বিকাল ৪:৫৮, বুধবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / স্বনির্ভরতার পথে দেশের অর্থনীতি
স্বনির্ভরতার পথে দেশের অর্থনীতি
মার্চ ১০, ২০১৭

২০৫০ সালে বিশ্বের ২৩তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ। ২০১৪ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ছিল ৩২তম। এ হিসাবে ২০৫০ সালে বিশ্বের ২৮তম হবে বৃহৎ বাংলাদেশের অর্থনীতি। এই ৩৫ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার এখনকার তুলনায় ১৩তম বড় হবে। প্রতিবেদনে বলা হয় বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি চীনের প্রবৃদ্ধি ২০২০ সালের পর কমবে। বলতে দ্বিধা নেই এ ভাবেই হাজারো সমস্যার অন্তর্জাল ছিন্ন করে অনন্ত সম্ভাবনায় পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশের পুঁজি জনগণের কর্মশক্তি, মেধা, ৫ কোটি তরুণ প্রাণ ও অনন্ত উদ্ভাবনী ক্ষমতা।

 বাঙালি মানুষ বড়ই কাজের পথ দেখিয়ে দিলেই হলো অসাধ্যকে করে সাধন। মহান মুক্তিযুদ্ধে নিরক্ষর বাঙালিরা তাদের উদ্যম, মেধা আর ত্যাগের মহিমা শক্তি দিয়েই বিজয় ছিনিয়ে এনে বিশ্বকে প্রমাণ করে দিয়েছে বাঙালিরা পারে। যা বলে তা করেই ছাড়ে। বিজয় অর্জনের সাড়ে চার দশকে তলাবিহীন ঝুড়ির খেতাব ঘুচিয়ে উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্নের পথে এগিয়ে চলছে। একটি দেশের অর্থনীতি কতটা বড় ও শক্তিশালী সেটি নির্ধারণে সর্বস্বীকৃত দুটি উপায় আছে।

 একটি হলো ক্রয় ক্ষমতার সক্ষমতার ভিত্তিতে জিডিপির আকার অন্যটি হলো বাজার বিনিময় হারের ভিত্তিতে জিডিপির আকার, দুই হিসাবেই বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নতি উঠে এসেছে। বাংলাদেশ দ্রুত মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিকাশ হচ্ছে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের ২০ শতাংশ জনগোষ্ঠী এখন মধ্যবিত্ত। ১৯৯২ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য হারে মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিকাশ ঘটেছে।

 বিশ্বে ফল উৎপাদন বৃদ্ধির হার এখন বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি। বাংলাদেশে আম উৎপাদন বিশ্বের সপ্তম এবং পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে। গত ৪ বছরে আম, কাঁঠাল, কলা, লিচু, পেয়ারা, ও আনারসের মতো দেশি ফল উৎপাদন দ্রুত হারে বাড়ছে। বিজ্ঞান প্রতিবেদন ২০১৫ অনুযায়ী উচ্চ শিক্ষার ভালো অবস্থানে বাংলাদেশ। বাংলাদেশে শিক্ষার মান বেড়েছে। নারী পুরুষের আয় বৈষম্য কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে ধারাবাহিক উন্নতির ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষস্থানে বাংলাদেশ।

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top