বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬
ad
২৪ এপ্রিল, ২০১৬ ২১:৫২:৪৬
প্রিন্টঅ-অ+
নিউজপ্রিন্ট আমদানিতে শুল্ক ও কর প্রত্যাহার চান সম্পাদকরা
সংবাদপত্র শিল্পে ব্যবহৃত প্রধান কাঁচামাল আমদানি করা নিউজিপ্রিন্টের শুল্ক ও কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন সম্পাদকরা।

রোববার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রাক-বাজেট আলোচনায় এ দাবি জানান তারা।

তারা বলেছেন, দেশীয় শিল্পের উৎপাদিত কাগজ মানসম্মত নয়। ফলে অধিকাংশ নিউজপ্রিন্ট আমদানি করতে হয়। তারা আরও বলেন, বর্তমানে প্রতি টন কাগজ আমদানিতে শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর ও অগ্রিম করসহ মোট ২১ শতাংশ সরকারকে দিতে হয়। এত বেশি কর দিয়ে নিউজপ্রিন্ট আমদানি করে সংবাদশিল্প টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানো হয়েছে। এ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিক কর্মচারীদের পক্ষ থেকে বেতন বাড়ানোর দাবি উঠেছে। এসব বিষয় বিবেচনা করে এ শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষার্থে সম্পূর্ণ শুল্ক ও কর তুলে নেওয়ার দাবি জানান সম্পাদকরা। এ বিষয়ে আগামী ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান তারা।

উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনে আগামী বাজেটে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর বেশি গুরুত্ব আরোপ করেন সম্পাদকরা। একই সঙ্গে সংবাদপত্রে প্রকাশিত বিজ্ঞাপন বিলের ওপর উৎস কর কেটে রাখার বিধান তুলে নেওয়াসহ এ শিল্পে আরও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর দাবি জানান সম্পাদকরা। আগামী ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে এসব বিষয়ে স্পষ্ট প্রতিফলন দেখতে চান তারা।

অর্থ প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ইংরেজি দৈনিক নিউজ টুডের সম্পাদক রিয়াজউদ্দিন আহমেদ, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস পত্রিকার সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, সমকাল প্রকাশক ও চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ. কে. আজাদ, অর্থনীতি প্রতিদিন সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান, প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আবদুল কাইয়হৃম, বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম, আমাদের সময় পত্রিকার সম্পাদক গোলাম সরওয়ার প্রমুখ। এ ছাড়া সরকারের পক্ষে অংশ নেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ সচিব মেজবাহউদ্দিন ও এনবিআর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমানসহ বাজেট প্রণয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

নোয়াবের সহসভাপতি এ. কে. আজাদ বলেন, প্রতি বছর বাজেট আলোচনায় সংবাদপত্র শিল্পের শুল্ক ও কর কমানোর দাবি জানানো হয়। কিন্তু বাজেট ঘোষণায় এর প্রতিফলন দেখা যায় না। আশা করছি, আগামী বাজেটে তার প্রতিফলন ঘটবে।

অনুষ্ঠানে অর্থ প্রতিমন্ত্রী পরামর্শগুলো বিবেচনার আশ্বাস দেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির অর্থ ফেরত দিতে ফিলিপিন্সের ‘বিভিন্ন রকম বক্তব্যে’ ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তারা একেক সময় একেক কথা বলছে। বিষয়টি নিয়ে ফিলিপিন্স খেলছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত

অর্থ-বাণিজ্য এর অারো খবর