রাত ১:৪৬, সোমবার, ১৯শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং
/ আইন-আদালত / রাজধানীতে ২ জঙ্গি গ্রেফতার গাড়ি হামলার পরিকল্পনা, বিচ্ছিন্নভাবে তৎপর জেএমবি : পুলিশ
বিচ্ছিন্নভাবে তৎপর জেএমবি : পুলিশ
রাজধানীতে ২ জঙ্গি গ্রেফতার গাড়ি হামলার পরিকল্পনা, বিচ্ছিন্নভাবে তৎপর জেএমবি : পুলিশ
সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৭

রাজধানীর খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ এলাকা থেকে নব্য জেএমবির দুই সদস্যকে বিস্ফোরকসহ গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নাইম আহমেদ ওরফে আনাস ওরফে আবু হামজা ওরফে আরিশা কুনিয়া এবং আনোয়ার হোসেন নামের এই দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৩০টি ডেটোনেটর (বিস্ফোরক) ও উগ্রবাদী মতাদর্শের বই উদ্ধার করা হয়েছে বলে শনিবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে সিটিটিসি প্রধান মনিরুল ইসলাম এসব তথ্য জানান। গ্রেফতাররা গাড়ি বোমা হামলার পরিকল্পনা করেছিলো বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গ্রেফতার নাঈম আহমেদ গুলশানের হলি আর্টিজান হামলা মামলার অন্যতম আসামি বাশারুজ্জামান চকলেটের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। ২০১৫ সালে তারা একই আইটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। গত বছরের ২৬ জুলাই কল্যাণপুরের জঙ্গি আস্তানায় যারা নিহত হন, তাদের সঙ্গে নাঈমও প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। মনিরুল ইসলাম জানান, ধারণা করা হচ্ছে, বাশারুজ্জামান চকলেট চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশি অভিযানে নিহত হয়েছেন। সিরিয়ায় ড্রোন হামলায় নিহত সাইফুল ইসলাম সুজনের সঙ্গে বিভিন্ন সময় নাঈমের যোগাযোগ হয়েছে বলে তিনি জানান। মনিরুল ইসলাম আরও বলেন, অপর আসামি আনোয়ার হোসেন সাভারের হেমায়েতপুরে একটি মোটর গ্যারেজের মালিক। ২০১৫ সাল থেকে তিনি নব্য জেএমবিতে যুক্ত হন। নব্য জেএমবির শুরা সদস্যদের পরামর্শে গাড়ি হামলার জন্য তিনি তার গ্যারেজ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতেন। গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলার পর নব্য জেএমবির সদস্যরা গাড়িবোমা হামলারও প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। যারা প্রস্তুতি নিয়েছিলেন, তাদের বড় অংশ নিহত হয়েছে বা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে। আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে জেএমবির সারোয়ার জাহান, রিপন, নোমান, আল-বানী ও ডনের যোগাযোগ ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। গত সোমবার মিরপুরের দারুস সালামের মাজার রোডে র‌্যাবের অভিযানে নিহত ‘আবদুল্লাহ’র সঙ্গেও ডনের পরিচয় ছিল। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেছেন, পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানের কারণে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর হামলা করার সামর্থ্য এখন প্রায় নেই। তবে বিচ্ছিন্নভাবে তাদের তৎপরতা আছে। নোয়াখালীতে একজন পীর খুন হওয়ার ঘটনায় নব্য জেএমবির সম্পৃক্ততার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। জঙ্গিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে মনিরুল ইসলাম জানান, নব্য জেএমবির শূরা সদস্যদের পরামর্শে গাড়ি হামলার জন্য আনোয়ার হোসেন তার গ্যারেজে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছিলো। এই ধরণের পরিকল্পনার কথা সে স্বীকার করেছে। তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top