মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬
ad
২০ এপ্রিল, ২০১৬ ১৬:০৫:২৯
প্রিন্টঅ-অ+
কন্ঠশিল্পী বশির আহমেদের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ
জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী বশির আহমেদের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৪ সালের এইদিনে রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুরে নিজ বাসায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তার কণ্ঠে জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ‘অনেক সাধের ময়না আমার’, ‘আমাকে পোড়াতে যদি এত লাগে ভালো’, ‘যা রে যাবি যদি যা/পিঞ্জর খুলে দিয়েছি’, ‘ডেকো না আমারে তুমি/কাছে ডেকো না’,‘খুঁজে খুঁজে জনম গেল’,‘সজনী গো ভালোবেসে এত জ্বালা কেন বল না’ এমন অনেক গান।

বশির আহমেদ ছিলেন একাধারে শিল্পী, সুরকার, গীতিকার ও সংগীত পরিচালক ।

দিল্লির সওদাগর পরিবারের সন্তান বশির আহমেদ ১৯৩৯ সালের ১৯ নভেম্বর কলকাতার খিদিরপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম নাসির আহমেদ। ১৯৬৪ সালে বশির আহমেদ সপরিবারে ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকায় আসার আগে উর্দু চলচ্চিত্রে গান গাওয়া শুরু করেন। তার কণ্ঠস্বর ছিল মাধুর্যে ভরা। রাগসংগীতেও দখল ছিল তার।

তিনি উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতজ্ঞ ওস্তাদ বড়ে গোলাম আলী খাঁর কাছে তালিম নিয়েছেন । উপমহাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী তালাত মাহমুদের সঙ্গে তিনি তালাশ চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন।

বশির আহমেদ একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ অনেক পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন।

বশির আহমেদের স্ত্রী মীনা বশিরও জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী।বশির আহমেদের মৃত্যুর পর থেকে খাওয়া-দাওয়া প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন মীনা বশির। কিছুতেই তিনি মানতে পারছিলেন না বশির আর নেই। শ্বাস কষ্টে ভুগছিলেন তিনি। একই বছর ৭ আগস্ট তিনিও মারা যান।  মোহাম্মদপুরে সলিমউল্লাহ সড়ক সংলগ্ন কবরস্থানে বশির আহমেদের সমাধির পাশে মীনা বশিরকে দাফন করা হয়।

তাদের দুই সন্তান ছেলে রাজা বশির ও মেয়ে হুমায়রা বশিরও সংগীতের সঙ্গে যুক্ত।
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত