রেজি | রাজ ১৩ | ৩৮তম বর্ষ | সংখ্যা ২৫০ | বগুড়া বৃহস্পতিবার ১১ বৈশাখ ১৪২১ | ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৩৫ হিজরি | ২৪ এপ্রিল ২০১৪
ব্রেকিং নিউজ
আর্কাইভ
দিন :
মাস :
সাল :
এই সংখ্যার পাঠক
৫১৬৩
সার্চ
সেই দুঃসহ স্মৃতি আজও কাঁদায়
সাভার ট্র্যাজেডির এক বছর তদন্ত প্রায় শেষ, আগামী মাসে চার্জশিট গ্রেফতার হওয়া ২১ জনের ৮ জন জামিনে বিস্ময়কন্যা রেশমা ছুটি নিয়ে সাভারে
রুদ্র রাসেল :
এক বছর আগের এই দিনে হঠাৎ ধসে পড়ে সাভারের রানা প্লাজা। মুহূর্তইে কান্না আর আর্তনাদে ভারী হয়ে উঠেছিল গোটা দেশ। লাশের মিছিল আর শোকে স্তব্ধ হয়েছিল চারদিক। যেখানে থেমে গিয়েছিল জীবনের স্পন্দন। সেই হৃদয়বিদারক ঘটনার এক বছর পার হলেও দায়ীদের শাস্তি হয়নি। এ ঘটনায় দায়েরকৃত সবগুলো মামলার তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তবে তদন্ত শেষ পর্যায়ে বলে জানিয়েছে তারা। শিগগিরই চার্জশিট দাখিল করা হবে বলে আশাবাদ সিআইডির। সংস্থাটি জানায়, চার্জশিটে মামলার ধারায় পরিবর্তন আসতে পারে। একটি মামলা দন্ডবিধির ৩০৪/ক ধারায় দায়ের করা হলেও, আদালতে চার্জশিট ৩০২/৩৪ ধারায় চার্জশিট দেয়া হতে পারে। এই ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড।' এদিকে ঘটনার... বিস্তারিত
নির্বাচিত সংবাদ
ধুনটে যান্ত্রিক আগ্রাসনে বিলুপ্তির পথে লাঙল-জোয়াল
কৃষিপ্রধান এলাকা হিসেবে পরিচিত বগুড়ার ধুনটে জমি চাষের কাজে কৃষক এক সময় কাঠের তৈরী লাঙল, জোয়াল, মই ও হালের বলদ ব্যবহার করতো। চাষাবাদের এসব কৃষি উপকরণ মানুষ হাজার বছর ধরে ব্যবহার করে এসেছে। কিন্তু কালের বিবর্তনে এসবের ব্যবহার আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে। পরিবেশ বান্ধব লাঙল-জোয়ালের জায়গা দখল করে নিয়েছে যান্ত্রিক পাওয়ারটিলার আর ট্রাক্টর। আগে লাঙল ছাড়া চাষাবাদের কথা চিন্তা করা যেত না। কিন্তু আধুনিক যুগে চাষাবাদের জন্য ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলারের মতো যান্ত্রিক সব উপকরণ আবিষ্কৃত হয়েছে। এসব আধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে চাষাবাদে আগের তুলনায় সময়, শ্রম এবং অর্থের সাশ্রয় হচ্ছে। ফলে কৃষক আধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করে চাষাবাদ করছে। এতে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী লাঙল, জোয়াল, মই ও হালের বলদ। বর্তমানে উপজেলার প্রায় সব কৃষক জমি চাষের জন্য ট্রাক্টর ব্যবহার করেন। ব্যাপক চাহিদা থাকায় কেউ কেউ যন্ত্রটি ভাড়া দিয়ে ব্যবসাও করছেন। লাঙল-মইসহ কৃষি সরঞ্জাম তৈরি করা যাদের পেশা তারা এখন বেশির ভাগ সময় বেকার বসে থাকছেন। ফলে অনেকেই এই পেশা ছেড়ে নতুন পেশায় চলে যাওয়ার কথা ভাবছেন। এভাবে হয়ত একদিন লাঙল তৈরির পেশায় থাকা ব্যক্তিরা তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে এই কাজ আর শেখাবেন না। নতুন পেশা খুঁজে নেবেন তারা। তখন হাজার বছরের লাঙল-জোয়ালের স্থান হবে জাদুঘরে। মানুষের সভ্যতার ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে চিরবিশ্রামে থাকবে এই লাঙল-জোয়াল। মথুরাপুর ইউনিয়নের কৃষক আজগর আলী বলেন, এক সময় লাঙল, জোয়াল, মই ও বলদ ছাড়া চাষাবাদ কল্পনা করা যেত না। কিন্তু যান্ত্রিকতার এ যুগে সব হারিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া আগের মতো লাঙল দিয়ে চাষাবাদও করছে না মানুষ। গোপালনগর গ্রামের কৃষক জেল হোসেন জানান, পর্যাপ্ত গো-চারণ ভূমির অভাবে হালের বলদ পালন করতে দূভর্োগ পোহাতে হয়। এছাড়া বর্তমানে গরু-বাছুরের রোগ বালাই আগের তুলনায় বেশী হয়। বাজারে হালের বলদের দামও চড়া। এসবের কারণে এলাকার কৃষক লাঙল-জোয়ালের ব্যবহার কমে দিয়েছে। গোসাইবাড়ি ইউনিয়নের কৃষক মহির উদ্দিন বলেন, এলাকার কিছু কিছু গৃহস্থের ঘরে আজও লাঙ্গল-জোয়াল ও হালের বলদ আছে। কারন যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ হওয়ায় গৃহস্থের সব জমিতে পাওয়ারটিলার বা ট্রাকটর নেয়া সম্ভব হয় না। সেই সব জমিতে মান্দাতা আমলের লাঙল দিয়ে হালচাষ করতে হয়। এ বিষয়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস ছোবাহান বলেন, লাঙল-জোয়াল বলদের কাঁধে বসিয়ে হালচাষ পদ্ধতি পরিবেশ বান্ধব। কারণ গরুর গোবর থেকে নির্ভেজাল জৈব সার পাওয়া যায়। এই সার জমির উর্বরা শক্তি ও পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি করে। তাই এই পদ্ধতি কৃষকের জন্য লাভজনক ও পরিবেশ সহায়ক ছিল। তবে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে হালচাষের সময় কম লাগে। এছাড়া অতিরিক্ত জনবলের প্রয়োজন হয় না। এছাড়া এ পদ্ধতির হালচাষে কৃষক অনেকটাই ঝামেলামুক্ত বলে মনে করেন।
৮০ বছর বয়সেও ফজনী নেছার বয়স্ক ভাতা জোটেনি!
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ফজনী নেছা (৮০) বছর বয়সেও ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। অথচ এই উপজেলায় শত শত বৃদ্ধ নারী-পুরুষ হরেক রকম সরকারি সুযোগ সুবিধা পেয়ে কিছুটা নির্ভর হলেও ফজনী নেছা আর কত বয়স হলে বয়স্ক ভাতা পাবেন? এ প্রশ্ন করে বৃদ্ধা কেঁদে আকুল হয়েছেন। বর্তমানে অশীতিপর ওই বৃদ্ধা ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। অথচ কারো চোখেই পড়ছে না এমন অশীতিপর বৃদ্ধার নিজেকে বয়ে বেড়ানোর করুণ দৃশ্য। জানা গেছে, তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের চৌপাকিয়া গ্রামের মৃত মছেরের স্ত্রী ফজনী নেছা এখনও পর্যন্ত বয়স্ক ভাতা পাননি। তিনি জানেন না ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিডি, ভিজিএফসহ হতদরিদ্র, বয়স্ক ও বিধবাদের জন্য সরকার কর্তৃক প্রদত্ত নানা সুযোগ সুবিধা রয়েছে। এর যে কোন একটির সহযোগিতা পেলেই তার বৃদ্ধ বয়সে ভিক্ষাবৃত্তি করতে হতো না। এলাকাবাসী জানান, ১টি ছেলে সন্তানের জননী অশীতিপর বৃদ্ধা স্বামীর ভিটা ছেড়ে বর্তমানে তাড়াশ সদর ইউনিয়নের চকজয়কৃষ্ণপুর গ্রামের জনৈক ব্যক্তির বাড়িতে আশ্রিতা রয়েছেন। তার পক্ষে তার শরীরটাই বহন করা অসম্ভব। তারপরও লাঠিতে ভর করে প্রতিদিন অন্তত ১০-১৫ কিলোমিটার হাঁটাহাঁটি করেই এ বাড়ি, সে বাড়ি, এ দোকান, সে দোকানে ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে যা পান তা দিয়েই তার কোন রকমে দিনানিপাত চলে। তাড়াশ সদর বাজারে এত বয়স্ক নারীর ভিক্ষাবৃত্তি করা এর আগে আর চোখে পড়েনি বলে অনেকেই জানিয়েছেন। অথচ এই উপজেলা সদর হতেই বিভিন্ন ইউনিয়নের শত শত বৃদ্ধ নারী-পুরুষ সরকারি সুযোগ সুবিধার বিষয়টি ফয়সালা হয়ে থাকে। কিন্তু ৮০ বছর বয়সের বৃদ্ধা ফজনী নেছার ভাগ্যে জোটেনি কোন সরকারি সাহায্য ও সুযোগ সুবিধা। তাই জীবন বাঁচাতেই জীবনের শেষ প্রান্তে এসে লাঠি ও ঝোলাকে সম্বল করে জীবন জীবিকায় ওই বৃদ্ধা বাধ্য হয়েই আজও পথ চলছেন। অনেকেই ওই বৃদ্ধার কষ্ট দেখে মন্তব্য করেছেন এ যেন নিয়তির নির্মম পরিহাস।
খেলাঘর মানুষ গড়ার কারখানা করতোয়া সম্পাদক
দৈনিক করতোয়া সম্পাদক মোজাম্মেল হক বলেছেন \'খেলাঘর মানুষ গড়ার কারখানা। এক সময় যারা খেলাঘর করেছে, তারা এখন সমাজে নেতৃত্ব দিচ্ছে। খেলাঘর নেতৃত্ব সৃষ্টি করে। খেলাঘর করেছি বলেই আজ আমি বহুল প্রচারিত দৈনিক করতোয়ার সম্পাদক হতে পেরেছি।\' মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মৌমাছি খেলাঘর আসর আয়োজিত চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। সংগঠনের সভাপতি ও বগুড়া ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি মাসুদুর রহমান রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট শৈল্য চিকিৎসক প্রফেসর ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী প্রগ্রেস গ্রুপের চেয়ারম্যান রোটারিয়ান মো: মোস্তাফিজার রহমান, বগুড়া ডায়াবেটিক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা: হাবিবুর রহমান, আমরা ক\'জন শিল্পী গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোবিন জিন্না। বক্তব্য রাখেন অভিভাবক বগুড়া ট্রাফিক ফাঁড়ির সার্জেন্ট সালেকুজ্জামান, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক খান রনিক, সংগঠনের অংকন শিক্ষক দেব দুলাল বর্মন, বিপ্লব চন্দ্র পাল, ফারুক ফয়সল সজল, আব্দুল জলিল, কামালপাশা, তুষার, সুবিন, স্বাধীন, শাওন পাল, সাদ্দাম হোসেন, শাহিনুর ইসলাম সেলিম, আরমান শেখ, মুন্না, ফয়সল প্রমুখ। অনুষ্ঠানে শতাধিক শিশু-কিশোরকে পুরস্কৃত করা হয়।
তিস্তার ন্যায্য পানি না পেলে আরও কঠোর কর্মসূচি : ফখরুল
তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা না পেলে আরো কঠোর কর্মসূচির হুমকি দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলামগীর। তিনি বলেন, ভারতের বিরুদ্ধে লংমার্চ নয়, এটি এ দেশের জনগণের অধিকার আদায়ের কর্মসূচি। ভারতের সাথে তিস্তার পানি নিয়ে দর কষাকষি করার কোনো নৈতিক অধিকার বাকশালী আওয়ামী লীগ সরকারের নেই। বর্তমান আওয়ামী সরকার এ দেশের জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার নয়। এ সরকার মাত্র ৫ শতাংশ মানুষের ভোটের সরকার। তারা ভারতের তাবেদার সরকার। তাই এ সরকার দেশকে মরুকরণের হাত থেকে রক্ষায় কোনো কাজ করছে না। তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র নেই, স্বাধীনতা নেই জন্যই দেশনেত্রী খালেদা জিয়া গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই শুরু করেছেন। আমাদের সবাইকে এ লড়াইয়ে অংশ নিয়ে দেশকে রক্ষা করতে হবে। গতকাল বুধবার দু\'দিনের লংমার্চ শেষে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় অবস্থিত দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ সংলগ্ন হেলিপ্যাড মাঠে বিএনপি আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আমরা যখন দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করে তিস্তার পানির অধিকার ফিরে পাবার জন্য আন্দোলন করছি, তখন সরকার আমাদের বাধা দিচ্ছে। তিনি সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেন, আমাদের কর্মসূচি কারো বিরুদ্ধে নয়। আমাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এই লংমার্চ। লংমার্চ কর্মসূচি সফল হয়েছে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গতকাল (মঙ্গলবার) মিডিয়ার মাধ্যমে জানলাম, লংমার্চের কারণে ভারত তিস্তায় কিছুটা পানি ছেড়েছে। সুতরাং বুঝতে হবে এটা লংমার্চের প্রাথমিক সাফল্য। আমরা সাময়িক নয়, পুরোপুরি সফলতা চাই। তিস্তার পানির দলিল চাই। ফখরুল ইসলাম বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে বলেন, এ সরকার তিস্তাসহ অভিন্ন সব নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আনতে পারবে না। তাই অবিলম্বে নির্দলীয় সরকারের অধীনে সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যে সরকার আমাদের পানির অধিকার ফিরিয়ে আনতে পারবে। পুলিশ প্রশাসনের উদ্দেশ্য ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই সরকার চিরদিন ক্ষমতায় থাকবে না। বিএনপি অতীতেও ক্ষমতায় ছিল ভবিষ্যতেও ক্ষমতায় আসবে। তাই আওয়ামী লীগের নেতাদের কথায় বিরোধী দলের ওপর আপনারা নির্যাতন করবেন না। লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি ও রংপুর বিভাগীয় বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. মাহববুর রহমান, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ড. ওসমান ফারুক, নজরুল ইসলাম খান, সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ আল নোমান, সেলিমা রহমান, মেজর (অব.) হাফিজ, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মজিবর রহমান, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রাধান, জাপার কেন্দ্রীয় নেতা আহসান হাবিব লিংকন, ইসলামী আন্দোলনের সহসভাপতি আবু হাসানাত আমিনী, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এডভোকেট আহমদ আজম খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সামসুজ্জামান দুদু, বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান মিনু, কেন্দ্রীয় নেতা সুলতান সালাহউদ্দিন চৌধুরী টুকু, হারুন উর রশিদ, রহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, আসাদুজ্জামান রিপন, যুবদলের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মহিলা দলের সভানেত্রী নূরে আরা সাফা, সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, সহ-দফতর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বজলুর রশিদ আবেদ ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিব, শফিউল বারী বাবু, ঢাকা মহা নগর কমিটির সদস্য সচিব আব্দুস সালাম, রংপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক মোজাফর হোসেন, হাসান রাজীব প্রমুখ। বিএনপির তিস্তা অভিমুখে পানির ন্যায্য হিস্যা ও বাম তীরে বাঁধের দাবিতে এ লংমার্চ কর্মসূচিতে ১৯ দলীয় জোটের নেতা-কর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মত। রাস্তার দু\'পাশে হাজার হাজার নারী-পুরুষ বের হয়ে রোড মার্চকে স্বাগত জানান। এসময় অনেকেই রোড মার্চে অংশ গ্রহণকারী নেতা-কর্মীদের পানির বোতল-লেবু উপহার দেন। তিস্তার পানির জন্য শেষ রক্তবিন্দু দিতে প্রস্তুত থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বিএনপির এ মহাসচিব উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বলেন, তিস্তা চুক্তির বিষয়ে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। পানি পাওয়া বাংলাদেশের মানুষের অধিকার। আর এ অধিকার আদায়ের লক্ষে বিএনপি\'র এই লংমার্চ কর্মসূচি। ফখরুল সরকারকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, তিস্তার পানি আমাদের ন্যায্য অধিকার। এ দান বা কারো ভিক্ষার বিষয় নয়। এ অধিকার আদায়ের জন্য আমরা শেষ রক্তবিন্দু দিতে প্রস্তুত রয়েছি। তিনি বলেন এ সরকার ভোট চোর সরকার। এ সরকার জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করেছে। বর্তমানে তারা জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। রংপুর প্রতিনিধি জানান, গতকাল তিস্তা লং মার্চ শুরুর আগে রংপুরের পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিবের পরিচালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী ওসমান ফারুক, জাগপা প্রধান শফীউল আলম প্রধান, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য লেঃ জেনারেল (অবঃ) মাহবুবার রহমান, সেলিনা রহমান, নজরুল ইসলাম খান, আব্দুলাহ আল নোমান, সাবেক এমপি শহীদুল হক এ্যানি, সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহসভাপতি ফরহাদ হোসেন, হাজি মোঃ ইউসুফ, স্বেচ্ছাসেবকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক মীর সরাফত আলী সফু, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর হোসেন প্রমুখ।
কাহালুতে নাগর নদের বুক ক্ষতবিক্ষত করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন
বগুড়ার কাহালু উপজেলার ভিতর দিয়ে বয়ে যাওয়া নাগর নদের বুক ক্ষত-বিক্ষত করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। ফলে এক সময়ের স্রোতস্বিনী এ নদী এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় লোকজন আক্ষেপ করে বলেন, এক শ্রেণীর বালু ব্যবসায়ী নদীর বুক এবং কূলে অবৈধভাবে ড্রেজার ও শ্যলো মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করায় এলাকার ভূ-অভ্যন্তরের ভারসাম্য হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে। উপজেলার কালাই ইউনিয়নের নলডুবি ও শিবতলা থেকে শুরু করে বীরকেদার ইউনিয়নের আটালিয়া, সরদারপাড়া চকবন্যা, যোগার পাড়া, কাশিমালা, ঝিনাই টিটিয়া ও গুন্দিশ্বর এবং দুর্গাপুর ইউনিয়নের পিঁপড়া, ধানপূজা, নওদা পাড়াসহ নাগর নদের বুক ও কূলের প্রায় ৪০/৪৫টি স্পট থেকে এ বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। শুধু তাই নয় এ চক্রটি বালুর সাথে মাটিও বিক্রি করছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বালু উত্তোলনের সাথে যারা জড়িত তারা অধিকাংশই দুপচাঁচিয়া উপজেলার বাসিন্দা। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে উপজেলার সরকারি বাঁধ, ব্রিজ, রাস্তা, গাছ-পালা ও আবাদি জমিসহ বসতবাড়ি হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। আরও জানা যায়, বালু উত্তোলনকারী চক্রটি প্রতি মাসে পুলিশ প্রশাসন, এলাকার প্রভাবশালীসহ নানাজনকে মাসোহারা দিয়ে থাকে। যার কারণে ওই চক্রটি বীরদর্পে এ ধরনের অপকর্ম চালিয়ে যেতে পারে। এ ব্যাপারে এলাকার মানুষ স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়েও কোন ফল পাননি। প্রশাসনের নমনীয়তার কারণে বালু দস্যুরা যেন গোটা নাগর নদকে গ্রাস করে ফেলেছে।
ভয়ংকর সিরিয়াল কিলার পিচ্চি বাবু গ্রেফতার ধর্ষণের পর নারীকে হত্যাই তার কাজ
মমিন ওরফে পিচ্চি বাবু্। ভয়ংকর সিরিয়াল কিলার। সুন্দরী তরুণীই তার প্রধান টার্গেট। প্রথমে ধর্ষণ, এরপর খুন করাই তার নেশা। মমিন নিজের হাতে খুন করেছে ছয় নারীকে। সর্বশেষ এক নারীকে খুন করতে গিয়ে সে ধরা পড়ে। বহু চেষ্টার পর তাকে ধরে আনা হয়েছে ঢাকা থেকে। গ্রেফতারের পর মমিন পুলিশের কাছে দিয়েছে লোমহর্ষক বর্ণনা। মায়া নামের এক সুন্দরীর প্রেমে ব্যর্থ হয়ে নারী বিদ্বেষী হয়ে পড়ে মমিন। এরপর থেকে একের পর এক খুন করতে থাকে নারীদের। পুলিশই ছাড়াও এসব খুনের দায় স্বীকার করে সে আদালতেও দিয়েছে জবানবন্দী। ম্যাজিস্ট্রেট তার দেয়া জবানবন্দি ১৬৪ ধারায় রেকর্ড করে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। পুলিশ শুধু তাকেই নয়, তার সহযোগী হিসাবে আরো তিনজনকেও গ্রেফতার করেছে। এর আগে বগুড়ার পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক পিপিএম\'র সরাসরি তত্বাবধানে সিনিয়র এএসপি (এ-সার্কেল) মোহাম্মদ নাজির আহম্মেদ খানের নেতৃত্বে ডিবি ও শিবগঞ্জ থানার পুলিশ মোবাইল ট্রাকিং করে ঢাকার উত্তর খান এলাকায় অভিযান চালিয়ে গত মঙ্গলবার রাতে মমিনকে গ্রেফতার করেছে। সিরিয়াল কিলার মমিন ওরফে বাবু মন্ডল ওরফে পিচ্চি বাবু (৩৫) এর বাড়ি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ময়দানহাটা ইউনিয়নের মহব্বত নন্দীপুর গ্রামে। তার বাবার নাম সামছুল আলম। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সে জানায়, তার বয়স যখন ১৭-১৮ বছর তখন সে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মায়া নামের এক সুন্দরীর সাথে প্রেমে পড়ে। মায়াই ছিল তার ধ্যান-জ্ঞান। গোবিন্দগঞ্জে তার বোনের বাড়ি পাশেই মেয়েটি থাকতো। কিন্ত তার এক তরফা প্রেমে মেয়েটি সাড়া দিত না। তবুও সে একটু ভালবাসা পাবার আশায় বুক বেঁধে থাকতো। কিন্তু বখাটেপনার কারণে তার বাবাসহ পরিবারের কেউ তাকে পছন্দ করতো না। এজন্য পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে বিয়ে দিয়ে বেঁধে রাখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তার মন মায়ার মায়াবি প্রেমে বুঁদ হয়ে থাকতো। এ অবস্থায় তাকে একদিন গোবিন্দগঞ্জে বোনের বাড়িতে থেকে নিজ বাড়িতে ডেকে আনা হয়। এরপর এক রাতের মধ্যেই এক কালো মেয়ের সাথে তার বিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু নয়া বউ ও বাসর ফেলে রাতেই সে পালায়। বাসে চেপে চলে যায় ঢাকায়। এদিকে প্রেমিকা মায়ারও বিয়ে করে অন্য এক যুবককে। ঢাকায় গিয়ে মমিন কাজ নেয় একটি মাছের আড়তে। সেখানে যোগাযোগ হয় মাছ ব্যবসায়ীদের সাথে। এক পর্যায়ে সেও মাছ বিক্রেতা বনে যায়। কিন্তু মাছের ব্যবসায় খুব বেশি লাভ হতো না। তার দরকার ছিল কাড়ি কাড়ি টাকা। এ জন্য তার সখ্যতা গড়ে ওঠে মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে। এক পর্যায়ে সে হিলিতে আসতো আর বড় মাছের পেটের মধ্যে করে ফেনসিডিল নিয়ে ঢাকায় যেত। ফেনসিডিল ব্যবসা করে সে কালো টাকার পাহাড় গড়ে তোলে। মমিন জানায় যখনই তার প্রচুর টাকা হলো, তখন সুন্দরী নারীর প্রতি তার এক ধরণের প্রতিশোধ স্পৃহা জেগে উঠলো। নারী ধর্ষণ ও খুন তার মাথায় চেপে বসলো। কৌশলে খুন করা শুরু করলো নারীদের। তবে ঢাকায় নয়, সব নারীকে মোকামতলা ও পার্শ্ববর্তী শিবগঞ্জে এনে সে ধর্ষণের পর খুন করেছে। টাকার লোভ দেখিয়ে সে ঢাকার বখে যাওয়া সুন্দরীদের হাত করতো। এদের মধ্যে কেউ কেউ কলগার্লও ছিল। এতদিন যে নারীর মন পেতে সে ভিখেরী ছিল, আজ টাকার জন্য সেই নারীদের কেউ কেউ তার বন্ধু হওয়ার জন্য উঠে পড়ে লাগলো। আর এই সুযোগটিই সে কাজে লাগাতো। শিবগঞ্জ ও মোকামতলা ছিল তার কিলিং পয়েন্ট। প্রেমের ফাঁদে ফেলে ঢাকা থেকে সুন্দরী নারীদের শিবগঞ্জে আনতো। এরপর ধর্ষণ শেষে হত্যা করতো। গত দু\'বছরে শিবগ।জ ও মোকামতলায় ছয় ছয়জন তরুণীর লাশ মেলে। এই নারীরাই মমিনের হাতে ধর্ষণের পর খুন হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। মমিন পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিতে বলেছে প্রায় ২২ বছর যাবত সে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন। মা-বাবা আত্মীয় স্বজনের সাথে সে কোন যোগাযোগ রাখেনি। ঢাকায় সে বিলাসবহুল জীবন যাপন করতো। সুন্দরী কলগার্লদের নিয়ে নিজের প্রাইভেট কারে ঘুরে বেড়াতো। আর থাকতো সোনারগাঁওসহ বিভিন্ন ফাইভ স্টার হোটেলে। এমনকি ফুর্তি করেছে মুম্বাইয়ে গিয়েও। শুধু মাদক ব্যবসা নয়, সোনা চোরাচালান ব্যবসাতেও সে যুক্ত ছিল। আন্ডারওয়ার্ল্ডের দাগি দাগি অপরাধীদের সাথে ছিল তার নিবিড় যোগাযোগ। কয়েক বছর আগে দেড় কেজি সোনার বিস্কুট নিয়ে সে ধরাও পড়েছিল। কিন্তু বার বারই সে টাকার জোড়ে স্পট থেকেই ছাড়া পেয়েছে। ঢাকার পুলিশ তাকে ধরতেই পারেনি। ধরলেই ৫ লাখ, ১০ লাখ এমনকি ২০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়েছে। মমিন স্বীকার করেছে সে নারীর ব্যবসাও করেছে। সুন্দরী কলগার্লদের সংগ্রহ করে সে ঢাকার ফ্লাট বাড়ি ভাড়া নিয়ে ব্যবসাও করেছে। সে সুন্দরী কলগার্লদের নিজে ভোগ করতো। অন্যদের কাছেও বিলিয়ে দিত। সে দাবি করেছে এ পর্যন্ত পাঁচ হাজার নারীকে সে সম্ভোগ করেছে। ছয়জনের মধ্যে দুই নারীকে ধর্ষণ ও খুনের বিষয়ে মমিন বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে। এর মধ্যে একজনের নাম শাপলা (২২) ও অন্য জনের নাম লিপি (২০)। মমিন বলেছে গত বছরের আগস্টে ঢাকার পল্টনে সুন্দরী তরুণী শাপলার সাথে তার পরিচয় হয়। এই পরিচয়ে সূত্র ধরে সে শাপলার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। শাপলাকে নিয়ে প্রায় রাতেই নিজের প্রাইভেট কারে ঘুরতো এবং বিভিন্ন হোটেল মোটেলে রাত যাপন করতো। এ অবস্থায় হঠাৎ একদিন তার মোবাইলে অন্য এক নারী ফোন দেয়। কিন্তু এ সময় তার মোবাইলটি ধরেছিল শাপলা। পরে এ নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য হয়। শাপলা তার কাছ থেকে চলে যায়। এর এক সপ্তাহ পর শাপলা ৩শ\' পিস ইয়াবাসহ তাকে পুলিশে ধরিয়েও দেয়। কিন্তু পরে পুলিশকে মোটা অংকের টাকা ঘুষ দিয়ে সে ছাড়া পায়। ছাড়া পেয়েই শাপলাকে উচিৎ শিক্ষা দেয়ার জন্য সে পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সে মাফ চেয়ে ফের শাপলার সাথে ভাব জমিয়ে তোলে। গত বছরের নভেম্বর মাসে সে শাপলাকে বেড়ানোর কথা বলে ঢাকার মালিবাগ থেকে বগুড়ার শিবগঞ্জের ধাওয়াগীর পুরালী গ্রামের নিয়ে আসে। এরপর সেখানে ধর্ষণের পর তারই ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে তাকে হত্যা করে ঢাকায় পালিয়ে যায়। মমিন পুলিশের কাছে লিপি হত্যারও বর্ণনা দেয়। বর্ণনার মমিন বলেছে বছর দেড়েক আগে কলগার্ল লিপি ছিল তার বেস্ট ফ্রেন্ড। ঢাকার মগ বাজারে একটি আবাসিক হোটেলে তার পরিচয় হয়। লিপি দেহ ব্যবসার সব টাকাই তার হাতে দিত। কিন্তু এই টাকা নিয়ে একদিন লিপির সাথে তার বিরোধ হয়েছিল। লিপি তার অবৈধ ব্যবসার খোঁজ খবর রাখতো। তাই সে লিপিকেও হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা মতে কৌশলে সে লিপিকে শিবগঞ্জের নন্দীপুরে এনে ময়দানহাটা ইউপি মেম্বার আইনুল, জলিল সহ কয়েকজনের হাতে তুলে দেয়। এরপর সে ও তার সহযোগীরা রাতভর তাকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে তার লাশ হলুদ ক্ষেতে ফেলে রাখে। এর আগে তার সোনার কানের দুল ও ৮টি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়া হয়। এ ছাড়া ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে তানিয়া (২২), ২০১১ সালের অক্টোবর মাসে লাকি আক্তার (১৮) ও ২০১০ সালের জুলাই মাসে ফুসলিয়ে ঢাকা থেকে বগুড়ার শিবগঞ্জে এনে ধর্ষণ শেষে হত্যা করেছে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছ্ &ে#2488;র্বশেষ মমিন নিপা নামের এক নারীকেও ফুসলিয়ে শিবগঞ্জে আনে। এ সময় নিপা তার ভাগ্নে সুজনকে (১৩) সঙ্গে আনে। কিন্তু গত ১৮ এপ্রিল রাতে মমিন ময়দানহাটায় মুকুর জান এলাকায় কৌশলে দূরে একটি কলার ক্ষেতে নিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে সুজনকে হত্যা করে। মমিন পুলিশকে জানায় নিপা ছিল তার টার্গেট। কিন্তু সে খুনের কোন সাক্ষী রাখে না। তাই সুজনকে সে আগে খুন করে। পরে নিপাকে খুন করতে চাইলে সে তার চালাকি ধরে ফেলে চিৎকার করে। সে কারণে তাকে ফেলে সে ঢাকায় পালিয়ে আসে। মমিন জানায়, নিপাকে সে বিয়ে করেছিল। কিন্তু সে তার সাথে খারাপ ব্যবহার করতো। যা তার সহ্য হতো না। তাই নিপাকেও সে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়ার পণ করেছিল। কিন্তু এ যাত্রার নিপা বেঁচে যায়। মমিন বলেছে সে শুধু ছয় নারীই নয়। তার ব্যবসায়ী পার্টনার ছামাদকেও খুন করেছে। ২০০৫ সালে কৌশলে ঠাকুরগাঁও নিয়ে গিয়ে ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে সে ছামাদকে খুন করে।
মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে পাঠদানে লেখাপড়ায় আগ্রহ বাড়ছে শিক্ষার্থীদের
বদলে যাচ্ছে শহরসহ গ্রাম-গঞ্জের বিদ্যালয়ের পাঠদান পদ্ধতি। এমন একদিন আসবে যেদিন স্কুলের শিক্ষার্থীদের কাছে বই থাকবে না। ভারি ভারি বইয়ের ব্যাগ পিঠে ঝুলিয়ে স্কুলে যেতে হবে না। কম্পিউটারে অথবা ল্যাপটপে পুরো বই থাকবে। ক্লাসে বই পড়িয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার প্রতি আকৃষ্ট করতে যখন শিক্ষকদের গলদঘর্ম অবস্থা, ঠিক তখনই তাদের আকৃষ্ট করতে স্কুলে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে পাঠ দান করা হচ্ছে। পাঠ দানের অনুশীলন তৈরি করে তা মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে সাদা পর্দায় অথবা ক্লাসের সাদা দেয়ালে দেখানো হচ্ছে। আর শিশুরা খুব মনযোগ দিয়ে তা মস্তিষ্কে ধারন করছে। বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আসিটি) সুফিয়া নাজিম জানালেন তার অভিজ্ঞতার কথা। তিনি একটি স্কুলের শ্রেণী কক্ষে প্রবেশ করে দেখতে পান যে শিশুরা তন্ময় হয়ে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টের মাধ্যমে অংক ক্লাস করছে। তারা এতটাই মনোযোগী হয়ে প্রজেক্টরের মাধ্যমে ক্লাস করছেন যে, শিক্ষার্থীরা বুঝতেই পারেনি যে তিনি ক্লাসে এসেছেন। সরকার পাঠ্যক্রমকে সহজ উপায়ে গ্রহণ করার জন্য বগুড়ার ১২ টি উপজেলার প্রতিটির তিনটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অর্থাৎ ১২ টি উপজেলায় ৩৬ টি মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর দিয়েছে। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রতিটি উপজেলার পাইলট স্কুলে ১ টি করে মোট ১২ টি মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর দিয়েছে। প্রতিবছর ৫টি করে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর দেওয়া হচ্ছে। বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাবেয়া খাতুন জানালেন তার স্কুলও মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর পেয়েছে। স্কুলের তহবিল থেকেও একটি কেনা হয়েছে। এতে ফলও এসেছে। শিক্ষার্থীরা সহজেই পাঠদান বুঝতে পারেন। কিন্তু স্কুলে আরও প্রজেক্টর দেয়া হলে সকল শিক্ষার্থী উপকৃত হতো। বগুড়ার কাহালু উপজেলার শেখাহার উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক জানালেন এক্সেস টু ইনফরমেশন প্রকল্পের আওতায় তারা ডিজিটাল ক্লাস নেওয়ার প্রশিক্ষণ নিয়ে এখন শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিচ্ছেন। এতে শিক্ষার্থীরা খুব সহজেই লেখা-পড়া আয়ত্বে আনতে পারছে। শিক্ষার্থীরা খুব আগ্রহ ভরে ক্লাস করছে। একই পদ্ধতিতে দুপচাঁচিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল পদ্ধতিতে পড়ানো হচ্ছে। সেখানে সপ্তাহে একবার ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জীববিজ্ঞান পড়ানো হচ্ছে। জেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও বগুড়া জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক রমজান আলী জানান, ল্যাপটপ সরকার সরবরাহ করলেও সব শিক্ষক তা ব্যবহার করতে জানেন না। অনেকে সরবরাহকৃত ল্যাপটপ নষ্ট করে ফেলছে। তবে একদিন ডিজিটাল পদ্ধতি ছাড়া পড়াশুনা হবেনা। যে সকল শিক্ষক কম্পিউটার জানবে না, তাদের একদিন অযোগ্য বলে ঘোষনা করা হবে। ধীরে ধীরে দেশের সকল বিদ্যালয় ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় আসবে এমনটাই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
ফুলছড়িতে বালুচরে মিষ্টি কুমড়া চাষ করে তিন শতাধিক নারীর সাফল্য
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার চরাঞ্চলের বালুময় চরের পতিত জমিকে চাষাবাদের উপযোগী করে মিষ্টি কুমড়া চাষ করেছেন তিন শতাধিক নারী। ইতিমধ্যে তাদের এ প্রচেষ্টার আশানুরুপ সাফল্যও অর্জিত হয়েছে। নারীদের এ সাফল্য দেখে চরাঞ্চলের অন্যরাও মিষ্টি কুমড়া চাষে ঝুঁকে পড়েছেন। ব্রহ্মপুত্র নদ বেষ্টিত ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের নীলকুঠি, কাতলামারী, উদাখালী ইউনিয়নের সিংড়িয়া, উড়িয়া ইউনিয়নের রতনপুর, কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের ভাষারপাড়া, রসুলপুর, সৈয়দপুর এলাকায় ২০০৯ সালে জেগে ওঠে ছোট-বড় অসংখ্য চর। এসব চরে বালু মাটিতে কোন ফসল উৎপন্ন হতো না। উত্তরাঞ্চল ভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা গণউন্নয়ন কেন্দ্র এখানকার তিন শতাধিক দরিদ্র নারীকে প্রথমে মিষ্টি কুমড়া চাষের বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করে। পরে সংস্থাটির আর্থিক সহায়তা নিয়ে এসব নারী ওই বালুময় চরের পতিত জমিকে চাষাবাদের উপযোগী করে চরাঞ্চলে মিষ্টি কুমড়া চাষ শুরু করে। দুইহাত পর পর বালি তুলে গর্ত করে সেখানে বেঁলে দোঅাঁশ মাটি দিয়ে উঁচু করে বিঘার পর বিঘা জমিতে মিষ্টি কুমড়ার বীজ বুনেন তারা। বর্তমানে বালুচরে পড়ে আছে উৎপাদিত শত শত হলুদ রঙের মিষ্টি কুমড়া। যা দেখে যে কারো মন কারবে। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার চরাঞ্চলের গরীব পরিবারগুলোর অনেকেই এখন স্বপ্ন দেখছেন স্বচ্ছলতার সাথে সামনে এগিয়ে যাওয়ার। সাত ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ব্রহ্মপুত্র নদীর বিস্তীর্ণ এলাকায় শুষ্ক মৌসুমে কোনো পানি থাকে না। যেদিকে তাকানো যায় শুধু বালি আর বালি। কিন্তু সেই ধু ধু বালুচরে স্বপ্ন গেড়ে গেড়ে কৃষকরা তুলে আনছেন সোনার ফসল। ফলে কৃষাণীদের মুখে হাসি লেগে আছে প্রতিটি মুহূর্তে। এক সময় ব্রহ্মপুত্র নদীর চরে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো কাশিয়ার জায়গা এখন দখল করে নিয়েছে বিভিন্ন ধরণের ফসল। বালুময় চরে এখন ধান, পাট, গম, সরিষা, আলু, কুমড়া, বাদামসহ উৎপাদন হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ফসল। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এবং নারী কৃষাণীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল তাদের সংগ্রাম ও সাফল্যের নেপথ্য কাহিনী। আর এ নেপথ্য কাহিনীর বাস্তবায়নকারী হচ্ছে গাইবান্ধার বেসরকারি সংস্থা গণউন্নয়ন কেন্দ্র। এতে কারিগরি সহায়তা করছে পিএফপি সিড়ি প্রকল্প ও প্র্যাকটিক্যাল এ্যাকশন বাংলাদেশ। উপজেলার নীলকুঠি, কাতলামারি, উড়িয়া, সিংড়িয়া, বালাসী ও ভাষারপাড়া এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়েছে মিষ্টি কুমড়ার। প্রতিটি গাছে মিষ্টি কুমড়া ধরেছে ৩ থেকে ৪টি। একেকটি কুমড়ার ওজন ১২ থেকে ১৪ কেজি, কোনটির আবার ৩৫ কেজিরও বেশি। রসহীন বালুচরে আশানরুপ ফলন পেয়ে কুমড়া চাষিদের চেহারায় পড়েছে স্বচ্ছলতার ছাপ। উল্লেখিত গ্রামের ৩২৫ পরিবারের মধ্য থেকে ৩২৫ জন সদস্যকে এই মিষ্টি কুমড়া চাষে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। তাদের মাধ্যমে ৩২ হাজার ৫শটি মিষ্টি কুমড়ার গাছ লাগানো হয়েছে। ১শ\' গাছের প্রতিকুলে প্রয়োজনীয় পরিমাণ গোবর সার, ইউরিয়া-পটাশ, বীজ, পানির ব্যবস্থা ও নদী পারাপারের জন্য নৌকাভাড়াসহ প্রত্যেক সদস্যের ব্যয় হয়েছে ৭ থেকে সাড়ে ৭ হাজার টাকা। চরাঞ্চলের নারীরা কম খরচে ও স্বল্প পরিশ্রমে ফলন পেয়ে তা বাজারে বিক্রি করে কমপক্ষে ১২ থেকে ১৪ হাজার টাকা আয় করে পরিবারে স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে পারবে। চরাঞ্চলের ওইসব গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, যত দূর চোখ যায় তত দূর শুধু মিষ্টি কুমড়া আর মিষ্টি কুমড়া। কৃষাণীরা জমি থেকে মিষ্টি কুমড়া তুলছে। তা বাজারে বিক্রি করলেই তাদের হাতে আসবে কাঁচা টাকা। সিংড়িয়া গ্রামের মিষ্টি কুমড়া চাষী আদুরী বেগম জানান, জমি থেকে যাতে মিষ্টি কুমড়া চুরি না হয়ে যায় সেজন্য পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর পাহারাদারের কাজ করছেন ওই মহিলাদের স্বামীরা। পালাক্রমে তারা রাতে এ দায়িত্ব পালন করে থাকেন বলে জানা যায়। নারীদের প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা এসব মিষ্টি কুমড়া বাগান দেখে সবাই অভিভূত। উদাখালী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বাকী সরকার বলেন, চরাঞ্চলের পতিত বালুময় জমিতে ফসলের চাষ করে প্রচুর অর্থ পাওয়া সম্ভব তা কৃষকদের ধারণা ছিলো না। কিন্তু এখন ধু-ধু বালুচরে নারীরা মিষ্টি কুমড়ার চাষ করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। নারীরাও হয়েছে স্বাবলম্বী। সিড়ি প্রজেক্টের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর ফাতেমা বেগম জানান, গণ উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে ৩২৫ পরিবারের মাঝে মোট ৩২ হাজার ৫০০টি বিদেশী মিষ্টি কুমড়ার চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি তাদের বীজ, সার, শ্যালো মেশিনের তেল খরচেরও টাকা দেয়া হয়। প্রকল্পের ফিল্ট কো-অর্ডিনেটর সাইফুল আজাদ বলেন, নদীভাঙ্গন কবলিত হতদরিদ্র পরিবারের সদস্যদের আয় বৃদ্ধিমূলক কর্মকান্ডে অন্তর্ভুক্ত করে চরাঞ্চলে মিষ্টি কুমড়া চাষ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে নারীরা স্বল্প পরিশ্রমে ফলন পেয়ে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও পরিবারে স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে পারবে। ফুলছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার মো: ইউসুফ রানা মন্ডল বলেন, এখানকার নারীরা পতিত বালুময় চরে মিষ্টি কুমড়ার চাষ করে এলাকায় কৃষি ক্ষেত্রে রীতিমতো সাফল্যের জোয়ার বয়ে এনেছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে ওই সব কৃষাণীদের সহায়তা ও পরার্মশ দেয়া হচ্ছে।
কবি সম্পাদক ফারুক সিদ্দিকী আর নেই
বাংলাদেশের লিটল ম্যাগাজিন আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ বিপ্রতীক সম্পাদক ও প্রবীণ কবি ফারুক সিদ্দিকী আর নেই। গতকাল রাত নয়টায় বগুড়া শহরের সুত্রাপুরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। লিল্লাহে .... রাজেউন)। গুরুতর অসুস্থ হয়ে তিনি তার নিজ বাসভবনে দীর্ঘদিন শয্যাশায়ী ছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। তার জন্ম ১৯৪১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর। তার সম্পাদিত পত্রিকা \'বিপ্রতীক\' ১৯৬৭ সাল হতে এ যাবতকালে বেরিয়েছে ৩৫টি সংখ্যা। এ ছাড়াও প্রকাশিত হয়েছে তার একমাত্র কাব্যগ্রন্থ \'স্বরচিহ্নে ফুলের শব\' ও প্রবন্ধগ্রন্থ \'তামসিক নিসর্গে ঈশ্বরনামা ও অন্যান্য\'। সাহিত্য ও লিটল ম্যাগাজিন আন্দোলনে বিশেষ অবদান রাখার কারণে তিনি বগুড়া লেখক চক্র, কবি মনোজ দাশগুপ্ত স্মৃতি পুরস্কার, বগুড়া জেলা প্রশাসন পদক ও কন্ঠসাধন আবৃত্তি সংসদ সম্মাননাসহ আরও অনেক সম্মাননা পেয়েছেন। মরহুমের জানাযা আজ সকাল ১০টায় আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। তার মৃত্যুতে কবি বজলুল করিম বাহার, কবি মুহম্মাদ শহীদুল্লাহ, কবি রেজাউল করিম চৌধুরী কবি রহমতুল বারী, কবি শোয়েব শাহরিয়ার, কবি পলাশ খন্দকার, কবি শিবলী মোকতাদির, কবি আব্দুল খালেক, কবি ইসলাম রফিক ও কবি জয়ন্ত দেবসহ সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের পক্ষ থেকে গভীর শোক জ্ঞাপন করা হয়েছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।
 
 
 
রানা প্লাজা ধসে দীর্ঘস্থায়ী সহায়তার আশ্বাস বাস্তবায়ন হয়নি
সিপিডি
স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা অফিস :
রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় আহত শ্রমিক ও নিহতের পরিবারকে দীর্ঘস্থায়ী সহায়তার যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল তার অধিকাংশই বাস্তবায়ন হয়নি বলে মনে করছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। গতকাল বুধবার রাজধানীর মহাখালীর ব্রাক ইন সেন্টারে রানা প্লাজা দুর্ঘটনার এক বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধে এসব কথা বলেন... বিস্তারিত
 
রাজধানীতে গুলিতে শীর্ষ সন্ত্রাসী নিহত
স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা অফিস :
রাজধানীর খিলগাঁওয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে 'শীর্ষ সন্ত্রাসী' মো. মিয়া (৪২) নামে একজন নিহত হয়েছেন। ভূঁইয়াপাড়া এলাকার ১৩ নম্বর গলিতে বুধবার রাত ৮টার দিকে এ গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এ সময় হাজেরা বেগম (৪০) নামে এক পথচারী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। মো. মিয়া খিলগাঁও ভূঁইয়াপাড়া এলাকার মৃত মালকাস... বিস্তারিত
 
রাজধানীতে সহকারী পুলিশ কমিশনারের বাসায় চুরি
স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা অফিস :
রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স অফিসার্স কোয়ার্টারে ঢাকা মহানগর পুলিশের কূটনৈতিক জোনের সহকারী কমিশনার কামাল হোসেনের ফ্ল্যাটে চুরি হয়েছে। বাসা থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকার মালামাল চুরি গেছে বলে দাবি তার। গত মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে মধুমতি ভবনের ২/এফ ফ্ল্যাটের বাসার চুরির ঘটনা ঘটে।
... বিস্তারিত
 
যৌন নিপীড়নের অভিযোগ শাহজালাল বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাছিরের বরখাস্তের দাবিতে ধর্মঘট
করতোয়া ডেস্ক :
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে এক শিক্ষকের স্থায়ী বরখাস্তের দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। গতকাল বুধবার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মুখপাত্র শরিফুল ইসলাম বুলবুল বলেন, সিন্ডিকেটের পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে আজ আমরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছি। প্রশাসন কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়ায়... বিস্তারিত
 
রাজধানীতে গরমের ৪ বছরের রেকর্ড ভঙ্গ
স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা অফিস :
চার বছরের রাজধানীতে তীব্র গরম পরেছিল গতকাল বুধবার। রেকর্ড পরিমাণ তাপমাত্রা ছিল ৩৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ জানান, বুধবার বেলা ৩টায় ঢাকা শহরের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত চার বছরে এমন গরম ঢাকায় পড়েনি। সবশেষ ২০০৯ সালে একই সময়... বিস্তারিত
 
 
ভিডিও
রাশিচক্র আজ ঢাকায় আজ বগুড়ায়
 
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চরমপন্থিরা আত্মসমর্পণের আহ্বানে সাড়া দেবে বলে মনে করেন কি?
হ্যাঁ
উত্তর নেই
না
 
 
 
আজকের ভিউ
নামাজের সময়সূচী
ওয়াক্ত
সময়
ফজর
05:25
জোহর
01:15
আছর
03:53
মাগরিব
05:33
এশা
06:51
 
 

সম্পাদকঃ মোজাম্মেল হক, সম্পাদক কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, শিল্পনগরী বিসিক বগুড়া এবং ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, (আরামবাগ) ইডেন কমপ্লেক্স, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত ও চকযাদু রোড, বগুড়া হতে প্রকাশিত।
ফোন ৬৩৬৬০,৬৫০৮০, সার্কুলেশন বিভাগঃ ০১৭১৩২২৮৪৬৬, বিজ্ঞাপন বিভাগঃ ৬৩৩৯০, ফ্যাক্সঃ ৬০৪২২। ঢাকা অফিসঃ স্বজন টাওয়ার, ৪ সেগুন বাগিচা। ফোনঃ ৭১৬১৪০৬, ৯৫৬০৬৬৯, ৯৫৬৮৮৪৬, ফ্যাক্সঃ ৯৫৬৮৫২২ E-mail : dkaratoa@yahoo.com . . . .

Powered By: