রাত ১:৪৩, সোমবার, ১৯শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / কর্মস্থলে ফেরা নির্বিঘœ হোক
কর্মস্থলে ফেরা নির্বিঘœ হোক
সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৭

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ঈদের ছুটির পর ঢাকামুখী যাত্রীরা প্রায় ৬০ কিলোমিটার বিস্তৃত এই যানজটে পড়ে নাকাল হচ্ছেন। যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে গত শুক্রবার রাত থেকে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়। মহাসড়কের যে সব এলাকায় খানা-খন্দ তৈরি হয়েছে সেখানে খুব ধীরে বাস সহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছে। এর ফলে হাজারো যাত্রী দুর্বিসহ অবস্থার মধ্যে পড়েছেন। টাঙ্গাইলের করোটিয়া সহ শুক্রবার রাতে মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় শত শত যানবাহন আটকে থাকার কথা যাত্রীরা জানিয়েছেন।

 টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা থেকে গাজীপুরের চন্দ্রা পর্যন্ত প্রায় ৬০ কিলোমিটার এলাকায় যানবাহন ধীর গতিতে চলছে। এক যাত্রী জানান তিনি শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় বগুড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। ১৪ ঘন্টা ভোগান্তির পর তিনি সাভারের জিবানি পৌছেছেন। পরিবারের সাথে ঈদের ছুটি কাটিয়ে ঢাকায় কর্মস্থলের দিকে ফিরতি এমন হাজারো মানুষের যানজটে নাভিশ্বাস উঠেছে। আরেক যাত্রী জানান, টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থেকে গাজীপুরের চন্দ্রা পর্যন্ত শত শত যানবাহন প্রায় ১১ ঘন্টা ধরে যানজটে আটকে ছিল। এর মধ্যে শুধু করোটিয়াতেই ছয় ঘন্টা যানজট লেগে ছিল। আপনজনদের সঙ্গে ঈদ কাটাতে যারা নাড়ির টানে আপন ঠিকানায় গিয়েছিলেন তারা রাজধানীতে ফিরছেন শুক্রবার থেকে।

 এখন রাজধানী কিংবা প্রধান প্রধান নগরমুখী যানবাহন সাধারণ সময়ের চেয়ে যেমন বেশি ভিড় থাকবে তেমনি সড়কগুলোতে দেখা যাচ্ছে মারাত্মক যানজটের প্রবণতা। এ ছাড়া অতিবৃষ্টি ও বন্যায় এবার সারা দেশের সড়ক-মহাসড়কের মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রাস্তাগুলো খানা খন্দকে ভরে গেছে। বন্যাত্তোর রাস্তাঘাট সংস্কারের কাজও শুরু হয়ে গেছে। রাস্তায় এসব কাজ অনেক সময় যানজট তৈরি করছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের যারা দায়িত্বশীল তারা সতর্ক থাকলে যানবাহন চালকদের সামাল দেয়া সম্ভব হবে। হ্রাস পাবে দুর্ঘটনার আশংকা। কর্মস্থলে ফেরার যাত্রা নির্বিঘœ করতে তারা সাধ্য অনুযায়ী অবদান রাখবেন আমরা এমনটিই দেখতে চাই।

এই বিভাগের আরো খবর



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top