সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৬
ad
  • হোম
  • দেশজুড়ে
  • ঈশ্বরদীতে স্বামীর দেয়া আগুনে গৃহবধূর মৃত্যু আটক ২
০৩ মে, ২০১৬ ১৩:০৬:৫৪
প্রিন্টঅ-অ+
ঈশ্বরদীতে স্বামীর দেয়া আগুনে গৃহবধূর মৃত্যু আটক ২
পাবনা প্রতিনিধি: পাবনার ঈশ্বরদীতে স্বামীর নির্যাতনের পর শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়া গৃহবধূ ছালমা খাতুন (২৮) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ণ ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাতে মারা গেছেন। গত রোববার রাতে অগ্নিদগ্ধ ছালমা খাতুনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ছালামার স্বামী দিয়ার বাঘইল গ্রামের মোজাহার মল্লিকের ছেলে সাহাবুল মল্লিক (৩৭) ও শাশুড়ি কোমেলা খাতুনকে (৫০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মৃত ছালমা পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল পূর্বপাড়া সাকো এলাকার নুরা ঘরামীর মেয়ে। তিনি দিয়ার বাঘইল গ্রামে স্বামী ও দুই সন্তানের সাথে বসবাস করতেন। ছালমা খাতুন ঈশ্বরদী ইপিজেডের একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক ছিলেন।

ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিমান কুমার দাশ জানান, এ ঘটনায় মৃত ছালমা খাতুনের চাচা আলম মোল্লা বাদি হয়ে সোমবার রাতে ছালামার স্বামী সাহাবুল মল্লিক ও শাশুড়ি কোমেলা খাতুনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর মঙ্গলবার ভোর চারটার দিকে বাঘইল গ্রামের বিলের মধ্যে থেকে তাদের দু’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে ময়না তদন্তের জন্য ছালমা খাতুনের মরদেহ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

ছালমার চাচাতো ভাই সুমন আহমেদ জানান, ছালমা খাতুন তার মেয়ে শারমিনের বিয়ের জন্য ব্যাংকে ৫০ হাজার টাকা জমা করেছিলেন। ওই টাকা তুলে দেয়ার জন্য মাদকাসক্ত স্বামী সাহাবুল তার ওপর চাপ দিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে রোববার রাতে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সাহাবুল স্ত্রীর শরীরে পেট্রোল ছিঁটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। ছালমার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রোববার দিবাগত রাত তিনটার দিকে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাত আটটার দিকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন ছালমা খাতুন।
 
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত

দেশজুড়ে এর অারো খবর