বগুড়া রোববার | ১৮ শ্রাবণ ১৪২২ | ১৬ শাওয়াল ১৪৩৬ হিজরি | ২ আগস্ট ২০১৫
ব্রেকিং নিউজ
আর্কাইভ
দিন :
মাস :
সাল :
এই সংখ্যার পাঠক
১৩৭৫৯৪
সার্চ
এখনই আত্মতৃপ্তির সুযোগ নেই বাংলাদেশের
স্পোর্টস রিপোর্টার : হানসি ক্রনিয়ের সেই দলের কেউ আর নেই দক্ষিণ আফ্রিকার এই দলে। তবে ঘটনাটি অজানা থাকার কথা নয় কারও। ক্রিকেট ইতিহাসেই যে সেটির নজির আর নেই! ২০০০ সালের জানুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকা-ইংল্যান্ডের সেঞ্চুরিয়ন টেস্ট, প্রথম দিনে ৪৫ ওভার খেলা হয়েছিল। পরের তিনদিনই ভেসে গিয়েছিল বৃষ্টিতে। শেষ দিন ছিল রৌদ্রোজ্জ্বল।... বিস্তারিত
গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে বৃষ্টিতে খেলা গড়ায়নি মাঠে। মাঝে এক ঝলক রোদে অনুশীলনে নেমে পড়ে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটাররা -করতোয়া
নির্বাচিত সংবাদ
এখনই আত্মতৃপ্তির সুযোগ নেই বাংলাদেশের
স্পোর্টস রিপোর্টার : হানসি ক্রনিয়ের সেই দলের কেউ আর নেই দক্ষিণ আফ্রিকার এই দলে। তবে ঘটনাটি অজানা থাকার কথা নয় কারও। ক্রিকেট ইতিহাসেই যে সেটির নজির আর নেই! ২০০০ সালের জানুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকা-ইংল্যান্ডের সেঞ্চুরিয়ন টেস্ট, প্রথম দিনে ৪৫ ওভার খেলা হয়েছিল। পরের তিনদিনই ভেসে গিয়েছিল বৃষ্টিতে। শেষ দিন ছিল রৌদ্রোজ্জ্বল। ওই দিন সকালে ইংলিশ অধিনায়ক নাসের হুসেইনকে অভিনব এক প্রস্তাব দিলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক ক্রনিয়ে। দুই দলই একটি করে ইনিংস ছেড়ে দিলে কেমন হয়? সোজা হিসেবে, এক ইনিংসের খেলা। ম্যাচের রোমাঞ্চ-উত্তেজনা, দর্শকের কথা ভেবে ক্রনিয়ের প্রস্তাবে রাজি হলেন হুসেইন। প্রথম দিনে ৬ উইকেটে ১৫৫ রান করা দক্ষিণ আফ্রিকা শেষ দিনে আর ২৭ ওভার ব্যাটিং করে ইনিংস ঘোষণা করল ৮ উইকেটে ২৪৮ রানে। এরপর প্রথম ইনিংস ব্যাটিং না করেই ছেড়ে দিল ইংল্যান্ড, দ্বিতীয় ইনিংস ছেড়ে দিল দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষ ইনিংসে ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ৭৬ ওভারে ২৪৯। নখ কামড়ানো উত্তেজনার ম্যাচ ৫ বল বাকি থাকতে ইংলিশরা জিতেছিল ২ উইকেটে। আইসিসি এটির সমালোচনা করলেও দারুণ স্পিরিটের জন্য ক্রিকেটবিশ্ব জুড়ে প্রশংসা পেয়েছিলেন দুই অধিনায়ক। পরে অবশ্য আবিষ্কার হয়েছিল ঘটনার নেপথ্য। বাজিকরদের সঙ্গে যোগসাজশে ম্যাচে ফলাফল আনতেই ইনিংস ঘোষণার ওই প্রস্তাব দিয়েছিলেন ক্রনিয়ে। প্রশংসনীয় ঘটনা তাই পরে হয়ে গেছে কলঙ্কের উদাহরণ। মিরপুর টেস্টের দুই দিন যখন ভেসে গেল বৃষ্টিতে, প্রেসবক্সে তখন সেঞ্চুরিয়নের উদাহরণ নিয়ে আলোচনা, রসিকতা। এখনকার বাস্তবতায় অবশ্য সেঞ্চুরিয়নের পুনরাবৃত্তির সম্ভাবনা অসম্ভবের কাছাকাছি। বিশেষ করে ক্রনিয়ের ঘটনা ফাঁস হওয়ার ইনিংস ছাড়ার ভাবনা অধিনায়কদের মনে এলেও তা তারা মুখে আনবেন না। তবে ইনিংস ছেড়ে দেওয়াটাই কিন্তু এই ম্যাচে জয়-পরাজয় আনার একমাত্র পথ নয়। ক্রিকেটীয় বাস্তবতা আর অতীত বলছে, মাঠের ক্রিকেটেই তা সম্ভব এখনও! ২০০১ সালে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড হ্যামিল্টন টেস্ট, প্রথম দুই দিনই ভেসে গিয়েছিল বৃষ্টিতে। তৃতীয় দিনেও খেলা হয়নি ঘন্টা দুয়েক। অবিশ্বাস্যভাবে সেই ম্যাচও বাংলাদেশ হেরে বসেছিল পঞ্চম দিন সকালেই। মাত্র ৭৭ ওভারে ৯ উইকেটে ৩৬৫ রানে ইনিংস ঘোষণা করেছিল নিউজিল্যান্ড। দুই ইনিংসে ২০৫ ও ১০৮ রানে গুটিয়ে গিয়ে বাংলাদেশ হেরেছিল ইনিংস ও ৫২ রানে। বলতে গেলে দুই দিনেই হেরেছিল বাংলাদেশ! সেটি অবশ্য টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের আদি যুগ। টেস্ট ক্রিকেটের ভাষাটা তখনও রপ্ত করতে পারেনি ক্রিকেটাররা। সেক্ষেত্রে একটি সামপ্রতিক উদাহরণও আছে। ভারতের বিপক্ষে ফতুল্লা টেস্টের স্মৃতি তো এখনও তরতাজাই থাকার কথা। পুরো একদিন খেলা হয়নি বৃষ্টিতে, অন্য সব দিনেও ছিল বৃষ্টির হানা। সব মিলিয়ে ওভারের হিসাবে দিন দুয়েক খেলা হয়েছিল। তাতেই প্রচ চাপে পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। কে জানে, ফলো অনে পড়া বাংলাদেশ হয়তো আরেকটি সেশন খেলা হলে হারতেও পারত! বৃষ্টির হানায় উল্লেখযোগ্য সময় খেলা না হওয়ার পরও বাংলাদেশের হেরে যাওয়ার উদাহরণ আছে আরও। আছে বৃষ্টির সৌজন্যে ড্র করতে পারার স্বস্তি। উল্টোটাও যে একেবারে নেই, তা নয়। এই সিরিজেই চট্টগ্রাম টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৭৮ রানের লিড পেয়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং-বোলিং ভালো করলে একটা সুযোগ ছিল দারুণ কিছুর। চট্টগ্রামেই আরেকটি টেস্টের উদাহরণ টানা যায় অনায়াসেই। অধিনায়ক হিসেবে মুশফিকুর রহিমের সেটি প্রথম টেস্ট। ২০০১ সালের অক্টোবরে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের লিড পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেই সময় জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের ড্রেনেজ ব্যবস্থার করুণ অবস্থার কারণে আধ ঘণ্টার বৃষ্টিতে খেলা হয়নি আড়াই দিন, ম্যাচ হয় ড্র। বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনার ছবিও আছে। দুই দিন কাভারের নিচে থাকা, রোদের ছোঁয়া না পাওয়া উইকেট বোলারদের দিকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কথা। বোলাররা ভালো বল করলে তাই চমকপ্রদ কিছু ঘটিয়েও ফেলতে পারে বাংলাদেশ। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকাকে দুই বার অলআউট করার ভাবনা এই মুহূর্তে মনে হতে পারে আকাশকুসুম কল্পনা। সেটা না হলেও প্রোটিয়াদের চাপে রেখে অন্তত নৈতিক জয়ের তৃপ্তি নিয়ে সিরিজ শেষ করতে পারে বাংলাদেশ। এই টেস্টে বাংলাদেশের সবচেয়ে সম্ভাব্য প্রাপ্তি এই মুহূর্তে ড্রয়ের স্বস্তি। তবে আগের উদাহরণ থেকে আছে শঙ্কা। আবার বাস্তবতা দেখাচ্ছে সম্ভাবনার ছবিও। দুটি দিন ভেসে গেলেও তাই পুরোপুরি ভেসে যায়নি এই টেস্টের রোমাঞ্চ। তবে রোমাঞ্চ যেটুকু বাকি, সেটির জন্যও আগে তাকিয়ে থাকতে হবে আকাশের দিকে। দুটি দিন পুরো খেলা তো হতে হবে।
রাকাবের রাজশাহী বিভাগের শাখা ব্যবস্থাপকদের বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট ও বিভাগীয় কার্যালয় রাজশাহীর যৌথ আয়োজনে ব্যাংকের রাজশাহী বিভাগ এবং ঢাকা শাখা, এলপিও-এর শাখা ব্যবস্থাপকদের সমন্বয়ে অর্থবছরের বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা শীর্ষক বিশেষ কর্মশালা গতকাল শনিবার রাজশাহীর একটি রেষ্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাকাব পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম. শাহ্ নওয়াজ আলি। কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনজুর আহমদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাকাব পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক অধ্যাপক ড. মদন মোহন দে, মো. ফজলুর রহমান এবং ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল খালেক খান। এছাড়া কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক (নিরীক্ষা, হিসাব ও আদায়) আবুল কাসেম, মহাব্যবস্থাপক (পরিচালন) মোঃ রিয়াজ উদ্দিন মিয়া এবং মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মুহম্মদ মাহমুদ হাসান। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কার্যালয়, রাজশাহী-এর মহাব্যবস্থাপক মোঃ এমদাদুল হক। দিনব্যাপী এ কর্মশালায় রাজশাহী বিভাগের ৮টি জেলার ৯ জন জোনাল ব্যবস্থাপক, ৯ জন জোনাল নিরীক্ষা কর্মকর্তা এবং ১৯১ জন শাখা ব্যবস্থাপক, প্রধান কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপকবৃন্দ, প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ, এসইসিপি-এর প্রকল্প পরিচালক, বিভাগীয় নিরীক্ষা কর্মকর্তা, জোনাল নিরীক্ষা কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. এম. শাহ্ নওয়াজ আলি বলেন, যে কোন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনায় বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ব্যতিরেকে কোন প্রতিষ্ঠানই কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারে না। পরিচালনা পর্ষদের সঠিক দিকনির্দেশনা, ব্যাংক ব্যবস্থাপনার নিবিড় তদারকি ও পর্যবেক্ষণ তথা সকলের অক্লান্ত পরিশ্রম, মেধা ও মননশীলতায় গত ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে ব্যাংক ৩২ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা অর্জন করায় তিনি সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অভিনন্দন জানান এবং এ ধারা অব্যাহত রাখার জন্য সকলকে আরও দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করার পরামর্শ দেন। রাকাবকে সফলতার শীর্ষে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে কর্মশালায় প্রণীত পরিকল্পনাসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য তিনি শাখা ব্যবস্থাপকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আরো বেশি উদ্যোগী ও কর্মতৎপর হওয়ার জন্য আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, এ অঞ্চলের কৃষি তথা কৃষকের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। কাজেই তারা যাতে ব্যাংক থেকে সকল ধরণের ব্যাংকিং সেবা নির্বিঘ্নে পেতে পারে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে বিশেষভাবে সজাগ থাকতে হবে। খবর বিজ্ঞপ্তির।
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আইসিসিতে মামলার নির্দেশ আব্বাসের
ফিলিস্তিনী প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ আল-মালিকীকে নির্দেশ দিয়েছেন। ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের হাতে ফিলিস্তিনী শিশু হত্যার ঘটনায় তিনি এই নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার রামাল্লায় ফিলিস্তিনী কর্তৃপক্ষের সদর দফতরে বক্তৃতাকালে আব্বাস বলেন, ১৮ মাস বয়সী শিশু আলী সাদ দাওয়াবশাকে হত্যার ঘটনায় ফিলিস্তিনী কর্তৃপক্ষ আইসিসিতে দায়েরের জন্য অভিযোগ প্রস্তত করছে। নাবলুসের দক্ষিণে একটি ফিলিস্তিনী গ্রামে ইসরায়েলী বসতিস্থাপনকারীরা একটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিলে শিশু আলী সাদ দাওয়াবশা আগুনে পুড়ে মারা যায়। আব্বাস বলেন, ইসরায়েল প্রতিদিনই ফিলিস্তিনীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকা- চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি এসব অপরাধমূলক কর্মকান্ডের নিন্দা জানান। এদিকে ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মালিকী হামলাকারী ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদেরকে সন্ত্রাসী হিসাবে চিহ্নিত করার জন্য আইসিসি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতি আহবান জানান। তিনি ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংস কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহবান জানান। শিশু হত্যার ঘটনা গোটা ফিলিস্তিনে ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ফিলিস্তিনী প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের কাছে টেলিফোন করে ওই শিশু হত্যার ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন এবং এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করার আশ্বাস দিয়েছেন।
ধুনট পৌরসভা 'খ' শ্রেণীতে উন্নীত
বগুড়ার ধুনট পৌরসভা \'গ\' শ্রেণি থেকে \'খ\' শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগ পৌর-২ শাখা থেকে ২৭ জুলাই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সহকারী সচিব পৌর-২ একেএম আনিছুজ্জামান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের ২০১১ সালের ৩১ মে ৮১১ নম্বর স্মারকের পরিপত্র মোতাবেক ধুনট পৌরসভা \'খ\' শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হলো। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সহকারী সচিব একেএম আনিছুজ্জামান এ প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন। এদিকে ধুনট পৌরসভা \'খ\' শ্রেণিতে উন্নীত হতে সহযোগিতা করায় স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হাবিবর রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। গতকাল শনিবার সকালে ফুলেল শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ধুনট পৌরসভার মেয়র এজিএম বাদশাহ্, প্যানেল মেয়র শামছুল হক, পৌর সচিব শাহিনুর ইসলাম, পৌর কাউন্সিলর মুঞ্জিল হোসেন আকন্দ, জাহাঙ্গীর আলম লিটন, ইউসুফ আলী, আপাল শেখ, পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারী এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হোসনে মোবারক নয়ন, সাংগঠনিক সম্পাদক জহুরুল মলি্লক প্রমুখ।
১০ দিনের ক্যাম্পে ২৬ মহিলা ক্রিকেটার
স্পোর্টস রিপোর্টার : আগামী অক্টোবরে বাংলাদেশ সফরে আসছে দক্ষিণ আফ্রিকা মহিলা ক্রিকেট দল। বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের বিপক্ষে বেশ কয়েকটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবেন তারা। এ জন্য মহিলা ক্রিকেটারদের ক্যাম্প আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আগামী ৬ থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত মহিলা ক্রিকেটারদের ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। ১০ দিনের ক্যাম্পে ২৬ প্রমিলা ক্রিকেটারকে নির্বাচন করেছে বিসিবি। ডাক পাওয়া ক্রিকেটাররা হলেন-সালমা খাতুন, রিতু মনি, জাহানারা আলম, লিলি রানি বিশ্বাস, ফারজানা হক পিংকি, তিথি রানী সরকার, রুমানা আহমেদ, শামীমা সুলতানা, লতা ম ল, শারমিন সুলতানা, আয়েশা রহমান শুকতারা, রুবাইয়া হায়দার, পান্না ঘোষ, নিগার সুলতানা, শায়লা শারমিন, তাজিয়া আখতার, ফাহিমা খাতুন, নাহিদা আক্তার, নুজহাত তাসনিয়া, শরীফা খাতুন, শারমিন আক্তার সুপ্তা, সুমনা আক্তার, সানজিদা আলম, সুরাইয়া আজমীম, খাদিজাতুল কুবরা ও জান্নাতুল ফেরদৌস।
প্লেন দুর্ঘটনায় লাদেনের মা-বোন নিহত
শুক্রবার সাবেক আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনের মা-বোনসহ তার পরিবারের চার সদস্য যুক্তরাজ্যে এক প্রাইভেট জেট দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। হ্যাম্পশায়ারে ইয়াতেলি শহরের বস্ন্যাকবুশ বিমানবন্দরে অবতরণের সময় প্লেনটি দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। এতে এর পাইলট ও তিন যাত্রী নিহত হন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় যুক্তরাজ্যে সৌদি রাষ্ট্রদূত প্রিন্স মোহাম্মদ বিন নাওয়াফ আল-সৌদ লাদেন পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। দুর্ঘটনায় ওসামা বিন লাদেনের সৎমা রাজা হাশিম, সৎবোন সানা বিন লাদেন ও সানার স্বামী জুহাইর হাশিম নিহত হয়েছেন। সৌদি দূতাবাস জানিয়েছে, সৌদি আরবে নিহতদের দাফনের জন্য দ্রুত দেহ হস্তান্তরের বিষয়ে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, এমব্রায়ের ফেনম-৩০০ প্লেনটি সৌদি ভিত্তিক লাদেন পরিবারের ব্যবসায়ীক মালিকানাধীন বিমান সংস্থার। উল্লেখ্য ওসামা বিন লাদেনের পরিবার সৌদি আরবের সবচেয়ে বিত্তশালী পরিবারগুলোর একটি। ওসামা বিন লাদেনের বাবা মোহাম্মদ বিন লাদেন ১৯১০ সালে ইয়েমেন থেকে সৌদি আরবে আসেন। লাদেন পরিবারের মালিকানাধীন প্রাইভেট জেট বিমান নির্মাণ ব্যবসার মাধ্যমে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হন। সৌদি আরবের সবচেয়ে বড় নির্মাণ প্রকল্পগুলোর কাজ করছে তাঁর প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি। তিনি একাধিক বিয়ে করেন এবং অন্তত ৫০ জন ছেলে-মেয়ে রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। তার বড় ছেলে সালেম বিন লাদেন ১৯৮৮ সালে টেক্সাসে এক বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান। ওসামা বিন লাদেনের আল কায়েদা ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী হামলা চালানোর পর লাদেন পরিবার তাঁর সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করে।
নির্বাচনে জয়ী হলেন বাঁধন
অভি মঈনুদ্দীন : গত ১২ জুন \'বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি\'র ২০১৫ এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিলো। কিন্তু সেদিন নির্বাচন না হলেও অবশেষে গত ৩১ জুলাই রাজধানীর আগারগাঁওয়ের \'চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট\'-এ সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারই প্রথম এই নির্বাচনে ডাঃ ও অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন সোসাইটির \'সহ সংস্কৃতি ও আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক\' পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়লাভ করেছেন। একই পদে তার প্রতিযোগী ছিলেন ডা. অনির্বাণ সাহা। \'বাংলাদেশে ডেন্টাল সোসাইটির\' হিসেবে সারাদেশে মোট ডেন্টিস্ট আছেন ৮০৩২ জন। সেখান থেকে গত ৩১ জুলাই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ভোট দেন সর্বমোট ২২৬৮ জন। সেখান থেকে বাঁধন মোট ১১৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ডা. অনির্বাণ সাহার চেয়ে ২৩৭ ভোট বেশি পেয়ে বাঁধন জয়লাভ করেছেন। নির্বাচনে জয়লাভ করে বাঁধন তার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, \'কেন যেন নিজের মধ্যে প্রচ- আত্নবিশ্বাস কাজ করছিলো যে আমি জয়ী হবো। আমি ভীষণ ভীষণ কৃতজ্ঞ যারা আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছেন। সেইসাথে যারা ঢাকার বাইরে থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আমাকে কষ্ট করে ভোট দিয়ে জয়লাভ করিয়েছেন তাদের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। মেধাবী ডেন্টিস্টদের চাকরীর সুযোগ করে দিতে এবং সম্মানজনক বেতন নির্ধারণ করার পথ তৈরী করে দিতে বলা যায় একধরনের আন্দোলনে নামার প্রাথমিক পথচলাই আমার এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা। আমার বিশ্বাস আমার সোসাইটি আমার পাশেই থাকবেন।\' বাঁধন জানান খুব শিগগিরই তিনি তার পদের দায়িত্ব বুঝে নিবেন। \'দ্বিবার্ষিক\' এই নির্বাচনে এবার সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক ডা. মোঃ আবুল কাশেম এবং মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডা. হুমায়ূন কবির বুলবুল। এদিকে বাঁধন অভিনয়েও নিয়মিত আছেন এখন। এনটিভিতে নিয়মিতভাবে প্রচার হচ্ছে তার অভিনীত আরিফ খান পরিচালিত ধারাবাহিক \'দলছুট প্রজাপতি\'। এছাড়া এছাড়া রুমান রুনির নির্দেশনায় বাঁধন একটি ফার্মাসিউটিক্যালস\'র নাটিকায় কাজ করেছেন। গলো ঈদে বাঁধন অভিনীত প্রায় একডজন নাটক বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচার হয়েছে বলে তিনি জানান এবং গেলো ঈদেই বাঁধনের অভিনয় জীবনে সর্বাধিক নাটক প্রচার হয়েছে। ঈদেই প্রচারে এসেছে তার নতুন বিজ্ঞাপন \'কোকোলা নুডুলস\'। এটি নির্মাণ করেছেন কাজী ইলিয়াস কল্লোল। ছবি ঃ গোলাম সাবি্বর।
চ্যানেল আইতে 'বঙ্গবন্ধুর আত্মকথন'
বিনোদন প্রতিবেদক ঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে জড়িয়ে আছে বাঙালি এবং স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাস। তাই বঙ্গবন্ধুর জীবনীও একইসাথে হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের ইতিহাস। \'বঙ্গবন্ধুর আত্মকথন\' অনুষ্ঠানটি চলবে পুরো আগষ্ট মাসজুড়ে চ্যানেল আইতে। অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট নাগরিকরা পাঠ করবেন \'অসমাপ্ত আত্মজীবনী\' গ্রন্থের নির্বাচিত অংশ। অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ পর্বে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার। তিনি বইটির পান্ডুলিপি সংগ্রহ ও প্রকাশনা বিষয়ে কথা বলছেন বিস্তারিত। \'বঙ্গবন্ধুর আত্মকথন\' অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে অংশ নেবেন হাসানুল হক ইনু, সৈয়দ শামসুল হক, আ. আ. ম. স. আরেফিন সিদ্দিক, শামসুজ্জামান খান, সেলিনা হোসেন, নূহ আলম লেনিন, কামাল লোহানী, হাসান আজিজুল হক, সৈয়দ হাসান ইমাম, নির্মলেন্দু গুণ, মুনতাসির মামুন, রাহাত খান, রামেন্দু মজুমদার, আবুল হায়াত, আতাউর রহমান, গোলাম সারওয়ার, আসাদ চৌধুরী, আয়শা খানম, আবেদ খান, মামুনুর রশীদ, ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, মফিদুল হক, সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, রাইসুল ইসলাম আসাদ, গোলাম কুদ্দুস, নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, ড. এ.কে. আজাদ চৌধুরী, হাসেম খান প্রমুখ। অনুষ্ঠানটির নির্মাণ পরিকল্পনায় রয়েছেন ফরিদুর রেজা সাগর এবং শাইখ সিরাজ। অনুষ্ঠান সমন্বয়ে সৈয়দ শামসুল হক, গবেষণা শামসুজ্জামান খান। প্যানেল প্রযোজনায় রয়েছেন শহীদুল আলম সাচ্চু ও রাজু আলীম। চ্যানেল আইতে \'বঙ্গবন্ধুর আত্মকথন\' প্রচার হবে ১ আগষ্ট থেকে ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত প্রতিদিন রাত ৮.৪৫ মিনিটে।
আত্রাইয়ে পাটচাষে আগ্রহ হারিয়েছে কৃষক
চলতি পাট মৌসুমে নওগাঁর আত্রাই উপজেলাতে পর্যাপ্ত পরিমান পাট চাষ না হলেও যতটুকু চাষ হয়েছে তা এখন পচানো ও ধোয়া নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন পাটচাষিরা। একদিকে পাটের উৎপাদন খরচ বেশি অন্যদিকে দাম কম হওয়ায় দিন দিন সোনালি আঁশ পাটচাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে এলাকার কৃষকরা। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ৬০এর দশকে দেশের খ্যাতমান পাটক্রয় কেন্দ্র ছিল আত্রাইয়ে। আত্রাই র‌্যালিব্রাদার্স নামে বিখ্যাত সেই পাটক্রয় কেন্দ্রে পাটক্রয় করে নৌপথে পাঠানো হতো দেশ বিদেশের বিভিন্ন জুট মিলে। সে সময় সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রতিদিন শতশত টন পাট ক্রয় করা হতো চাষিদের নিকট থেকে। ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা নিয়ে কৃষকরাও ঝুঁকে পড়তো ব্যাপকহারে পাটচাষে। ফলে হাজার হাজার হেক্টর জমিতে হতো পাটের চাষ। আত্রাই থেকে এ পাটগুলো দেশের দক্ষিণাঞ্চল জেলা খুলনা, যশোরসহ বিভিন্ন জুট মিলে নৌপথ ও রেলপথে নিয়ে যাওয়া হতো। জনশ্রুতি আছে শুধু দেশেই নয় বরং আকাশ পথে আত্রাইয়ের পাট রফতানি করা হতো সেই ইংল্যান্ডে। সে সময় মালবাহী উড়োজাহাজ যোগে আত্রাই পাটক্রয় কেন্দ্র থেকে সরাসরি এ পাট লন্ডনে রফতানি করা হতো বলে তথ্যসূত্রে জানা গেছে। কিন্তু সেই পাট আত্রাই থেকে বিলুপ্তির পথে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবারে এ উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম জমিতে পাটচাষ করা হয়েছে। পাটের মূল্য কমসহ নানাবিধ সমস্যার কারণে কৃষকরা পাটচাষে এভাবে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। এদিকে পাটের চাষ কম হওয়ায় জ্বালানি কাজে ব্যবহার্য পাটখড়ির মূল্য আকাশচুম্বী হয়েছে। ফলে মধ্যম আয়ের পরিবারে সৃষ্টি হয়েছে চরম ভোগান্তি। আত্রাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. এম এ আজিজ জানান, এ বছরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম জমিতে পাট চাষ হয়েছে। পাটের ফলন ও হয়েছে বাম্পার। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার পাটের দাম কম থাকায় কৃষকরা লোকসানের শিকার হচ্ছে।
বহুল প্রতীক্ষিত ছিটযুগের ইতি হল
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত ছিটমহল সমস্যার সমাধান হলো। ছিটমহল এই শব্দ এখন ইতিহাস। গত শুক্রবার রাত বারোটার পর থেকে উভয় দেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হয়েছে। এর মধ্যে দিয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের ছিটমহলবাসীর প্রায় ৬৮ বছরের দুঃখ-যন্ত্রণার অবসান হলো। ছিটমহলে বসবাসকারী নাগরিকরা তাদের অবরুদ্ধ জীবন থেকে মুক্তি পেল। তাই ছিটমহলে বইছে এখন আনন্দের বন্যা। শনিবার ভোরে ছিটমহলের বাংলাদেশ অংশে জাতীয় পতাকা উড়বে। এদিকে ছিটমহল বিনিময়ের একদিন আগেই বৃহষ্পতিবার ঢাকায় দুই দেশের সীমান্তে ৩০টি স্ট্রিপ ম্যাপে আনুষ্ঠানিক সই করেছে বাংলাদেশ ও ভারত। শুক্রবার রাত বারোটার পরই ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ৫১টি ও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ১১১টি ছিটমহল বিনিময় হয়েছে। ছিটমহলের মানুষের বাড়িতে বাড়িতে মোমবাতি জ্বালিয়ে উৎসব পালিত হয়েছে। শনিবার ভোরে বাংলাদেশ অংশে পতাকা উৎসব হয়েছে। ছিটমহলের ঘরে ঘরে মুছে যাবে জরা, ঘুচে যাবে গ্লানি। আসবে নতুন ভোর অনেকেরই। বিশ্ব মানচিত্র থেকে মুছে যাবে ছিটমহল নামক ৬৮ বছরের অমানবিক দৃশ্যপট। বিলুপ্ত হবে পরাধীনতার অসহনীয় জীবনধারা। চালু হবে আইনের শাসন। নিজস্ব সরকার ব্যবস্থার নাগরিকত্ব। শেষ হবে বঞ্চনার দিনরাত। বিশ্ব মানবের তালিকায় সংযোজিত হবে দীর্ঘদিন ধরে \'না\'- মানুষ হয়ে থাকা মানব। ৬৮ বছরের অভিশপ্ত জীবনের ইতি ঘটিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের ১৬২টি ছিটমহলের প্রায় অর্ধ লাখ বাসিন্দা কাঙ্খিত নাগরিকত্ব পাবে। বদলে যাবে অর্ধলাখ মানুষের জীবনধারা। ৬৮ বছরের লড়াই-এ সংগ্রাম শেষে এক নতুন জীবনে প্রবেশ করবে বঞ্চিত মানুষেরা। এতদিন নিজ দেশে ছিল যারা পরবাসী। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে অবশেষে দুই দেশের বঞ্চিত মানুষেরা ফিরে পেল অধিকার, মানুষের মতো বেঁচে থাকার অধিকার। আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে মানুষ বিনিময়ের কাজ শুরু হবে। স্মরণ করা হবে সেই সব মানুষকে যারা ছিটমহল আন্দোলনে নিবেদিত ছিলেন। বিশ্ব মানচিত্র বদল হবে, তাদের যাত্রা শুভ হোক- এটাই কাম্য।
বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করলেন প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
রাজশাহীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ। আজ শনিবার দুপুর সোয়া দুইটায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম সাইদুর রহমান খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার শামীম আহসান পারভেজ, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন এবং অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক তারিক সাইফুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডীন অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দ, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক মো. শহীদুর রহমান, জার্নালিজম কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের কো-অর্ডিনেটর মো. মশিহুর রহমান, আইন ও মানবাধিকার বিভাগের কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক আনিসুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে তাঁরা বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের শিক্ষাব্যবস্থার সামগ্রিক অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করেন। এ সময় অধ্যাপক ড. এম সাইদুর রহমান খান বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনের জন্য প্রতিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দকে ধন্যবাদ জানান। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
নওগাঁ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা
নওগাঁ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ২৭তম বার্ষিক সাধারন সভা ২০১৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে গতকাল শনিবার শহরের মুক্তি কমিউনিটি সেন্টারে। সভায় সভাপতিত্ব করেন নওগাঁ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ আলী দ্বীন। এতে অন্যান্যের মধ্যে চেম্বারের সাবেক সভাপতি আলআজ শামসুল হক, সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল শাহরিয়ার রাসেল, সহ-সভাপতি আলহাজ নূরুল ইসলাম, পরিচালক মোহাম্মদ আলী, পরিচালক আতাউর রহমান, পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান রুনু চৌধুরী, পরিচালক মামুনুর রহমান মামুন, বিশিষ্ট চালকল মালিক সারোয়ার রহমান কাজল, বিশিষ্ট চামড়া ব্যবসায়ী মমতাজ হোসেন, বিশিষ্ট ঠিকাদার লাল্টু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এমপিওভুক্তির জন্য আর কত অপেক্ষা
দেশে শিক্ষা ব্যবস্থায় বর্তমান সময়ে যে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থা বিশেষ করে তথ্য প্রযুক্তিতে শিক্ষা ব্যবস্থা সমৃদ্ধ করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকার কাজ করে যাচ্ছেন। বিশ্বায়নের যুগে উন্নত দেশগুলোর আদলে শিক্ষা ব্যবস্থাকে উন্নত করার প্রয়াস নজরে আসছে। পাবলিক পরীক্ষায় নকল উঠে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা যেমন পড়ালেখা মনোযোগী হয়েছেন তেমনি শিক্ষকরা পাঠদানে আরও বেশি দায়িত্বশীল হয়েছেন। একটি জাতির উন্নয়নের মাপকাঠি হচ্ছে সে দেশের শিক্ষা। তুলনামুলকভাবে আমাদের শিক্ষিতের হার বছর বছর বাড়ছে। এমনকি এসময়ে গ্রাম অঞ্চলেও উচ্চ শিক্ষার দ্বার উন্মোচন হয়েছে। প্রতিষ্ঠা হয়েছে অনেক অনার্স কলেজ। সেখানে বিভিন্ন বিষয়ে সম্মান শ্রেণীতে অধ্যয়ন করছেন হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রীরা। এসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর এমপিওভুক্ত মাত্র। শিক্ষার আরেকটি একটি সুখকর খবর প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষায় সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মত অনেক বে-সরকারি এমপিওভুক্ত (মান্থলি পেয়েবল অর্ডার) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভাল ফলাফল অর্জন করছেন। তারা পাল্লা দিয়ে ফলাফলে একে অপরের উপরে ভাল ফল আনার চেষ্টায় আছেন। পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে বিশেষ করে জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে গ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও পিছিয়ে নেই। সবমিলে সবাই চাইছে প্রতিযোগিতায় নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অথবা শতভাগ পাশের গৌরব অর্জনের নিছক যাতে ফলাফল শূন্য না হয়, সেদিকে তীক্ষ্ন নজর থাকছে। আমাদের গ্রাম অঞ্চলের এমপিওভুক্ত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ওই এলাকার শিক্ষার একটি অন্যতম পাদপীঠ। যাদের অনেক টাকা খরচ করে ছেলে-মেয়েদের পড়ালেখা করানোর সামর্থ্য নেই তারা ভরসা করে থাকেন স্থানীয় এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর। আর অনেক উচ্চ শিক্ষিত মেধাবীরা পরিক্ষায় ভাল ফলাফল অর্জন করে, পড়ালেখা শেষ করে বে-সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চাকুরি নিয়ে শ্রেণীকক্ষে সুন্দর উপস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত শিক্ষায় আকৃষ্ট করছেন। এমনকি বর্তমান সরকারের সময়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় যে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে যাতে করে গ্রামাঞ্চলের অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থীরা শিক্ষায় উৎসব মুখর হয়ে উঠেছে। এসকল প্রতিষ্ঠানে আসা মেধাবী শিক্ষকরা প্রতিযোগিতার সাথে শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বে-সরকারি রেজিস্ট্রার, কমিনিউটি সকল প্রাথমিক বিদ্যালয় একদিনে সরকারিকরণ ঘোষণা করে প্রাথমিক স্তরের ওই সকল শিক্ষকদের চাওয়া-পাওয়া পুরণ করেছেন। যা আমাদের মত উন্নয়নশীল একটি দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের একটি মাইলফলক বটে। এটা ঠিক প্রাথমিক স্তরে শিক্ষায় শিক্ষকদের না পাওয়ার আর কিছু নেই। এখন দরকার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চাকরীরতদের দিকে নজর দেওয়া। শিক্ষকদের আর্থিক অনটন না থাকলে তারাও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লাখ লাখ শিক্ষার্থীদের উন্নত শিক্ষা দিতে উৎসাহী হয়ে উঠবেন এমনটাই প্রত্যাশা সকলের। একথা ঠিক অভাব- অনটনের মধ্যে শিক্ষার মত একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেন উপেক্ষিত না হয়। সেটাও ভাবা দরকার। এসময়ে শিক্ষার চলমান উন্নতিতে বে-সরকারি এমপিওভুক্ত, নন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা রয়েছে। বে-সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেমন মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল কলেজ মাদ্রাসার শিক্ষকদের বড় ভুমিকা থাকলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা বেতন ভাতার আর্থিক বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত নন। বরং তারা চাকুিরতে সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির জন্য আশা করছেন। যেমন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারিরা বরাবরের মতই অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেলে বেতন বৃদ্ধির আশায় রয়েছেন। তাদের আশা প্রতিবারের মত এবারও শুরু থেকেই অষ্টম বেতন স্কেলের বর্ধিত বেতন ভাতা পাবেন। কিন্তু বর্তমান সময়ে দেশে যে সাড়ে ৮ হাজার নন-এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেখানে কর্মরত শিক্ষক কর্মচারিরা আর্থিক অনটনে চাপা যন্ত্রনা ভুগছেন। এসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কোনটির বয়স এক দশক আবার কোনটির বয়স একযুগ পেরিয়ে গেছে তবু এমপিওভুক্ত হয়নি। হয়তবা বাংলাদেশের একটি গ্রামে একজন বে-সরকারি এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক যে বেতন ভাতা পান তা দিয়ে সংসার চলে বৈকি! অনেক শিক্ষকের পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি হলে তাকে সংসারের ব্যয় মেটাতে হিমশিম খেতে হয়। আর যদি বছর যুগ পেরিয়ে অনেক শিক্ষক নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হন তার যন্ত্রণা পরিমাপ করার যন্ত্র আমার জানা নেই। অথচ বছরের পর বছর বেতন ভাতা না পেয়েও কষ্টের হাসি হেসেও সাত সকালে পাঠদানের লক্ষ্যে শ্রেণীকক্ষে মনোযোগি হয়ে ওঠেন এসকল শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষক। তখন তার মনে থাকেনা তিনি যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরীজীবী হিসেবে নিয়োজিত সে প্রতিষ্ঠান নন এমপিওভুক্ত এবং তিনি কোন রকম বেতন ভাতা ছাড়া একজন শিক্ষক। এছাড়া দেশের বর্তমান নন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনার খরচও তাদের বহন করতে হয়। একদিকে বেতন ভাতা নেই, অন্যদিকে প্রতিদিনই কিছু না কিছু খরচ করতেই হচ্ছে। এরকম অনিশ্চিত পথ চলায় নন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের একটি মাত্র প্রত্যাশা তাহল তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হওয়া। যাতে করে তাদের বেতন ভাতার নিশ্চয়তা আর কষ্ট না বাড়ায়। এই সরলতার ছাপ চোখে মুখে অাঁকা শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের ঘানি টানার যবনিকাপাত আসলে কবে হবে এবং তা কোন সূদুরে তা তাদের জানা নেই। পরিতাপের বিষয় এমপিও ভুক্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রদ্ধেয় শিক্ষকরা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতিতে নিজেদের নিয়োজিত রাখলেও এখনও পর্যন্ত দেশে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান \'\'এমপিও ভুক্ত\'\' নামক সোনার হরিণের জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনছেন। আমরা যারা শিক্ষক যেমন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ে বে-সরকারি স্কুল কলেজ মাদ্রাসার তারা জানেন কিভাবে গড়ে উঠেছে এসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। স্থানীয়দের দান করা জায়গা জমি ও আর্থিক অনুদান সহ শিক্ষক কর্মচারিদের অপ্রকাশিত সহযোগিতায় নির্মাণ হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বর্তমান সময়ে যে সাড়ে ৮ হাজার নন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার একজন শিক্ষক-কর্মচারিই বিনা খরচায় চাকরি পাননি। লেখাপড়া শিখে শহরের চাকরি করার বাসনা সবার থাকলেও মফস্বল এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থা চলবে কি করে ? সবার ভাগ্যেই তো সরকারী চাকরি হয়না। আর গ্রাম অঞ্চলে থেকে শিক্ষা দেবার মত মহান কাজটি করার মানসিকতাও থাকতে হয়। দীর্ঘদিন পড়ালেখা করে ডিগ্রি অর্জন করতে হয় বাবা-মার অর্থ ব্যয় করে। আবার চাকুরির সময়ও খরচ করতে হয়। এরপরও রয়েছে ওই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সদস্যদের খুশি করা। তারপরও যদি কপালে না জোটে এমপিও ভুক্তি তাহলে দিশেহারা না হয়ে উপায় কি?- এমনটি বলেছিলেন, একজন নন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক। যেমনটি বলছিলাম দেশের বেশীর ভাগ বে-সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, মাদ্রাসা , কারিগরি, স্কুল, কলেজ প্রতিষ্ঠা হয়েছে উপজেলা সদর সহ ইউনিয়ন পর্যায়ে। বর্তমান সরকারের শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতিতে নিরলসভাবে কাজ করার কারণে শিক্ষা ক্ষেত্রে আধুনিকতা ও যুগোপযোগী বৃত্তিমুলক শিক্ষার প্রসার চোখে পড়ার মত। তবে এর নেপথ্যে বে-সরকারী এমপিওভুক্ত এবং নন এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ত্যাগ, ঘাম ঝরানো পরিশ্রম রয়েছে। যা কোনভাবেই অস্বীকার করা যায়না। উপেক্ষিত এমপিও ভুক্তির জন্য তাদের দৌড়ঝাপও কম নয়। প্রতি বছরই একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্তির জন্য অপেক্ষার গ্রহর অধীর আগ্রহে গুনে থাকেন। এ সকল শিক্ষক, কর্মচারিরা হয়তবা বাড়ি গাড়ির কোন স্বপ্নই দেখেন না কিন্তু স্বপ্ন দেখেন তার কর্মস্থল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্তি। নন-এমপিওভুক্ত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মাসুদ রানা আক্ষেপ করে বলেন, এমপিও ভুক্তির জন্য এক দশক অপেক্ষা করছেন আর কত ? তাদের দাবি তাদের পারিবারিক জীবনের জন্যই আর অপেক্ষা নয় নন-এমপিও-ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্ত হোক- সেটাই তাদের সবিশেষ প্রত্যাশা। লেখক-প্রভাষক ও কলামিষ্ট ৎবড়িহথড়ৎরহ@ুধযড়ড়.পড়স
 
 
 
বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত ও শ্রীলঙ্কা
স্পোর্টস রিপোর্টার : ৯ আগষ্ট থেকে সিলেটে শুরু হচ্ছে অনূর্ধ্ব-১৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। এ আসরে 'এ' গ্রুপে থাকা বাংলাদেশের দুই প্রতিপক্ষ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত আর শ্রীলঙ্কা। 'বি' গ্রুপে লড়বে মালদ্বীপ, নেপাল ও আফগানিস্তান। গতকাল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ভবনে এর ড্র অনুষ্ঠান হয়। ড্র অনুষ্ঠান পরিচালনা... বিস্তারিত
 
ইংলিশ ফুটবলে বাংলাদেশী গোলরক্ষক!
আজ ভারত যাচ্ছে থ্রোবল দল
স্পোর্টস রিপোর্টার : ভারতের বেঙ্গালুরুতে ৭ থেকে ৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে পেন্টাগুলার আন্তর্জাতিক থ্রোবল চ্যাম্পিয়নশিপ-২০১৫। এ টুর্নামেন্টে অংশ নিতে ৩২ সদস্যের বাংলাদেশ পুরুষ ও নারী থ্রোবল দল ভারত যাচ্ছে। এবারের টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর এ পাঁচটি দল অংশ নেবে। বাংলাদেশ দলের ড্রেস... বিস্তারিত
 
দ্বিতীয় দিনও শেখ রাসেলের ম্যাচ স্থগিত
স্পোর্টস রিপোর্টার : মান্যবর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে শুক্রবার শেখ রাসেল বনাম ফরাশগঞ্জের মধ্যকার ম্যাচটি প্রবল বৃষ্টির কারণে স্থগিত করা হয়েছিল। ফলে, ম্যাচটি গতকাল বিকেল ৪.৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাতেও বাধা সেই বৃষ্টি। সকাল থেকেই মুষলধারায় বৃষ্টির কারণে গতদিনের মতো... বিস্তারিত
 
স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো দাবি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ফেডারেশনের
ঢাবি প্রতিনিধি : বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল ঘোষণা এবং প্রস্তাবিত ৮ম জাতীয় বেতন কাঠামো পুনঃনির্ধারণের দাবিতে পূরণ না হলে উদ্ভুত পরিস্থিতির দায়-দায়িত্ব শিক্ষকরা বহন করবে না বলে কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ফেডারেশন। গতকাল শনিবার ফেডারেশনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া... বিস্তারিত
 
 
ভিডিও
রাশিচক্র আজ ঢাকায় আজ বগুড়ায়
 
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চরমপন্থিরা আত্মসমর্পণের আহ্বানে সাড়া দেবে বলে মনে করেন কি?
হ্যাঁ
উত্তর নেই
না
 
 
 
নামাজের সময়সূচী
ওয়াক্ত
সময়
ফজর
08:50
জোহর
1:15
আছর
05:00
মাগরিব
06:38
এশা
08:30
 
 

সম্পাদকঃ মোজাম্মেল হক, সম্পাদক কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, শিল্পনগরী বিসিক বগুড়া এবং ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, (আরামবাগ) ইডেন কমপ্লেক্স, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও চকযাদু রোড, বগুড়া হতে প্রকাশিত।
ফোন ৬৩৬৬০,৬৫০৮০, সার্কুলেশন বিভাগঃ ০১৭১৩২২৮৪৬৬, বিজ্ঞাপন বিভাগঃ ৬৩৩৯০, ফ্যাক্সঃ ৬০৪২২। ঢাকা অফিসঃ স্বজন টাওয়ার, ৪ সেগুন বাগিচা। ফোনঃ ৭১৬১৪০৬, ৯৫৬০৬৬৯, ৯৫৬৮৮৪৬, ফ্যাক্সঃ ৯৫৬৮৫২২ E-mail : dkaratoa@yahoo.com . . . .

Powered By: