বগুড়া মঙ্গলবার | ১৭ ভাদ্র ১৪২২ | ১৬ জিলকদ ১৪৩৬ হিজরি | ১ সেপ্টেম্বর ২০১৫
ব্রেকিং নিউজ
আর্কাইভ
দিন :
মাস :
সাল :
এই সংখ্যার পাঠক
১৪৮৯৫৩
সার্চ
ছাত্রলীগকে আগাছা উপড়ে ফেলতে বললেন শেখ হাসিনা
স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা অফিস :
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতি করতে ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, জাতির পিতার আদর্শকে ধারণ করতে হবে। মানুষের আস্থা, ভালবাসা ও বিশ্বাস অর্জন করতে হবে। কারণ এখনো পরাজিত শক্তির চাটুকাররা দেশে আছে। বঙ্গবন্ধু বলে গেছেন, এ দেশের মাটি উর্বর, এখানে বীজ ফেললেই যেমন গাছ হয়; আবার এ উর্বর ভূমিতেই আগাছাও জন্মে। আর এই আগাছাগুলোই আসলদের সর্বনাশটা করে। কাজেই আগাছাগুলো উপড়ে ফেলে ভাল গাছগুলো যাতে বেড়ে উঠতে পারে, সে পথটাই আমাদের বেছে নিতে হবে। গতকাল সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব... বিস্তারিত
নির্বাচিত সংবাদ
স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে ৩০ গ্রামের মানুষের
ঠাকুরগাঁও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা ভানোর ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কুলিক নদীর উপর ব্রিজ নির্মাণের মধ্যদিয়ে দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে এলাকাবাসীর। ভানোর ইউনিয়নের রাশেরহাট, কলন্দা, হলদি বাড়ি, নেকমরদ, রাণীশংকৈল উপজেলা ও নদীর পূর্ব পারে রায়পুর ইউনিয়নের ভাউলারহাট, সেন্দুননা, তেতুলিয়া, কাঁচনা, হরিনন্দাসহ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আরও ২টি ইউনিয়নের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ এই নদীর উপর দিয়ে চলাচল করে। দীর্ঘদিন নৌকা ও হাঁটু পানি ভেঙে চলাচল করতে হতো। স্থানীয়রা জানান, এই ব্রিজের ফলে যোগাযোগের নতুন রূপ নিয়েছে। এক সময় ব্রিজ না থাকায় এ পাড়ের মানুষ ঐ পাড়ে যেতে সময় লাগত ঘন্টার পর ঘন্টা। বর্ষাকালে খালের পানির তীব্র স্রোতে এই পাড়ের মানুষ ওপারে যাওয়া আসা একেবারেই বন্ধ থাকত। এই ব্রিজের দু\'পাশে প্রায় ৩০টি গ্রাম আছে। আর এখানে ব্রিজটি তৈরি হলে ৫ মিনিটের মধ্যে এপার থেকে ঐ পারে যাতায়াত করতে পারবে। ভানোর এলাকার বৃদ্ধা সুশিল সেন জানান, এক সময় দেখা যেত ব্রিজের অভাবে এই পারের সাথে ঐ পারের সম্পর্ক হতো না। এমন কি নতুন আত্মীয়তা তথা বিবাহ শাদি করাতেও অনিহা থাকত। কিন্তু ব্রিজটি হলে ছেলে মেয়েদের স্কুল কলেজসহ বিভিন্ন জায়গায় কম সময়ে যেতে পারবে। কলন্দা তলী গ্রামের কৃষক আব্দুর রহমান, মিনারুল হক ও আব্দুস সোবাহান বলেন, শাক সবজিসহ অন্যান্য কৃষিপণ্য ঠাকুরগাঁও আড়তে নিতে অনেক পথ ঘুরতে হয়। এতে অনেক সময় পরিবহন খরচও বেড়ে যায়। রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুন অর রশিদ ব্রিজটির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ব্রিজটি নির্মাণ হলে এই এলাকার মানুষের হাজারো কষ্ট লাঘব হবে এবং দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে। ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলাম জানান, এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল কুলিক নদীর উপর একটি ব্রিজ। আজ তা বাস্তবায়নের রূপ নিয়েছে। ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ যাতায়াতের সুযোগ পাবে। উল্লেখ্য, এমপি দবিরুল ইসলাম গত শুক্রবার এ ব্রিজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন। দেড়শ ফুট দীর্ঘ সেতুটি বাস্তবায়ন করবে এলজিইডি বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা। ব্রিজটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা।
সাঘাটায় যমুনা নদীর ভাঙনে এক হাজার পরিবার গৃহহীন
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় যমুনা নদীর পানি কমলেও দেখা দিয়েছে তীব্র নদীভাঙন। ভাঙনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ প্রায় ১ হাজারের বেশি পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। নদী ভাঙনের শিকার পরিবারগুলো কেউ ওয়াপদা বাঁধে, কেউ অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। কেউ বা পার্শ্ববর্তী মুক্তিনগর ইউনিয়নে আশ্রয় নিয়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে ৫টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজারের বেশি বাড়ীঘর। ভাঙন আতঙ্কিত মানুষ নদীর ভাঙনের এলাকা থেকে বাড়ীঘর সরিয়ে নিচ্ছে। নদীর ভাঙন কাছাকাছি চলে আসায় গোবিন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরিয়ে নেয়া হয়েছে গত মাসে। ভাঙনে গৃহহারা গোবিন্দী ও বাঁশহাটা গ্রামের জামাল, শরবেস আলী বলেন, গত দুইদিনের ভাঙনে ঘরের যেটুকু জায়গা ছিল তা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখন আমরা অন্যের বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছি। সাঘাটা ইউপি মোশারফ হোসেন সুইট জানান, গত কয়েক বছর আগে বগির ছাও, শেংগুয়া, কোয়ালীকান্দি, চকপাড়া নদীগর্ভে চলে গেছে। বর্তমানে গোবিন্দীতে ৩শ, বাঁশহাটায় ১শ, উত্তর সাথালিয়ায় ৯০, হাটবাড়ীতে ২শ পরিবারসহ প্রায় ১ হাজার পরিবারের ঘরবাড়ী নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, রাস্তাসহ ফসলি জমি নদীভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে চলতি বছরে গোবিন্দী ও বাঁশহাটা গ্রাম দুটি যমুনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। এছাড়াও সাঘাটা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের হাটবাড়ী গ্রামটি পুরো নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি ব্যবস্থা না নেয়া গেলে সাঘাটা ইউনিয়নটির ৮০ ভাগ এলাকা আগামী কয়েক বছরের মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। এ ব্যাপারে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী চন্দ্রশেখর জানান, নদীভাঙনের আপদকালীন জিও ব্যাগ ভাঙন এলাকায় ফেলানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্থায়ী কোন ব্যবস্থা ইতিমধ্যে করা সম্ভব হচ্ছে না।
সুন্দরবনে বন্দুকযুদ্ধে বনদস্যু নিহত : অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
সুন্দরবনের শরনখোলা রেঞ্জের দরজার খালে গতকাল সোমবার ভোর সাড়ে ৫টায় র‌্যাব-বনদস্যু বন্দুকযুদ্ধে মনির বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড খলিলুর রহমান (৩০) নিহত হয়েছে। এসময় ৪টি একনালা বন্দুক, ৩টি কাটা রাইফেল, ১টি দোনালা বন্দুক, ৩টি এলজি, ১টি এয়ারগানসহ মোট ১২টি দেশী বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র ও ১১৪ রাউন্ড তাজা গুলি, ৬টি ধারালো অস্ত্র, ২টি মোবাইল ফোন, ৩টি সিমকার্ড ও জেলেদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের টোকেন উদ্ধার করেছে র‌্যাব। র‌্যাব ৮এর কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল ফরিদ জানান, জেলেদের উপর হামলার পরিকল্পনার খবর পেয়ে ভোর থেকে র‌্যাব-৮ এর একটি দল সুন্দরবনে টহল জোরদার করে। টহলের এক পর্যায়ে শরনখোলা রেঞ্জের দরজার খাল এলাকায় র‌্যাবের সদস্যদের উপর বনদস্যুরা গুলিবর্ষন শুরু করে। র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে গুলির শব্দ থেমে গেলে র‌্যাব সদস্যরা ওই স্থানে তল্লাশি করে ১বনদস্যুর গুলিবিদ্ধ লাশ, ছড়ানো ছিটানো আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র পড়ে থাকতে দেখে সেগুলো উদ্ধার করে। পরে স্থানীয় জেলেরা নিহত লাশটি বনদস্যু মনির বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড খলিলুর রহমানের বলে সনাক্ত করে। নিহতের লাশ ও উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্র শরনখোলা থানায় হন্তান্তর করা হয়েছে বলে র‌্যাব-৮ এর কর্মকর্তা জানান।
নওগাঁর সাপাহার সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত
নওগাঁর সাপাহার সীমান্তে ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে নওগাঁর সাপাহার সীমান্তের কৃষ্ণসদা গ্রামের সনি্নকটে মেইন পিলার ২৩৬ নিকট ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশ সীমান্ত হত্যা, অনুপ্রবেশকৃত বাংলাদেশী নাগরিকদের নির্যাতন এবং সাপাহার, পোরশা সীমান্তের বর্তমান পরিস্থিতি ইত্যাদি বিষয়ে ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবি\'র ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের প্রতিনিধিত্ব করেন ১৪ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ রফিকুল হাসান এবং ভারতের বিএসএফ\'র ১১ সদস্যের বিএসএফ প্রতিনিধি দলের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন ৩১ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ কমান্ড্যান্ট টি এস নেগী। আলোচনায় বিএসএফ কমান্ড্যান্ট উপরোক্ত সীমান্ত হত্যাসহ অন্যান্য অপরাধ রোধে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানে বিজিবিকে আশ্বস্ত করেন। পতাকা বৈঠকের পাশাপাশি সীমান্তে অপরাধ রোধে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির প্রচারণা ও প্রেষণামূলক কর্মসূচি ও টহল কর্মকান্ড জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়।
ট্রাক উল্টে গোবিন্দগঞ্জের ৭ জন নিহত : গ্রামে শোকের মাতম
কাজের সন্ধানে গাইবান্ধা থেকে চট্টগ্রাম এসে বৈরী আবহাওয়ার কারণে কাজ মেলেনি জাহিদদের। বাড়ি ফিরতে বাসের ভাড়া দেয়ার সামর্থ্যও শেষ। ৫০ টাকা ভাড়ায় টিন বোঝাই ট্রাকে করে রওনা হয়ে পথিমধ্যে কুমিল্লায় ট্রাক উল্টে ১১ জনের মাঝে প্রাণ হারিয়েছে ৭ জন। বাকি ৪ জন আহত। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গতকাল সোমবার ভোর পৌনে ৩টায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার কোটবাড়ি নন্দনপুর এলাকায় এ সড়ক দুঘটনাটি ঘটে। বাড়ি ফিরছে ৬ জন শ্রমিকের মরদেহ জেলা প্রশাসকের দেয়া ১০ হাজার টাকা অনুদান নিয়ে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কোটবাড়ি নন্দনপুর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক উল্টে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ট্রাকের চালক ও হেলপারের খোঁজ এখনও পায়নি পুলিশ। কুমিল্লা জেলা প্রশাসক হাসানুজ্জামান কল্লোল নিহত ৬ জনকে ১০ হাজার টাকা ও আহতদের ৫ হাজার টাকা করে অনুদান প্রদান করেছেন। নিহতরা হলো গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামদিয়া ইউনিয়নের গয়েশ্বরপুর গ্রামের ভোলা শেখের পুত্র শফিকুল ইসলাম (৪২), মৃত খবির উদ্দীনের পুত্র বজলু মিয়া (৩৫), সিদ্দিকুর রহমানের পুত্র আনোয়ার হোসেন (৪৫), খোলাহাটি গ্রামের আব্দুর রউফের পুত্র জাহিদুল ইসলাম (৩৫), দেলোয়ার হোসেনের পত্র আসলাম (২৫), ইউনুস আলীর পুত্র শাহিন মিয়া (১৮) ও মৃত আব্দুল জলিলের পুত্র জাহিদুল ওরফে মাজহার (৪০)। স্থানীয়রা জানায়, টিনবোঝাই ট্রাকটি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা যাচ্ছিল। পথে নন্দনপুর এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে ট্রাকটি মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয়। এসময় আহত হন আরো তিনজন। