রাত ১:৪৪, সোমবার, ১৯শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / বাংলাদেশের উন্নয়ন
বাংলাদেশের উন্নয়ন
সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৭

পরিবেশকে ভিত্তি করে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নই হলো টেকসই উন্নয়ন। এই উন্নয়নের অনেক বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে মানুষের বাঁচার ন্যুনতম প্রয়োজন, যেমন – খাদ্য, বাসস্থান, স্বাস্থ্য, শিক্ষার প্রয়োজন মিটিয়ে জীবন যাত্রার মান বৃদ্ধি করা, গ্রাম উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া, যাতে গ্রামের সব মানুষ শহরের দিকে না আসে। সুষম ভূমি ব্যবহার ও তা নিয়ন্ত্রণে সঠিক ব্যবস্থা আনা, আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি পুনর্বন্টনের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণ। ভূমির ক্ষয়রোধ, নদী ভাঙন, জমির উর্বরতা রক্ষায় আমাদের তেমন কোন অগ্রগতি নেই। নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে আমাদের জমি বসত ভিটা। কৃষি জমির পরিমাণ ক্রমেই কমে যাচ্ছে। বিশ্বে প্রতি বছর ৩৪ লাখের মতো মানুষের মৃত্যু ঘটে বিশুদ্ধ পানির অভাবজনিত রোগের কারণে।

 এসব সমস্যার পাশাপাশি আমাদের এটাও মনে রাখতে হবে, চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় মানব জাতির হাতে রয়েছে পর্যাপ্ত বৈষয়িক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ। পারস্পরিক উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে এ সুবিধা আমাদের কাজে লাগাতেই হবে। মানবজাতির এ সম্মিলিত অভিযাত্রায় বৈশ্বিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ এ সব মৌলিক সমস্যা সমাধানে জরুরিভাবে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে – যা ইতিমধ্যে বিশ্ব দরবারে প্রশংসিত হয়েছে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে সরকার একাধিক প্রকল্প গ্রহণ করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে দুর্নীতির কারণে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

 প্রতি বছর বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি অনিয়ম-অপচয় ধরা পড়লেও এর সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা হয় না। এ সংস্কৃতি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। এ জন্য দুদককে স্বাধীন ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে। আমরা মনে করি সমৃদ্ধির সর্বোচ্চ শিখরে পৌছতে জাতীয়ভাবেও নিতে হবে সমন্বিত পরিকল্পনা। আর তা বাস্তবায়নে চালাতে হবে দলমত নির্বিশেষে সম্মিলিত প্রচেষ্টা। দেশপ্রেমে বলীয়ান হয়ে ১৬ কোটি মানুষকেই এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যতœবান হতে হবে।

 

এই বিভাগের আরো খবর



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top