ৩৬ মিনিটের মধ্যদিয়েই পূর্ণাঙ্গ কিছু তুলে ধরতে। একই সাথে আমি কিছুটা শঙ্কিত আবার বেশ আনন্দিতও। আশাকরছি উপস্থিত দর্শকের নৃত্যালেখ্যটি ভালোলাগবে।’

 নাদিয়া আহমেদ’র নাচের অনুপ্রেরণা তার মা আফরোজা আক্তার। নাচে জাতীয় শিশু পুরস্কার লাভ করেন তিনি তিনবার। নতুন কুঁড়িতেও পুরস্কার লাভ করেন একবার। এছাড়া ওসমানী পদক, বাচসাস, সিজেএফবি, ট্যাব, সাঁকো টেলিফিল্মস পুরস্কার’সহ আরো নানান পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি। ১৯৯৭ সালে নাদিয়া আহমেদ বুলবুল ললিতকলা একাডেমি থেকে সাত বছরের ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করেন। এতে তিনি প্রথম শ্রেনীতে প্রথম স্থান লাভ করেছিলেন। এদিকে গেলো ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে নাদিয়া আহমেদ অভিনীত এ জাবির রাসেল পরিচালিত নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘বিড়ম্বনা’ বাংলাভিশনে প্রচার শুরু হয়েছে। ছবি ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার।

এই বিভাগের আরো খবর

বিয়ের আগেই প্রেগন্যান্ট

বিনোদন ডেস্ক : বিয়ের আগেই প্রেগন্যান্ট হলেন আলোচিত টিভি তারকা খোল কার্দাশিয়ান। সম্প্রতি তার অন্তঃসত্বা হবার বিষয়টি প্রকাশ পায়। গত এক বছর ধরেই বাস্কেটবল তারকা ত্রিস্তান থম্পসনের সঙ্গে ডেটিং করছেন খোল। এমনকি নিয়মিত লিভ টুগেদারও করছেন তারা। খুব শিগগিরই তাদের বিয়েও করার কথা। কিন্তু তার আগেই প্রকাশ হলো খোলের অন্তঃসত্বা হবার বিষয়টি।

এদিকে গত বছরই স্বামী লামার অদমের সঙ্গে ডিভোর্স হয় খোলের। এরপর থেকেই থম্পসনের সঙ্গে গভীর প্রণয় চলছিলো তার। তবে জানা গেছে, অন্তঃসত্বা হবার খবরটি শুনে খোদ চমকে গেছেন খোল। কারণ অপ্রত্যাশিতভাবেই নাকি অন্তঃসত্বা হয়েছেন তিনি। বিষয়টি এরই মধ্যে আলোচনায় নিয়ে এসেছে খোলকে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম খবরটি ফলাও করে প্রচার করছে। তবে খোল নিজে বিষয়টি নিয়ে এখনও মুখ খুলেননি।

এই বিভাগের আরো খবর

নবমী’তে সাতক্ষীরায় সুমনা’র একক সঙ্গীতসন্ধ্যা

বিনোদন প্রতিবেদক : কলকাতার এই সময়ের শ্রোতাপ্রিয় কন্ঠশিল্পী সুমনা সামান্ত মুখার্জি। দূর্গাপূজার নবমী’তে সঙ্গীত পরিবেশন করতে গতকালই কলকাতা থেকে বাংলাদেশের সাতক্ষীরায় এসে উপস্থিত হয়েছেন। আজ নবমীতে সন্ধ্যার পর তিনি সাতক্ষীরা জেলা শহরের শিল্পকলা একাডেমির পাশেই পূজা’য় সঙ্গীত পরিবেশন করবেন সুমনা।

পেশায় একজন শিক্ষিকা হেেলও তার ভালোলঅগা ভালোবাসা গানকে ঘিরেই। যে কারণে শিক্ষকতার পাশাপাশি সংসার সন্তান নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও গানে বিশেষ মনোযোগ থাকে তার সবসময়ই। আজ নবমীতে পূজার গান’সহ আধুনিক গান, বাংলাদেশের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী ইমরানের গান এবং সম্প্রতি ইমরানের সঙ্গে গাওয়া দ্বৈত সঙ্গীতও পরিবেশন করবেন।

 সাতক্ষীরায় পূজা’য় সঙ্গীত পরিবেশন প্রসঙ্গ সুমনা বলেন,‘ এর আগেও আমি সাতক্ষীরায় এসেছিলোম সঙ্গীত পরিবেশনের জন্য। সে সময় নজরুল সঙ্গীত, সেমি ক্ল্যাসিক্যাল সঙ্গীত পরিবেশন করেছিলাম। এবার পূজোর গান, আধুনিক গান পরিবেশন করবো। সঙ্গে এবার আমার সাথে আমার স্বামী এবং সন্তানও আছে। আশাকরছি সাতক্ষীরায় পূজোতে বেশ ভালো সময়ই কাটবে আমার।

সবার কাছে আশীবার্দ চাইছি যেন ভালোভাবে একক অনুষ্ঠানটি শেষ করে ফিরে যেতে পারি। কারণ কলকাতাতেও পূজোর ব্যস্ততা রয়েছে ভীষণভাবে।’ ছোটবেলায় মা সোমা সামন্ত’র কাছে সুমনার গানে হাতেখড়ি। এখন নিয়মিত গানে তালিম নিচ্ছেন প-িত সওগত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। গতবছর পূজাতে কলকাতায় তার ‘আঙ্গুলের আলতো ছোঁয়ায়’ অ্যালবামটি প্রকাাশিত হয়। ইদ্রিস হায়দার নির্দেশিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘নীল ফড়িং’-এ প্লে-ব্যাক করেছেন তিনি।

এই বিভাগের আরো খবর

প্রথম গান গাইলেন পূর্ণিমা, সুর সঙ্গীতে এবং সহশিল্পী ইমরান

অভি মঈনুদ্দীন : চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা অভিনয়ে মুগ্ধ হয়েছেন দর্শক অনেক আগেই। উপস্থাপনার মধ্যদিয়েও তিনি দর্শককে মুগ্ধ করেছেন সম্প্রতি। মডেল হিসেবেও তিনি দর্শকের কাছে জনপ্রিয়। অভিনেত্রী, মডেল এবং  উপস্থাপিকা এই তিন পরিচয়ের বাইরে নুতন আরো একটি পরিচয়ে পরিচিত হতে যাচ্ছেন তিনি। এবার পূর্ণিমাকে দর্শক গাইতে দেখবেন। ২০১৫ সালে এই সময়ের শ্রোতানন্দিত কন্ঠশিল্পী ইমরানের গাওয়া এবং সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে আলোচিত গান ‘বলতে বলতে চলতে চলতে’ গানটি নতুন করে গেয়েছেন ইমরান। আর এই গানেই ইমরানের সঙ্গে কন্ঠ দিয়েছেন পূর্ণিমা। গেলো ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেল পাঁচটায় রাজধানীর নিউ বেইলি রোডে ইমরানের নিজস্ব স্টুডিওতে পূর্ণিমা এই গানে কন্ঠ দেন। ইমরানের সুর সঙ্গীতে এই গানে কন্ঠ দেয়ার সময় নতুন এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন পূর্ণিমা। ভয়েস দেয়ার সময় ইমরান তাকে দারুণভাবে সহযোগিতা করেছেন।

 যে কারণে রেকর্ডিং শেষে উপস্থিত যারাই গানটি শুনেছেন মুগ্ধ হয়েছেন পূর্ণিমার গায়কীতে। ধারনাই করা যায়নি পূর্ণিমা এতোটা ভালো গান গাইতে পারেন। শফিক তুহিনের লেখা ইমরানের সুর সঙ্গীতে ইমরানেরই গাওয়া এই গানটি এরইমধ্যে ইউটিউবে প্রায় এক কোটি আশি লাখ ভিউয়ার্স উপভোগ করেছেন। রেকর্ডিং শেষে পূর্ণিমার গায়কী প্রসঙ্গে ইমরান বলেন,‘ তার গায়কীতে আমি সত্যিই আমি বিস্মিত হয়েছি, মুগ্ধ হয়েছি। শুরু থেকেই যদি এই গানের কোন ফিমেল ভার্সন থাকতো তবে এর চেয়ে ভালো আর হতোনা। গানটি নিয়ে আমি নতুনভাবে খুউব আশাবাদী। আশাকরি পূর্ণিমা আপুর কন্ঠে আমার গানের নতুন এই আয়োজন সবাই বেশ উপভোগ করবেন।’ পূর্ণিমা বলেন,‘ আমি বেশকিছুটা অসুস্থ ছিলাম। কিন্তু তারপরও ভয়েস দেই। গানটি গাওয়ার সময় বিশ্বাসই হচ্ছিলো না যে আমি এতো ভালোভাবে গাইতে পারছি। তবে এই গানে আমার কন্ঠকে যথাযথভাবে শ্রোতা দর্শকের কাছে তুলে ধরার পুরো কৃতিত্ব ইমরানের।

 আমিও গানটি নিয়ে অনেক বেশি আশাবাদী।’ পূর্ণিমা এবং ইমরানের এই গানে তারা দু’জনই পারফর্ম করবেন আগামীকাল সন্ধ্যা সাতটায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠেয় ‘১২তম চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস পাওয়ার্ড বাই সেভেন আপ’ অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানটি পরিকল্পনা ও পরিচালনা করছেন ইজাজ খান স্বপন। পূর্ণিমা ও ইমরানের পারফর্ম্যান্স’র কোরিওগ্রাফি করবেন ঈগলস’র কর্ণধার তানজিল। এদিকে ঈদের পর এখনো পূর্ণিমা অভিনয়ে ফিরেননি। সাম্প্রতিক সময়ে ইমরানের গাওয়া যে তিনটি গান শ্রোতা দর্শককে মুগ্ধ করেছে সেগুলো হচ্ছে আবদার রহমানের লেখা ‘ধোঁয়া, ¯েœহাশীষ চক্রবর্ত্তীর লেখা ‘ঠিক বেঠিক’ এবং জুলফিকার রাসেলের লেখা ‘আমার ইচ্ছে কোথায়’। তিনটি গানেরই সুর সঙ্গীত ইমরানের। ছবি ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার।

এই বিভাগের আরো খবর

২২ বছর পর সরকারি সফরে মৌ

অভি মঈনুদ্দীন : একজন নৃত্যশিল্পী হিসেবে পরিচয় দিতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন সাদিয়া ইসলাম মৌ। তবে নৃত্যশিল্পী পরিচয়ের বাইরে তিনি এদেশের কিংবদন্তী একজন মডেল এবং একজন নন্দিত অভিনেত্রীও বটে। গুণী এই ব্যক্তিত্ব দীর্ঘ বাইশ বছর পর সরকারী কোন সফরে দেশের বাইরে নৃত্য পরিবেশন করতে যাচ্ছেন। আজ কোরিয়াতে অনুষ্ঠেয় ‘১২তম মাইগ্রেন্টস অ্যারিরাং মাল্টিকালচারাল ফ্যাস্টিভ্যাল’-এ পারফর্ম করার উদ্দেশ্যে একটি দলের সঙ্গে গতকাল রাতেই কোরিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন সাদিয়া ইসলাম মৌ। আগামী ২৯, ৩০ সেপ্টেম্বর এবং ১ অক্টোবর এই ফ্যাস্টিভ্যালে মৌ’সহ আরো সাতজন নৃত্যশিল্পী পারফর্ম করবেন বলে জানা গেছে। মৌ ছাড়া আরো সাতজন যারা পারফর্ম করবেন তারা হচ্ছেন ফারহানা চৌধুরী বেলী, ফারহানা খান, হেনা হোসেইন, সুপ্রিয়া শবনম প্রতিভা, আব্দুর রশীদ স্বপন, লতিফুর রহমান ফারুকী ও ওয়াহিদুদ্দিন নাঈম। মৌ মাঝে সংসার, সন্তান নিয়ে ব্যস্ত থাকায় নিজের পেশাগত কাজ থেকে দূরে ছিলেন।

 বেশ কয়েকবছর হলো তিনি আবারো তার কাজে ফিরেছেন। কাজে ফেরার পর বেসরকারী কয়েকটি সফরে নৃত্য পরিবেশন করলেও সরকারী কোন সফরে বিগত বাইশ বছর আর অংশগ্রহণের সুযোগ হয়নি তার। দীর্ঘ বাইশ বছর পর সরকারী সফরে পারফর্ম করা প্রসঙ্গে সাদিয়া ইসলাম মৌ বলেন,‘ বিয়ের পর আসলে সংসার, সন্তান নিয়ে এতোটাই ব্যস্ত ছিলাম যে সরকারী সফরে অংশগ্রহণের প্রস্তাব আসলেও সম্মতি জানাতে পারিনি। দীর্ঘদিন পর সরকারী সফরে দেশের বাইরে একটি উৎসবে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছি, বিষয়টি অবশ্যই অনেক আনন্দের, উচ্ছাসের। সবচেয়ে ভালোলাগা এই যে আমরা আটজনের একটি দল একসঙ্গে যাচ্ছি। দেশের বাইরে সরকারী সফরে একজন নৃত্যশিল্পীর পারফর্ম্যান্সে অংশ নেয়া গর্বেরও বিষয় বটে। আশা করছি অনেক ভালোলাগার স্মৃতিজাগানিয়া একটি সফর হবে এটি।

’ উল্লেখ্য আটজনের যে দলটি গতকাল কোরিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন তারা সবাই বাফা অর্থাৎ বাংলাদেশ একাডেমি অব ফাইন আর্টস’র। সাদিয়া ইসলাম মৌ জানান , সরকারী এই সফরে তারা যে পোশাক পরিধান করবেন তা ডিজাইন করেছেন বিশ্বরঙ-এর কর্ণধার বিপ্লব সাহা ও তিনি নিজে। মৌ সর্বশেষ বাইশ বছর আগে তার্কি’তে অনুষ্ঠিত একটি সরকারী সফরে নৃত্য পরিবেশন করেছিলেন। গেলো ঈদে মৌ তার দুই প্রিয় বন্ধু তানিয়া আহমেদ ও তানভীন সুইটির সঙ্গে আরিফ খানের নির্দেশনায় এসএটিভিতে প্রচারিত ঈদ ধারাবাহিক নাটক ‘টেইক এ ব্রেক’-এ অভিনয় করতে দেখা যায়। এছাড়া গেলো ঈদে তাকে মাজহারুল ইসলাম, কৌশিক শংকর দাশ, নাজমুল ইমন এবং আবু হায়াত মাহমুদের নাটকে অভিনয় করতে দেখা যায়। ছবি ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার।

এই বিভাগের আরো খবর



Go Top