বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৬
ad
  • হোম
  • দেশজুড়ে
  • কুমিল্লায় আওয়ামী লীগের গ্রুপের সংর্ঘষ : আহত ১৫
১৭ এপ্রিল, ২০১৬ ২০:৪৭:২২
প্রিন্টঅ-অ+
কুমিল্লায় আওয়ামী লীগের গ্রুপের সংর্ঘষ : আহত ১৫
কুমিল্লা প্রতিনিধি : কুমিল্লার মেঘনায় আওয়ামী লীগের দু’গ্র“পের মধ্যে দিনভর দফায় দফায় সংর্ঘষ, লুটপাট ও ভাংচুরের ঘটনায় উভয় পরে টেটাবিদ্ধসহ অন্তত ১৫জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।  

রোববার সকাল থেকে উপজেলার চালিভাংগা ইউনিয়নের ফরাজিকান্দি গ্রামে হুমায়ন চেয়রম্যান গ্র“প ও নুরুল আমিন চেয়ারম্যান প্রার্থী গ্র“পের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় টেটাবিদ্ধ টিটু, স্বপন, মানিক ও দেলুকে ঢাকা ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, চালিভাংগা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আমিন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেয়েছেন এমন গুজব ছড়িয়ে এলাকায় আনন্দ মিছিল বের করেন। এসময় মিছিলের লোকজনের সাথে বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো. হুমায়ন কবিরের লোকজনের সাথে কথা কাটাকাটি হয়।

এর কিছুণ পরই নুরুল আমিনের লোকজন দেশীয় অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ফরাজি কান্দি গ্রামের হুমায়ুন চেয়ারম্যানের সমর্থকদের ওপড় হামলা চালায়। এতে করে উভয় পরে ১৫জন আহত হয় এবং আতঙ্কে মানুষজন যখন দিগি¦দিক ছোটাÑছুটি করতে থাকে। এসময় নুরুল আমিনের লোকজন ফরাজিকান্দি গ্রামের বেশ কয়েকটি বাড়িÑঘরে ব্যাপক লুটপাট করে প্রায় কয়েক লাধিক টাকার মালামাল নিয়ে যায়।

খবর পেয়ে মেঘনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে উভয় গ্র“পের অবাধ্য সন্ত্রাসীরা চল, টেটা, দাÑছুড়াসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হুংকার দিতে থাকে। থানা পুলিশ অবশেষে বড় ধরনের সহিংসতা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে। এলাকায় এখন থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।

তবে অতিরিক্ত পুলিশ সরিয়ে নিলে আবারো রক্তয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে বলে এলাকাবাসী জানায়।

উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা মো. হুমায়ুন কবির জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সফিকুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক রতন সিকদারের হুকুমেই মিছিলের নাম করে তারা পরিকল্পিত হামলা চালায়। এরা আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার জন্যই এই রক্তের হুলি খেলায় মেতেছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেন মো. শফিকুল আলম বলেন, আসলে হুমায়ুন চেয়ারম্যানের লোকজনই কয়েকজনকে জোর করে ধরে নিয়ে টেটাবিদ্ধ করে হত্যার চেষ্টা করে। তাদের উদ্ধার করতে গিয়েই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

মেঘনা থানা অফিসার ইনচার্জ বলেন, তারা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোন মামলা হয়নি।


 
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত

দেশজুড়ে এর অারো খবর