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে গুরুতর আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়। ময়নামতি হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আউয়াল জানান, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী টিনবাহী ট্রাকটি (বগুড়া-ট-১১-১২২৮৫) কুমিল্লার নন্দনপুর বিশ্বরোড এলাকায় পেঁৗছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার উপর উল্টে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি : কুমিল্লায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের গয়েশ্বরপুর ও খোলাহাটি গ্রামে এখন চলছে শোকের মাতম। একসাথে একই ইউনিয়নের সাতজনের করুণ মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না গ্রামবাসী। উপার্জনক্ষম মানুষদের হারিয়ে ওই সাত পরিবারে নেমে এসেছে অন্ধকার। দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের শাস্তির পাশাপাশি পরিবারগুলোকে সহায়তার দাবি পরিবার ও এলাকাবাসীর। এদিকে নিহতদের পরিবারে প্রতি শোক প্রকাশ করেছেন গাইবান্ধা-৪ গোবিন্দগঞ্জ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ হোসেন ফকু। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে জাতীয় সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ হোসেন ফকু নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
শেরপুরে নিজ ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা : বাবা আটক
বগুড়ার শেরপুরে নেশার টাকা না পেয়ে মাদকাসক্ত বাবা বিধান চন্দ্র সরকার রামদা দিয়ে কুপিয়ে নিজ ছেলেকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। পরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় গ্রামবাসী আটক করে তাকে পুলিশে সোপর্দ করে। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের দারুগ্রাম বড় হিন্দুপাড়া গ্রামে এই লোমহর্ষক হত্যাকা ের ঘটনাটি ঘটে। নিহত ওই ছেলের নাম দুর্জয় কুমার সরকার (১১)। সে স্থানীয় দারুগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সরেজমিনে গেলে নিহত দুর্জয় কুমারের মা শ্রীমতি আগমনি রানী জানান, অভাবের সংসার। স্বামীও মাদকাসক্ত। পুরোটা সময়ই তিনি নেশা নিয়ে মত্ত থাকেন। সংসারে আয় বলেও কিছুই নেই। নেশা তিলে তিলে সবকিছু গ্রাস করে ফেলেছে। নেশার টাকা জোগাতে গিয়ে স্বামী বিধান চন্দ্র সরকার সামান্য জমিজমা ছিল তাও বিক্রি করে দিয়েছে। শেষমেষ সংসারের হাল ধরেন তিনি। অন্যের বাসাবাড়িতে ঝিয়ের কাজ শুরু করেন। দিন শেষে যা আসতো তাতেই চলতো তাদের সংসার। কিন্তু এখানেও স্বামী বিধানের বাধা। তার নেশার টাকা চাই। তবে একমাত্র সন্তান দুর্জয়ের ভবিষ্যৎ চিন্তায় মা আগমনী বেঁকে বসেন। স্বামীকে টাকা দেয়া বন্ধ করে দেন। কেননা ছেলে দুর্জয় স্থানীয় স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণীতে লেখাপড়া করে। একদিন বড় হবে। এতে সে ভীষণ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। এদিকে গতকাল সকালে প্রতিদিনের ন্যায় অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করতে যান আগমনি রানী। বাড়ি ছিল ফাঁকা। এছাড়া বাইরে অঝোরে বৃষ্টি পড়ছে। এই সুযোগে মাদকাসক্ত বাবা বিধান ছেলে দুর্জয়কে কাছে ডেকে নেয়। একপর্যায়ে বাড়ির ভেতরেই রামদা দিয়ে কুপিয়ে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে বলে মা আগমনি রানী জানান। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার আবু তালেব জানান, মাদকাসক্ত বিধান চন্দ্র সরকারের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে প্রায় মাসখানেক আগে পরিবারের লোকজন তাকে পুলিশে দিয়েছিল। কিন্তু কয়েকদিন পরই সে আবার জেল থেকে বেরিয়ে আসে এবং একই কাজ শুরু করে। এমনকি নেশার টাকা না পেয়ে স্ত্রী ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে মাদকাসক্ত বিধান তাদের একমাত্র ছেলেকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছে বলে এই জনপ্রতিনিধি জানান। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী আহমেদ হাশমী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, উক্ত ঘটনায় একটি হত্যামামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘাতক বিধানকেও পুলিশ আটক করেছে বলে এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান।
কালো ব্যাজ ধারণ করে কর্মবিরতিতে শাবি শিক্ষকরা
কালো ব্যাজ ধারণ করে এবং কর্মবিরতির পালনের মাধ্যমে একদিন আগের হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করে আসা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। গতকাল সোমবার সকাল থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত চলা \'মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ শিক্ষক পরিষদ\'র এই কর্মবিরতির মধ্যে শিক্ষকরা ক্লাসে যাননি। তবে চূড়ান্ত পরীক্ষা কর্মবিরতির আওতামুক্ত ছিল। সকাল ১১ টার পর টিচার্স ক্যান্টিন থেকে মৌন মিছিল বের করেন হামলার শিকার শিক্ষকরা। মিছিলটি ক্যাম্পাস ঘুরে উপাচার্য ভবনের সামনে শেষ হয়। সেখানে প্রচ বৃষ্টির মধ্যে সমাবেশ করেন তারা। রোববার উপাচার্য আমিনুল হক ভূইয়ার অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের ডাকা নিয়ে উত্তেজনার মধ্যে প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচিতে চড়াও হয় ছাত্রলীগের কর্মীরা। ছাত্রলীগ কর্মীরা ব্যানার কেড়ে নিয়ে শিক্ষকদের গলা ধাক্কা দিয়ে এবং মারধর করে সরিয়ে দেয়। উপাচার্য ভেতরে ঢোকার পর শিক্ষকদের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে সরাতে ছাত্রলীগের চেষ্টায় আরেক দফা ধস্তাধস্তি হয়। তাদের ধাক্কায় অধ্যাপক ইয়াসমিন হক মাটিতে পড়ে যান। এক ছাত্রলীগ কর্মীকে এ সময় এক শিক্ষকের গায়ে লাথি মারতেও দেখা যায়। ছাত্রলীগের ওই হামলায় সাতজন শিক্ষক আহত হন বলে দাবি আন্দোলনকারীদের। যদিও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হামলাকারীরা সংগঠনের কেউ নয়। হামলার পর ফেইসবুকসহ ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোয় নিন্দার ঝড় বয়ে যায়। হামলার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচক্করে বৃষ্টির মধ্যে একাকী বসে ছিলেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর শিক্ষক জাফর ইকবাল, যিনি ইয়াসমিন হকের স্বামী। সোমবারও প্রতিবাদী সমাবেশে এসে শিক্ষকদের আন্দোলনে সমর্থন দেন জাফর ইকবাল। তিনি বলেন, আমি এই আন্দোলনে শারিরীকভাবে না থাকলেও মানসিকভাবে একশত ভাগ সমর্থন করি । আমার একজন ছাত্র একবার আমাকে বলেছিল আমিই বাংলাদেশের একমাত্র ব্যক্তি যাকে বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি, হেফাজত ,আওয়ামী লীগ, বাম সংগঠনগুলো একযোগে অপছন্দ করে । আমি যেখানে থাকব সেখানেই ঝামেলা হবে । সেইজন্য আমি এই আন্দোলনে শারীরিকভাবে দূরে সরে ছিলাম । কিন্তু গতকাল যে ঘটনা আমাকে দেখতে হলো, তারপরে এখানে না আসলে অন্যায় হয়ে যায়। আমার এই জীবনে আমি অনেক কিছু দেখেছি , কিন্তু কালকের ঘটনার মতো কোনো ঘটনা যে আমাকে জীবনে দেখতে হবে তা কখনো কল্পনাও করিনি। তিনি আরো বলেন, শরীরের আঘাতে কিছু আসে যায় না, কিন্তু মানসিক আঘাত কোনোদিন ভালো হয়না। আমাদের ছাত্ররা আমাদেরই শিক্ষকদের গায়ে আঘাত করবে, আর সেই দৃশ্য আমাকে বসে বসে সেটা দেখতে হয়েছে, সেটা কখনো ভুলব না আমি। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর জনপ্রিয় এই লেখক আক্ষেপ করে বলেন, আমি সবার কাছে ক্ষমা চাই, কারণ আমরা এখানে এমন কিছু ছাত্র সৃষ্টি করেছি যাদেরকে ব্যবহার করা যায়, যারা শিক্ষকদের গায়ে হাত তোলে। এই অপমান সহ্য করে এখানে থাকা ঠিক না, কিন্তু একবার এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরে যে নাটক সাজিয়েছিল ছাত্ররা, তারপর এই সিদ্ধান্ত আমরা আর নিতে পারি না। আন্দোলনরত শিক্ষকনেতা মো. ফারুক উদ্দিন বলেন, "এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ বছরে সবচেয়ে ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটাল ছাত্রলীগ, যার নেতৃত্বে ছিল ভিসি। ভিসির লেলিযে দেওয়া পেটোয়া বাহিনীর হাতে শিক্ষকসমাজ লাঞ্ছিত, এর চেয়ে লজ্জাজনক কিছু হতে পারেনা। সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেনঅধ্যাপক ইয়াসমিন হক, শরীফ মোহাম্মদ শরাফউদ্দিন, তুলসী কুমার দাস, আনোয়ারুল ইসলাম দিপু, আব্দুল্লাহ আল শোয়েব, এমদাদুল হক, মোস্তফা কামাল মাসুদ, আল আমিন রাব্বী, সৌরভ রায় প্রমুখ। শিক্ষকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে দুপুরে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে মানববন্ধন করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরাও। তারা হামলায় জড়িতদেও কঠোর শাস্তি ও বিচারের দাবি জানান। উপাচার্যের তদন্ত কমিটি গঠন : শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার ঘটনার পরদিন গতকাল সোমবার ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। স্কুল অব ফিজিক্যাল সায়েন্সেস এর ডিন অধ্যাপক সাবিনা ইসলাম তদন্ত কমিটির প্রধান। অন্য সদস্যরা হলেন- প্রক্টর কামরুজ্জামান চৌধুরী এবং সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষক আমিনা পারভীন। এই তিনজনই সরকারসমর্থক শিক্ষকদের একাংশের জোট \'মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মুক্ত চিন্তার চর্চায় ঐক্যবদ্ধ শিক্ষকবৃন্দ\' এর সঙ্গে আছেন। শিক্ষকদের এই অংশটি উপাচার্যকে সমর্থন দিয়ে আসছে। তদন্ত কমিটিকে দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির ওপর হামলাকারীদের চিহ্নিত করে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে উপচার্য আমিনুল হক ভূইয়া নিজেই এ তথ্য জানান। শাবির ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও শিক্ষক লাঞ্ছনাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি করেছে শাবিপ্রবি সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট।
 
