রাত ৪:০২, বৃহস্পতিবার, ২২শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং
/ তথ্যপ্রযুক্তি / ফেইসবুকের সঙ্গে ফের বৈঠকে বসছে সরকার
ফেইসবুকের সঙ্গে ফের বৈঠকে বসছে সরকার
মার্চ ৭, ২০১৭

উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ এবং বিদেশ থেকে পরিচালিত আপত্তিকর কনটেন্টের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে চলতি মাসেই ফেইসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনায় বসছে সরকার। মঙ্গলবার ঢাকার লো মেরিডিয়ান হোটেলে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ: সাইবার অপরাধ, নিরাপদ ইন্টারনেট ও ব্রডব্যান্ড’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কর্মশালা উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এ কথা বলেন।


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফেইসবুক ও গুগলের সাথে ইতিমধ্যে আলোচনা হয়েছে। ফেইসবুক তাদের কথামত কাজ করছে। আপত্তি উত্থাপনের পরই ফেইসবুক ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সাড়া দিচ্ছে। উসকানিমূলক, জঙ্গিবাদ ছড়ায়- এ ধরনের পেইজ তারা বন্ধ করেছেন।

আমরা অনেকটাই এগিয়ে গেছি। ফেইসবুকের অনুবাদকও রয়েছে, তাদের বুঝতে হবে কনটেন্টটা কী। তবে জঙ্গিবাদ ছড়ানো ফেইসবুক আইডিগুলোর অনেকগুলো ‘ফেইক’ (ভুয়া) থাকায় এর পেছনের ব্যক্তিদের চিহ্নিত করায় সমস্যা হচ্ছে বলে জানান তারানা হালিম। তিনি বলেন, সমস্যা হলো, যেগুলো ইউআরএল পাঠাতে হয় ওখানে (ফেইসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে), তার অনেকগুলো থাকে ফেইক (ভুয়া), তখন ওই ব্যক্তি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারছে না। আইনের প্রয়োগ তখনই হবে, যখন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করতে পারব। এসব সমস্যা সমাধান করতে আলোচনার জন্য মার্চে ফেইসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই সমস্যাগুলো- উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ ছড়ায় যে পেইজগুলো বা বিদেশ থেকে যেগুলো পরিচালিত হয়, সেগুলোর ব্যাপারে আমরা যেন কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারি। কর্মশালায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো নিজস্ব নীতিমালায় পরিচালিত হয়। সেখানে একটি অংশ থাকে যে, সেই নীতিমালাগুলো যেন কোনো রাষ্ট্রের আইনবিরোধী না হয়। এর যথাযথ বাস্তবায়ন হলে প্রত্যেক দেশের সুবিধা হয়। এর কারণ হিসেবে তারানা হালিম বলেন, আমাদের নিজস্ব কিছু সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ রয়েছে, কিছু স্পর্শকাতর বিষয় রয়েছে।

আমরা একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ, কাজেই এই বিষয়গুলোর প্রতি দৃষ্টি রেখে তাদের (সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম) নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন হয়। সামাজিক, ধর্মীয় মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক বিষয়গুলো মাথায় রেখে নীতিমালা প্রণয়ণ করতে হবে এবং নীতিমালার জন্য প্রত্যেক দেশের জন্য ভিন্ন ভিন্ন তদারকি সেল থাকা উচিত বলে মনে করেন প্রতিমন্ত্রী। ওভার দ্য টপ সেবার সুযোগ ও প্রতিবন্ধকতা, সাইবার অপরাধ দমনে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ও মোবাইল ফোন অপারেটরদের ভূমিকা, বাংলাদেশে সাইবার অপরাধ দমনে টেলিযোগাযোগ খাতের গৃহীত কৌশলসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় আলোচিত হবে।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top