 
 
ফেলানী হত্যাকান্ড
৫ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণের সুপারিশ ভারতের মানবাধিকার কমিশনের
করতোয়া ডেস্ক :
বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানী খাতুনের পরিবারকে পাঁচ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দিতে ভারত সরকারকে সুপারিশ করেছে দেশটির মানবাধিকার কমিশন। এ বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হল- ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে তা ছয় সপ্তাহের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে কমিশনের এক চিঠিতে। ওই চিঠিতে বলা হয়, 'আমরা জানি,... বিস্তারিত
 
ইসিতে হিসাব জমা
আওয়ামী লীগের আয় ৯ কোটি, ব্যয় সাড়ে ৩ কোটি
এখনই সিএনজিচালিত বাস ভাড়া বাড়ছে না
আজ থেকে কার্যকর হচ্ছে গ্যাস-বিদ্যুতের বাড়তি দাম
স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা অফিস :
আজ ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হচ্ছে গ্যাস-বিদ্যুতের বাড়তি দাম। তবে এখনই বাস ভাড়া বাড়ছে না। গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বর্ধিত মূল্যহার তুলে ধরে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান এ আর খান বলেন, নতুন মূল্যহার আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। সরকার ভোক্তা পর্যায়ে... বিস্তারিত
 
শিক্ষক লাঞ্ছিত ঘটনায় উত্তপ্ত নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি :
শিক্ষকের ওপর হামলার ঘটনায় উত্তপ্ত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়। অধ্যাপক ড. সুব্রত কুমার দেকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে চলছে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। ছাত্র-ছাত্রীদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে আন্দোলনে... বিস্তারিত
 
 
ভিডিও
রাশিচক্র আজ ঢাকায় আজ বগুড়ায়
 
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চরমপন্থিরা আত্মসমর্পণের আহ্বানে সাড়া দেবে বলে মনে করেন কি?
হ্যাঁ
উত্তর নেই
না
 
 
 
আজকের ভিউ
নামাজের সময়সূচী
ওয়াক্ত
সময়
ফজর
08:50
জোহর
1:15
আছর
05:00
মাগরিব
06:38
এশা
08:30
 
 

সম্পাদকঃ মোজাম্মেল হক, সম্পাদক কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, শিল্পনগরী বিসিক বগুড়া এবং ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, (আরামবাগ) ইডেন কমপ্লেক্স, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও চকযাদু রোড, বগুড়া হতে প্রকাশিত।
ফোন ৬৩৬৬০,৬৫০৮০, সার্কুলেশন বিভাগঃ ০১৭১৩২২৮৪৬৬, বিজ্ঞাপন বিভাগঃ ৬৩৩৯০, ফ্যাক্সঃ ৬০৪২২। ঢাকা অফিসঃ স্বজন টাওয়ার, ৪ সেগুন বাগিচা। ফোনঃ ৭১৬১৪০৬, ৯৫৬০৬৬৯, ৯৫৬৮৮৪৬, ফ্যাক্সঃ ৯৫৬৮৫২২ E-mail : dkaratoa@yahoo.com . . . .

Powered By: